খুঁজুন
, ,

ধানের শীষে জনগণের সাড়া দেখে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে আ’লীগ: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 11 January, 2021, 8:57 pm
ধানের শীষে জনগণের সাড়া দেখে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে আ’লীগ: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ও চসিক নিবার্চনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব একমাত্র বিএনপির হাতেই নিরাপদ। বিএনপি কোন দেশের তাবেদারি করে না। যারা ভীনদেশের তাবেদারি করে এবং প্রভু মানে তাদের হাতে দেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব নিরাপদ নয়, সেটা বার বার প্রমাণ হয়েছে।

তাই আমাদের এই স্বাধীন দেশে মুক্তিযুদ্ধের দল বিএনপিকে আবারও ক্ষমতায় আনতে দেশের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। কিন্তু জনগণের ঘাড়ে চেপে বসা স্বৈরাচারী সরকার দিনের ভোট রাতে সম্পন্ন করে মানুষকে তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে জোর করে ক্ষমতায় আঁকড়ে আছে। তাই হারানো ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে আগামী ২৭ জানুয়ারী চসিক নিবার্চনে দলমত নির্বিশেষে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট যুদ্ধে অংশ নিয়ে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতিক ধানেরশীষে ভোট প্রদানের জন্য তিনি নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান।

তিনি আজ সোমবার (১১ জানুয়ারী) দুপুরে ৪ নং চা›ঁদগাও ওয়ার্ডে চসিক নিবার্চনের ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগকালে একথা বলেন। নগরীর বহদ্দারহাট হক মার্কেটের সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু হয়ে বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল, পুরাতন চাঁন্দগাও থানা, মৌলভী পুকুর পাড়, ওসমানিয়া গ্লাস ফ্যাক্টরী, বাহির সিগন্যাল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। তিনি এসময় এলাকায় সাধারণ মানুষের সাথে সালাম ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সর্বস্তরের জনসাধারণ স্বতস্ফূর্তভাবে তার সাথে গণসংযোগে অংশ নেন। নেতাকর্মীরা এলাকার সাধারণ জনগণের মাঝে ধানের শীষে ভোট চেয়ে প্রচার পত্র বিলি করেন। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান।

এ সময় সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, ধানের শীষের গণসংযোগে জনগণের অভূতপূর্ব সাড়া দেখে সরকারি দল দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তারা নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। দলীয় ক্যাডার লেলিয়ে দিয়ে জনসাধারণের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যা বিষোদগার শুরু করেছেন। এ সকল মিথ্যা অপপ্রচারের জবাব আগামী ২৭ জানুয়ারী জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দিবে।

তিনি বলেন, চা›ঁদগাওবাসীর প্রতি সরকার বিমাতাসুলভ আচরণ করেছে, এখানে কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ১২ বছরের শাসনামলে আওয়ামীলীগ কালুরঘাট সেতু পূর্ণনির্মাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে এই নির্বাচনী এলাকাকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত করে শান্তির জনপদে পরিণত করব। ধানের শীষ হচ্ছে উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক। তাই আপনাদের কাছে ধানের শীষে ভোট চাই এবং আপনাদের দোয়া চাই।

গণসংযোগে অংশ নিয়ে আবুল হাশেম বক্কর বলেন, গত ১২ বছরে দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারের মন্ত্রী ও দলীয় নেতাকর্মীদের উন্নয়ন হলেও সাধারণ জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি। বিএনপি জনগণের উন্নয়ন ও পরিবর্তনে বিশ্বাসী। বিএনপি মুক্তিযোদ্ধার দল, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের দল। উন্নয়ন ও শান্তির প্রতিক ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে জয়যুক্ত করার জন্য তিনি জনগনের প্রতি আহবান জানান।

গণসংযোগে অংশ নিয়ে আবু সুফিয়ান বলেন, চাঁন্দগাও এলাকায় অবস্থিত কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। শহীদ জিয়ার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এই নির্বাচনী এলাকা হচ্ছে বিএনপির দূর্ভেদ্য ঘাঁটি। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ধানের শীষ বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ন সম্পাদক ও আহবায়ক কমিটির সম্মানিত সদস্য এরশাদ উল্লাহ, মহানগর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য হারুন জামান, ৪ নং চান্দঁগাও ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মাহাবুবুল আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, সাবেক কোষাধক্ষ্য সৈয়দ শিহাব উদ্দিন আলম, চান্দঁগাও থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক শরীফ উদ্দিন খান, চান্দঁগাও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো: ইলিয়াছ চৌধুরী, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী শাহে নেওয়াজ চৌধুরী মিনু, বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন ভুইয়া, জাকির হোসেন, জাফর আহম্মেদ, আবুল বশর, জসিম উদ্দীন, মনসুর আলম, মো: জাবেদ, মহানগর যুবদলের সহ—সভাপতি ম. হামিদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, সি: যুগ্ন সম্পাদক আলী মতুর্জা খান, চান্দঁগাও থানা যুবদলের আহবায়ক গুলজার হোসেন, যুবদল নেতা আরিফুল ইসলাম, আবু বক্কর রাজু, আকতার হোসেন, সাইদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন বাদশা প্রমুখ।

Feb2
Feb2

জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 3:54 pm
জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ও ছাত্রশিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম এবং জিএস আব্দুল আলিম আরিফকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি রিয়াজুল ইসলামকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে তাকে একটি রিকশায় উঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জিএস আব্দুল আলিম আরিফকেও ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। জানা গেছে, তারা সবাই ছাত্রদলের নেতাকর্মী।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করে।

সংঘর্ষে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রশক্তি ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কয়েকজন নেতাকর্মী এবং জবি প্রেস ক্লাবের অর্থ-সম্পাদক কামরুজ্জামান আহত হন।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ছাত্রদল কিংবা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ঘটনার কারণ ও দায় নিরূপণে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 2:35 pm
গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গণমাধ্যম যেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে সে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

আদালতের আদেশ অমান্য করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আগেও এ বিষয়ে সরকার গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছিল। যদি কেউ আগাম প্রচার করে যে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন এবং সেটি প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, তবে সেটি আদালতের আদেশ অমান্য করার শামিল হবে।

তিনি বলেন, আমরা আবারও সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেব, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন। আদালতের নির্দেশনা মানা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকারের কাজ হলো আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

তিনি ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরে বলেন, আদালতের আদেশ না থাকলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া ঠিক হতো না। কেউ যদি আদালতের ওই আদেশের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে তিনি আদালতেই গিয়ে সেই রায় চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আদালতের আদেশ বহাল থাকবে, ততক্ষণ সেটি সবাইকে মেনে চলতে হবে।

শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার তো তাকে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এজন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপর তিনি আইনজীবী নিয়োগ, আত্মপক্ষ সমর্থনসহ আইনে নির্ধারিত সব সুযোগ পাবেন। আদালতের চূড়ান্ত রায় সরকার মেনে নেবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মসূচি সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অতীতেও তার বিভিন্ন আহ্বানের বাস্তব কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। এখনও কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাকে সমর্থন করতে পারেন কিংবা অতীতের সুবিধাভোগী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারেন। তবে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে সরকারকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো নৈতিক বা সাংগঠনিক শক্তি তাদের নেই।

শেখ হাসিনার দেশত্যাগে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সে সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ মুহূর্তে কারা কীভাবে ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের কোনো উদ্যোগ সরকারের নেই।

সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ বৃহস্পতিবার জামিন পাওয়ার তথ্য সরকার দুই-তিন দিন পর জানল কেন? একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না।

তিনি বলেন, আমি বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেব এবং তার সঙ্গে কথা বলব। কেন এ ধরনের গ্যাপ হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।

প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনো আগের সরকারের প্রভাব রয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও দেশত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে ১৫ বছর ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সবাইকে একদিনে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে প্রশাসনসহ নানা প্রতিষ্ঠানে আগের সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষ এখনো রয়েছেন। চাইলেই এত মানুষকে একসঙ্গে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। ১৫ বছরে বিভিন্ন স্তরে যারা উঠে এসেছেন, তাদের পরিবর্তে নতুনদের আনতে সময় লাগে।

তিনি আরও বলেন, শুধু বদলি করলেই হবে না, নতুন কর্মকর্তাদের দক্ষতা অর্জনেরও বিষয় রয়েছে। সরকার ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করছে, তবে এমনভাবে নয় যাতে রাষ্ট্রের সেবাদান ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চেষ্টা শুধু নয়, কাজও চলছে। তবে এমনভাবে পরিবর্তন করা হচ্ছে না, যাতে ভঙ্গুর সিস্টেম আরও ধ্বংস হয়ে যায়। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 12:57 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মন্ত্রী জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জুলাই জাদুঘর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের পরদিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।