খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষক ও অভিভাবকের সমম্বয় পাঠোন্নতির গুরুত্বপূর্ণ শর্ত : রেজাউল করিম চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
শিক্ষক ও অভিভাবকের সমম্বয় পাঠোন্নতির গুরুত্বপূর্ণ শর্ত : রেজাউল করিম চৌধুরী

শিক্ষালয়, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক এর সম্মিলন পাঠোন্নতির একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত বলে উল্লেখ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও চসিক মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। বাকলিয়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য এ মন্তব্য করেন।

প্রসঙ্গক্রমে তিনি আরো বলেন, একজন শিক্ষার্থীর পাঠ গ্রহণের উদ্দেশ্য নিশ্চয়ই জ্ঞান অর্জন, অর্থাৎ জ্ঞাত হওয়া বা প্রকৃষ্টরূপে জানা। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সহজে জানার কৌশল শেখাবেন, পাঠ দান করবেন এবং যথাযথ অনুসরনের জন্য তদারকি করবেন। সে হিসেবে বলা যায়, শিক্ষকই একজন শিক্ষার্থীর প্রধানতম অভিভাবক। কিন্তু, বিদ্যালয় বা শিক্ষায়তনের বাইরেও শেখার অনেক কিছুই থেকে যায়। এখানে পিতা, মাতা, ভাই, বোন কিংবা অগ্রজ কাউকে অভিভাবকের দায়িত্ব নিতে হয়। বিশেষত শিশু শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পারিবারিক অভিভাবকের ভূমিকা অগ্রগন্য।

একজন শিশু সহজেই পিতা, মাতা কিংবা পরিবারের বড়দের অনুকরন ও অনুসরন করে থাকে। আরো যদি চিন্তা করে দেখি, তাহলে দেখব-শিশুরা মায়ের দ্বারা বেশী প্রভাবিত হয়। এটি প্রাকৃতিক একটি ব্যাপার। তাছাড়া ভ্রুন থেকে ভূমিষ্ট হওয়া, ভূমিষ্ট হওয়া থেকে বেড়ে ওঠার সময়টাতে শিশুরা মায়ের সাহচর্য বেশী লাভ করে এবং সহজে মায়ের দ্বারা প্রভাবিত হয়। তাই একজন মাতা ও পারিবারিক অভিভাবকের সহযোগিতা পেলে শিক্ষার্থীকে উপযুক্ত বিদ্যা আয়ত্ব করানোর ক্ষেত্রে একজন শিক্ষকের কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। তাই আমরা আমাদের ছোট বেলায় দেখতাম শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে একটা নিবিঢ়তম যোগাযোগ বিদ্যমান থাকত।

শহুরে পরিবেশে এটা কিছুটা কঠিন হয়ে পড়েছে, অস্বীকার করা যায় না। তবে অভিভাবকরা চাইলে এটাকে সহজ করতে পারেন, বিদ্যালয়ে এসে খবরা খবর নিতে পারেন। শিক্ষকদের পরামর্শ অনুযায়ী সন্তানদের পরিচালনা করতে পারেন। এতে করে সন্তানেরা প্রকৃত জ্ঞান অর্জন করে একজন আদর্শ নাগরিক হয়ে গড়ে উঠতে পারবে। পড়, পড়, শিখ, শিখ না বলে পাঠ্য বিষয়কে গল্পাকারে শিক্ষার্থীর কাছে তুলে ধরতে পারলে পাঠের বিষয়টি তার কাছে সহজবোধ্য হয়। পড় এবং জানো এ বিষয়টিকে প্রাধান্য দিতে হবে। জানার আগ্রহ সকল মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। জানার এ আগ্রহকে আগে জাগিয়ে তুলতে হবে। জানার আগ্রহ জাগ্রত থাকলে সে অবশ্যই পড়বে এবং শিখবে, এটা আমি বিশ্বাস করি।

শিক্ষিকা লাকী দেবী’র সঞ্চালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. মঈনুদ্দিন এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক শহিদুল আলম, পশ্চিম বাকলিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলী নাওয়াজ, যুগ্ম আহ্বায়ক আকবর আলী আকাশ, চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিরাজুর রহমান, বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌস, তসলিমা জান্নাত, হাসিনা বেগম, অভিভাবক শামীমা আক্তার, পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন, সরওয়ার উদ্দিন, সরওয়ার আলম, ফরিদুল আলম, হাজী জাহাঙ্গীর, জাহাঙ্গীর আলম রানা, আক্কাস আলী প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…