খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয়েছিল: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ৮:৩২ অপরাহ্ণ
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয়েছিল: ডা. শাহাদাত

চট্টগাম মহানগর বিএন‌পির সভাপ‌তি ও চ‌সিক নির্বাচ‌নে বিএন‌পি ম‌নোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত‌ হোসেন বলেছেন, আজকের এই দিনে ১৯৯০ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয়েছিল। ৯০’র স্বৈরাচা‌রের পতন হ‌লেও গণতন্ত্র আজ বিপন্ন। দেশ এখন নব্য স্বৈরাচা‌রের আবির্ভাব হ‌য়ে‌ছে। বর্তমান সরকার স্বৈরাচার এরশাদের চেয়ে বড় স্বৈরাচার সরকার। এরশাদ যদি স্বৈরাচার হয়, শেখ হাসিনা আরো বড় স্বৈরাচার। স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের আমলে ১০০ থেকে ১৫০ লোক মারা গিয়েছিল। কিন্তু এই সরকারের আমলে সহস্রাধিক শুধু মারা যায় নাই, গুমও হয়েছে অসংখ্য। তাই আজ আমাদের স্লোগান হওয়া হবে নব্য স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক। সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই। এখন সরকার জনগণকে ভয় পায়, তাই নিরপেক্ষ নির্বাচনে তারা বিশ্বাস করে না। এরা আবারো চট্টগ্রামে নাইটমেয়র এর স্বপ্ন দেখছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ‘ভয়াবহ’। একদলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে সরকার দেশের বিচার বিভাগ, সংসদ ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করে সব লুটপাট করছে। যখনই আন্দোলন দানা বেঁধে উঠে তখনই সরকার নানা ইস্যু তৈরি করে।

আমরা সরকারকে বলে দিতে চাই, মামলা হামলা নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না, ভোটের অধিকার ফেরানোর জন্য বিএনপি আন্দোলন করে যাবে।আমাদের আন্দোলন হচ্ছে মানুষের ভোটের অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলন।

তি‌নি আজ, রবিবার(৬ ডিসেম্বর) বিকা‌লে ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএন‌পি আ‌য়ো‌জিত ক‌রোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও মত বি‌নিময় সভায় প্রধান অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে উপ‌রোক্ত বক্তব্য রা‌খেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বলেছেন, মানু‌ষের গণতন্ত্র, ভোটা‌ধিকার কে‌ড়ে নি‌য়ে ফ্যা‌সিষ্ট সরকার দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রায় বিপন্ন। ‌দে‌শের গণতন্ত্র প্র‌তিষ্ঠায় আওয়ামী লী‌গের কোন ভূ‌মিকা নাই। তারা গণত‌ন্ত্রে বিশ্বাসী নয়, তার একদলীয়, এক ব্য‌ক্তির শাস‌নে বিশ্বাসী। দে‌শের জনগ‌নের জন্য গণতা‌ন্ত্রিক অ‌ধিকার পুনঃপ্র‌তিষ্ঠার সংগ্রাম কর‌তে বেগম খা‌লেদা জিয়া কারান্ত‌রিন থে‌কে গৃহব‌ন্ধি আবস্থায় আ‌ছেন। এই অপশক্তিকে রুখতে হলে বেগম খা‌লেদা জিয়া ও তা‌রেক রহমা‌নের নেতৃ‌ত্বে যে গণতন্ত্র ও ভোটা‌ধিকার পুনঃপ্র‌তিষ্ঠার যে আ‌ন্দোলন চলছে তা‌কে আরো বেগবান কর‌তে হ‌বে। এই জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ হ‌তে হ‌বে। জনগন‌কে সা‌থে নি‌য়ে ঐক্যবদ্ধ আ‌ন্দো‌লনের মাধ্যমে ফ্যা‌সিষ্ট নব্য‌-স্বৈরাচার‌কে পরা‌জিত করে বেগম খা‌লেদা জিয়াকে ম‌ুক্ত কর‌তে হ‌বে।

বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী মঞ্জু, মোঃ কামরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা গাজী মোঃ ইউসুফ এর সভাপতিত্বে এম ইলিয়াছ আলীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম রাশেদ, রোকসানা বেগম মাধু, বিএনপি নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ মহসিন, অধ্যাপক ফজলুল কাদের, জিয়াউর রহমান জিয়া, সরোয়ার জাহান পুতুল, খোরশেদ আলম, শহিদুল ইসলাম, শাহজাহান মঞ্জু, মোহাম্মদ জাবেদ, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, মোহাম্মদ নাছির, শাহজাহান খাঁন, গাজী মোমিনুল হক সুমন, গাজী আলমগীর টিটু, মিনু আরা বেগম, মালা বেগম, এরশাদ আহম্মদ, মোরশেদ আলম, এম টি তালুকদার, মোহাম্মদ লোকমান, মোহাম্মদ হাসেম, মোহাম্মদ ইজ্জাজ, এমদাদ উল্লাহ, আলাউদ্দিন তালুকদার, মিনহাজ মাসুদ বাবু, শাহনেওয়াজ জাহান মুন্না, জুয়েল আলম প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…