খুঁজুন
, ,

৩ জেলা, ৯ উপজেলা ও ৬১ ইউনিয়নে যারা আ’লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 22 September, 2020, 12:16 am
৩ জেলা, ৯ উপজেলা ও ৬১ ইউনিয়নে যারা আ’লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত

জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থিতা চুড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

চূড়ান্ত প্রার্থীদের নামের তালিকা

জেলা পরিষদ

ফরিদপুর জেলা পরিষদ

১. মো. শামসুল হক

মাদারীপুর জেলা পরিষদ

১. মুনির চৌধুরী

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ

১. মিছবাহুর রহমান

উপজেলা পরিষদ

রাজশাহী বিভাগ:

জেলা: নওগাঁ, উপজেলা- মান্দা

১. মো. এমদাদুল হক

খুলনা বিভাগ:

জেলা : যশোর, উপজেলা- যশোর সদর

১. নুরজাহান ইসলাম নীরা

জেলা: বাগেরহাট, উপজেলা- শরণখোলা

১. রায়হান উদ্দিন শান্ত

জেলা: খুলনা, উপজেলা- পাইকগাছা

১. মো. আনোয়ার ইকবাল

ঢাকা বিভাগ

জেলা: মাদারীপুর, উপজেলা- শিবচর
১. আ. লতিফ মোল্লা

সিলেট বিভাগ

জেলা: সুনামগঞ্জ, উপজেলা- জামালগঞ্জ

১. মো. ইকবাল আল আজাদ

চট্টগ্রাম বিভাগ

জেলা: কুমিল্লা, উপজেলা- দাউদকান্দি

১. মোহাম্মদ আলী

জেলা: চাঁদপুর, উপজেলা- মতলব দক্ষিণ

১. বি এইচ এম কবির আহমেদ

জেলা: চট্টগ্রাম, উপজেলা- রাঙ্গুনিয়া

১. স্বজন কুমার তালুকদার

ইউনিয়ন পরিষদ

রংপুর বিভাগ:

জেলা: দিনাজপুর; উপজেলা: চিরিরবন্দর

১. সাতনালা: মো. আব্দুল হামিদ শাহ

জেলা: রংপুর, উপজেলা : তারাগঞ্জ

১. আলমপুর: মো. দেলওয়ার হোসেন

উপজেলা: রংপুর সদর

১. হরিদেবপুর: মো. একরামুল হক

২. চন্দনপাট: মো. আমিনুর রহমান

৩. সদ্যপুস্কুরিনী মো. মকছেদুর রহমান

জেলা: লালমনিরহাট, উপজেলা: হাতীবান্ধা

১. গড্ডিমারী: মো. আবু বক্কর সিদ্দিক

২. পাটিকাপাড়া মো. মজিবুল আলম

রাজশাহী বিভাগ

জেলা: বগুড়া, উপজেলা: ধুনট

১. কালেরপাড়া: মো. হারেজ উদ্দিন আকন্দ

জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ, উপজেলা : চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর

১. চরঅনুপনগর: মো. সেরাজুল ইসলাম

উপজেলা: নাচোল

১. ফতেপুর: মো. খাইরুল ইসলাম

জেলা: নওগাঁ, উপজেলা : বদলগাছি

১. মথুরাপুর: মো. মাসুদ রানা

জেলা: সিরাজগঞ্জ, উপজেলা: শাহাজাদপুর

১. পোরজানা: মো. আনোয়ার হোসেন

জেলা: পাবনা, উপজেলা : ভাঙ্গুড়া

১. ভাঙ্গুড়া: মো. বেলাল হোসেন খান

২. ম-তোষ: মো. আফছার আলী

খুলনা বিভাগ

জেলা: চুয়াডাঙ্গা, উপজেলা : চুয়াডাঙ্গা সদর

গড়াইটুপি: মোহা. শফিকুর রহমান

উপজেলা: আলমডাঙ্গা

ডাউকি: মো. তরিকুল ইসলাম

জেলা: সাতক্ষীরা, উপজেলা: কলারোয়া

কেরালকাতা: মো. মোরশেদ আলী

জেলা: বাগেরহাট

উপজেলা: মোল্লাহাট

কোদালিয়া: শেখ রফিকুল ইসলাম

বরিশাল বিভাগ

জেলা: বরগুনা, উপজেলা : তালতলী

কড়ইবাড়িয়া: নূর মোহাম্মদ

জেলা: পটুয়াখালী, উপজেলা : কলাপাড়া

মহিপুর: আ. মালেক আকন্দ

জেলা: ভোলা, উপজেলা : লালমোহন

ফরাজগঞ্জ: মো. ফরহাদ হোসেন (মুরাদ)

জেলা: বরিশাল, উপজেলা : বাকেরগঞ্জ

কলসকাঠী: মো. ফয়সাল ওয়াহিদ

উপজেলা : উজিরপুর

নং-১ সাতলা: মোঃ খায়রুল বাশার লিটন

ঢাকা বিভাগ

জেলা : টাঙ্গাইল, উপজেলা : টাঙ্গাইল সদর

নং-১. ঘারিন্দা: তোফায়েল আহামেদ

জেলা: গাজীপুর

উপজেলা: কালীগঞ্জ

নং-১. নাগরী: মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম

জেলা: নারায়ণগঞ্জ, উপজেলা: রূপগঞ্জ

নং-১. দাউদপুর: মো. নূরুল ইসলাম

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 9:11 am
নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে ৫৯৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস।

এর মধ্যে গত দেড় বছরেই আয় হয়েছে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা নিলাম রাজস্বে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য সরানোর পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বাড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনার খালি করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর আওতায় নিলামযোগ্য পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে এবং নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ২৪টি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এসব নিলামে ১ হাজার ৮১৪টি লট বিক্রি করে ১১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়।

২০২২ সালে ৪২টি নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৮১টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে ২৩টি নিলামে ৬৩২টি লট বিক্রি করে রাজস্ব আসে ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

২০২৪ সালে ৫৫টি নিলামের মাধ্যমে ৫১১টি লট বিক্রি করে ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আয় হয়। ২০২৫ সালে ৬০টি নিলামে ১ হাজার ৪০টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১২৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৪৫টি অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩৮৩টি লট বিক্রি করে ১৫৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কে এম করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম ব্যবস্থাপনা, পণ্যের তালিকা প্রস্তুত (ইনভেন্টরি) এবং নিলামকৃত পণ্য বুঝিয়ে দেওয়ার কাজে তার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে, যা এত স্বল্প সময়ে নিলাম থেকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী খালাস না হওয়া পণ্য অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নিলামের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিলাম করা পণ্য বিক্রি থেকে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য সরিয়ে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 8:34 am
ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিক হেনস্তা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় বাঁধন নিজেই এই ঘটনার বিবরণ দেন।

অভিনেত্রী জানান, ইতালির একটি স্থানীয় পার্কে তিনি তার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে একদল ব্যক্তি হুট করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে কোল্ড ড্রিংকস (কোক) ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তা ছাড়া তার হাত থেকে মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়।

বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে। বাঁধন দাবি করেন, আক্রমণকারীরা তাকে জোরপূর্বক ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে। পুরো সময় জুড়ে তার সঙ্গে অত্যন্ত গালমন্দ ও অসংগত আচরণ করা হয়।

ভিডিওবার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘‘আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে এবং আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেয়া হয়েছে। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন ও সহিংস আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত। এভাবে উদ্দেশ্য হাসিল বা নিজেদের অবস্থান ফেরানো সম্ভব নয়।’’

ভিডিওটিতে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘‘সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেও বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছেন। আশা করি আপনারা বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেবেন।’’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল লোক নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালিগালাজ করছে এবং বারবার তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 9:10 pm
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগ ও পাহাড়ের ঢালে নির্মাণকাজের বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী শফিক আহমেদ এবং পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড়, আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড় এবং উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড়ের ঢালে কিছু দেওয়াল সদ্য নির্মিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাহাড়ের ঢালে এ ধরনের দেওয়াল নির্মাণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে রাতের সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় পরিদর্শনকালে পাহাড় কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকেও পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড় পরিদর্শনকালে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটতে দেখা যায়নি। তবে নির্মাণস্থলের ভূমির শ্রেণি ‘ছনখোলা’ বা ‘নাল’ নাকি পাহাড়—তা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পাহাড় কাটার অভিযোগ বা পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।