খুঁজুন
, ,

‘সকলে মিলে উৎপাদন ও পুষ্টি নিশ্চিত করে টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার তাগিদ’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 19 October, 2020, 2:06 pm
‘সকলে মিলে উৎপাদন ও পুষ্টি নিশ্চিত করে টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার তাগিদ’

বাংলাদেশ ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিক্স বিবিএস এর প্রক্ষেপণ অনুযায়ী ২০১৮ সালে দারিদ্রের হার ২১.৮ শতাংশ অর্থাৎ ৩ কোটি ৮৫ লক্ষ যার মধ্যে ১ কোটি ৫৭ লাখ মানুষ অতি দরিদ্র ১১.১৩।

২০১৯ সালে ডিসেম্বমে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠি, যাদের দারিদ্রসীমায় অবনমনের ঝুঁকি আছে তাদের সংখ্যা ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিবিএস এর ২০২০ সালের সর্বশেষ মতামত অনুযায়ী বাংলাদেশের দারিদ্রের হার ২০ দশমিক ৫ শতাংশ অর্থাৎ ৩ কোটি ৫০ লক্ষ। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ২০৩০(এসডিজি)র উন্নয়ন কাঠামোর অন্যতম লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে সব ধরনের দারিদ্রের অবসান এবং আগামী ১৫ বছরের মধ্যে ক্ষুদামুক্তির অঙ্গিকার।

বিশ্ব নেতৃবৃন্দ খাদ্য অধিকার ও পুষ্ঠি নিরাপত্তার বিষয়ে সমর্থন দিয়ে ক্ষুদ্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রত্যয় ঘোষনা করে এসডিজি অনুমোদন করেছেন। আর এসডিজি বাস্তবায়নে প্রয়োজন রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও সহযোগিতামুলক আইন ও নীতি। নীতি ও আইন যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। তাই এসডিজির মুল লক্ষ্য অনুযায়ী দেশে সবার খাদ্য নিশ্চিত করতে দ্রুত খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়ন দরকার। সকলে মিলে উৎপাদন ও পুষ্ঠি নিশ্চিত করে টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার তাগিদ জানিয়ে চট্টগ্রামে বিশ্ব খাদ্য দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ-চট্টগ্রাম এর আয়োজনে সোমবার (১৯ অক্টোবর) নগরীর চান্দগাঁও আইএসডিই বাংলাদেশ মিলনায়তনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ চট্টগ্রামের সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন।

ইশিকা ফাউন্ডেশনের জহুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশনেন ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান, চন্দনাইশ পিপিএস’র নির্বাহী পরিচালক নুরুল হক চৌধুরী, উত্তর জেলা কৃষক লীগের দপ্তর সম্পাদক সেলিম সাজ্জাদ, জেলা সামাজিক উদ্যোক্তা পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক মুহাম্মদ জানে আলম, প্রাইম ক্যাডেট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইউনুচ, প্রজন্ম চট্টগ্রামের সমন্বয়ক চৌধুরী জসিমুল হক, সিএসডিএফ’র মাহবুবুল আলম, ইলমার মোঃ ফোরকান ও আইএসডিই’র আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

সভায় বক্তাগন সকল পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়ন, নিরাপদ খাদ্য আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্যের যোগান নিশ্চিতকরণ, নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরীক্ষা ও চিকিৎসার পাশাপাশি পৃথিবীর বিভিন দেশ থেকে নব-আবিস্কৃত ভ্যাকসিন প্রাপ্তি নিশ্চিত ও অর্থের বরাদ্দ নিশ্চিত করা, নগর ও গ্রামে দরিদ্র জনগোষ্ঠির খাদ্য ও পুষ্ঠি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উপকারভোগীদের সুনির্দিষ্ঠ তালিকা প্রস্তুত করে আগামি ১ বছরের জন্য সংস্লিষ্ঠদের রেশনিং এর মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে জরুরী খাদ্য নিশ্চিত করা, কৃষকদের জন্য বরাদ্দ প্রণোদনা বাবত ৩ হাজার কোটি টাকা বিতরণ নিশ্চিত করা, খাদ্য উৎপাদন নিশ্চি করার জন্য যত দ্রুত সম্ভব বরাদ্দের টাকা বিতরণের পাশাপাশি নতুন অর্থ বরাদ্দ করা, প্র্রাণিসম্পদ ও মৎস খাতে ছোট ও মাজারী উদ্যোক্তাদের সরকারের পূর্বঘোষনা অনুযায়ী আর্থিক প্রণোদনা নিশ্চিত করা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নতুন করে বিনিয়োগ করা, সরকারে এবং ব্যক্তিগত মালিকানায় অব্যবহৃত জমিতে খাদ্য উৎপাদনে রাস্ট্রের পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহন করার দাবি জানানো হয়।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

কর্ণফুলীতে বন্ধ হলো এস আলমের সব কারখানা, ৪ হাজার ছাঁটাই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 1 August, 2026, 12:10 am
কর্ণফুলীতে বন্ধ হলো এস আলমের সব কারখানা, ৪ হাজার ছাঁটাই

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় এস আলম গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) থেকে কারখানাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ রয়েছে।

কারখানা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের ছাঁটাইয়ের নোটিশ দেওয়া হয়। ছাঁটাই কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে। কাঁচামালের সংকট, এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলতে না পারা এবং ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকায় উৎপাদন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এস আলম সুগারের শিফট ইনচার্জ প্রকৌশলী মো. হাসমত আলী বলেন, ‘কাঁচামালের সংকটের কারণে গত দুই বছর ধরে কারখানায় উৎপাদন প্রায় বন্ধ ছিল। কাজ না থাকলেও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এতদিন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিয়েছে। এখন আর সেই পরিস্থিতি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।’

তিনি জানান, শুধু এস আলম সুগার থেকেই ৩৮৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রাপ্য বেতন-ভাতা ও অবসর সুবিধা পরিশোধ করা হচ্ছে। এর আগেও কয়েক দফায় জনবল কমানো হয়েছিল।

কর্ণফুলীতে বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে এস আলম সুগার, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট, এস আলম পাওয়ার জেনারেশন, ইনফিনিটি সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, চেমন ইস্পাত, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস-এনওএফ, এস আলম স্টিল ও এস আলম ব্যাগ।

শ্রমিকরা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে কারখানার নোটিশ বোর্ডে ছাঁটাই হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা টানিয়ে দেওয়া হয়। খবর প্রকাশের পর বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দেয়।

কারখানা সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যাংকিং জটিলতা ও কাঁচামাল আমদানিতে বাধার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। মজুত কাঁচামাল দিয়ে সীমিত পরিসরে কিছু কারখানা চালু থাকলেও এবার সব ধরনের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) রফিকুল ইসলাম বলেন, কারখানায় সব ধরনের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। তাই ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্মরতদের অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 31 July, 2026, 10:53 pm
রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীর সড়কের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল ৪টা ৫ মিনিটের দিকে গুলশানের বাসা থেকে গাড়ি নিয়ে বের হন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রাজধানীর উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন সড়কের পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি দেখতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঘুরেছেন। প্রধানমন্ত্রী বারবার ঢাকাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন। এ কারণে তিনি সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন।

প্রধানমন্ত্রী শ্যামলী, বিজয় সরণি, রোকেয়া সরণি, মিরপুর-১০, কচুক্ষেত ও শেওড়াপাড়ার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখেন। সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে তাঁর গাড়ি শ্যামলী এলাকা অতিক্রম করে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব মেহেদুল ইসলাম ও সহকারী একান্ত সচিব আব্দুর রহমান সানী।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতেও রাজধানীর নাগরিক সেবার বাস্তব চিত্র দেখতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সেদিন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে পাশে বসিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে ফার্মগেট এলাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম দেখেন তিনি। এরপর সংসদ ভবন এলাকা, ক্যান্টনমেন্ট, মহাখালী, বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি ও গুলশান ঘুরে বাসায় ফেরেন।

পরিদর্শনের সময় গাড়িতে বসেই ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসককে বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ব্যক্তিগত কর্মকর্তারাও ছিলেন।

কেরানীগঞ্জে কারখানায় তৈরি হতো ইয়াবা, বিক্রি হতো ঢাকা ও আশপাশের এলাকায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 31 July, 2026, 10:39 pm
কেরানীগঞ্জে কারখানায় তৈরি হতো ইয়াবা, বিক্রি হতো ঢাকা ও আশপাশের এলাকায়

ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি ইয়াবা তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১০। গ্রেপ্তাররা হলেন মো. আলমগীর ওরফে আন্ডে (৪০), মো. আলী আরমান (৩৬), মো. শাহজাহান (৪০) ও সোনিয়া (৩০)।

র‍্যাব বলছে, ইয়াবা তৈরিতে ব্যবহৃত এসব কাঁচামালগুলো বৈধ এবং বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়। তবে এই চক্র সেগুলো ব্যবহার করে ইয়াবা উৎপাদনের পদ্ধতি তৈরি করেছে। কাঁচামাল সংগ্রহ ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানতে আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১০ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন মধ্যচর দক্ষিণ বালুচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মোহা. আসাদুজ্জামান বলেন, গতকাল রাতে র‍্যাব-১০ এর আওতাধীন এলাকায় একটি ইয়াবা তৈরির চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। পরে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৯৬৮ পিস ইয়াবা, বিভিন্ন ধরনের পাউডার সদৃশ কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং একটি ওজন পরিমাপক যন্ত্র জব্দ করা হয়। এ সময় চারজন সক্রিয় মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে আলমগীরের বিরুদ্ধে ঢাকার রামপুরা, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা রয়েছে। তারা সবাই পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। গ্রেপ্তাররা দুই বছর ধরে এই কাজে যুক্ত বলে জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদে ঢাকায় আরো কারখানা থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

চক্রটি কামরাঙ্গীরচর ও পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় তাদের ব্যবসার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতো। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।