খুঁজুন
বুধবার, ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্দরবাজার ফাঁড়িতে রায়হান হত্যা: আদালতে জবানবন্দি দিচ্ছেন ৩ পুলিশ সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
বন্দরবাজার ফাঁড়িতে রায়হান হত্যা: আদালতে জবানবন্দি দিচ্ছেন ৩ পুলিশ সদস্য
সিলেট ব্যুারো: সিলেট নগরের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশে নির্যাতনের ফলে রায়হান আহমদ নিহতের ঘটনায় আদালতে জবানবন্দি দিচ্ছেন ৩ পুলিশ সদস্য।
সিলেটের অতিরিক্ত মূখ্য মহানগর আদালতে বিচারক মো. জিহাদুুর রহমানের আদালতে পুলিশ কনস্টেবল দেলোয়ার, সাইদুর ও শামীম ১৬৪ ধারায় এ সাক্ষ্য প্রদান করছেন বলে জানা গেছে। রায়হানকে নির্যাতনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে এই তিন কনস্টেবল জবানবন্দি দিচ্ছেন বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে।
জানা গেছে, সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ৩টা থেকে অতিরিক্ত মূখ্য মহানগর আদালতে বিচারক মো. জিহাদুুর রহমানের আদালতে এই তিন পুলিশ কনস্টেবলকে হাজির করেন মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বিকেলে তারা রায়হান হত্যা মামলার সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি প্রদান শুরু করেন।
উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর ভোরে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হন রায়হান আহমদ (৩৪) নামের এক যুবক। পরে রোববার সকালে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। রায়হান সিলেট নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নগরীর রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে কাজ করতেন।
এই ঘটনায় ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হেফাজতে মৃত্যু আইনে সিলেট কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে রায়হানকে ফাঁড়িতে এনে নির্যাতনের প্রাথমিক প্রমাণ পায় কমিটি। এই তদন্ত কমিটির সুপারিশে বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূইয়া, কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, তৌহিদ মিয়া ও টিটুচন্দ্র দাসকে সাময়িক বরখাস্ত এবং এএসআই আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজিব হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। মামলার প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবর পলাতক রয়েছেন বলে দাবি পুলিশের।
২৪ঘণ্টা/এন এম রানা/বাপ্পা মৈত্র
Feb2

পুলিশের সামনে চাপাতি–হকিস্টিক নিয়ে হামলা করেছে ছাত্রদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
পুলিশের সামনে চাপাতি–হকিস্টিক নিয়ে হামলা করেছে ছাত্রদল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ঢাকসু) ভিপি ও ছাত্রশিবির নেতা সাদিক কায়েম অভিযোগ করেছেন, চট্টগ্রামে পুলিশের উপস্থিতিতেই হকিস্টিক ও চাপাতি নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু পুলিশ তখন নীরব ছিল।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের স্মারকলিপি প্রদান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

সাদিক কায়েম বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে ছাত্রলীগ যখন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালাত, তখনও পুলিশ ও প্রশাসন নীরব থাকত। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও যদি একই ধরনের ঘটনায় পুলিশ নীরব থাকে, তাহলে তা প্রশ্নবিদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, পুলিশের দায়িত্বে অবহেলায় যারা জড়িত এবং যারা হামলাকারীদের প্রতিরোধ করেনি, তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

ছাত্রশিবিরের এ নেতা জানান, সাম্প্রতিক হামলায় তাদের অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও বহিরাগতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে তারা পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন।

তিনি বলেন, আমরা দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ চাই। ক্যাম্পাসে বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে হকিস্টিক, চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

সাদিক কায়েমের দাবি, গতকাল ছাত্রদলের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা’ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে। এতে ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। হামলায় কয়েকজন শিক্ষকও আহত হয়েছেন বলে তিনি জানান।

সাদিক কায়েম বলেন, শিবিরের এক ওয়ার্ড সভাপতি আশরাফুল গুরুতর আহত হয়েছেন। চাপাতির আঘাতে তার পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাকে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখা।

এ সময় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি তুলে দেন কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমসহ শাখার অন্যান্য নেতারা।

৩ মে থেকে ধান-চাল ও গম সংগ্রহ করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
৩ মে থেকে ধান-চাল ও গম সংগ্রহ করবে সরকার

আগামী ৩ মে থেকে ধান, চাল ও গম সংগ্রহ করবে সরকার। চলতি বোরো মৌসুমের ১৮ লাখ টন ধান-চাল ও ৫০ হাজার গম সংগ্রহ শুরু করবে হবে। এ সংগ্রহ চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

এ বছর প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে বোরো ধান, ৪৯ টাকা দরে সিদ্ধ চাল, ৪৮ টাকা দরে আতব চাল এবং ৩৬ টাকা দরে গম কেনা হবে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

এবার এফপিএমসি সভা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, চলতি মৌসুমে বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ টন, সিদ্ধ চাল ১২ লাখ টন, আতপ চাল ১ লাখ টন এমং গম ৫০ হাজার টন নির্ধারণ করা হয়েছে।

এবার ধান ও গম সংগ্রহ শুরু হবে ৩ মে থেকে এবং চাল সংগ্রহ শুরু হবে ১৫ মে থেকে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে এখন পর্যাপ্ত চালের মজুত রয়েছে। এখন সরকারি গুদামে ১৭-১৮ লাখ টন চাল মজুত আছে।

তিনি বলেন, দেশে গমের মোট চাহিদা ৮০ লাখ টন নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশে উৎপাদন মোট ৭০ থেকে ৭২ লাখ টন। বাকি ৮ লাখ টন জি টু জি পদ্ধতিতে আমদানি করা হয়।

পদ্মায় টহলরত পুলিশের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, ওসিসহ ৫ সদস্য গুলিবিদ্ধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
পদ্মায় টহলরত পুলিশের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, ওসিসহ ৫ সদস্য গুলিবিদ্ধ

পাবনা ঈশ্বরদীর লক্ষীকুন্ডা নৌফাঁড়ির পুলিশ সদস্যদের ওপর অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের পাঁচজন সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কুষ্টিয়া জেলার হরিপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে টহল ডিউটির সময় হামলার এ ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ১০ মিনিট থেকে ১টা ৫০ মিনিটের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন—লক্ষীকুন্ডা নৌফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সদস্য ইনামুল হক, শাহিনুর হক, নাজমুল হাসান এবং মানিক মিয়া। তারা সবাই একই নৌফাঁড়িতে কর্মরত। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

জানা যায়, নিয়মিত টহল ডিউটি পালনকালে লক্ষীকুন্ডা নৌফাঁড়ির একটি দল পদ্মা নদীর কুষ্টিয়া অংশের হরিপুর এলাকায় পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ওসিসহ পাঁচজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বর্তমানে আহত সবাই চিকিৎসাধীন।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মশিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।