খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গ্রাহকরা ইচ্ছা করলেই যে কোন সময় পিডিবির প্রি-পেইড মিটারে রূপান্তর করতে পারবেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ৮:০২ অপরাহ্ণ
গ্রাহকরা ইচ্ছা করলেই যে কোন সময় পিডিবির প্রি-পেইড মিটারে রূপান্তর করতে পারবেন

পোস্ট পেইড গ্রাহকদের বিল সংক্রান্ত জটিলতা ও হয়রানি রোধে যে কোন গ্রাহক ইচ্ছা করলে যে কোন সময় প্রি-পেইড মিটারে রূপান্তর করতে পারবেন। গ্রাহককে নিজ উদ্যোগে বাজার থেকে মিটার সংগ্রহ করে স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসকে অবহিত করলে তারা প্রয়োজনীয় আনুসাঙ্গিক ব্যবস্থা নিবেন।

শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) কালুরঘাট বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে বিদ্যুৎ বিতরণ দক্ষিনাঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইমাম হোসেনের সাথে ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের নেতৃত্বে ক্যাব চট্টগ্রাম প্রতিনিধি দলের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে উপরোক্ত তথ্য জানানো হয়।

এ উপলক্ষে কালুরঘাট বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী গিয়াস ইবনে আলম, ক্যাব পাঁচলাইশের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম জাহাঙ্গীর, ক্যাব সদস্য নাজিম উদ্দীনসহ বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ক্যাব থেকে জানানো হয়, প্রতিনিয়তই গ্রাহকদের বিলের রিডিং নিয়ে নানা সমস্যা হচ্ছে। অনেক সময় বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন মিটার না দেখে রিডিং করে থাকেন। ফলে গ্রাহককে সমস্যায় পড়তে হয়। আর এ সমস্যা থেকে উত্তরণের উপায় হলো প্রি-পেইড মিটার প্রবর্তন। সরকার কিছু কিছু মিটার সরবরাহ করলেও প্রি-পেইড মিটার বিতরণ কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে। ফলে গ্রাহকরা অতিরিক্তি বিলের বাড়তি বোঝা নিয়ে ভোগান্তির শিকার। তার উত্তরে বিদ্যুৎ বিতরণ দক্ষিনাঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইমাম হোসেন বলেন গ্রাহক ইচ্ছা করলেই যে কোন সময় প্রি-পেইড মিটারে রূপান্তরিত করতে পারবেন। তবে গ্রাহককে মিটারটি বাজার থেকে ক্রয় করে বিদ্যুৎ বিভাগকে অবহিত করলেই হবে। বিদ্যুৎ বিভাগ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।

সভায় জানানো হয় বিদ্যুৎ বিভাগের সেবা নিয়ে যে কোন সমস্যা, গ্রাহক ভোগান্তি স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসকে অবহিত করে সমাধান না হলে ক্যাব চট্টগ্রামসহ কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর যে কোন জেলা-উপজেলা কার্যালয় অথবা Consumers Association of Bangladesh (CAB) ফেসবুক পেজেও অবহিত করা যাবে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…