খুঁজুন
, ,

যশোরে খাদ্যগুদামে চাল সংগ্রহের চিত্র হতাশাজনক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 28 September, 2020, 11:43 pm
যশোরে খাদ্যগুদামে চাল সংগ্রহের চিত্র হতাশাজনক

নিলয় ধর, যশোর প্রতিনিধি : গত বোরো মৌসুমে সরকারের সাথে চুক্তি করার পরও চাল না দেওয়া যশোরের একশত ৯৩ মিল মালিকের তালিকা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অধিদপ্তর থেকে পাঠানো নির্ধারিত ছকে এই সব মিলের তথ্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে চুক্তি ভঙ্গ করা এসব মিলের লাইসেন্স স্থগিত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছেন।

যশোরে বোরো মৌসুমে ২৭ হাজার তিনশত ১২ মেট্রিকটন চাল দিবে বলে চুক্তি করেন তিনশত ৬১ জন রাইচমিল মালিক। অথচ ধানের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে দিয়েছে মাত্র ১৫ হাজার একশত পাঁচ মেট্রিকটন। এসব রাইচমিল মালিকের মধ্যে ৮১ জন মিলার একেবারেই চাল দেননি। আংশিক চাল দিয়েছেন একশত ১১ জন। আর সম্পূর্ণ চাল দিয়েছেন একশ’ ৪৫ জন মিল মালিক। এটি হাসকিং মিলের ক্ষেত্রে।

২৪ জন অটো মিল মালিকের মধ্যে একজন একেবারেই চাল দেননি। ১৩ জন মিলের আংশিক দিয়েছে। আর চুক্তি অনুযায়ী সম্পূর্ণ চাল দিয়েছের ১০ জন অটো রাইচমিল মালিক। বাজারে ধানের দাম বেশির কথা বলে সুবিধাবাদী রাইচমিল মালিকরা সরকারকে ‘একহাত’দেখে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তারা খোলা বাজারে চাল বিক্রি করে অধিকমাত্রায় লাভবান হয়েছেন। গত বছর এই সব মিল মালিক কেজিতে সর্বোচ্চ নয় টাকা পর্যন্ত লাভ করেছিলেন বলে খাদ্য ও কৃষি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছে।

চুক্তিভঙ্গ করা রাইচমিল মালিকরা মনে করেছে তারা চুক্তিভঙ্গ করলেও কিছুই হবে না। পার পেয়ে যাবেন অবলীলায়। কিন্তু সেই সুযোগ চুক্তিভঙ্গকারীরা পাবেন না বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছে। জেলা খাদ্য বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, যশোরে কোন মিলের কী পরিমাণ চাল দিয়েছেন সেই তালিকা চেয়ে পাঠায় খাদ্য অধিদপ্তর। নির্দিষ্ট ছকে তথ্য চাওয়া হয় অধিদপ্তর থেকে। সেই অনুযায়ী, মিলদের তথ্য পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, যারা চুক্তি করার পরও কোনো চাল দেয়নি তাদের মিলের লাইসেন্স স্থগিত করা হতে পারে। লাইসেন্স স্থগিত হওয়ার তালিকায় আংশিক চাল প্রদানকারী রাইচমিল মালিকরাও পড়তে পারে বলে কর্মকর্তারা বলছেন।

এই বছর বোরো মৌসুমে যশোরে ১০ লাখ ৩০ হাজার সাতশত’ ৬৬ মেট্রিকটন ধান উৎপাদন হয়েছে। আর চাল উৎপাদন হয়েছে ছয় লাখ ৮০ হাজার তিনশত’ ছয় মেট্রিকটন। অথচ খাদ্যগুদামে চাল সংগ্রহের চিত্র হতাশাজনক। দাম বৃদ্ধির অজুহাতে একশত ৯৩ জন মিলার চুক্তি অনুযায়ী চাল দেননি। এ কারণে ২৭ হাজার তিনশত’ ১২ মেট্রিকটনের জায়গায় সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ১৫ হাজার একশ’ পাঁচ মেট্রিকটন চাল।

বোরো মৌসুমে চাল দেওয়ার জন্যে যশোরে তিনশত’ ৬১ জন মিলার চুক্তিবদ্ধ হন। তারা ২৭ হাজার তিনশ’ ১২ মেট্রিকটন চাল দিবেন বলে চুক্তি করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই চুক্তির প্রতি বুড়ো আঙুল দেখিয়েছেন মিলাররা। ধানের দাম বেশি উল্লেখ করে পুরোপুরি চাল দেননি অধিকাংশ মিলার। অথচ চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যেক মিলারের চাল দেওয়া বাধ্যতামূলক। যশোরে এই বছর ২৪ টি অটো রাইচমিল এবং তিনশত’ ৩৭ টি হাসকিং মিল মালিক চাল দিবেন বলে চুক্তিবদ্ধ হন।

যশোর সদর খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের কাছে সংগ্রহ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বোরো মৌসুমে তার গুদামে তিন হাজার আটশত ৫৮ মেট্রিকটন সিদ্ধ চাল ও ছয়শত ৭৩ মেট্রিকটন আতপ চাল কেনা হয়েছে। সংগ্রহ নিয়ে খুশি তিনি।

সংগ্রহ নিয়ে জেলা খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বলেন, ধানের দাম বেশির কথা বলে চুক্তিবদ্ধ মিলারদের অনেকেই পুরোপুরি চাল দেননি। এমনকি ৮১ জন মিলার কোনো চাল দেননি বলে জানান তিনি।

জেলা খাদ্য কর্মকর্তা দুই জন মিলারের নাম উল্লেখ করে বলেন, তাদেরকে চাল দেওয়ার জন্যে অনুনয় বিনয় করা হয়। কিন্তু কোনো কথা শোনেননি। চুক্তিভঙ্গ করা মিলারদের তালিকা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মি. রহমান।

২৪ ঘণ্টা

Feb2
Feb2

নেই আইফোন, জঙ্গলে মিলল কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 3:11 pm
নেই আইফোন, জঙ্গলে মিলল কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ

মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়া ১৩ বছরের কিশোর অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিখোঁজের একদিন পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে মরদেহ উদ্ধার হলেও তার কাছে থাকা আইফোনটি পাওয়া যায়নি।

অপ্রতিম বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান।

এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সদর দক্ষিণ থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে ওইদিন সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।

নিখোঁজের পর থেকেই অপ্রতিমকে উদ্ধারে স্বজনদের পাশাপাশি পুলিশও তৎপর ছিল। তার সর্বশেষ অবস্থান এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছিল পুলিশ।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ পাওয়া গেছে। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এদিকে অপ্রতিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে এবং কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 2:50 pm
নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান পর সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। জারি করা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ অনুযায়ী চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে বেতন বৃদ্ধির একটি অংশ এবং পর্যায়ক্রমে ২০২৭ সালের জুলাই থেকে শতভাগ বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইভাবে পেনশনভোগীরাও পর্যায়ক্রমে বর্ধিত নিট পেনশন পাবেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এরপর তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়

আদেশ অনুযায়ী, ১ জুলাই নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করে বেতন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৪০ শতাংশ নবম ও এর ওপরের গ্রেডে এবং ৫০ শতাংশ ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে।

পরবর্তী ধাপে ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৭০ শতাংশ ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব এবং ৭৫ শতাংশ ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের দেওয়া হবে।

এরপর ১ জুলাই ২০২৭ থেকে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টসহ মূল বেতন শতভাগ কার্যকর হবে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, কর্মচারীরা ১ জুলাই থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন বকেয়া হিসেবে পাবেন।

পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও একইভাবে পর্যায়ক্রমে বর্ধিত নিট পেনশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদ্যমান নিট পেনশন স্ল্যাব ২০ হাজার ১ টাকা ও তদূর্ধ্বের ক্ষেত্রে নিট পেনশন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৪০ শতাংশ এবং ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্ল্যাবের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বিদ্যমান নিট পেনশনের সঙ্গে যোগ করে দেওয়া হবে।

আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ২০ হাজার ১ টাকা ও তদূর্ধ্বের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির ৭০ শতাংশ এবং ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্ল্যাবের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ দেওয়া হবে।

আগামী বছরের ১ জুলাই থেকে বার্ষিক বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টসহ নিট পেনশন শতভাগ কার্যকর হবে। অবসরভোগী ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীরাও গত ১ জুলাই থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের নিট পেনশন বকেয়া হিসেবে পাবেন।

এ ছাড়া গত ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে কোনো কর্মচারী অবসর-উত্তর ছুটি শেষে অবসরে গেলে তার ‘গ্রস ও নিট পেনশন জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬’ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।

হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 9:34 am
হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না : শফিকুর রহমান

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত লং মার্চ সফলতায় অনেকের মাথা গরম হয়ে গিয়েছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুইদিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমরা অনুরোধ করব হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী লং মার্চ কর্মসূচির উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আজকে আমাদের দ্বিতীয় দফার লং মার্চ। প্রথম দফা ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আল্লাহর মেহেরবানীতে সফলভাবে এতে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুই দিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনুরোধ করব, হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না। বরঞ্চ জনতার দাবি মেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন। আজকে আট দফা, মনে রাখবেন, এটা নয় দফা হতে পারে, ১০ দফা হতে পারে। আবার জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় এটা এক দফায় পরিণত হতে পারে।’

এক দফায় পরিণত হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘এক দফায় যখন পরিণত হবে, তখন কিন্তু পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে। আমরা বলি, সেই পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আগে সাম্প্রতিক অতীত থেকে শিক্ষা নিন। শিক্ষা নিয়ে জনগণের দাবি মেনে নিন।’

দাবি না মানলে কোনো চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘যদি দাবি মানতে ব্যর্থ হন, তাহলে পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, কোনো চক্রান্ত-ষড়যন্ত্রে কোনো কাজ হবে না। আমরা কোনো কিছুকেই পরোয়া করব না। কারণ আমরা কোনো দলীয় দাবি নিয়ে মাঠে নামিনি। আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি।’

১১ দলের সঙ্গে দেশের ১৮ কোটি মানুষ রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘আজকে ১৮ কোটি মানুষ ১১ দলের সঙ্গে আছে। সেই দাবি আদায় করে আমরা ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।’

জনগণকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা জনগণকে কথা দিচ্ছি, এ লড়াই শুরু হয়েছে। দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।’