খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে খাদ্যগুদামে চাল সংগ্রহের চিত্র হতাশাজনক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
যশোরে খাদ্যগুদামে চাল সংগ্রহের চিত্র হতাশাজনক

নিলয় ধর, যশোর প্রতিনিধি : গত বোরো মৌসুমে সরকারের সাথে চুক্তি করার পরও চাল না দেওয়া যশোরের একশত ৯৩ মিল মালিকের তালিকা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অধিদপ্তর থেকে পাঠানো নির্ধারিত ছকে এই সব মিলের তথ্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে চুক্তি ভঙ্গ করা এসব মিলের লাইসেন্স স্থগিত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছেন।

যশোরে বোরো মৌসুমে ২৭ হাজার তিনশত ১২ মেট্রিকটন চাল দিবে বলে চুক্তি করেন তিনশত ৬১ জন রাইচমিল মালিক। অথচ ধানের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে দিয়েছে মাত্র ১৫ হাজার একশত পাঁচ মেট্রিকটন। এসব রাইচমিল মালিকের মধ্যে ৮১ জন মিলার একেবারেই চাল দেননি। আংশিক চাল দিয়েছেন একশত ১১ জন। আর সম্পূর্ণ চাল দিয়েছেন একশ’ ৪৫ জন মিল মালিক। এটি হাসকিং মিলের ক্ষেত্রে।

২৪ জন অটো মিল মালিকের মধ্যে একজন একেবারেই চাল দেননি। ১৩ জন মিলের আংশিক দিয়েছে। আর চুক্তি অনুযায়ী সম্পূর্ণ চাল দিয়েছের ১০ জন অটো রাইচমিল মালিক। বাজারে ধানের দাম বেশির কথা বলে সুবিধাবাদী রাইচমিল মালিকরা সরকারকে ‘একহাত’দেখে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তারা খোলা বাজারে চাল বিক্রি করে অধিকমাত্রায় লাভবান হয়েছেন। গত বছর এই সব মিল মালিক কেজিতে সর্বোচ্চ নয় টাকা পর্যন্ত লাভ করেছিলেন বলে খাদ্য ও কৃষি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছে।

চুক্তিভঙ্গ করা রাইচমিল মালিকরা মনে করেছে তারা চুক্তিভঙ্গ করলেও কিছুই হবে না। পার পেয়ে যাবেন অবলীলায়। কিন্তু সেই সুযোগ চুক্তিভঙ্গকারীরা পাবেন না বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছে। জেলা খাদ্য বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, যশোরে কোন মিলের কী পরিমাণ চাল দিয়েছেন সেই তালিকা চেয়ে পাঠায় খাদ্য অধিদপ্তর। নির্দিষ্ট ছকে তথ্য চাওয়া হয় অধিদপ্তর থেকে। সেই অনুযায়ী, মিলদের তথ্য পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, যারা চুক্তি করার পরও কোনো চাল দেয়নি তাদের মিলের লাইসেন্স স্থগিত করা হতে পারে। লাইসেন্স স্থগিত হওয়ার তালিকায় আংশিক চাল প্রদানকারী রাইচমিল মালিকরাও পড়তে পারে বলে কর্মকর্তারা বলছেন।

এই বছর বোরো মৌসুমে যশোরে ১০ লাখ ৩০ হাজার সাতশত’ ৬৬ মেট্রিকটন ধান উৎপাদন হয়েছে। আর চাল উৎপাদন হয়েছে ছয় লাখ ৮০ হাজার তিনশত’ ছয় মেট্রিকটন। অথচ খাদ্যগুদামে চাল সংগ্রহের চিত্র হতাশাজনক। দাম বৃদ্ধির অজুহাতে একশত ৯৩ জন মিলার চুক্তি অনুযায়ী চাল দেননি। এ কারণে ২৭ হাজার তিনশত’ ১২ মেট্রিকটনের জায়গায় সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ১৫ হাজার একশ’ পাঁচ মেট্রিকটন চাল।

বোরো মৌসুমে চাল দেওয়ার জন্যে যশোরে তিনশত’ ৬১ জন মিলার চুক্তিবদ্ধ হন। তারা ২৭ হাজার তিনশ’ ১২ মেট্রিকটন চাল দিবেন বলে চুক্তি করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই চুক্তির প্রতি বুড়ো আঙুল দেখিয়েছেন মিলাররা। ধানের দাম বেশি উল্লেখ করে পুরোপুরি চাল দেননি অধিকাংশ মিলার। অথচ চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যেক মিলারের চাল দেওয়া বাধ্যতামূলক। যশোরে এই বছর ২৪ টি অটো রাইচমিল এবং তিনশত’ ৩৭ টি হাসকিং মিল মালিক চাল দিবেন বলে চুক্তিবদ্ধ হন।

যশোর সদর খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের কাছে সংগ্রহ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বোরো মৌসুমে তার গুদামে তিন হাজার আটশত ৫৮ মেট্রিকটন সিদ্ধ চাল ও ছয়শত ৭৩ মেট্রিকটন আতপ চাল কেনা হয়েছে। সংগ্রহ নিয়ে খুশি তিনি।

সংগ্রহ নিয়ে জেলা খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বলেন, ধানের দাম বেশির কথা বলে চুক্তিবদ্ধ মিলারদের অনেকেই পুরোপুরি চাল দেননি। এমনকি ৮১ জন মিলার কোনো চাল দেননি বলে জানান তিনি।

জেলা খাদ্য কর্মকর্তা দুই জন মিলারের নাম উল্লেখ করে বলেন, তাদেরকে চাল দেওয়ার জন্যে অনুনয় বিনয় করা হয়। কিন্তু কোনো কথা শোনেননি। চুক্তিভঙ্গ করা মিলারদের তালিকা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মি. রহমান।

২৪ ঘণ্টা

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…