খুঁজুন
, ,

স্বাস্থ্যবিধি মেনে উদযাপন করা হবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 13 October, 2020, 8:31 pm
স্বাস্থ্যবিধি মেনে উদযাপন করা হবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

করোনাভাইরাস মহামারি পরিস্থিতিতে এ বছর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যথাযোগ্য মর্যাদায় আসন্ন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করা হবে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে হওয়া আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম সচিব মো. নূরুল ইসলাম। সভায় জাতীয় পর্যায়ে কর্মসূচি প্রণয়ন এবং সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

আগামী ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরি (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ৩০ অক্টোবর ) সারা দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে।

সভায় ধর্ম সচিব জানান, কভিড-১৯ করোনা ভাইরাস মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনায় এ বছর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যথাযোগ্য মর্যাদায় আসন্ন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করা হবে। এক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সুবিধা ব্যবহার করা হবে।

সভায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বাণী প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ উপলক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি ভবন, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন ও সশস্ত্র বাহিনীর সকল স্থাপনাসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।

এতে জাতীয় পতাকা ও ‘কালিমা তায়্যিবা’লিখিত ব্যানার ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক আইল্যান্ড ও লাইট পোষ্টে প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) এর রাতে সরকারি ভবনসমূহ ও সামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহ আলোক সজ্জা করা হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু সদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনসমূহে যথাযথভাবে ঈদ-ই- মিলাদুন্নবী (সা.) পালন করবে। এ উপলক্ষে সারাদেশে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রক্ষার্থে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৪ ঘণ্টা/রানা

Feb2
Feb2

বিএনপি কোনো হটকারী সিদ্ধান্ত নেবে না : মীর হেলাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 2:08 pm
বিএনপি কোনো হটকারী সিদ্ধান্ত নেবে না : মীর হেলাল

ভূমি ও পার্বত্যবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দীন বলেছেন, বিএনপি একটি জনগণের দল ও জবাবদিহিতামূলক দল হওয়ায় কোনো হটকারী সিদ্ধান্ত নেবে না।

তিনি বলেন, ‘সব অংশীজনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ও মতবিনিময় করেই প্রয়োজনীয় সংবিধান সংস্কার ও সংশোধনের চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর পরবর্তী ৫ আগস্ট আসার আগেই অঙ্গীকার অনুযায়ী এই সংস্কার কাজগুলো শুরু করেছে।’

বুধবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে নগরের নিউমার্কেট এলাকার রেলওয়ে স্টেশন কম্পাউন্ডে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘এই দেশকে আবার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফেরত আনার মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন করা, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সব ধরনের বৈষম্য দূর করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে এবং আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানসহ সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম সভা এরইমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বারবার যে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, সেই অনুযায়ী জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ যেভাবে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেই আলোকেই সব সংস্কার বিএনপি বাস্তবায়ন করবে।’

শেষে তিনি চট্টগ্রাম বিএনপি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে সব প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য জুলাই যোদ্ধা এবং সর্বস্তরের জনগণকে রক্তিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উন্মোচন করবে ফ্যাসিবাদের মুখোশ: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 12:38 pm
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উন্মোচন করবে ফ্যাসিবাদের মুখোশ: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উন্মোচন করবে ফ্যাসিবাদের মুখোশ। আজকের দিন বাংলাদেশের যুগান্তকারী গণতান্ত্রিক ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। নতুন দেশ গড়তে নতুন যাত্রাপথ রচনা করবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সম্বলিত জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী শাসন আমলে গুম, খুন, অপহরণকে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত করা হয়েছিল। দেড় দশকের নৃশংসতা শুধুমাত্র স্বাধীনতা পরবর্তী দুঃশাসনের সঙ্গে তুলনা চলে।’

জুলাই জাদুঘরে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষিত থাকা জরুরী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই জাদুঘর জনগণের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, বেদনা সাহস, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে জাতীয় স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে ধারণ করার এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ।

এ সময় তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে কেউ কেউ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা তৈরি করছে। এতে নিজেদের অজান্তেই পরাজিত স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের পথ সুগম করছে কিনা ভেবে দেখা প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘শহিদ জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাস জুলাই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, ২৪ গণঅভ্যুত্থান দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। মুক্তিযুদ্ধের মতো চব্বিশের শহিদদের কখনো ভুলবে না দেশের জনগণ।’

বিচারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অপরাধীদের বিচার হবে। আইনের শাসন নিশ্চিত করার জন্যই প্রতিটি বিচার হওয়া জরুরি।’

জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আহতদের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ৫০ জুলাইযোদ্ধাদের বিদেশে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ১৩ হাজারের বেশি জুলাইযোদ্ধাদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভাতা দেওয়া হচ্ছে। জুলাইযোদ্ধাদের সহায়তার বিষয়ে সরকার আন্তরিক।’

দেশ আর কখনো তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শহীদদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৩১ দফার পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে সরকার।’

এ সময় গণতন্ত্র ও জনগণের পক্ষে অবস্থান গ্রহণের জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 12:00 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাদুঘরের ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ জাদুঘরটি বিশেষ অতিথি ও জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি, সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারক পরিদর্শন করেন।

জাদুঘরে প্রবেশের জন্য অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এই জাদুঘর উদ্বোধনের কথা জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। একইসঙ্গে বৃহস্পতিবার থেকে সাধারণ জনগণের জন্য এটা উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক জুলাই গণঅভ্যুত্থান-এর গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর।