খুঁজুন
, ,

পোর্ট কানেক্টিং রোডের উন্নয়ন কাজে দৃশ্যমান অগ্রগতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 11 September, 2020, 7:39 pm
পোর্ট কানেক্টিং রোডের উন্নয়ন কাজে দৃশ্যমান অগ্রগতি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগের পাইপলাইন হিসেবে খ্যাত পোর্ট কানেক্টিং রোডের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজে দৃশ্যমান অগ্রগতি হওয়ায় গভীর সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, তিন বছর ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে জন-দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছে ছিলো। প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই সড়কটির সংস্কার ও উন্নয়ন কাজটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিই। প্রতিদিনই বিরামহীন ভাবে এই সড়কটির কাজ চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত কাজের যে-টুকু অগ্রগতি হয়েছে তাতে অনেকাংশ জনদুর্ভোগ লাঘব হয়েছে। একই ভাবে নগরীর অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থ সড়কগুলোকেও নির্বিঘ্নে যান ও জনচলাচল উপযোগী করে তোলার জন্য প্যাচওর্য়াক চলমান থাকবে।

তিনি আজ দুপুরে পোর্ট কানেক্টিং রোডে সংস্কার ও নির্মাণ কাজ পরিদর্শনকালে সমবেত এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, যে গতিতে কাজ চলছে তাতে নভেম্বর মাসের মধ্যেই সড়কটির সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হওয়ার আশা করা যায়। বৃষ্টিজনিত কারণে পূর্নগতিতে কাজ করার ক্ষেত্রে সাময়িক বিরতি না থাকলে অক্টোবর মাসেই কাজটি সম্পন্ন হয়ে যেতো।

তিনি প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের উদ্দেশ্যে বলেন, সড়কটির স্থায়িত্ব ও ভারী পরিবহন চলাচলের সক্ষমতা বজায় এবং গুনগত মান রক্ষায় কারিগরী বিষয়গুলোর যথাযথ প্রয়োগ হলে আগের মত সড়ক বেহাল দশায় পর্যবসিত হবার কোন আশঙ্কা থাকবে না। আমি এই বিষয়টির উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। অতীতে এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হয়নি বলেই সড়ক উন্নয়নের কাজ শেষ হওয়ার পর অল্প সময়ের ব্যবধানে এসব সড়ক বেহাল অবস্থায় পৌঁছে গেছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের দায়িত্বহীনতার চিত্র প্রকট হয়ে ওঠে।

প্রশাসক পোর্ট কানেক্টিং রোড পরিদর্শনের সময় শতশত উৎফুল্ল মানুষের ভীড় জমে ওঠে। এ সময় তারা হাত নাড়িয়ে চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনকে শুভেচ্ছা সিক্ত করেন এবং অনেকেই মন্তব্য করেন যে, দীর্ঘ তিন বছর ধরে আমরা কাঁদামাটির জন্য রাস্তাটি দেখতেই পায়নি। এখন রাস্তাটি দেখতে পাচ্ছি যা আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো। এতদিন ভাঙ্গাচোরা খানা-খন্দে ভরা সড়কে কাদা পানি মেখে চললেও এখন পীচঢালা পাকা-পোক্ত সড়ক দেখতে পেয়ে গ্লানি ও হতাশা দুর হলো।

প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন পোর্ট কানেক্টিং রোডে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী-শ্রমিকদেরকে ঘরে তৈরী চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বিনি চালের পিঠা-পুলি খাইয়ে আপ্যায়িত করে উৎসাহ সৃষ্টি করেন। তিনি শ্রমিকদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহবান জানান। এছাড়া সরাইপাড়া এলাকাবাসীরাও নিজ উদ্যোগে সড়কে কর্মরতদের দুপুরে আপ্যায়িত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের উপ সহকারী প্রকৌশলী সুমন সেন, সড়ক তদারককারী মো. নুর ইসলাম, ঠিকাদারদের পক্ষ থেকে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ওসমান ও ইঞ্জিনিয়ার মো. জহির উদ্দিন।

এছাড়া কলকা সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে সরাইপাড়া স্কুল, মেহেদী বাগ, শেখ মুজিব রোড, দেওয়ানহাট, মেরিনার্স রোড, সিডিএ এভিনিউ, বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার, এয়ারপোর্ট রোড, কাস্টম মোড়, ঈশান মহাজন রোডে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যাচওয়ার্ক আজ দিনভর চলমান ছিলো।

নগরবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে প্রতিনিয়ত প্যাচওয়ার্ক কাজ চলমান রাখা হয়। পোর্ট কানেক্টিং রোডের চলমান উন্নয়ন কাজের সুবিধার্থে এক পাশ বন্ধ রেখে কাজ চলছে এবং এক পাশ খোলা রাখা হয়েছে। যে অংশটি খোলা সেই অংশে গাড়ি চলাচল ও ভারী বৃষ্টির কারণে সমাপ্ত সংস্কার কাজ ক্ষতিগ্রস্থ হলেও সেগুলোতে তাৎক্ষণিক প্যাচওয়ার্ক বিদ্যমান রাখা হয়। নগরীর যে কোন সড়কে দৃশ্যমান ক্ষয়ক্ষতি ও সমস্যা থাকলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অথবা যে কোন ভাবে প্রশাসককে অবগত করা হলে অকুস্থলে প্যাচওয়াক টিম জনভোগান্তি লাঘবে কাজ করবে।

এরপর চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন আরেফিন নগর টিজি পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে চসিক প্রশাসক টিজির প্রবেশমূখের রাস্তাটিকে আরো হাইজেনিক করার নির্দেশনা দেন। এছাড়া কর্পোরেশনের জায়গা যারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন তাদেরকে কাছ থেকে জায়াগুলো অবৈধ দখল মুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা দেন। এছাড়া মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মপন্থা গ্রহণ করা হবে বলে এলাকাবাসীকে জানান চসিক প্রশাসক।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 9:11 am
নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে ৫৯৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস।

এর মধ্যে গত দেড় বছরেই আয় হয়েছে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা নিলাম রাজস্বে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য সরানোর পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বাড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনার খালি করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর আওতায় নিলামযোগ্য পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে এবং নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ২৪টি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এসব নিলামে ১ হাজার ৮১৪টি লট বিক্রি করে ১১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়।

২০২২ সালে ৪২টি নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৮১টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে ২৩টি নিলামে ৬৩২টি লট বিক্রি করে রাজস্ব আসে ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

২০২৪ সালে ৫৫টি নিলামের মাধ্যমে ৫১১টি লট বিক্রি করে ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আয় হয়। ২০২৫ সালে ৬০টি নিলামে ১ হাজার ৪০টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১২৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৪৫টি অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩৮৩টি লট বিক্রি করে ১৫৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কে এম করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম ব্যবস্থাপনা, পণ্যের তালিকা প্রস্তুত (ইনভেন্টরি) এবং নিলামকৃত পণ্য বুঝিয়ে দেওয়ার কাজে তার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে, যা এত স্বল্প সময়ে নিলাম থেকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী খালাস না হওয়া পণ্য অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নিলামের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিলাম করা পণ্য বিক্রি থেকে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য সরিয়ে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 8:34 am
ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিক হেনস্তা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় বাঁধন নিজেই এই ঘটনার বিবরণ দেন।

অভিনেত্রী জানান, ইতালির একটি স্থানীয় পার্কে তিনি তার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে একদল ব্যক্তি হুট করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে কোল্ড ড্রিংকস (কোক) ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তা ছাড়া তার হাত থেকে মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়।

বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে। বাঁধন দাবি করেন, আক্রমণকারীরা তাকে জোরপূর্বক ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে। পুরো সময় জুড়ে তার সঙ্গে অত্যন্ত গালমন্দ ও অসংগত আচরণ করা হয়।

ভিডিওবার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘‘আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে এবং আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেয়া হয়েছে। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন ও সহিংস আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত। এভাবে উদ্দেশ্য হাসিল বা নিজেদের অবস্থান ফেরানো সম্ভব নয়।’’

ভিডিওটিতে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘‘সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেও বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছেন। আশা করি আপনারা বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেবেন।’’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল লোক নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালিগালাজ করছে এবং বারবার তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 9:10 pm
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগ ও পাহাড়ের ঢালে নির্মাণকাজের বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী শফিক আহমেদ এবং পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড়, আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড় এবং উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড়ের ঢালে কিছু দেওয়াল সদ্য নির্মিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাহাড়ের ঢালে এ ধরনের দেওয়াল নির্মাণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে রাতের সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় পরিদর্শনকালে পাহাড় কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকেও পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড় পরিদর্শনকালে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটতে দেখা যায়নি। তবে নির্মাণস্থলের ভূমির শ্রেণি ‘ছনখোলা’ বা ‘নাল’ নাকি পাহাড়—তা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পাহাড় কাটার অভিযোগ বা পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।