খুঁজুন
, ,

জনগনের সম্পৃক্ততাই ক্যারাভান কর্মসূচীর সফলতা: সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 21 October, 2020, 11:57 pm
জনগনের সম্পৃক্ততাই ক্যারাভান কর্মসূচীর সফলতা: সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, জনগনের সম্পৃক্ততাই ক্যারাভান কর্মসূচীর সফলতা। এ কর্মসূচী আমি নগরীর অলিগলিতে ছড়িয়ে দিতে চাই। দেখা যাচ্ছে যে যেসব এলাকা দীর্ঘদিন ধরে সিটি কর্পোরেশনের সুবিধাপ্রাপ্ত থেকে বঞ্চিত ছিল ক্যারাভানের কারণে সেসব এলাকার জনসাধারণ এখন নাগরিক সুবিধা পেতে শুরু করেছে যা ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন এলাকাবাসী।

প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে এবং পরিস্কার, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ বাসযোগ্য নগরী গড়ার প্রত্যয়ে আমি অঙ্গীকারাবদ্ধ। এ শহরের বিদ্যমান সমস্যাগুলো থেকে নগরবাসীকে পরিত্রান এবং জনদূর্ভোগ লাঘবে সরেজমিনে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আমার এই ক্যারাভান কর্মসূচী। জনতার আস্থার প্রতিদান দেওয়ার জন্য চাই জনসম্পৃক্ততা।

তিনি আজ বিকেলে বহদ্দারহাটস্থ খাজা রোড থেকে বলির হাট পর্যন্ত চসিক এর প্রকৌশল, বিদ্যুৎ ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত টিম নিয়ে ‘নগর সেবায় ক্যারাভান’ কার্যক্রমে উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।

তিনি উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, আপনাদের অভিযোগগুলো শুনলাম এবং জানতে পেরেছি যে সমস্যাগুলো দীর্ঘ দিনের। যা এর আগে সমাধানেরও চেষ্ঠা করা হয়নি, না হলে বিভিন্ন জায়গায় এতো জঞ্জাল থাকার কথা নয়। তবে সব সমস্যার সমাধান এখনই করবো সেসব আশার বাণী শুনিয়ে আপনাদের আশাহত করতে চাই না। তবে হ্যা আমার কর্মতৎপরতা এবং উদ্যোম রয়েছে। ক্যারাভান কর্মসূচীর সাথে সম্পৃক্ত কর্পোরেশনের সব বিভাগকে আমি এক ছাতার নিচে নিয়ে এসেছি যাতে করে যেখানেই সমস্যা সেখানেই সমাধান করা যায় এবং এতে আমার এ কর্মসূচী ক্রমেই সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

এলাকায় এলাকায় যারা মাদক ও সন্ত্রাসের সাথে জড়িত আছেন, তাদেরকে বলবো ইতিমধ্যে নবনিযুক্ত পুলিশ কমিশনারের সাথে আমার এ বিষয়ে একাধিকবার কথোপকথন হয়েছে। আমরা একটি বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করছি যে মাদক ও সন্ত্রাসের সাথে জড়িতরা কোন অবস্থাতেই ছাড় পাবেনা। এ ব্যাপারে আমাদের জিরো টরালেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। আর এ শহরের সবকিছু বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী অবগত রয়েছে। জলাবদ্ধতা এ নগরীর একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক দিকনির্দেশনা এবং কার্যকরী পদক্ষেপের ফলে আমরা অচিরেই এ সমস্যা হতে মুক্ত হতে পারবো। সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়িত হলে নগরীর জলাবদ্ধতা আর থাকবেনা বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তবে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে আপনাদের কাছ থেকে সহযোগিতা কামনা করছি। আপনারা দীর্ঘদিন ধৈর্য্য ধরেছেন আর কিছুদিন পরেই এর সুফল ভোগ করবেন সমগ্র চট্টগ্রামবাসী। ক্যারাভান কার্যক্রম চলাকালীন বিভিন্ন স্পটে এলাকাবাসীর উত্থাপিত সমস্যার ত্বড়িৎ সমাধানও দেন প্রশাসক।

তিনি উপস্থিত বেশীরভাগ জনসাধারণের মুখে মাস্ক না দেখে তাদেরকে সতর্ক করেন। জনসাধারনকে তাৎক্ষণিক মাস্ক পরিয়ে দেন এবং তাদের মাঝে সাবানও বিতরণ করেন। জনসাধারনকে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশিত স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার অনুরোধ জানান এবং ঘর থেকে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করার আহবান জানান। এছাড়া সাবান দিয়ে বার বার হাত ধোয়ার অভ্যাস করার আহবান জানান প্রশাসক।

ক্যারাভান চলাকালে প্রশাসক স্থানীয় কবরস্থান জিয়ারত করেন এবং খালাসী পুকুর পাড় জামে মসজিদ এ আছর এর নামাজ আদায় করেন। খাজা রোডের ক্যারাভান চলাকালীন সময়ে রাস্তার উভয় পাশে দাড়িয়ে শতশত নারী পুরুষ প্রশাসকের এহেন উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

এলাকাবাসী আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রশাসক যেভাবে নগরবাসীর দুয়ারে দুয়ারে যাচ্ছেন তাতে করে নগরবাসীর দুর্ভোগ আর থাকার কথা নয়।

এসময় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মো. শাহাবুদ্দীন, মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নোমান চৌধুরী, শহিদুল আলম, ফরহানুল আলম রাকিব, মো. তাসিন, ইরফানুল আলম, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম,নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সিদ্দিক, মির্জা ফজলুল কাদের, প্রকৌশলী তৌহিদুল আলম, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 9:11 am
নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে ৫৯৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস।

এর মধ্যে গত দেড় বছরেই আয় হয়েছে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা নিলাম রাজস্বে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য সরানোর পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বাড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনার খালি করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর আওতায় নিলামযোগ্য পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে এবং নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ২৪টি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এসব নিলামে ১ হাজার ৮১৪টি লট বিক্রি করে ১১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়।

২০২২ সালে ৪২টি নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৮১টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে ২৩টি নিলামে ৬৩২টি লট বিক্রি করে রাজস্ব আসে ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

২০২৪ সালে ৫৫টি নিলামের মাধ্যমে ৫১১টি লট বিক্রি করে ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আয় হয়। ২০২৫ সালে ৬০টি নিলামে ১ হাজার ৪০টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১২৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৪৫টি অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩৮৩টি লট বিক্রি করে ১৫৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কে এম করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম ব্যবস্থাপনা, পণ্যের তালিকা প্রস্তুত (ইনভেন্টরি) এবং নিলামকৃত পণ্য বুঝিয়ে দেওয়ার কাজে তার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে, যা এত স্বল্প সময়ে নিলাম থেকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী খালাস না হওয়া পণ্য অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নিলামের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিলাম করা পণ্য বিক্রি থেকে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য সরিয়ে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 8:34 am
ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিক হেনস্তা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় বাঁধন নিজেই এই ঘটনার বিবরণ দেন।

অভিনেত্রী জানান, ইতালির একটি স্থানীয় পার্কে তিনি তার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে একদল ব্যক্তি হুট করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে কোল্ড ড্রিংকস (কোক) ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তা ছাড়া তার হাত থেকে মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়।

বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে। বাঁধন দাবি করেন, আক্রমণকারীরা তাকে জোরপূর্বক ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে। পুরো সময় জুড়ে তার সঙ্গে অত্যন্ত গালমন্দ ও অসংগত আচরণ করা হয়।

ভিডিওবার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘‘আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে এবং আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেয়া হয়েছে। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন ও সহিংস আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত। এভাবে উদ্দেশ্য হাসিল বা নিজেদের অবস্থান ফেরানো সম্ভব নয়।’’

ভিডিওটিতে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘‘সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেও বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছেন। আশা করি আপনারা বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেবেন।’’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল লোক নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালিগালাজ করছে এবং বারবার তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 9:10 pm
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগ ও পাহাড়ের ঢালে নির্মাণকাজের বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী শফিক আহমেদ এবং পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড়, আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড় এবং উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড়ের ঢালে কিছু দেওয়াল সদ্য নির্মিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাহাড়ের ঢালে এ ধরনের দেওয়াল নির্মাণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে রাতের সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় পরিদর্শনকালে পাহাড় কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকেও পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড় পরিদর্শনকালে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটতে দেখা যায়নি। তবে নির্মাণস্থলের ভূমির শ্রেণি ‘ছনখোলা’ বা ‘নাল’ নাকি পাহাড়—তা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পাহাড় কাটার অভিযোগ বা পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।