খুঁজুন
, ,

ফিফার বর্ষসেরা লেভান্ডভস্কি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 18 December, 2020, 11:02 am
ফিফার বর্ষসেরা লেভান্ডভস্কি

আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি ও পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালেদোকে হটিয়ে ২০২০ সালের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন রবার্ট লেভান্ডভস্কি।

বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জুরিখে ফিফার সদর দফতরে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে ‘দ্য বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ড’ বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।

গত বছরের ২০ জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিবেচনায় গত ২৫ নভেম্বর বিশেষজ্ঞ প্যানেলের বেছে নেওয়া ১১ জনের তালিকা প্রকাশ করে ফিফা। আর গত শুক্রবার সংক্ষিপ্ত তালিকা তিন জনে নামিয়ে আনা হয়।

বায়ার্ন মিউনিখ ও পোল্যান্ডের ফরোয়ার্ড লেভান্ডভস্কি এর আগে গত ১ অক্টোবর বায়ার্ন-জার্মানির গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যুয়ার ও ম্যানচেস্টার সিটি-বেলজিয়ামের মিডফিল্ডার কেভিন ডে ব্রুইনেকে হারিয়ে উয়েফা বর্ষসেরার পুরস্কার জেতেন।

গত মৌসুমে লেভা সব প্রতিযোগিতা মিলে গত মৌসুমে ৪৭ ম্যাচে ৫৫ গোল করেন। ৩২ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার বায়ার্নের ষষ্ঠ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ে দারুণ ভূমিকা রেখেছিলেন। সেই আসরে সর্বোচ্চ ১৫টি গোল করেন তিনি। এমনকি বাভারিয়ানদের বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপ জয়েও বড় অবদান ছিল তার।

বর্ষসেরা ফুটবলারে রেকর্ড ছয়বার নির্বাচিত হয়েছেন বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনার মেসি। আর রোনালদো জিতেছেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঁচবার। ২০০৮ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত এই দুই জনের বাইরে আর কেউই বর্ষসেরার পুরস্কার জিততে পারেননি। তবে ২০১৮ সালের সেরা হন রিয়াল মাদ্রিদ ও ক্রোয়োশিয়ার লুকা মদ্রিচ। ব্যালন ডি’অর ও ফিফা বর্ষসেরা-দুটি পুরস্কারই ঘরে তুলেছিলেন এই মিডফিল্ডার।

Feb2

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 4:43 pm
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান।

রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনে আসা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দর্শনার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি এই কথা বলেন।

এদিন সংসদ ভবনের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আয়োজনে এক মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন তারা। আপ্যায়নের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেন এবং পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য, দক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

সংসদ ভবনের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় আয়োজিত এই মধ্যাহ্নভোজে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এর মধ্যে ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর আইন বিভাগের ২৯ জন শিক্ষার্থী, গণসাক্ষরতা অভিযানের সহযোগী সংস্থা ‘সুরভী’র মাধ্যমে আসা ২১ জন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এবং তেজগাঁও কলেজ ডিবেটিং সোসাইটির ১৬ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক।

এই শিক্ষার্থীরা মূলত সংসদ ভবন পরিদর্শন কর্মসূচির অংশ হিসেবে সেখানে এসেছিলেন। দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে তারা সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করেন। এছাড়া তারা সংসদ লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন, উত্তর প্লাজায় ফটোসেশনে অংশ নেন এবং সরাসরি সংসদ অধিবেশন কক্ষে বসে সংসদের কার্যপ্রণালী দেখার সুযোগ পান।

জাতীয় সংসদের অধিবেশন দেখার পাশাপাশি সরকারপ্রধানের আমন্ত্রণে এমন আয়োজনে অংশ নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আন্তরিক আপ্যায়ন ও দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ পাওয়ায় তারা সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে রেখে মানবিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 4:26 pm
অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে রেখে মানবিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়: ডিসি জাহিদ

সমাজের কোনো জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে রেখে একটি মানবিক ও উন্নত রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেন, মানুষ কোথায় জন্ম নেবে, তা তার নিয়ন্ত্রণে নয়; তবে পরিশ্রম, দক্ষতা ও বড় স্বপ্নের মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব। সরকারের দেওয়া আর্থিক সহায়তা ভোগে নয়, উৎপাদনমুখী কাজে ব্যবহার করতে হবে, কারণ এ অর্থ জনগণের কষ্টার্জিত করের টাকা।

রোববার (২৮ জুন) চট্টগ্রাম জেলা সমাজসেবা কার্যালয় আয়োজিত ‘অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন’ শীর্ষক ১৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী, সনদ ও আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক।

জেলা প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশ একটি বৈচিত্র্যময় দেশ। বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মানুষ যুগ যুগ ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করলেও অনেকেই এখনো উন্নয়নের মূলধারা থেকে পিছিয়ে রয়েছে। তাঁদের জীবনমান উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ কোনো সমাপ্তি নয়; এটি নতুন পথচলার শুরু। বিশ্ববাজারের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়মিত দক্ষতা বাড়াতে হবে। ‘আপনি যদি স্থির থাকেন আর পৃথিবী এগিয়ে যায়, তাহলে পৃথিবীর সঙ্গে আপনার দূরত্বই বাড়বে,’ বলেন তিনি।

সময়কে জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, বড় স্বপ্ন দেখতে হবে এবং তা বাস্তবায়নে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। ড. বি. আর. আম্বেদকরের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, অধিকাংশ সফল মানুষ প্রতিকূলতাকে জয় করেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তাই ব্যর্থতার অজুহাত না খুঁজে আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারের প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার প্রকৃত সফলতা তখনই আসবে, যখন প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজেদের জীবনমান পরিবর্তন করতে পারবেন। সরকার শুধু প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা বাড়াতে নয়, তাঁদের বাস্তব উন্নয়ন নিশ্চিত করতেই গুরুত্ব দিচ্ছে।

ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠীর আবাসন ও কর্মসংস্থানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, তাঁদের প্রায় ২৫০টি পরিবারের আবাসনের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

সরকারি অনুদানের বিষয়ে তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে প্রায় ৯২ লাখ ৬০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে। এই অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা সবার নৈতিক দায়িত্ব। উৎপাদনমুখী খাতে বিনিয়োগ করা হলে ব্যক্তি যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি সরকারের উদ্দেশ্যও সফল হবে।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তব চাহিদাভিত্তিক হওয়া প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো এলাকায় কী ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে, তা বিবেচনায় নিয়েই প্রশিক্ষণের বিষয় নির্ধারণ করা উচিত। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দক্ষতার ধারাবাহিক উন্নয়ন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

নৈতিক অবক্ষয়ের প্রসঙ্গ তুলে জেলা প্রশাসক বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ না ঘটলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। সমাজে নৈতিকতা, মানবিকতা ও বিবেক জাগ্রত করতে সামাজিক সংগঠনগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।

তিনি মাদকের ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করে বলেন, মাদক মানুষের বিবেক ও বিচারবোধ নষ্ট করে দেয়। তাই একটি মাদকমুক্ত, নৈতিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সরকার ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ১৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী জেলে, হিজড়া, সন্ন্যাসী, হরিজন ও সেবক সম্প্রদায়ের ২৫ জনকে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকার অনুদান ও সনদ দেওয়া হয়। এছাড়া ২০৫টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মধ্যে ৬৬ লাখ ৬০ হাজার টাকার অনুদান এবং প্রতিবন্ধী, দুস্থ ও মেধাবী ১৩৫ শিক্ষার্থীকে মোট ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানে ৯২ লাখ ৬০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়।

হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, চঞ্চলের ২০ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 2:54 pm
হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, চঞ্চলের ২০ বছরের কারাদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি করা এবং দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

একইসঙ্গে রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের বাকি সদস্যরা হলেন, বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্তরা হলেন- রামপুরা থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

এদিন বেলা ১১টা ৪৮ মিনিট থেকে রায় পড়া শুরু হয়। প্রথমেই রায়ের কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচারের জন্য অনুমতি চান প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। এরপর অনুমতি সাপেক্ষে এ কার্যক্রম বিটিভিতে সরাসরি দেখানো হয়।

শুরুতেই এ মামলার আসামিদের দায় পড়ে শোনান ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা। এরপর চার্জ পড়েন বিচারক মোহিতুল হক এনাম। আর রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ।

এদিকে, বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে গ্রেপ্তার থাকা একমাত্র আসামি রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে এজলাসে তোলা হয়। মামলার অপর চার আসামি পলাতক রয়েছেন।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে চালানো পুলিশের গুলি থেকে প্রাণ বাঁচাতে রামপুরার বনশ্রী-মেরাদিয়া সড়কের পাশে থাকা একটি নির্মাণাধীন ভবনে ওঠেন আমির হোসেন। ওই সময় পুলিশও তার পিছু পিছু যায়। একপর্যায়ে ছাদের কার্নিশের রড ধরে ঝুলে থাকা আমিরের ওপর ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়েন দুই পুলিশ সদস্য। এতে জীবন বাঁচলেও গুরুতর আহত হন তিনি। একই দিন বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নামে দুজন নিহত হন।