খুঁজুন
, ,

প্রতিবন্ধী রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা, স্ত্রীসহ পুলিশ সদস্য গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 24 December, 2020, 12:33 am
প্রতিবন্ধী রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা, স্ত্রীসহ পুলিশ সদস্য গ্রেফতার

রংপুর নগরীতে নাজমুল ইসলাম (৩০) নামে এক প্রতিবন্ধী রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ কনস্টেবল হাসান আলী ও তার স্ত্রী সাথী বেগমের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা সড়ক অবরোধ করলে পুলিশের লাঠিচার্জে চারজন আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বুধবার বিকালে নগরীর ২৮নং ওয়ার্ডের আশরতপুর ঈদগাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, লালমনিরহাটের তিস্তা মুস্তফী গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী নাজমুল ইসলাম নগরীর আশরতপুর ঈদগাহপাড়ায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন। তার পায়ে সমস্যা থাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ভাড়া নিয়ে চালাতেন।

আর ওই রিকশাটি ছিল রংপুর পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত কনস্টেবল হাসান আলীর। তার বাড়ি গাইবান্ধায়। তিনি আশরতপুর কোটপাড়ায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে পরিবারসহ বসবাস করেন।

গত মঙ্গলবার রাতে ওই রিকশাটি চুরি হয়। পরে নাজমুল ইসলাম অনেক চেষ্টা করে রিকশাটি উদ্ধার করে মালিক হাসান আলীকে ফেরত দেন। কিন্তু পুলিশ কনস্টেবল হাসান আলী তাকে চোর অপবাদ দিয়ে বাসায় ডেকে এনে নির্যাতন চালায়।

একপর্যায়ে অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে নাজমুলকে কোটপাড়ার বাড়িতেই ঘরের ভেতর গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখে। পরে বিষয়টি আত্মহত্যা বলে প্রচার চালায়।

পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থল থেকে নির্যাতনের উপকরণ হিসেবে হাতুড়ি ও প্লাস উদ্ধার করেছে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। নখগুলো থেঁতলানো অবস্থায় দেখা গেছে।

এদিকে বুধবার দুপুরে ওই বাড়িতে নাজমুলের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন তাজহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তাদেরও অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নাজমুলকে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার প্রচারণা চালিয়েছে পুলিশ সদস্য হাসান।

এ পরিস্থিতিতে একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী রংপুর-কুড়িগ্রাম সড়কের পার্কের মোড়ে অবস্থান নিয়ে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই সড়কে প্রায় বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন ভাংচুর করে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিক্ষুব্ধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

প্রায় দু’ঘণ্টা পর সন্ধা ৬টার দিকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে নিহতের লাশ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আলতাব হোসেন জানান, পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্য হাসান আলী ও তার স্ত্রী সাথী বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Feb2
Feb2

পানির পাইপলাইনে বিষ প্রয়োগ, ‘সাবভার্সিভ অ্যাক্টিভিটিজ বললেন এসপি মাসুদ’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 27 July, 2026, 7:16 am
পানির পাইপলাইনে বিষ প্রয়োগ, ‘সাবভার্সিভ অ্যাক্টিভিটিজ বললেন এসপি মাসুদ’

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেছেন, রাস্তা কেটে দেওয়া বা ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাগুলো সম্পূর্ণ ‘অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রম’। দেশের ও সরকারের বাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্টে নিয়মিত মামলা রুজু করা হচ্ছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাতে মোবাইল ফোনে দেওয়া এক মন্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, আলীনগরের যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশ মিলিয়ে প্রায় তিনশ সদস্য রয়েছেন। তাদের জন্য পাশের ডিপটিউবওয়েলের সংযোগস্থলে বিষ বা বিষজাতীয় কিছু পুশ করেছিল দুর্বৃত্তরা। পরে অপারেটর সকালে পানি ও টাংকি চেক করতে গিয়ে দুর্গন্ধ পেয়ে সবাইকে সতর্ক করেন।

তিনি আরও বলেন, রাস্তা কেটে দেওয়া বা ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেওয়ার মতো এই ধরনের বারবার ঘটনা সম্পূর্ণ অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রম (সাবভার্সিভ অ্যাক্টিভিটিজ)। দেশের ও সরকারের বাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চালিয়ে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

জঙ্গল সলিমপুরে দফায় দফায় নাশকতা

রাষ্ট্রের ভেতরে ‘আলাদা রাষ্ট্র’ খ্যাত চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এলাকাছাড়া করতে দফায় দফায় এমন জঘন্য নাশকতা চালাচ্ছে অপরাধী চক্র। গতকাল রোববার (২৬ জুলাই) সকালে পুলিশ ক্যাম্প ও স্থানীয় একটি স্কুলের যৌথ পানি সরবরাহের পাইপলাইনে সুপরিকল্পিতভাবে কীটনাশক বা বিষ প্রয়োগের পর তিন পুলিশ সদস্য অসুস্থ হলে বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এর আগে, জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর এলাকায় যৌথ বাহিনীর সদ্য প্রতিষ্ঠিত ক্যাম্প লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ করেছিল সন্ত্রাসীরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যাতায়াত ও অভিযান বাধাগ্রস্ত করতে মূল সড়কের বিভিন্ন অংশ বুলডোজার দিয়ে কেটে ফেলা হয়, যাতে সাঁজোয়া যান বা দ্রুতগতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে পৌঁছাতে না পারে। এমনকি সে সময় সশস্ত্র হামলা চালিয়ে নির্মাণাধীন চৌকির দেওয়াল ও বিভিন্ন অবকাঠামোও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

পাহাড়ি এই অপরাধ সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ও যৌথ বাহিনীকে হটাতে এর আগেও ক্যাম্প লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ এবং বিদ্যুৎ ও পানির লাইন কেটে দেওয়ার মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল চক্রটি।

ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে রেলগেটে বাস, মাহিন্দ্রা ও ইজিবাইকে ধাক্কা, নিহত ২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 27 July, 2026, 6:56 am
ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে রেলগেটে বাস, মাহিন্দ্রা ও ইজিবাইকে ধাক্কা, নিহত ২

রাজবাড়ীর সদর উপজেলার খানখানাপুর রেলগেটে তেলবাহী ট্রেনের মূল অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া পাঁচটি বগির ধাক্কায় একটি যাত্রীবাহী বাস, একটি মাহিন্দ্রা ও একটি ইজিবাইক দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এ ঘটনায় মাহিন্দ্রার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

রোববার (২৬ জুলাই) রাতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের খানখানাপুর রেলগেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের শামুকখোলা গ্রামের মঈনুদ্দিন শেখের ছেলে মালেক শেখ এবং রাজবাড়ী সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড় এলাকার বাসিন্দা মনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী। তারা দুজনই মাহিন্দ্রার যাত্রী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর থেকে রাজবাড়ীর দিকে একটি তেলবাহী ট্রেন যাচ্ছিল। ট্রেনটি খানখানাপুর রেলগেট অতিক্রম করার সময় পেছনের পাঁচটি বগি কোনো এক কারণে মূল ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ইঞ্জিন ও সামনের অংশ রেলগেট পার হয়ে যাওয়ার পর গেটম্যান রেললাইন ফাঁকা মনে করে ব্যারিয়ার তুলে দেন। তখন একটি যাত্রীবাহী বাস, একটি মাহিন্দ্রা ও একটি ইজিবাইক রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করলে বিচ্ছিন্ন হয়ে আসা বগিগুলো সেগুলোতে সজোরে ধাক্কা দেয়।

এতে মাহিন্দ্রা ও ইজিবাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ধাক্কায় বাসটিও রেললাইনের পাশের দিকে সরে যায়। দুর্ঘটনায় মাহিন্দ্রার চালকসহ সাতজন আহত হন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী জামাল মোল্লা বলেন, রাজবাড়ীগামী তেলবাহী ট্রেনটি রেলগেট পার হওয়ার আগেই পেছনের পাঁচটি বগি মূল ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবে ইঞ্জিন ও সামনের অংশ রেলগেট অতিক্রম করায় গেটম্যান রেললাইন ফাঁকা মনে করে ব্যারিয়ার তুলে দেন। ঠিক তখনই একটি বাস, একটি মাহিন্দ্রা ও একটি ইজিবাইক রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করলে বিচ্ছিন্ন হয়ে আসা বগিগুলো সেগুলোতে ধাক্কা দেয়।

বাসের যাত্রী শরিফুল হোসেন বলেন, বাসটি ফরিদপুর থেকে দৌলতদিয়া যাচ্ছিল। খানখানাপুরে পৌঁছানোর পর একটি তেলবাহী ট্রেন চলে যায়। ট্রেনটি চলে যাওয়ার পর গেটম্যান ব্যারিয়ার তুলে দেন। বাসটি রেললাইন পার হওয়ার সময় হঠাৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে আসা কয়েকটি বগির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে বাসটি রেললাইনের পাশের দিকে সরে যায়। আমরা বাসের ভেতরে ছিটকে পড়ি। কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা বাদশা খান বলেন, বিচ্ছিন্ন বগির ধাক্কায় মাহিন্দ্রাটি প্রায় এক কিলোমিটার দূরে গিয়ে থামে। এতে মাহিন্দ্রা ও ইজিবাইক দুমড়ে-মুচড়ে যায়। মাহিন্দ্রার চালক ভেতরে আটকা পড়েছিলেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেন।

আহলাদীপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদুর রহমান মুরাদ বলেন, খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। গুরুতর আহত সাতজনকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন মারা যান। দুর্ঘটনার বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি রেকার দিয়ে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।

রাজবাড়ী রেলওয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান বলেন, ঘটনাটি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ফরিদপুর থেকে একটি ইঞ্জিন আনা হচ্ছে। সেটি এসে বিচ্ছিন্ন বগিগুলো সরিয়ে নেওয়ার পর রেললাইন সচল করা হবে।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। কী কারণে তেলবাহী ট্রেনের পেছনের পাঁচটি বগি মূল ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

খুলশীতে বস্তিতে মিলল থানা লুটের জোড়া পিস্তল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:55 pm
খুলশীতে বস্তিতে মিলল থানা লুটের জোড়া পিস্তল

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হওয়া ব্রাজিলের তৈরি দুটি অত্যাধুনিক ৯ এমএম পিস্তল উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে আমবাগান রেলওয়ে কলোনির পেছনের একটি বস্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। ডিবি উত্তরের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে।

এর আগে, গত রাতে একই এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় দুই উপ-পরিদর্শক (এসআই) সহ মোট সাত পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে, আমবাগান রেলওয়ে কলোনির পেছনের বস্তি এলাকায় অস্ত্র কেনা-বেচা চলছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ব্রাজিলীয় প্রযুক্তির ‘টরাস’ ব্রান্ডের দুটি ৯ এমএম পিস্তল জব্দ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ক্রস ব্যাংক ও রেকর্ডপত্র যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, অস্ত্র দুটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রগুলোর অংশ।

বিষয়টি গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।