খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিজয় দিবসে এতিম শিশুদের পাশে “এফ এন্ড এফ”

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
বিজয় দিবসে এতিম শিশুদের পাশে “এফ এন্ড এফ”

আবহাওয়ার পরিবর্তন ও ঋতু পরিক্রমায় শীত জনজীবনে বিরূপ প্রভাব বিস্তার করে। যা খুবই কষ্টকর। এরই মধ্যে জেঁকে বসেছে শীত। সারাদেশে তাপমাত্রা কমে এসেছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারদিক। কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা কমে আসায় দূরপাল্লার যান চলাচলেও প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে।

শীতে অনিবার্যভাবেই প্রকৃতিতে ঘটে কিছু পরিবর্তন। হেমন্তের ফসল কাটা শেষ হয়। নবান্নের সঙ্গে পিঠাপায়েসের আয়োজন চলে গ্রামাঞ্চলে। এই নগরেও এখন মৌসুমী পিঠা বিক্রেতারা তাদের পসরা সাজিয়ে বসেছে। শীত একদিকে যেমন উৎসবের আমেজ নিয়ে আসে। অন্যদিকে তীব্র শীত জীবনযাত্রা বিপন্ন করে তোলে মানুষজনের। বিশেষ করে দরিদ্ররা শীতের কাপড়ের অভাবে কষ্ট পায়।

এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার খরণা ইউনিয়নের হযরত শাহাজাহান আউলিয়া (রাঃ) এতিমখানা, হেফজখানা ও এবতাদায়ী মাদ্রাসার শীতার্ত এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছে এক ঝাঁক উজ্জীবিত তরুণদের ফেসবুক ভিত্তিক সংগঠন ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্রেন্ডসশীপ (এফ এন্ড এফ)।

মহান বিজয় দিবস উদযাপনের দিন সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসাবে করোনার এই দুযোর্গের মাঝেও দিনটিকে ব্যতিক্রমভাবে রাঙাতে এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে হযরত শাহাজাহান আউলিয়া (রাঃ) এতিমখানা, হেফজখানা ও এবতাদায়ী মাদ্রাসায় ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্রেন্ডসশীপ (এফ এন্ড এফ) দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আয়োজনের মধ্যে ছিলো ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ।

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার মোহাম্মদ মেহেদী হাসান ও চট্টগ্রামের প্রসিদ্ধ ক্লিনিক্যাল এবং কসমেটিক ডার্মাটোলজিষ্ট ম্যাক্স হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ নুসরাত উর্মির নেতৃত্বে একটি মেডিকেল টিম এতিম শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রদান করে।

এছাড়াও শীতার্ত এতিম শিশু ও শিক্ষকদের মাঝে কম্বল বিতরণ, ঘুমানোর জন্য পাটি, করোনা সচেতনায় মাস্ক প্রদান, শীতকালীন প্রসাধনী, এতিম শিশুদের মাঝে খেলার উপকরণ, বৈদ্যুতিক বাতি ও ভালো খাবারের ব্যাবস্থা সহ সকল এতিম শিশুদের মাঝে জাতীয় প্রতাকা প্রদানের মাধ্যমে বিজয় দিবসের বিশেষ আয়োজন করা হয় ।

আয়োজক এফ এন্ড এফ’র মুখপাত্র জানান, এতিমখানাটি উপজেলা সদর থেকে দূরে অবস্থিত হওয়ায় মানবিক ও দানশীল মানুষগুলোর সাহায্য থেকে বঞ্চিত। শহরঞ্চালের এতিখানাগুলো বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও দানবীর মানুষগুলো নিয়মিত সাহায্য পেলেও গহীন গ্রামের এই এতিমখানাটি প্রয়োজনীয় সরকারী- বেসরকারিভাবে তেমন একটা পায় না। তাই আমরা ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্রেন্ডসশীপ (এফ এন্ড এফ) পরিবারের মানবিক দাতা সদস্যদের আর্থিক সহযোগীতায় সুবিধা বঞ্চিত, শীতার্ত এই এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসাবে শহর থেকে গ্রামে ছুটে এসেছি।

ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্রেন্ডসশীপ (এফ এন্ড এফ) পরিবার ইতিপূর্বে ঢাকা মিরপুরস্থ একটি বৃদ্ধাশ্রমে রমজান মাসের খাবারের ব্যবস্থা করেছিলাম। করোনা কালীন লকডাউনের সময় আমরা এফএন্ডএফ গ্রুপ থেকি নিয়মিত ডক্তরস লাইভের মাধ্যমে সংকট কালীন সময়ে অসুস্থ মানুষগুলোর পাশে ছিলাম।

উক্ত এতিমখানার সুপার হাফেজ মাওলানা জাকির জানানঃ এতিমদের নিয়ে সব সময় নানা সংকটে ও অভাবে থাকি। এতিমদের মুখে দু’বেলা ডাল-ভাত তুলে দিতে পারলেও শীত নিবারণের মতো পর্যাপ্ত পোশাক দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না।

ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্রেন্ডসশীপ(এফ এন্ড এফ) নামক সংগঠনকে আমাদের এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানোয় আমরা তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ প্রকাশ করছি।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান আলহাজ্ব মাহাবুবুর রহমান ও এতিমখানা পরিচালনা পরিষদ সদস্যবৃন্দ সহ দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্রেন্ডসশীপ (এফ এন্ড এফ) গ্রুপের পরিচালনা সদস্য মোহাম্মদ হাসানুল বান্না, বিকাশ মিত্র, মুরাদ শেখ, মিলন দাশ, পুষ্পিতা বড়ুয়া, মনোবিজ্ঞানী আকবর হোসেন, ডা: স্বপ্নীল প্রহ্লাদ, ডা: ফাতেমা হাসান সহ এফ এন্ড এফ পরিবারের দাতা সদস্যরা সহ উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাফেজ বৃন্দ এবং শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।