খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামের উন্নয়নে আমাদের স্বার্থ এক ও অভিন্ন: চসিক প্রশাসককে রেলমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 9 November, 2020, 10:00 pm
চট্টগ্রামের উন্নয়নে আমাদের স্বার্থ এক ও অভিন্ন: চসিক প্রশাসককে রেলমন্ত্রী

রেলপথ মন্ত্রী মো.নুরুল ইসলাম সুজন এমপি বলেছেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গৃহীত মেগা প্রকল্পের সাথে আমাদের স্বার্থ এক ও অভিন্ন। দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বন্দর নগর চট্টগ্রাম এগিয়ে গেলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন আজ সোমবার সকালে মন্ত্রীর সাথে তাঁর সচিবালয়ের দপ্তরে স্বাক্ষাতকালে তিনি একথা বলেন।

এসময় ফজলে হোসেন বাদশা এমপি ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ সেলিম রেজা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাক্ষাতকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন নগরীর মাদারবাড়ি এলাকায় বরাদ্দের টাকা ও জমির উন্নয়ন বাবদে টাকা পরিশোধের পরও ৭একর জায়গা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের দখলে থাকা সত্ত্বেও ওই জমির বরাদ্দ বাতিল হওয়ার বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রীকে অবহিত করে তা প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। মন্ত্রী প্রশাসকের বক্তব্য শুনে তা মিমাংসার আশ্বাস দেন।

প্রশাসক সুজন মন্ত্রীর নিকট মিরসরাই হতে বেজার ব্যবস্থাপনায় চালু হতে যাওয়া বাংলাদেশের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল বঙ্গবন্ধু শিল্প পার্কের গুরুত্ব অনুধাবন করে ওই এলাকার সাথে শহর কেন্দ্রীক মানুষের যোগাযোগের সুবিধার্থে কয়েক জোড়া শাটল ট্রেন চালু ও চট্টগ্রাম দোহাজারি রুটে কমপক্ষে ৪ জোড়া ট্রেন চালুর প্রস্তাব করেন। এতে একদিকে বঙ্গবন্ধু শিল্প পার্কের সাথে সকল শ্রেণির কর্মজীবীদের যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় পবির্তনের পাশাপাশি শ্রমিক ও কর্মজীবীদের সহজলভ্যতা নিশ্চিত হবে।

এসময় চট্টগ্রাম নগরীকে পরিচ্ছন্ন, পরিবেশ বান্ধব মানবিক শহরে পরিণত কতে আরো বেশ কিছু প্রস্তাবনা রেলপথ মন্ত্রীর বরাবরে উত্থাপন করেন চসিক প্রশাসক সুজন।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিবের সাথে তাঁর অফিস কক্ষে সাক্ষাত করেন চট্টগ্রাম সিটি কপোরেশনের প্রশাসক মাহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

মন্ত্রী সাময়িক দায়িত্ব পাওয়ার পরও নগরীর উন্নয়নে প্রশাসকের দূরদৃষ্টি সম্পন্ন চিন্তা ভাবনায় প্রশংসা করে তাঁকে ধন্যবাদ জানান।

প্রশাসক সুজন রেলপথ মন্ত্রীর নিকট আরো যেসব প্রস্তাবনা উত্থাপন করেছেন তা হলো চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনারবাহী রেল লাইনের সংস্কার ও বগী বাড়ানো, পাহাড়তলীতে স্থাপিত রেল ওয়ার্কশপ পুনরায় চালু ও সংস্কার করা, চট্টগ্রাম নগরীর নতুন রেল স্টেশনের সামনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বা রেলের উদ্যোগে মাল্টি স্টোর বা বহুমুখি পার্কিং চালু করন, রেলওয়ের মালিকানাধীন পাহাড়তলী জোড় ডেবা সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তার করা।

প্রস্তাবগুলো মন্ত্রী ও প্রশাসকের পারস্পরিক আলাপ-আলোচনায় প্রশাসক সুজন তাঁর প্রস্তাবনার বিষয়ে বেশ কিছু যুক্তি মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এরমধ্যে বন্দরের কন্টেইনার জট কমাতে রেললাইন সংস্কারের পাশাপাশি বগী বাড়ানোর সুজনের প্রস্তাব মন্ত্রী গুরুত্বসহকারে আমলে নেন।

এছাড়াও নগরীর যানজট নিরসনে নতুন রেল স্টেশনের সামনে বহুমুখি পার্কিং চালু ও পাহাড়তলী জোড় ডেবার অপব্যবহার রোধের পাশাপাশি এর আশে পাশে অপরাধমূলক ও অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধে স্টেশনের ওই জায়গা ও জোড় ডেবা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে বরাদ্দ দেয়ার জন্য রেলপথ মন্ত্রীকে অনুরোধ করেন চসিক প্রশাসক সুজন।

প্রশাসক রেলপথ মন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন পাহাড়তলী জোড় ডেবার একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রয়েছে। এক সময় এলাকার অধিবাসীরা সুপেয় পানির সংকট দূর করতে এই দীঘি খনন করে। আজ অনাদরে অবহেলায় প্রকৃতির এই সৌন্দর্যকে আমরা ম্লান হতে দিতে পারি না। এই জোড় ডেবাকে আমি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নান্দনিক সাজে সাজিয়ে বিনোদনকেন্দ্র রূপে গড়ে তুলতে চাই। আশাকরি আপনি আমার প্রস্তাবে সায় দিবেন।

স্বাক্ষাতকালে প্রশাসকের সকল প্রস্তাব ও কথা রেলপথ মন্ত্রী মনোযাগ সহকারে শুনে বলেন, আমিও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক দুজনই ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক কর্মী। জাতীয় উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, প্রধানমন্ত্রীর মিশন ভিশন ২০৪০ বাস্তবায়নে আমাদের সম্মিলিত প্রয়াসে চট্টগ্রাম আঞ্চলিকতার গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সুদৃঢ় অবস্থান করে নিবে বলে আমার বিশ্বাস।

সে সময় রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুবিধাজনক সময়ে চট্টগ্রাম সফরে এসে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের প্রস্তাবিত স্থানগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করে এর সম্ভ্যবতা যাচাই করে দ্রুত তাঁর একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত চসিক প্রশাসককে জানাতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী’র সাথে তাঁর অফিস কক্ষে সাক্ষাত করেন চট্টগ্রাম সিটি কপোরেশনের প্রশাসক মাহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

চসিকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার সচেষ্ট: সাক্ষাতকালে প্রশাসক সুজনকে নৌ- সচিব

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন আজ ঢাকায় সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী’র সাথে তাঁর অফিস কক্ষে সাক্ষাত করেন।

এই সময় তিনি সচিবকে চট্টগ্রাম বন্দরের বাৎসরিক আয় থেকে চসিককে ১ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ পরিশোধ, সদরঘাট থেকে কাপ্তাই ও কাপ্তাই থেকে রাঙামাটি পর্যন্ত নৌ রুটে সী-বাস চালু এবং সদরঘাট থেকে বিমানবন্দর সংলগ্ন ১৫নং ঘাট পর্যন্ত সূলভ ভাড়ায় সী-বাস সার্ভিস চালুকরণ প্রসঙ্গে ইতোপূর্বে যে তিনটি পৃথক পৃথক চাহিদা পত্র প্রদান করে ছিলেন তার আলোকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী চসিক প্রশাসকের এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বলেন, চাহিদা পত্রে উল্লেখিত প্রস্তাবনা ও দাবী জনস্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিষয়গুলো মন্ত্রণালয় আমলে এনেছে এবং গুরুত্ব বিবেচনায় এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় সাধন করে পর্যায়ক্রমে যথাযথ উদ্যোগ ও পদক্ষেপ নেয়া হবে।

সচিব চসিকের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও জনস্বার্থে প্রদত্ত চাহিদা পত্রের জন্য প্রশাসককে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব। তাই জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা ও চাহিদা আমলে এনে তা পূরণ করা ও সমাধান নিশ্চিত করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গীকার। সর্বোপরি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার সচেষ্ট।

চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন চট্টগ্রাম বন্দরের বাৎসরিক আয় ১ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ পরিশোধ প্রসঙ্গে সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরীকে অবহিত করেন, চট্টগ্রাম বন্দর ও চসিক অভিন্ন। চট্টগ্রাম নগরীর টেকসই সড়ক অবকাঠামো ব্যবস্থাপনার উপরই নিভরশীল বন্দরের আমদানী ও রপ্তানী পণ্য পরিবহনের বিষয়টি। বন্দরমুখী ও বহিমুখী ভারীযান গুলোর মাত্রাতিরিক্ত চাপের ফলে সড়কগুলো মারাত্নক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে বন্দরের সক্ষমতায় বিরুপ প্রভাব ও সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে জনদুর্ভোগ অসহনীয় পর্যায়ে ঠেকেছে। চট্টগ্রাম বন্দরে বে-টার্মিনাল এবং মহেষখালীর মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্র বন্দর হলেও সড়ক ও স্ট্রাকচারাল সক্ষমতা না থাকলে বন্দরের সক্ষমতার ক্ষেত্রে বড় ধরণের ঘাটতি থেকে যাবে। তাই বন্দরের বাৎসরিক আয় থেকে ১ শতাংশ হারে চসিককে পরিশোধ করা হলে আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নের কর্মকান্ড চলমান রাখা সম্ভব হবে। এতে সাধারণ মানুষ ও পণ্য পরিবহন সহজ, নিশ্চিত ও নিরাপদ হবে এবং এর সুফল হিসেবে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

সদরঘাট থেকে কাপ্তাই ও রাঙামাটি নৌ-রুটে সী-বাস সার্ভিস চালুর চাহিদা পত্র প্রসঙ্গে চসিক প্রশাসক বলেন, সড়কের পাশাপাশি অন্য কোন বিকল্প চলাচল পথ না থাকায় যানজট সহ নানা দুর্ভোগ হচ্ছে। এ থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় নৌ-রুট। সদরঘাট থেকে কাপ্তাই হয়ে রাঙামাটি পর্যন্ত সী-বাস বা লঞ্চ রুট হলে যাত্র ওজন্য পরিবহন এবং পার্বত্য এলাকা থেকে তরিতরকারী, শাক-সবজীসহ কৃষিপণ্য চট্টগ্রাম শহরে পরিবহন সহজলভ্য হবে এবং কৃতি অর্থনীতির ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

চাহিদাপত্রে সদরঘাট থেকে বিমান বন্দর সংলগ্ন ১৫নং ঘাট পর্যন্ত সী-বাস চালু ও এর সূলভ মূল্যে ভাড়া নির্ধারণ প্রসঙ্গে বলেন, এতে নগরীতে যানজট নিরসন কিছুটা হলেও সম্ভব হচ্ছে। বিশেষ করে বিমান বন্দর ব্যবহারকারী যাত্রীদের জন্য বেশ স্বস্থিদায়ক তবে জনপ্রতি ৪০০ টাকা করে ভাড়া নিধারণ করাটা সবার জন্য সক্ষমতার বাইরে। সূলভ মূল্যে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রনাধীন বিআইডব্লিউবিসি বা বন্দর কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে একই জেটি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের জন্য সী-সার্ভিস চালু হলে এয়ারপোর্ট রোডে চলাচলে যানজট থেকে নগরবাসী রেহাই পাবে।

তিনি মেরিন রোড সদরঘাট থেকে কর্ণফুলী ব্রীজ পর্যন্ত সরাসরি সংযোগ করার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এই রোড দিয়ে এখন ফিরিঙ্গিবাজার থেকে কর্ণফুলী ব্রীজ পর্যন্ত চলাচল করতে পারছে। এতে যানজট কিছুটা নিরসন হচ্ছে। তবে সদরঘাট থেকে ফিরিঙ্গিবাজার পর্যন্ত রোডটি সংযোগ কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় ভারী যানবাহন সদরঘাট কর্ণফুলী সেতু হয়ে দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও টেকনাফ পর্যন্ত সরাসরি চলাচল করতে পারছে না। তাই সদরঘাট থেকে ফিরিঙ্গিবাজার পর্যন্ত অংশটি দ্রুত সম্পন্ন করে মেরিন রোডের সাথে যুক্ত হলে পুরো নগরী যানজট মুক্ত হবে এবং দূরপাল্লার সড়ক যোগাযোগ সহজতর হবে।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

ফেসবুকে চাঁদপুরের ইলিশ কিনতে গিয়ে প্রতারণার শিকার ক্রেতারা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2026, 1:52 pm
ফেসবুকে চাঁদপুরের ইলিশ কিনতে গিয়ে প্রতারণার শিকার ক্রেতারা

চাঁদপুরের ইলিশের সুনামকে পুঁজি করে অনলাইনে সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রতারক চক্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পেজ খুলে চাঁদপুরের আসল ইলিশ সরবরাহের প্রলোভন দেখিয়ে তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রেতাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। প্রশাসনের নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও প্রতারকরা কৌশল বদলে অব্যাহত রেখেছে এ প্রতারণা।

জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগে সূত্রে জানা গেছে, গেল বছরের ৯ অক্টোবর চাঁদপুরে থেকে অনলাইনে ইলিশ বিক্রি করতে একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাঁদপুর জেলার ইলিশের নাম করে বিভিন্ন অসাধু ব্যবসায়ী ভুয়া ফেসবুক পেজ খুলে প্রতিনিয়ত দেশবাসীকে প্রতারণা করে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসন চাঁদপুর এ ধরণের প্রতারণা রোধে ৭ ব্যবসায়ীকে অনলাইনে ইলিশ বিক্রির জন্য নিবন্ধন প্রদান করা হয়। ইলিশের অনলাইন ব্যবসার জন্যে আগ্রহী প্রার্থীদের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে যোগ্যতা সাপেক্ষে নির্ধারিত ফরম এ আবেদন করতে হয়েছে। এছাড়া চাঁদপুর মাছ ঘাটের কিছু ব্যবসায়ী অনলাইনে ইলিশ বিক্রয় করছেন। তারা সবাই ক্যাশ অন ডেলিভারির মাধ্যমে ইলিশ বিক্রয় করেন।

ইলিশের ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা জানান, চাঁদপুরের বৈধ কিছু অনলাইন ইলিশ বিক্রেতার লোগো, পুরনো ভিডিও যুক্ত করে অনলাইনে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা করেই যাচ্ছে চক্রের সদস্যরা। তাদের ফাঁদ থেকে বাদ পড়ছেন না চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ। প্রশাসন কঠোর হলেও এসব প্রতারক ধরা ছোয়ায় বাইরে থাকছে। তবে প্রতারণা থেকে মুক্তির জন্য চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতন করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের ভুক্তভোগী হিম অভিযোগ করে বলেন, প্রায় দেড় মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’ নামে একটি পেজের বিজ্ঞাপন আমার নজরে আসে। বিজ্ঞাপনে দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করে আমি ইলিশ মাছ কেনার আগ্রহ প্রকাশ করি এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ মাছের অর্ডার দেই। তখন তারা আমাকে জানায়, অর্ডার নিশ্চিত করতে হলে আগে অগ্রিম টাকা পরিশোধ করতে হবে। তাদের কথায় বিশ্বাস করে তারা যে বিকাশ ও নগদ নম্বর দেয়, সেখানে আমি মোট ১১ হাজার টাকা পাঠাই। কিন্তু টাকা পাঠানোর পরও তারা কোনো মাছ পাঠায়নি। এরপর আমি বারবার যোগাযোগ করে মাছ কিংবা টাকা ফেরত চাইলে তারা নানা ধরনের অজুহাত দিতে থাকে। একপর্যায়ে তারা জানায়, আমার নামে নাকি একটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে, সেটি চালু করতে হলে আরও টাকা পাঠাতে হবে। অ্যাকাউন্ট চালু হলেই আগের ১১ হাজার টাকাসহ সব টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেয়। কিন্তু তখন আমি বুঝতে পারি, এটি একটি প্রতারণার ফাঁদ। এরপরও তারা বিভিন্নভাবে আরও টাকা আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, আমি শুধু একাই নই, আমার মতো আরও অনেক মানুষ অনলাইনে ইলিশ মাছ বিক্রির প্রলোভনে পড়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা এভাবে হাতিয়ে নেওয়া খুবই নিন্দনীয়। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত প্রতারক চক্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আমার হারানো টাকা দ্রুত ফেরত পাওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

শরীয়তপুর সদরের তুলাসার এলাকার বাসিন্দা মিন্টু মাদবর বলেন, চাঁদপুরের ইলিশের স্বাদ নিতে অনলাইনে রুপালি ইলিশের সেরা চাঁদপুর পেইজের নামে একটি ফেসবুক পেজের সঙ্গে গত পরশু যোগাযোগ করি। প্রতারক চক্রকে ১১ হাজার টাকা দেই। কিন্তু চক্রটি ইলিশ আমাকে দেয় নাই।

নিবন্ধনকৃত অনলাইন ইলিশ ব্যবসায়ী খোকন পাটওয়ারী বলেন, আমরা অনলাইনে ক্যাশ অন ডেলিভারির মাধ্যমে ইলিশ বিক্রি করি। আমাদের এখানে অনলাইনে নিবন্ধনকৃত ৭টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত। একটা শ্রেণির প্রতারক চক্র অনলাইনে দেখায়, মাছের দাম অনেক কমে গেছে। তারা মানুষের কাছ থেকে মাছের টাকা নেয়। কিন্তু মাছ দেয় না। আমি অনুরোধ করব আপনাদের হাতে ইলিশ পৌঁছানোর আগে টাকা দেবেন না।

চাঁদপুর মাছঘাটের মেসার্স আলম ট্রেডার্সের মালিক নুরুল আমিন বলেন, অভিনব কায়দায় ভুয়া পেজ ব্যবহার করে ইলিশ বিক্রির প্রতারণা করছে প্রতারকরা। এসব প্রতারণা করছে দেশের অন্য জেলায় বসে এক শ্রেণির প্রতারক। তাই আপনাদের হাতে ইলিশ পৌঁছানোর আগে টাকা দেবেন না।

চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী শবেবরাত আলী বলেন, দেশে বিদেশ থেকে কেউ ক্যাশ অন ডেলিভারি ছাড়া ইলিশ ক্রয় করবেন না। টাকা দেওয়ার আগে অন্তত খোঁজ-খবর নিয়ে মাছ ক্রয় করবেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক, উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) এবং পৌরসভার প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন বলেন, আমরা অনলাইনে বিক্রির প্রতারণা রোধে ৭ ব্যবসায়ীকে অনলাইনে ইলিশ বিক্রির জন্য নিবন্ধন প্রদান করা হয়। আমরা জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছি। জেলা প্রশাসনের ওয়েব সাইডেও ওই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতন করা হয়েছে। কেউ যদি ইলিশ বিক্রিতে প্রতারণা করে তাহলে আপনার নিকটতম থানায় যোগাযোগ করুন।

চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, তালিকা বহির্ভূত অন্যান্য অনলাইন পেজ থেকে সংশ্লিষ্টদের ইলিশ ক্রয়ের বিষয়ে প্রতারণা হতে সতর্ক থাকতে হবে। কেউ প্রতারিত হলে আপনার নিকটস্থ থানায় অভিযোগ করতে পারেন। আমরা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

মোদি সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের পাশে এবার বলিউড তারকারা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2026, 8:59 am
মোদি সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের পাশে এবার বলিউড তারকারা

দিল্লির রাজপথে সহিংস রূপ নেওয়া বিক্ষোভের পরদিন শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন অভিনয়শিল্পী ও সংগীতশিল্পী।

রাজধানীতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভের সমর্থনে এবং আন্দোলনকারীদের ওপর ‘পুলিশের ধরপাকড়ের’ প্রতিবাদে সরব হচ্ছেন ক্রমেই বেশিসংখ্যক তারকা ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব।

পাঞ্জাবি অভিনেতা ও গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্জ, যিনি আগে এই বিক্ষোভ থেকে নিজেকে দূরে রেখেছিলেন, মঙ্গলবার তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে ইনস্টাগ্রামে এই গায়ক লেখেন, ‘যা ঘটেছে তা দুঃখজনক। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করা উচিত হয়নি।’

‘জনগণের কণ্ঠস্বর’কে ‘ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর’ আখ্যা দিয়ে দিলজিৎ কর্তৃপক্ষকে ‘শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও অভিযোগ শোনার’ আহ্বান জানান। কৃষক আন্দোলনের সময় কথা বলে ‘দেশদ্রোহী’ তকমা পাওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এই গায়ক বলেন, সে সময় তাকে অনেক ভুগতে হয়েছিল এবং ‘এবারও হয়তো আমাকে দেশদ্রোহী বলা হবে।’

অভিনেতা দম্পতি রিতেশ দেশমুখ ও জেনেলিয়া ডি’সুজাও বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন এবং তাদের কথা শোনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই দম্পতি লেখেন, ‘আমরা আমাদের দেশের তরুণদের সঙ্গে পূর্ণ সংহতি জানাচ্ছি। তাদের কণ্ঠস্বর শোনা উচিত—উচ্চকণ্ঠে, স্পষ্টভাবে এবং ভয়হীনভাবে। তারাই আমাদের গণতন্ত্রের স্পন্দন এবং আমাদের জাতির ভবিষ্যতের প্রকৃত স্থপতি। আসুন, আমরা তাদের কথা শুনি, সমর্থন দিই এবং ক্ষমতায়ন করি। আমাদের তরুণদের শক্তি, সাহস ও স্বপ্নই সেই ভারত গড়বে, যে ভারতের স্বপ্ন আমরা দেখি।’

এর আগে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হওয়ার আগেই প্রবীণ অভিনেত্রী শাবানা আজমি এবং অভিনেতা-নির্মাতা প্রকাশ রাজ দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যোগ দেন।

এই বিক্ষোভ যে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে হচ্ছে, সে বিষয়ে জোর দেন শাবানা আজমি। তিনি বলেন, ‘আমরা যারা এখানে এসেছি, সবাই একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের জন্য এসেছি। আমাদের দেশের সংবিধান প্রদত্ত অধিকার চর্চা করতেই এই জমায়েত। মহাত্মা গান্ধী আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে হয়, আর আমরা সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই এখানে এসেছি। কোনো ধরনের সহিংসতা সৃষ্টির বিন্দুমাত্র উদ্দেশ্য আমাদের নেই এবং আমরা এই আশাতেই দৃঢ়ভাবে এখানে দাঁড়িয়ে আছি।’

সোমবার বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের অ্যাকশনের পর বলপ্রয়োগের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন অনেক তারকা।

অভিনেতা হুমা কুরেশি বলেন, বিক্ষোভের এসব দৃশ্য তার মনে ‘দীর্ঘদিন গেঁথে থাকবে’। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর ‘এমন পাশবিক বলপ্রয়োগ ও লাঠিচার্জ’ তাকে ‘গভীরভাবে ব্যথিত করেছে’ বলে জানান তিনি।

চলচ্চিত্র রচয়িতা সুতপা সিকদার লিখেছেন, জবাবদিহি চাইতে আসা বিক্ষোভকারীদের অনেকেই ছিলেন শিক্ষার্থী, যারা ‘পকেটে মাত্র ২০ টাকা’ আর ‘বুকভরা আশা’ নিয়ে সেখানে হাজির হয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, এই তরুণেরা কেউ ‘প্রভাবশালী ধনী বাবার আদুরে সন্তান’ নন এবং ‘তাদের বাঁচাতেও কেউ আসেনি’।

সারা জীবন বাসের জন্য, ট্রেনের জন্য, ভর্তির জন্য কিংবা পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে যেভাবে লড়াই করে তারা টিকে থেকেছেন, এখানেও তারা সেভাবেই মাটি কামড়ে পড়ে ছিলেন বলে উল্লেখ করেন সুতপা।

অভিনেতা ও নির্মাতা নন্দিতা দাস জানিয়েছেন, যারা বিশ্বাস করেন মানুষ যখন সমবেত হতে পারে, কথা বলতে পারে, শুনতে ও শোনাতে পারে, তখনই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়—তিনি তাদের প্রতি সংহতি জানাচ্ছেন।

তিনি লিখেছেন, ‘গঠনমূলক ভিন্নমতই গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যে ভারতের ওপর আমরা বিশ্বাস রাখি, সেই ভারতের জন্য দিল্লিতে শান্তিপূর্ণভাবে পদযাত্রা করা সবার সঙ্গেই আমি আত্মিকভাবে আছি।’

ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বিস্তারিত পোস্টে অভিনেতা ভূমি পেডনেকার বলেছেন, সহিংসতা কখনো কোনো সমাধান হতে পারে না। শিক্ষাব্যবস্থার নানা অসংগতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ইরানে টানা ১১তম দিনে মার্কিন হামলা, একের পর এক বিস্ফোরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2026, 8:31 am
ইরানে টানা ১১তম দিনে মার্কিন হামলা, একের পর এক বিস্ফোরণ

ইরানে টানা ১১তম দিনের মতো হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এসব এলাকায় একের পর এক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার (২২ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি সৃষ্টির ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা আরও হ্রাস করার লক্ষ্যে দেশটির বিরুদ্ধে টানা একাদশতম দিনের মতো বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

এক বিবৃতিতে সেন্টকম বলেছে, মার্কিন বাহিনী ইরানের সামরিক অভিযানকেন্দ্র, সামুদ্রিক সক্ষমতা, বিমান হ্যাঙ্গার, ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং সামরিক রসদ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

তেহরান থেকে আল জাজিরার সংবাদদাতা তোহিদ আসাদি জানিয়েছেন, ইরানের রাজধানীজুড়ে ব্যাপক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।

ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানের বুশেহরের কিছু অংশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ফার্স নিউজ জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানের সিরিকের আশপাশেও বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

প্রাদেশিক ডেপুটি গভর্নর ফার্স নিউজকে বলেন, ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুজেস্তান প্রদেশের বেহবাহান ও ওমিদিয়েহ শহরের নিকটবর্তী এলাকাগুলো মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, মার্কিন বাহিনী উত্তর-পশ্চিম ইরানের তাবরিজের উপকণ্ঠে একটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সংকট ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ সংস্থাটি বলেছে, স্থানীয় সময় ভোর ২টা ৪০ মিনিটে এ হামলা চালানো হয়। এটি শহরের নিকটবর্তী একটি সামরিক এলাকায় চালানো হলেও শহরের ভেতরে কোনো হামলা হয়নি।

এর আগে মঙ্গলবার কুয়েতের সেনাবাহিনী জানায়, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি ইরানি ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে। এই মাসে মার্কিন হামলা পুনরায় শুরু হওয়ার পর থেকে কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরান বারবার হামলা চালিয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ মঙ্গলবার কংগ্রেসকে জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ব্যয় ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, পেন্টাগনের অতিরিক্ত ৯০ বিলিয়ন ডলার তহবিল প্রয়োজন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হেগসেথের এ ঘোষণার পর তিনি ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ‘খুব শিগগিরই এবং খুব জোরালোভাবে’ পিক্যাক্স মাউন্টেন নামের একটি সন্দেহভাজন ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছেন।

ট্রাম্পের হুমকির জবাবে ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র দেশটির পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালালে এ অঞ্চলে হামলার মাত্রা আরও বাড়ানো হবে।