খুঁজুন
, ,

আজ লক্ষ্মীপুর হানাদারমুক্ত দিবস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 December, 2020, 5:01 pm
আজ লক্ষ্মীপুর হানাদারমুক্ত দিবস

অ আ আবীর আকাশ,লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত হয়। এর আগে মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় পাকিস্তানি সেনা এবং তাদের দোসর আলবদর ও রাজাকাররা ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও বহু নারীর সম্ভ্রম কেড়ে নেয়।

লক্ষ্মীপুরকে হানাদার মুক্ত করতে মুক্তিযোদ্ধারা জেলার বিভিন্ন স্থানে ২২ বার সামনা-সামনি যুদ্ধসহ ২৯টি দুঃসাহসিক অভিযান চালান। এ জেলায় ৩৫ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ শতাধিক মানুষ শহীদ হন।

মুক্তিযোদ্ধারা প্রথমে লক্ষ্মীপুর শহরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া রহমতখালী খালের ওপর নির্মিত মাদাম ব্রিজটি উড়িয়ে দেন। আজও স্মৃতি হিসেবে ব্রিজের লোহার পিলার দাঁড়িয়ে আছে।

এ জেলায় উল্লেখযোগ্য রণক্ষেত্রগুলো হলো কাজির দিঘীর পাড়, মিরগঞ্জ, চৌধুরী বাজার, দালাল বাজার, রায়পুর আলীয়া মাদ্রাসা, ডাকাতিয়া নদীর ঘাট, চর আলেকজান্ডার সিড গোডাউন, প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও রামগঞ্জের গোডাউন এলাকা।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সদর উপজেলায় ২৩ জন, রামগতিতে দুই জন, কমলনগর এক জন, রায়পুরে সাত জন ও রামগঞ্জে দুই জন রয়েছেন।

১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বর রফিকুল হায়দার চৌধুরী, সুবেদার আব্দুল মতিন, আ ও ম শফিক উল্যা, হামদে রাব্বীর নেতৃত্বে দেড় শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেন হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্পে। তুমুল লড়াই হয়। তবে হার মানতে হয় পাক হানাদার বাহিনীকে।

অবশেষে ৪ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করে হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোশর আলবদর ও রাজাকাররা।

সেদিন মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাগত জানাতে সাধারণ মানুষ দলে দলে ছুটে আসে। এ সময় জয় বাংলা স্লোগানে শহরে উৎসবমুখ পরিবেশ বিরাজ করে।

প্রতিবছর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে হানাদার মুক্তির এই দিনটি পালন করা হয়।

Feb2
Feb2

নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 September, 2026, 9:27 pm
নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রের পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্বালানি কোম্পানি শেভরনকে আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেভরনের বেস অ্যাসেটস ও উদীয়মান দেশবিষয়ক প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার লা রোসার নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সাক্ষাতে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে দেশে বিদ্যমান ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনের বিনিয়োগের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শু শিয়ংসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা উত্তরে আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 September, 2026, 8:18 pm
ঢাকা উত্তরে আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

এদিন বিকালে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন বিভিন্ন ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলরদের সঙ্গে এনসিপি কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

এসময় তিনি সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী অন্বেষণ, ওয়ার্ড ভিত্তিক নাগরিক সমস্যা, জুলাই শহীদ ও আহত পরিবারদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যুক্ততা, পতিত ও পলাতক আওয়ামী লীগের নাশকতামূলক তৎপরতার প্রতি কড়া নজরদারির নির্দেশনা দেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের এনসিপি সমর্থিত সম্ভাব্য দুই মেয়র প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী এবং আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক ও দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক ইসহাক সরকারসহ উত্তর ও দক্ষিণ মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

কাপ্তাই লেক নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেব না: নাজিমুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 September, 2026, 7:38 pm
কাপ্তাই লেক নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেব না: নাজিমুর রহমান

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, কাপ্তাই লেক শুধু একটি জলাধার নয়; এটি আমাদের দেশের সম্পদ, পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশ, অর্থনীতি ও মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই কাপ্তাই লেকের স্বার্থ, নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব নিয়ে কোনো ধরনের অপতৎপরতা বা ষড়যন্ত্র আমরা মেনে নেব না।

তিনি আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে গ্রেটার চট্টগ্রাম ফোরাম ও চট্টগ্রাম ওয়াসা গ্রাহক সমন্বয় ফোরাম আয়োজিত কাপ্তাই লেকের পানি নিয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলারা নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কাপ্তাই লেককে ঘিরে যদি কোনো মহল দেশের স্বার্থবিরোধী পরিকল্পনা করে থাকে, তাহলে আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। জাতীয় সম্পদ নিয়ে কোনো গোপন সিদ্ধান্ত, অপপ্রচার কিংবা ষড়যন্ত্র জনগণ মেনে নেবে না। পানির লেভেল অতিক্রম করার আগেই পানি ছেড়ে দিয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসা সহ, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত করার ঘটনাটি বিশেষ গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করার আহবান জানান।

তিনি বলেন, আমাদের দাবি স্পষ্ট—কাপ্তাই লেকের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে, স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং লেককে ঘিরে যেকোনো অনিয়ম বা ষড়যন্ত্রের বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে।

আমরা চাই কাপ্তাই লেক হোক দেশের সম্পদ ও সম্ভাবনার উৎস। কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী মহলের স্বার্থে জাতীয় সম্পদকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না। দেশবিরোধী যে কোন ষড়যন্ত্র রুখে দিতে বীর চট্টলার আপামর জনসাধারণ প্রস্তুত।

গ্রেটার চট্টগ্রাম ফোরামের মহাসচিব হাসান মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শওকত আজম খাজা, মঞ্জুর রহমান চৌধুরী।

জহিরুল ইসলাম ও সাজ্জাদ খানের পরিচালনার অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন➤প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান, আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্র, মিয়া মোহাম্মদ আরিফ, এমরান এমি, আরিফ হাসান, এড. ইকবাল হোসেন, কিরণ শর্মা, ইসমাইল ইমন, আবু বক্কর রাজু, কামাল পারভেজ, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, প্রকৌশলী রাশেদ আলম, প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, ইঞ্জিনিয়ার আরিফ হাছান চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মিনহাজুল হক ভূঁইয়া,কামরুল হাসান, এস এ গনি, মোরশেদ রনী, নুর হোসেন, নুরুল আলম, মোহাম্মদ ইলিয়াস, মহসিন,সাইদুল হক সিকদার, আব্দুল জলিল, মহসিন, সাফওয়ান, মাঈনউদ্দিন খান রাজিব, জাভেদ ওমর, কামরুল হাসান আকাশ, মো: শাহ আলম, নিলয়, সিফাত, ইমরান, রুবেল, রায়হান, রনি, ইয়াসিন, মহিন, সাহেদ, শুভ, শান্ত, সাইদুল, জাবেদ, ইফতি সহ বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।