খুঁজুন
বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাম্প্রদায়িক বিষবৃক্ষের মূলোৎপাটন বিজয় দিবসের অঙ্গীকার : কাদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
সাম্প্রদায়িক বিষবৃক্ষের মূলোৎপাটন বিজয় দিবসের অঙ্গীকার : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দুয়ারে দাঁড়িয়ে, তখনও একটি অশুভ শক্তি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে সক্রিয় রয়েছে। সাম্প্রদায়িক এই বিষবৃক্ষের মূলোৎপাটনই হবে এবারের বিজয় দিবসের অঙ্গীকার।

আজ বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে দলের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

হেফাজতসহ ধর্মীয় সংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুও পাকিস্তানিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, তারা কি চেয়েছিল, তা জানতে। তাদের (ধর্মীয় সংগঠন) সঙ্গে বৈঠকটা করা হয়েছে, কারণ আমরা জানতে চাই, তারা কী চায়। আমাদের যে শপথ, আমাদের যে আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ, স্বাধীনতার আদর্শ, এ প্রশ্নে আমরা কোনো আপোষ করবো না। সেটাও আমরা তাদের জানিয়ে দিতে পারি। তা নাহলে বৈঠক কেন?

তিনি বলেন, আমরা বিজয় দিবস উদযাপন করছি, কিন্তু এখনও বাংলাদেশের স্বাধীনতার আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছে একটি অশুভ ও সাম্প্রদায়িক শক্তি। এবারকার বিজয় দিবসের অঙ্গীকার হচ্ছে আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এ সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রুখব। এক দিকে ১৯৪৭-এর চেতনা, অন্য দিকে ’৭১-এর চেতনা, একদিকে সাম্প্রদায়িকতা, আরেক দিকে অসাম্প্রদায়িকতা, আজ আমাদের এ দু’টি ধারা চলছে, আমাদের আজকের শপথ হবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা মুক্তিযুদ্ধের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি যে বিষবৃক্ষ, ডালপালা বিস্তার করেছে, সেই বিষবৃক্ষকে আমরা সমূলে উৎপাটন করব। সেই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ করব। এটাই হোক এবারকার বিজয় দিবসের শপথ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের যে শপথ, আমাদের যে আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ, স্বাধীনতার আদর্শ- এই প্রশ্নে কোনো আপস আমরা করব না।’

Feb2

জুনের মধ্যে ব্যারাকে ফিরবে সব সেনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
জুনের মধ্যে ব্যারাকে ফিরবে সব সেনা

আগামী জুন মাসের মধ্যে মাঠপর্যায়ে থাকা সব সেনা সদস্যকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল মঙ্গলবার আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় নেওয়া হয় এ সিদ্ধান্ত। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেনা সদস্যদের চূড়ান্ত প্রত্যাহার শুরু হবে আগামী ৬ জুন থেকে। শুরুতে দূরবর্তী জেলা থেকে ব্যারাকে ফেরানো হবে সেনা সদস্যদের। পরবর্তীকালে ধাপে ধাপে বিভাগীয় শহর এবং বড় জেলা থেকে তুলে আনা হবে তাদের। এভাবে জুন মাসের মধ্যেই সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সরিয়ে নেওয়া হবে মাঠ থেকে।

গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, ‘নির্বাচনের পর সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা আর বহাল নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি মূলত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে তারা।’

এর আগে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কারফিউ জারি করে সেনা নামিয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনে ওই বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পুলিশ বাহিনী ভেঙে পড়ায় মাঠেই থেকে যায় সেনাবাহিনী। ওই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচনেও দায়িত্ব পালন করেছেন সেনাসদস্যরা।

সারা দেশে মাঠপর্যায়ে এখনো ১৭ হাজার সেনাসদস্য রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। মাঠপর্যায় থেকে সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে চূড়ান্ত প্রত্যাহার করতে বিভিন্ন সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ জানিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তার কারণ হিসেবে বলা হয়, দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করতে করতে সদস্যরা ক্লান্ত, তাদের বিশ্রামের প্রয়োজন। এমন প্রেক্ষাপটে গতকাল আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের চূড়ান্তভাবে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

বাসের পর এবার বাড়লো লঞ্চের ভাড়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
বাসের পর এবার বাড়লো লঞ্চের ভাড়া

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাসের পর বাড়লো লঞ্চভাড়াও। একজন যাত্রীর লঞ্চভাড়া কম দূরত্বে প্রতি কিলোমিটারে ১৮ পয়সা ও বেশি দূরত্বে ১৪ পয়সা বেড়েছে। কম দূরত্বে লঞ্চের ভাড়া ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ ও বেশি দূরত্বের ক্ষেত্রে ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) লঞ্চের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

লঞ্চভাড়া ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ২ টাকা ৭৭ পয়সা থেকে ১৮ পয়সা বেড়ে ২ টাকা ৯৫ পয়সা এবং ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের ক্ষেত্রে ভাড়া ২ টাকা ৩৮ পয়সা থেকে ১৪ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জনপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ২৯ টাকা থেকে ৩ টাকা বাড়িয়ে ৩২ টাকা করা হয়েছে।

নতুন ভাড়া মঙ্গলবার (৫ মে) থেকেই কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন (নৌরুট, পারমিট, সময়সূচি ও ভাড়া নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৯’ এর বিধি ২৭ অনুযায়ী সরকার নৌযানে যাত্রী পরিবহনের জন্য জনপ্রতি সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন যাত্রী ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করেছে।

এর আগে গত ১৮ এপ্রিল জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়ে। জ্বালানি তেলের নতুন দাম ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয়। এরপরই গণপরিবহনের ভাড়া বাড়াতে তৎপর হয়ে ওঠেন মালিক ও শ্রমিকরা। দফায় দফায় সরকারের সঙ্গে মিটিং করেন তারা।

পরে গত ২৩ এপ্রিল ডিজেলচালিত বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানোর ঘোষণা দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ওইদিনই ভাড়া বাড়িয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওইদিন থেকে কার্যকর হয় নতুন ভাড়া।

কাপ্তাই হ্রদে ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা অবমুক্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
কাপ্তাই হ্রদে ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা অবমুক্ত

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও কার্প জাতীয় মাছের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) এর নিজস্ব হ্যাচারিতে উৎপাদিত মোট ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা কাপ্তাই হ্রদে অবমুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে বিএফডিসির ফিশারিঘাটে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের অতিরিক্ত চেয়ারম্যান মো. ইমাম উদ্দীন কবীরের সভাপতিত্বে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এছাড়া প্রজনন মৌসুমে মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে আগামী ৩ মাস পর্যন্ত মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা হয়েছে। চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে প্রায় ২৭ হাজার নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মাঝে বিশেষ ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্ধোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (স.দা) ড. অনুরাধা ভদ্র, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের রাঙামাটি কমান্ডার কর্নেল আবু মোহাম্মদ সিদ্দিক আলম এবং পৌর প্রশাসক মো. মোবার হোসেন।

প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদ দেশের মৎস উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এখানকার মাছ দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। উৎপাদন ও রপ্তানি আরও বাড়াতে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

‎তিনি আরও বলেন, জেলেদের ভিজিএফ কার্ডের আওতায় বর্তমানে যে ২০ কেজি চাল দেওয়া হয়, তা সমতলের জেলেদের মতো ৪০ কেজিতে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কাপ্তাই হ্রদ দূষণমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল থেকে পরবর্তী তিন মাস কাপ্তাই হ্রদে সব ধরনের মাছ ধরা ও বিপণন নিষিদ্ধ রয়েছে।