খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে বন্যা করোনার প্রভাবে প্রান্তিক চাষীদের মাথায় হাত ॥ ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরী করছে কৃষি বিভাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
গাজীপুরে বন্যা করোনার প্রভাবে প্রান্তিক চাষীদের মাথায় হাত ॥ ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরী করছে কৃষি বিভাগ

এমদাদুল হক, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরে একদিকে করোনার প্রাদুর্ভাব অন্যদিকে বন্যা, এ দুটি বিপদসংকুল পরিবেশ কাটাতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে কৃষকেরা। তারা গত তিন মাসে যেসব ফসল ফলিয়েছেন তাতে লাভের মুখ তো দূরের কথা পুরোটাই ক্ষতি হয়েছে। লাখ লাখ টাকা ব্যায় করা ফসলি জমিতে ফসল নেই শুধু মাচা পড়ে আছে। নতুন করে ফসল ফলানোর চিন্তাও করতে পারছেন না তারা।

কৃষকদের স্বপ্ন ভেঙ্গে দিয়েছে বন্যা ও জলাবদ্ধতা। করোনা ভাইরাসের প্রভাব তো শেষই হচ্ছে না। কিন্ত কৃষকদের এ ক্ষতি কিভাবে কাটিয়ে উঠবেন এবং পরবর্তী ফসল কিভাবে রোপন করবেন তা নিয়ে শংকা থেকেই যাচ্ছে। এদিকে, গত সপ্তাহ দু’য়েক যাবত বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর, শ্রীপুর ও গাজীপুর সদর উপজেলার মোহনায় ভেড়ামতলী গ্রাম। ওই গ্রামের কৃষক মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, মৌসুমী ফসল ফলিয়ে তিনি করোনা ও বন্যার প্রভাবে ৭০ হাজার টাকা লোকসান গুণেছেন।

অপর চাষী সাদেকুর রহমান জানান, ১ একর ৭০ শতক জমিতে গেল বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে চিচিঙ্গা, ধুন্দল, লাউ, পাট শাক ও কলা বাগান করেছিলেন। প্রতি ৩৫ শতক জমি ১০ হাজার টাকায় জোতদারের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছেন। ফসল ফলাতে তার খরচ হয়েছে আনুমানিক ৬লাখ টাকা। ওই টাকাও ঋণ করেছেন বিভিন্নজনের কাছ থেকে। কিন্তু এবারের ভারী বর্ষন ও বন্যার পানির কারণে তার সব ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। ঋণ পরিশোধ নিয়ে শংকিত হয়ে পড়েছেন।

৮০ শতক জমিতে ধুন্দল ও চিচিঙ্গা চাষ করেন সাদেরকুর রহমান। শুরুতে ফলন আসতে শুরু করেছিল। কিন্তু যথাযথ মুল্য পাননি করোনা ভাইরাসের কারণে। ভাইরাসটির প্রভাবে নানা প্রতিবন্ধকতায় পাইকাররা এলাকার বাজারে আসতে পারেননি। যারা এসেছেন তারাও পণ্যের যথাযথ দাম দেননি। বাধ্য হয়ে উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম মুল্যে কৃষিপণ্য বিক্রি করতে হয়েছে। এক সপ্তাহ বিক্রি করার পরই ভারী বর্ষন, বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। জমি থেকে ফসল উঠাতে পারেননি। অন্যদিকে কোনো কোনো সময় ফসল উঠালেও সেসব পানির দরে বিক্রি করতে হয়েছে। ফলে খরচ করে জমি থেকে আর ফসল উঠাননি।

এদিকে, লাউ শাক করেছিলেন প্রায় ৪০ শতক জমিতে। তিন ফুট পরিমাণ লাউয়ের ডগা বেড়ে উঠেছিল। কিন্তু বন্যার পানিতে সব ডুবে যাওয়ায় জমিতেই পঁচে গেছে। প্রায় ৭০ শতক জমিতে শবরী ও সাগর কলার জাত রোপণ করেছিলেন। শবরী কলা বাগানের ৪/৫টি গাছে কলার ছরি ঝুলে আছে। সেগুলো অপরিপক্ক অবস্থায় শুকিয়ে যাচ্ছে। কলা বাগানে ৪/৫ ফুট বন্যার পানি আটকে থাকায় গাছগুলো মারা গেছে। জমিতে শুধু লাউয়ের মাচা শোভা পচ্ছে। পানির মধ্যে বেড়ে উঠার সক্ষমতা থাকায় সাগর কলার ৩০/৩৫টি গাছ বেঁচে আছে। এগুলোর মধ্যে ফলনও ভাল হয়েছে। তবে কলা বাগান থেকে তার দেড় লাখ টাকা ক্ষতি হবে বলে জানান কৃষক সাদেকুর রহমান।

অপর কৃষক আজিম উদ্দিন বলেন, ঋণ ও জমি ভাড়া নিয়ে ৩৫ শতক জমিতে শবরী কলার বাগান করেছিলেন। পানিতে সব নষ্ট হয়ে গেছে। এখন প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতির মুখোমুখি তিনি। কলা চাষই তার সম্বল ছিল, তাই পরবর্তী ফসল ফলানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

পাশর্^বর্তী গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী গ্রামের ফারুক সরকার জানান, স্থানীয় বিভিন্ন সমিতি থেকে তিন লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ২ একর জমিতে ধুন্দল, চিচিঙ্গা ও লাউ শাকের চাষ করেন। জমিগুলো প্রতি ৩৫ শতক চার হাজার টাকা করে ভাড়া নিয়ে মৌসুমী ফসল ফলান। ধুন্দল ও চিচিঙ্গার ফলন ভালো হলেও করোনা ভাইরাসের প্রভাবে পাইকারী বা খুচরা কোনো ধরণের ক্রেতা পাননি বাজারে বা এলাকায়। পরে এলাকার মানুষদের মাঝে ধুন্দল ও চিচিঙ্গা বিনামুল্যে বিলিয়ে দেন। পরপরই এক একর জমিতে লাউ চাষ করার পর বন্যার পানিতে সব তলিয়ে যায়। এখন ঋণ কিভাবে পরিশোধ করবেন বা আবার কিভাবে নতুন করে ফসল ফলাবেন সেই দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। তিনি জানান, মাত্র এক লাখ টাকা হলেই তিনি আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন। কিন্তু এ অবস্থায় এলাকায় কেউ তাকে ঋণ দিতে চায় না। সরকারি কোনো সুযোগ থাকলে কেবল সে সুযোগের প্রত্যাশায় এখন দিন পার করছেন। আর কিভাবে বা কোথায় সরকারি ঋণ পাওয়া যাবে তার পরামর্শও কেউ দেয় না।

পাশর্^বর্তী কালিয়াকৈর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের কুজরত উল্লাহর স্ত্রী রাহিমা খাতুন জানান, ৭০ শতক জমিতে পাট শাক, মিষ্টি আলু, লাল শঅক, পালং শাকসহ বিভিণ্ন জাতের ফসল আবাদ করেন। ধীরে ধীরে জমিতে পানি বাড়তে থাকে। আর চোখের সামনেই ফসলগুলো পানিতে তলিয়ে যায়্। পািিন ধীরে ধেির আসছিল আর এবার ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে।

একই গ্রামের জেলোয়ার সিকদারের স্ত্রী আছমা খাতুন জানান, ৮৫ শতক জমিতে পুঁইশাক, ধুন্দল, লাউ শঅক, কুমড়া, কচু রোপন করেছিলেন। বন্যার পানিতে সব তলিয়ে গেছে। লাভে মূলে সব শেষ হয়ে গেছে। আমাদের মতো মৌসুমী ফসলের কৃষক পরিবার সর্বশান্ত হয়ে পড়েছে। গাজীপুরে ১৯৯৮ সনের পর এরকম বন্যা দেখা দেয়নি। কমপক্ষে দেড় লাখ টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

চাষী মবিন সিকদার জানান, ৭০ শতক জমিতে লাউ, কুমড়া, বাঙ্গি, ধুন্দল রোপন করেছিলাম। কোনো ফসলই এখন চোখের সামনে নেই। সব পানিতে তলিয়ে গেছে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কাটিয়ে উঠতে গিয়ে বন্যার পানির মুখোমুখি হয়ে সব হারিয়েছি।

গাজীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাহবুব আলম জানান, গাজীপুর জেলায় মৌসুমী শাক-সব্জী আবাদে জমির পরিমান ৭ হাজার ২’শ ৪২ হেক্টর। এবার বন্যা বা জলাবদ্ধতার কারণে বেশিরভাগ জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরীর কাজ চলছে। তালিকা তৈরীর পাশাপাশি জেলার ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার ৪’শ ৮টি কৃষি পরিবারের মধ্যে নতুন করে ফসল ফলাতে বীজ, সার, ঘেরা বেড়া ও সাইনবোর্ড দেয়া হয়েছে। সব্জী প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে ১ হাজার ৫’শ ৫০টি পরিবারে এবং মাসকেলাই দেয়া হচ্ছে ৬’শ পরিবারে। তবে এসব দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন প্রদর্শনীর আওতায়।

তিনি জানান, কৃষকেরা প্রয়োজনবোধ করলে স্থানীয় ব্যাংকগুলো থেকে সহজ শর্তে কৃষি ঋণ নিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ কৃষকদেরকে সহায়তা করবে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

এমবাপের জোড়া গোলে নকআউটে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ণ
এমবাপের জোড়া গোলে নকআউটে ফ্রান্স

প্রতিপক্ষের অর্ধ থেকে দৌড় দিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তারপর দুই ডিফেন্ডারকে কাটালেন। সামনে শুধু গোলকিপার। একটু বামে গিয়ে লক্ষ্যে শট নিতে চাইলেন। কিন্তু গোলবারের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে গেল বল। হ্যাটট্রিক হলো না।

এমবাপে হ্যাটট্রিকের সুযোগ হারালেও ফ্রান্স ৩-০ গোলে ইরাককে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে বিশ্বকাপের শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে। সেনেগালকে তারা হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল। দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে ‘আই’ গ্রুপ থেকে আগেভাগে নকআউটের টিকিট কাটল ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়নরা।

ইরাক গোলকিপার বাসিলের এক মারাত্মক ভুলে এমবাপে বিশ্বকাপে তার ১৬তম গোল করেন। ৫৪ মিনিটে গোল কিকের বাঁশি বাজার পর তাহসিন তার বাম পাশে থাকা ইরাকি গোলকিপারকে পাস দেন। তিনি বলটি মাঠের ওপর দিয়ে দূরে পাঠাতে চাইলেও শটটি ঠিকমতো নিতে পারেননি। পা ফসকে বল সরাসরি কাছেই থাকা দেম্বেলের কাছে চলে যায়। পিএসজি ফরোয়ার্ড মাঝমাঠের দিকে এমবাপেকে ফাঁকায় দেখে চমৎকারভাবে বলটি তার দিকে বাড়িয়ে দেন। গোললাইন আগলে একজন ডিফেন্ডার দাঁড়িয়ে থাকলেও তিনি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে বল জালে জড়ান। চলতি টুর্নামেন্টে এটি ছিল তার চতুর্থ গোল এবং ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ফ্রান্স।

এই গোলে এমবাপে ছোঁন বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসাকে। নরওয়ের বিপক্ষেই শেষ গ্রুপ ম্যাচে জার্মান গ্রেটকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ। মেসি ১৮ গোল করে সবার উপরে।

৬৬ মিনিটে দেম্বেলের তৃতীয় গোলে ভর করে ফ্রান্স সহজ জয় নিশ্চিত করে। গোলটির সূত্রপাত করেন ওলিসে। পিএসজি ফরোয়ার্ডকে চমৎকারভাবে একটি পাস বাড়িয়ে দেন তিনি। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দেম্বেলে ডি-বক্সের ডান দিকে এগিয়ে যান এবং এরপর একটি জোরালো শটে বল পোস্টের বাম দিক দিয়ে জালে জড়িয়ে দেন।

এর আগে প্রথমার্ধে ফ্রান্স লিড নেয় এমবাপের গোলে। শততম ম্যাচে ১৪ মিনিটে জাল কাঁপান তিনি। তার একটি শট ক্লিয়ার করতে পারেননি ইরাকের ডিফেন্ডার। বল পান অলিসে। তার ব্যাকপাস থেকে জাল কাঁপান এমবাপে। তাতে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় রোনালদোকে ছোঁন তিনি।

এর আগে সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন এমবাপে। আজও করলেন জোড়া গোল। চার গোল করে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে লিওনেল মেসির ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছেন তিনি। তার ওই এক গোলেই ইরাকের বিপক্ষে ১-০ গোলের লিড নিয়ে হাফটাইমে যায় ফ্রান্স। বজ্রপাতের ঝুঁকির কারণে সোয়া দুই ঘণ্টা পর ম্যাচ শুরু হলে বড় জয় নিশ্চিত করে ফরাসিরা।

মেসির জোড়া গোলে আর্জেন্টিনার জয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
মেসির জোড়া গোলে আর্জেন্টিনার জয়

রেকর্ডটা টিকে ছিল ১২ বছর। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড লিওনেল মেসি ছুঁয়েছিলেন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচেই। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মেসি ছাড়িয়ে গেলেন ক্লোসাকে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন মেসি। মেসির রেকর্ড গড়া জোড়া গোলেই অস্ট্রিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ জে থেকে প্রথম দল হিসেবে নকআউট পর্বে পা রাখল আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। সেই পেনাল্টি থেকে হতে পারত রেকর্ড। মেসি অবশ্য অপ্রতাশিতভাবে ৯ম মিনিটে পেনাল্টি মিস করেছেন। বিশ্বকাপে তিনটি পেনাল্টি মিস করায় সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের রেকর্ডটাও মেসির নামের পাশে!

মেসি এই আক্ষেপ ঘুচিয়েছেন কিছুক্ষণ বাদেই। ৩৮ মিনিটে মেদিনার দারুণ এক অ্যাসিস্টে গোল করে সমর্থকদের উল্লাসে মাতান মেসি। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে হাফ টাইমে যায় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে গোল পাচ্ছিল না দুই দলের কেউই। আর্জেন্টিনা কিছু গোলের সুযোগ পেয়েছিল। সুযোগ এসেছিল অস্ট্রিয়ার সামনেও। তবে এমির দারুণ কিছু সেভ ও আর্জেন্টিনার ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় গোল আসেনি।

ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে সমর্থকদের আনন্দে ভাসিয়ে আবারও গোল পান মেসি। এটি বিশ্বকাপে তার ১৮তম গোল। ২-০ গোলের এই জয়ে ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে সবার আগে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা।

চীনে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
চীনে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব-১ জাহিদুল ইসলাম রনি সরকারপ্রধানের চীনে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় নির্ধারিত দ্বিপক্ষীয় কর্মসূচি ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে এদিন স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে চীনের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে, গত রোববার (২১ জুন) সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় যান তারেক রহমান। সফরকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুই নেতার একান্ত ও সীমিত পরিসরের আলোচনায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়। পরে উভয় দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে একটি বিস্তৃত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশ সফর।