খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘চট্টগ্রাম বন্দর না হলে জাতীয় প্রবৃদ্ধি হতো না’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২১, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
‘চট্টগ্রাম বন্দর না হলে জাতীয় প্রবৃদ্ধি হতো না’

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এম.পি বলেছেন, প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করেন বাংলাদেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে চট্টগ্রামকে গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ চট্টগ্রাম বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রাকৃতিক বন্দর। চট্টগ্রাম বন্দর না হলে জাতীয় প্রবৃদ্ধি হতো না। বঙ্গবন্ধু তাঁর আরাধ্য সোনার বাংলা বাস্তবায়নে চট্টগ্রামকে নিয়েই স্বপ্ন দেখতেন।

তিনি আরো বলেন, এই চট্টগ্রাম ২০৪১ সালে বিশ্বের উন্নত শহর হওয়ার সবচেয়ে বড় অবলম্বন এবং সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির একমাত্র ঠিকানা।
আজ অপরাহ্নে রেডিসন ব্লু মেজবান হলে চীন সরকারের অনুদান হিসেবে এলইডি বাল্ব বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষনে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে সরকারী উদ্যোগ বাস্তাবায়নের চলমান গতিতে আশাবাদ ব্যাক্ত করে মন্ত্রী বলেন, সার্বিক উন্নয়নে সমঝোতা প্রয়োজন, ভুল বোঝাবুঝির কারণগুলো দূর করতে হবে। এজন্য সাপোর্ট ও ফিডব্যাক থাকতে হবে।

তিনি আরো বলেন, মীরশ্বরাইতে ইকনমি জোন হচ্ছে। এখানে ৩০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এই উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক সৃমদ্ধির দার খুলে দিয়েছে। এই ইকনমি জোনে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের প্রয়োজন হবে। সব সংস্থার সমন্বয়ের মাধ্যমে এর যোগান দিতে হবে।

তিনি হালদা নদীর অর্থনৈতিক গুরুত্বের কথা তুলে ধরে বলেন, নদীটি পৃথিবীর অন্যতম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র। এই নদী দিয়ে পানি সরবরাহ হয় ৩৭০ কিউসেক। এখান থেকে যদি ৩.৭ পয়েন্ট পানি উত্তোলন করা হয় তা হলে কোন সমস্যা হবার কথা না।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের সমুদ্র সীমার বিস্তৃতি বেড়েছে। এটা বঙ্গবন্ধু নিশ্চিত করে গেছে। ১৯৮২ সালে জাতিসংঘ সমুদ্র সীমা আইন নির্ধারিত করে গেছে। আমরা এই আইন বলে আমাদের সমুদ্র সীমা বাংলাদেশের মোট আয়তনের দ্বিগুন বৃদ্ধি করতে পেরেছি।

তিনি আরো বলেন, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও পায়রা বন্দর নিয়ে গণমাধ্যমে অনেক নেতিবাচক কথা হয়েছে। তবে কোনটাই সত্য নয়। এই দু’জায়গায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র হয়েছে। ভবিষ্যতে আর কখনো জ্বালানী সংকট থাকবে না।

তিনি অনুরোধ জানান, ভুল বা বিকৃত তথ্য উন্নয়নের প্রতিবন্ধক। আবেগ বা খেয়াল বশে নেতিবাচক সমালোচনা আত্মঘাতী। একমাত্র গঠনমুখী দৃষ্টিভঙ্গি সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক। তাই চট্টগ্রামকে ইতিবাচক দৃষ্টিতেই আমরা দেখি। চট্টগ্রাম উন্নয়ন হলে সারা দেশ এর সুফল পাবে।

মন্ত্রী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের প্রসংশা করে বলেন, খুব অল্পসময়ে খোরশেদ আলম সুজন চট্টগ্রাম নগরীর পরিস্কার পরিচ্চন্নতাসহ রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক উন্নয়ণ সাধন করেছে। যার সুফল ইতোমধ্যেই জনসাধারণ পাচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ৬৪ হাজার গ্রাম ও শহরের সুযোগ-সুবিধা প্রদানে যাকে দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি। তিনিই পারেন চট্টগ্রামের সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে। চট্টগ্রাম হবে সিঙ্গাপুরের চেয়ে উন্নত। চীনের কুমিং টাউন পর্যন্ত রেল ও সড়ক যোগাযোগ হয়ে গেলে এই নগরী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বেশি আলোকিত ও সমৃদ্ধ নগরী হবে। কর্ণফুলী-ট্যানেল হয়ে গেলে মূল শহরের পাশে আরো গুচ্ছ শহর গড়ে উঠবে।

সভাপতির বক্তব্যে সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন বলেন, এলইডি বাল্ব বিতরণ চট্টগ্রাম থেকে শুরু করা হলো। আমরা চট্টগ্রামকে সর্বাগ্রে আলোকিত করতে চাই। চট্টগ্রাম আলোকিত হলে সারাদেশ আলোকিত হবে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে ১৩ লাখ সাড়ে ১২ হাজার এলইডি বাল্ব দিয়েছে চীন। বাংলাদেশ সরকারও চীন সরকারের মধ্যে প্রভিশন অফ গুডস ফর এড্রেসিং দ্যা ক্লাইমেট চেঞ্জ বিষয়ক সমঝোতা স্বাক্ষর হয়েছিল। এর আওতায় অনুদান হিসেবে বাল্বগুলো প্রদান করেছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে ৪০ প্যাকেট বাল্ব অর্থ্যাৎ ৪ হাজার বাল্ব দেয়া হলো।

আরো বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম. এ সালাম, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, যুগ্ম সচিব ফারজানা ইসলাম প্রমুখ।

পরে প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন ও তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশের হাতে এলইডি বাল্ব হস্তান্তর করেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…