খুঁজুন
, ,

‘আমি মানবতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছি’ : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 13 November, 2020, 12:45 am
‘আমি মানবতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছি’ : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বলেছেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে অনুধাবন করে মানবতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উন্নতির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সব কিছুর আগে মানবতাকে অগ্রাধিকার দিতেন এবং জনগণের প্রতি তাঁর ভালবাসা ছিল সীমাহীন। আমি এখন যা করছি তা জাতির পিতার আদর্শের প্রতিচ্ছবি।’

ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অব বাংলাদেশের (সিবিসিবি) সভাপতি প্যাট্রিক ডি’রোজারিওর নেতৃত্বে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আজ সকালে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কল্যানে তাঁর সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর তিনি কুষ্ঠ রোগীদের ঘর করে দিয়ে তাদের পুনর্বাসিত করেছেন।

তিনি বলেন, সমাজে অবহেলিত বেদে এবং হিজড়া সম্প্রদায়ের লোকজনকে তিনি পুনর্বাসিত করছেন। প্রধানমন্ত্রী সমাজের বিত্তশালী শ্রেণিকে অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

প্রেস সচিব বলেন, প্রতিনিধি দলের সদস্যরা করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এবং এই পরিস্থিতিতে অসহায় ব্যক্তিদের বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন।

তারা প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, যে কোনও পরিস্থিতিতে খ্রিস্টান সম্প্রদায় সর্বদা তাঁর পাশে থাকবে।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আরও বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উদারতার প্রশংসা ও মূল্যায়ন করেছেন পোপ ফ্রান্সিস।
রোহিঙ্গাদেরকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়া এবং তাদের জীবন বাঁচানো প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশাল মানবিক কাজ বলে উল্লেখ করেছেন তারা।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে তারা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

এর অংশ হিসেবে তারা তারা মোট ৭ লাখ গাছ লাগাবে এবং ইতোমধ্যে সাড়ে ৩ লাখ গাছ লাগানো হয়েছে।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, তারা টুঙ্গিপাড়া গিয়ে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

প্রেস সচিব বলেন, ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ জানান।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন ঢাকায় সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত আর্চ বিশপ বিজয় ডি’ক্রুজ, কূটনীতিক কোরের ডিন এবং বাংলাদেশে ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত জর্জ কোচেরি।

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারেক আহমেদ সিদ্দিক এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

কর্ণফুলীতে বন্ধ হলো এস আলমের সব কারখানা, ৪ হাজার ছাঁটাই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 1 August, 2026, 12:10 am
কর্ণফুলীতে বন্ধ হলো এস আলমের সব কারখানা, ৪ হাজার ছাঁটাই

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় এস আলম গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) থেকে কারখানাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ রয়েছে।

কারখানা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের ছাঁটাইয়ের নোটিশ দেওয়া হয়। ছাঁটাই কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে। কাঁচামালের সংকট, এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলতে না পারা এবং ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকায় উৎপাদন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এস আলম সুগারের শিফট ইনচার্জ প্রকৌশলী মো. হাসমত আলী বলেন, ‘কাঁচামালের সংকটের কারণে গত দুই বছর ধরে কারখানায় উৎপাদন প্রায় বন্ধ ছিল। কাজ না থাকলেও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এতদিন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিয়েছে। এখন আর সেই পরিস্থিতি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।’

তিনি জানান, শুধু এস আলম সুগার থেকেই ৩৮৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রাপ্য বেতন-ভাতা ও অবসর সুবিধা পরিশোধ করা হচ্ছে। এর আগেও কয়েক দফায় জনবল কমানো হয়েছিল।

কর্ণফুলীতে বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে এস আলম সুগার, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট, এস আলম পাওয়ার জেনারেশন, ইনফিনিটি সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, চেমন ইস্পাত, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস-এনওএফ, এস আলম স্টিল ও এস আলম ব্যাগ।

শ্রমিকরা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে কারখানার নোটিশ বোর্ডে ছাঁটাই হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা টানিয়ে দেওয়া হয়। খবর প্রকাশের পর বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দেয়।

কারখানা সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যাংকিং জটিলতা ও কাঁচামাল আমদানিতে বাধার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। মজুত কাঁচামাল দিয়ে সীমিত পরিসরে কিছু কারখানা চালু থাকলেও এবার সব ধরনের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) রফিকুল ইসলাম বলেন, কারখানায় সব ধরনের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। তাই ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্মরতদের অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 31 July, 2026, 10:53 pm
রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীর সড়কের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল ৪টা ৫ মিনিটের দিকে গুলশানের বাসা থেকে গাড়ি নিয়ে বের হন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রাজধানীর উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন সড়কের পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি দেখতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঘুরেছেন। প্রধানমন্ত্রী বারবার ঢাকাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন। এ কারণে তিনি সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন।

প্রধানমন্ত্রী শ্যামলী, বিজয় সরণি, রোকেয়া সরণি, মিরপুর-১০, কচুক্ষেত ও শেওড়াপাড়ার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখেন। সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে তাঁর গাড়ি শ্যামলী এলাকা অতিক্রম করে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব মেহেদুল ইসলাম ও সহকারী একান্ত সচিব আব্দুর রহমান সানী।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতেও রাজধানীর নাগরিক সেবার বাস্তব চিত্র দেখতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সেদিন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে পাশে বসিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে ফার্মগেট এলাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম দেখেন তিনি। এরপর সংসদ ভবন এলাকা, ক্যান্টনমেন্ট, মহাখালী, বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি ও গুলশান ঘুরে বাসায় ফেরেন।

পরিদর্শনের সময় গাড়িতে বসেই ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসককে বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ব্যক্তিগত কর্মকর্তারাও ছিলেন।

কেরানীগঞ্জে কারখানায় তৈরি হতো ইয়াবা, বিক্রি হতো ঢাকা ও আশপাশের এলাকায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 31 July, 2026, 10:39 pm
কেরানীগঞ্জে কারখানায় তৈরি হতো ইয়াবা, বিক্রি হতো ঢাকা ও আশপাশের এলাকায়

ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি ইয়াবা তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১০। গ্রেপ্তাররা হলেন মো. আলমগীর ওরফে আন্ডে (৪০), মো. আলী আরমান (৩৬), মো. শাহজাহান (৪০) ও সোনিয়া (৩০)।

র‍্যাব বলছে, ইয়াবা তৈরিতে ব্যবহৃত এসব কাঁচামালগুলো বৈধ এবং বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়। তবে এই চক্র সেগুলো ব্যবহার করে ইয়াবা উৎপাদনের পদ্ধতি তৈরি করেছে। কাঁচামাল সংগ্রহ ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানতে আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১০ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন মধ্যচর দক্ষিণ বালুচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মোহা. আসাদুজ্জামান বলেন, গতকাল রাতে র‍্যাব-১০ এর আওতাধীন এলাকায় একটি ইয়াবা তৈরির চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। পরে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৯৬৮ পিস ইয়াবা, বিভিন্ন ধরনের পাউডার সদৃশ কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং একটি ওজন পরিমাপক যন্ত্র জব্দ করা হয়। এ সময় চারজন সক্রিয় মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে আলমগীরের বিরুদ্ধে ঢাকার রামপুরা, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা রয়েছে। তারা সবাই পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। গ্রেপ্তাররা দুই বছর ধরে এই কাজে যুক্ত বলে জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদে ঢাকায় আরো কারখানা থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

চক্রটি কামরাঙ্গীরচর ও পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় তাদের ব্যবসার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতো। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।