খুঁজুন
, ,

শিপ ইয়ার্ড নির্মাণে এসএল গ্রুপের সাথে জার্মানির জিএসআর’র চুক্তি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 26 October, 2019, 8:27 pm
শিপ ইয়ার্ড নির্মাণে এসএল গ্রুপের সাথে জার্মানির জিএসআর’র চুক্তি

বাংলাদেশে দ্রুত পরিবেশ সম্মত গ্রিন শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড গড়ে তোলার কার্যক্রম শুরু করেছে। ২০০৯ সালের চীনে অনুষ্ঠিত হংকং কনভেশন রুলস অনুযায়ী আমূল ঢেলে সাজানো হচ্ছে এ শিপ ইয়ার্ড।

আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের সব শিপব্রেকিং ইয়ার্ড হংকং কনভেনশন সার্টিফিকেশন রুলস অনুযায়ী নির্মাণ করতে হবে। অন্যথায় বিদেশিরা স্ক্র্যাপ জাহাজ বিক্রি করবে না। তারই কারণে সীতাকুণ্ডে ৫ম শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ড হিসেবে সীতাকুণ্ডের এস,এল শীপ রি-প্রসেস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ, এস এল ষ্টীল, এবং আনিসা শিপ এন্টার প্রাইজ জার্মানির জিএসআর নামের কোম্পানির সাথে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।

জার্মানির এই কোম্পানির তত্ত্বাবধান এবং নির্দেশনায় এস,এল শীপ রি-প্রসেস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ একটি পরিবেশসম্মত গ্রিন ইয়ার্ডে পরিণত হবে।

এর আগে সীতাকুণ্ডের পিএইচপি শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড, কে,আর স্টিল, এস,এন কর্পোরেশন, আরেফিন এন্টারপ্রাইজ এবং সিমনি শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রি গ্রিন ইয়ার্ড গড়ে তোলার ব্যাপারে জার্মানির এ কোম্পানির সাথে চুক্তি করে।

এস,এল শীপ রি-প্রসেস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ লোকমান এবং জিএসআর-এর পক্ষে মিঃ হেনিং গ্রামান সিইও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই সময় জিএসআর এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ক্যাপ্টেন মাওলা ও জিএসআর-এর চিফ ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর রহমান,এস এল গ্রুপের উর্ধতন কর্মকর্তা গন উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বব্যাপী শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে গ্রিন ইয়ার্ড নির্মাণের তাগাদা রয়েছে। হংকং কনভেনশন কমপ্ল্যায়েন্সের (এইচকেসিসি) শর্তানুযায়ী ইয়ার্ডগুলোকে গ্রিন ইয়ার্ডে রূপান্তর করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে তুরস্ক এবং ভারত তাদের বেশ কিছু শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডকে গ্রিন ইয়ার্ডে পরিণত করেছে। তৃতীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশ গ্রিন ইয়ার্ড গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বেশ অগ্রসর হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী গ্রিন ইয়ার্ড নির্মাণে জার্মানির জিএসআর শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি। এই কোম্পানি ইতোমধ্যে বিশ্বের অন্তত ত্রিশটি ইয়ার্ডকে গ্রিন ইয়ার্ডে পরিণত করার কাজ শুরু করেছে। আগামী এপ্রিলের মধ্যে বাংলাদেশের ইয়ার্ডগুলোতে শিপ রিসাইক্লিং ফ্যাসিলিটি প্ল্যান (এসআরএফপি) বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। জিএসআর এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করবে।

উল্লেখ্য যে, সীতাকুণ্ডের এস,এল শীপ রি-প্রসেস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ গত ৩০ বছর ধরে শিপ ব্রেকিং ব্যবসা করছে। এই প্রতিষ্ঠান সরকারকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব প্রদানের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে।

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ লোকমান বলেন, গ্রিন ইয়ার্ড নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। পোশাক শিল্পের মতো শিপ রিসাইক্লিং শিল্পেও ব্যাপক উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। পরিবেশ সম্মত শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রি দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে।

ভবিষ্যতে এই শিল্প পরিবেশ নষ্ট করছে বলে কেউ আর আঙুল তুলতে পারবে না। তিনি আরো বলেন গ্রীন শীপ ইয়ার্ড বাস্থবায়ন তরান্বিত করার জন্য শীপ ইয়ার্ড গুলোকে দীর্ঘ মেয়াদী লিজ প্রদান এবং স্বল্প সুদে বাংক লোনের সহজলব্যতা নিশ্চিত করন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে ও শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য ট্রেনিং ইন্সটিটিউট এবং বর্জব্যবস্থাপনার জন্য ডাম্পিং জোন বরাদ্ধ করা জরুরী বলে মত প্রকাশ করেন।

Feb2
Feb2

স্লিপার বাস বন্ধ হলে ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 4:57 pm
স্লিপার বাস বন্ধ হলে ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে

স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে পরিবহন খাতের প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতি। একইসঙ্গে তারা অভিযোগ করেছে, একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ সদর দপ্তরে চেয়ারম্যান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাবু।

তিনি বলেন, ২০১০ সাল থেকে দেশের মহাসড়কে স্লিপার বাস চলাচল করছে। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় এক হাজার স্লিপার বাস চলাচল করছে এবং এ খাতে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। চালক, হেলপার, সুপারভাইজারসহ প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান এ খাতের সঙ্গে জড়িত।

তৌহিদুল ইসলাম বাবু বলেন, দেশের পর্যটনকেন্দ্র ও দূরপাল্লার বিভিন্ন রুটে যাত্রীরা আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণের জন্য স্লিপার বাস ব্যবহার করছেন। মহাসড়কে স্লিপার বাসের দুর্ঘটনার হারও তুলনামূলক কম।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি সংঘবদ্ধ মহল ব্যবসায়িক স্বার্থে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে অভিযান পরিচালনা করাচ্ছে। অথচ এসব বাসের টিকিট বিক্রি, ভ্যাট-ট্যাক্স ও অন্যান্য খাত থেকে সরকার নিয়মিত রাজস্ব পাচ্ছে।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্লিপার বাসের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট বিচারাধীন রয়েছে। একইসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়, বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকেও স্লিপার বাসের নকশা ও নিরাপত্তা বিষয়ক মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আদালতের রায় এবং সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের আগে হঠাৎ করে অভিযান চালিয়ে লাখ লাখ টাকা জরিমানা করা হচ্ছে, যা মালিকদের হয়রানির শামিল।

স্লিপার বাস বন্ধের পরিবর্তে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, কোথাও কোনো ঘাটতি থাকলে সরকার গাইডলাইন দিক, আমরা তা মেনে চলব। কিন্তু হঠাৎ করে এই পরিবহনসেবা বন্ধ করে দিলে যাত্রীরা বিকল্প সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন, সরকার রাজস্ব হারাবে এবং হাজার হাজার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়বেন।

তিনি আরও দাবি করেন, স্লিপার বাসকে ‘ডাবল ডেকার’ হিসেবে আখ্যায়িত করা সঠিক নয়। এসব বাস একতলা কাঠামোর মধ্যেই বিশেষ নকশায় তৈরি করা হয়েছে এবং আকার-আকৃতিতেও অন্যান্য দূরপাল্লার বাসের সমতুল্য।

এ সময় মালিক সমিতির নেতারা সাংবাদিকদের স্লিপার বাসে ভ্রমণ করে এর নিরাপত্তা ও আরামদায়ক পরিবেশ সরেজমিনে দেখার আহ্বান জানান।

রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 3:04 pm
রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

নৌ ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ কিংবা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ নয়, পেশাগত দক্ষতা ও যোগ্যতাই মূল বিবেচ্য বিষয় হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে।

এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য ও নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

রোববার (২৩ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবেলায় নৌ ও বিমানবাহিনীর অবদানের জন্য বাহিনীর সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

নির্বাচনী পর্ষদের বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন।

একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সব শহীদ এবং ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন আন্দোলনে নিহত ও আহত সবার অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন তিনি।

পরে বিমানবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্র, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন, এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার এবং অ্যারোস্পেস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্সের বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সক্ষমতা আরো শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় স্কুলশিক্ষকসহ চারজনকে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 2:42 pm
বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় স্কুলশিক্ষকসহ চারজনকে হত্যা

বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে রংপুর মেট্রোপলিটনের পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) ও বিনয়চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস (১৯)।

এর আগে শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ভোলা (৫০), স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, দুইজন খুনি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ পাশের বিল্ডিংয়ের ওপর দিয়ে উনাদের ছাদে আসে। ছাদে আসে বৃহস্পতিবার দিবাগত শেষ রাতে। এই দুজন ছাদে বসে ইয়াবা সেবন করছিল। শব্দ পেয়ে গণপতি চক্রবর্তী ছাদে গিয়ে আড্ডা দেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে পরিচয় গোপন রাখার জন্য তার গলায় থাকা গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। তার চিৎকার শুনে সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় প্রীতিলতা চক্রবর্তীকেও গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর মায়ের চিৎকারে এগিয়ে আসা মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তীকেও গামছা ও রশি দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। খুনিরা জানিয়েছে- প্রার্থী চক্রবর্তী মারা যাচ্ছিল না, প্রায় চার-পাঁচ মিনিট লাগে তার প্রাণ যাওয়ার ক্ষেত্রে। সেই সময় তারা রশি দিয়ে তার গলায় এবং মুখে পেঁচিয়ে ধরে। সর্বশেষে ঘুমন্ত অবস্থায় শিশু প্রিয়মকে কাপড় পেঁচিয়ে ও বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়।

তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তরা বাসার একটি বাথরুমে গোসল করে, ডাইনিং টেবিলে বসে খেজুর ও অবশিষ্ট ইয়াবা সেবন করে। এরপর জুমার নামাজের সময় রাস্তাঘাট ফাঁকা হলে তারা কিছু স্বর্ণালংকার নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায় এবং সেগুলো নিকটবর্তী একটি মন্দিরের পেছনে পরিত্যক্ত জায়গায় লুকিয়ে রাখে। অভিযুক্তদের দেখানো মতে সেসব আলামত জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ কমিশনার বলেন, তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য অভিযুক্তরা ইচ্ছাকৃতভাবে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে রাখে, যাতে পুলিশ এটিকে ডাকাতি বলে মনে করে। এছাড়া আঙুলের ছাপ যাতে না থাকে সেজন্য বাসার দুটি মোবাইল ফোন ডিটারজেন্ট মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয় বলেও জানান তিনি।