খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজাকার ও খুনীর মদদ দাতাদের রুখে দিতে ভোটারদের নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করুন: রেজাউল করিম চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
রাজাকার ও খুনীর মদদ দাতাদের রুখে দিতে ভোটারদের নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করুন: রেজাউল করিম চৌধুরী

হালিশহর থানা ছাত্রলীগের উদ্যাগে ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভা, শীতবস্ত্র বিতরন ও বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাষ্কর্য ‘বঙ্গ স্পন্দন’ উম্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, একটি গোষ্ঠী ধর্মকে পুঁজি করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরী করে ফায়দা লুটতে চায়। তারা নিজের মত করে ধর্মকে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরী করে নিজেদের আঁখের গোছানোর অপচেষ্টা করে। তারা তাদের পূর্ব পুরুষের রেখে যাওয়া ব্যবসা হিসেবে ইচ্ছামত ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যাচ্ছে। একাত্তরে তারা এবং তাদের পূর্ব পুরুষেরা পাকিস্তানীদের দোসর হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। পাকিস্তানী হানাদারদের খুশী করতে তারা অসংখ্য বাঙালিকে হত্যা করেছিল, বাড়ী ঘর লুট করেছিল, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছিল এবং মা বোনেদের গনিমতের মাল বলে পাক হানাদারদের হাতে তুলে দিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে বাঙালি সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে পাক হানাদারদের পরাজিত করে বাংলার স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল। তাই তারা বঙ্গবন্ধুর নাম শুনে ও প্রতিকৃতি দেখে তাদের গায়ে জ্বলন ধরে।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে বিশ্বসভায় বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো দেখে তারা বিচলিত। তাই তারা প্রগতির ধারাকে স্তব্দ করে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে। পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় এসে স্বৈরাচারের খোলস থেকে জন্ম নেয়া ধোকাবাজ একটি দল তাদের প্রচ্ছন্ন সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের পেছনে অর্থ লগ্নি করছে। পাকিস্তানের দোসরদের মদদদাতা ঐ দল মুখোশ পরে জনতার দুয়ারে ভোট চাইতে আসে। তাদের মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা খুনী, স্বৈরাচারী ও দালালী চরিত্র মানুষ জেনে গেছে। তারা পাকিস্তান ও বাংলাদেশ বিরোধী বিদেশীদের দালাল। মানুষ তাদের বার বার প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামী ২৭ তারিখ অনুষ্ঠিতব্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও এই চক্রকে প্রতিহত করতে ভোটারদের নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করে তুলতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের জোর তৎপরতা চালাতে হবে।

৪ ডিসেম্বর সোমবার বিকালে অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান আলোচক ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এরশাদুল আমীন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১১নং দক্ষিন কাট্টলী ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আলহাজ্ব অধ্যাপক ইসমাইল, ২৬নং উত্তর হালিশহর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আবেদ মনসুর চৌধুরী, হালিশহর থানা আওয়ামীলীগ নেতা সাইদুল হক সাইদ, হালিশহর থানা আওয়ামীলীগ নেতা আশফাকুল আলম।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক গোলাম সামদানী জনির সভাপতিত্বে হালিশহর থানা ছাত্রলীগ নেতা ইমরান খান আরভির সঞ্চালনার অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হালিশহর থানা ছাত্রলীগ নেতা এ কে আরিফ, নওশাদ আলি, এ আর অপু, মোঃ আকিব, সাব্বির আহমেদ শামিম, ইসমাইল হোসেন, কাজী মাহমুদ হাসান রনি, মোহাম্মাদ সাজিদ, সাফায়েত হোসেন প্রমুখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…