খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ, দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও ভোটাধিকার হরণে জনগণের নাভিশ্বাস:ডা.শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
ধর্ষণ, দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও ভোটাধিকার হরণে জনগণের নাভিশ্বাস:ডা.শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন হোসেন বলেছেন, ধর্ষণ, দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও ভোটাধিকার হরণে জনগণের নাভিশ্বাস। দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই কিন্তু আজ একের পর এক ধর্ষণ, গুম, খুনের মত অপরাধ বাড়ছে। আর এই সব অপরধের সাথে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা প্রত্যক্ষভাবে জাড়িত। দেশে প্রশাসন ও বিচার বিভাগ একচোখা নীতি অবলম্বন করছে। সরকারী দলের নেতাকর্মীদের সকল অপকর্ম আড়াল করাই যেন প্রশাসনের রুটিন কাজ। সরকারের দুর্নীতি-দুঃশাসনে আজ দেশের মানুষ অসহায়। সর্বক্ষেত্রে চলছে দুর্নীতির মহাউৎসব।

তিনি আজ রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকালে দলীয় কার্যাল নাসিমন ভবনে ৪ নং চান্দগাঁও ওয়ার্ড ডবিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আজ চরম পর্যায়ে। সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। সাধারণ জনগণ আজ দিশেহারা। সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে।

তিনি আরো বলেন দেশের মানুষ গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে। প্রতিটি নির্বাচনকে একদলীয় নির্বাচনে পরিণত করে সরকার দলীয় প্রার্থীদের বিজয়ী সুনিশ্চিত করেছে। এই হচ্ছে বর্তমান সরকারের একদলীয় ফ্যাসিষ্ট নীতি।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, এমনিতে করোনা পরিস্থিতির কারণে অসংখ্য মানুষের ব্যবসা-চাকরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে, এর মধ্যে সব কিছুর দাম প্রতিদিন বাড়ছে। বর্তমান মুনাফাখোরী অবৈধ সরকারের সিন্ডেকেটের কারসাজিতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির মূল কারণ। সরকারের জনগণের প্রতি কোন দায়িত্ববোধ নেই।দেশের জনগণ না খেয়ে মরে যাক তাতে তাদের কিছুই আসে যায় না।

তিনি অবৈধ দানব সরকারের সিন্ডেকেটের বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণকে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেন, দেশে আইনের শাসন নেই বলেই প্রশাসনের জবাবদিহিতা নেই। যে দেশে এসকে সিনহা প্রধান বিচারপতি থাকা অবস্থায় তাকে দেশ ছেড়ে যেতে হলো সে দেশে বিচার চাওয়াটা ও হাস্যকর।

চান্দগাঁও ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. ইলিয়াছ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুর ইসলাম, আইনবিষয়ক সম্পাদক এড. সিরাজুল ইসলাম,চান্দগাঁও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফ উদ্দিন খান। আরো উপস্থিত ছিলেন নগর যুবদলের সি. যুগ্ম সম্পাদক মো. মোশাররফ হোসাইন বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মিয়া, চান্দগাঁও ওয়ার্ডের সি. যুগ্ম সম্পাদক হাজী ওসমান গণি,যুগ্ম সম্পাদক হাজী মো. কামাল উদ্দিন, মোহাম্মদ ইউনুস, ছাত্র বিষয়ক
সম্পাদক মো. আলমগীর নিরু, আরিফুল ইসলাম, সি. সহসভাপতি মো. নাছির, মো. মোশাররফ হোসাইন, দিপংকর ভট্টচার্য, মো. ফজলুল করিম, ফোরকান উদ্দিন চৌধুরী জাবেদ, মো. নুরুল আমিন, এস এম ফারুক, নূহ গাজী সেলিম, মো. ওসমান গণি, মো.আলমগীর কোম্পানী, মো. নাছির, মো. নাছির, যুবদল নেতা মো. আলমগীর, বিএনপি নেতা মো.আলমগীরসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…