খুঁজুন
, ,

মেয়র হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জলাবদ্ধতা নিরসন করবো : ডা: শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 14 January, 2021, 4:24 pm
মেয়র হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জলাবদ্ধতা নিরসন করবো : ডা: শাহাদাত

চসিক নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ও নগর বিএনপির আহবায়ক ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বর্তমানে চট্টগ্রামে নাগরিক সুবিধা বলতে কিছুই নাই। বর্ষা মৌসুমে অতি বৃষ্টি ও জোয়ারের কারণে চট্টগ্রাম পানির নিচে তলিয়ে যায়। সেই দৃশ্য আমরা সবাই দেখেছি। বর্ষা মৌসুমে নগর জুড়ে ভয়াবহ জলজট সৃষ্টি হয়। তখন মানুষকে বলতে শুনেছি চট্টগ্রাম অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রামে আর বসবাস করা যাবে না। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন একটি মেগাসিটি, স্মার্ট সিটি, নির্মল পরিবেশবান্ধব শহর নগরবাসীর প্রত্যাশা। আমি মেয়র নিবার্চিত হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আগে জলাবদ্ধতা নিরসন করবো।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারী) নগরীর ২৪নং উত্তর আগ্রাবাদ ও ২৭ নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে ধানের শীষ প্রতিকের পক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন।

নগরীর উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বাদামতলী মোড় থেকে গণসংযোগ শুরু হয়ে মৌলভীপাড়া, চৌমুহনী বাজার, হাজিপাড়া, পানওয়ালাপাড়া, আসকারাবাদ, মিয়াবাড়ী, মোল্লাপাড়া, মুহুরীপাড়া, রঙ্গিপাড়া, শান্তিবাগ, বসুন্ধরা হয়ে মুন্সিপাড়া ও দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের হালিশহর শাপলা ক্লাবস্থ জিলানী টাওয়ারের সামনে থেকে শুরু হয়ে বেপারী পাড়া সিডিএ আবাসিক বুডির মাজার, বলির পাড়া, সিডিএ নং রোড, শিশু হাসপাতাল, শিশু পার্ক, আবিদের পাড়া হয়ে লাকি প্লাজার মোড়ে এসে পথসভায় মিলিত হন।

এসময় ধানের শীষের প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন জলবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে উল্লেখ করে বলেন, নগর উন্নয়নে সঠিক পরিকল্পনার অভাব রয়েছে। যতদিন পর্যন্ত জলাবদ্ধতা নিরসন হবে না ততদিন পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরবাসীর দুঃখ দুর্দশা লাঘব হবে না। নিবার্চিত হলে নালা—নর্দমা, খাল ও নদী খনন করে সার্বক্ষনিক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখবো। নগরবাসীর এসব প্রত্যাশা পূরণে নিজেকে আত্ননিয়োগ করবো। তাই সিডিএ, ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বন্দর, বিটিসিএল, পিডিবি, সিজিডিএলসহ সেবা সংস্থাগুলো নিয়ে সম্মিলিত পরিকল্পনা করে জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধান করার উদ্যোগ নিব।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীতে অনেক এলাকায় এখনো গ্যাস, সুপেয় পানির সমস্যা রয়েছে৷ সে সব এলাকা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেখানে সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং গ্যাসের সংযোগ প্রদানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। বর্তমানে মশার প্রজনন মৌসুমে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে৷ জনগণ মশার উপদ্রুপে এত বিরক্ত তা জীবন যাপনে কষ্টদায়ক হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে মশা নিধনে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নেয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য সংস্থাসহ সকলের সহযোগিতায় মশার নিধনে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে পরিকল্পিত উন্নয়ন হচ্ছে না, যার যখন যেখানে ইচ্ছে সেটা নির্মাণ করছে। চট্টগ্রামকে আগামী ২০—৫০ বছরের পরিকল্পনা নিয়ে এ শহরের উন্নয়ন করতে হবে। ফ্লাইওভার, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ এসব পরিকল্পিত উন্নয়ন করতে বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় সেবা সংস্থার সমন্বয় করবো। আগামী ৫০ বছর পর গিয়েও যেন আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারে। ব্যক্তি স্বার্থে চট্টগ্রামকে পিছিয়ে না নিয়ে সকল রাজনৈতিক দলের নেতাসহ সকল শ্রেণি— পেশার মানুষ নিয়ে পরামর্শ কমিটি করে পরিকল্পিত, নান্দনিক, বাসযোগ্য নগরী হিসাবে গড়ে তুলবো।

গণসংযোগে অংশ নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর বলেন, উন্নয়নের নামে সরকারের নেতাকর্মীরা শুধু পকেট ভারি করেছে। নগরবাসীর কল্যাণে কোনো কাজ করা হয়নি। শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা থেকেও মানুষ বঞ্চিত। খাদ্য দ্রব্যের দাম অনেক বেশি। এতে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা বেশি সমস্যায় পড়েছেন। আগ্রাবাদ এলাকায় প্রধান সমস্যা মাদক ও সন্ত্রাস। এই সরকারের আমলে এখানে মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় সন্ত্রাসও ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবস্থাও চরম পর্যায়ে ঠেকেছে। ডা. শাহাদাত হোসেন মেয়র হলে এগুলো বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে।

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন—মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস কে খোদা তোতন, নাজিমুর রহমান, কাজী বেলাল উদ্দিন, সদস্য গাজী সিরাজ উল্লাহ, মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, ডবলমুরিং থানা বিএনপির সভাপতি ও কাউন্সিল প্রার্থী মো. সেকান্দর, উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী এস এম ফরিদুল আলম, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী খালেদা বোরহান, নগর বিএনপি নেতা মাহবুবুল হক, মো. ইকবাল হোসেন, সাবের আহমেদ, বুলবুল আহমেদ, মো. জমির আহমদ, লুৎফুর আলম, নগর মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি হাজী মো. হোসেন, দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফয়েজুল ইসলাম, নগর তাতীদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির সা. সম্পাদক মঞ্জুর মিয়া, বিএনপি নেতা এড. সিরাজুল ইসলাম, সেলিম হাফেজ, ছালেহ জহুর, আব্দুর রহমান কোম্পানী, কামাল উদ্দিন সদার্র, মো: শহীদ, হাসান রুবেল, মিজানুর রহমান মোস্তফা, আব্দুল মাবুদ, নগর যুবদলের সহসভাপতি মিয়া মোহাম্মদ হারুণ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি খাইরুল আলম দিপু, মাঈনুদ্দিন রাশেদ, যুগ্ম সম্পাদক মো. সিরাজ, মো. আলমগীর, ওসমান গণি সিকদার, আবু সৈয়দ কালু, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, নগর ছাত্রদল নেতা জাফরুল হাসান রানা, রিয়াদ হোসেন, বিএনপি নেতা ইসমাইল হোসেন, ইদ্রিস আলম, মো. জহুর, মো. সালাউদ্দিন, আলতাফ হোসেন, সিদ্দিক মিয়া, তাজুল ইসলাম রানা, মঞ্জুর আলম মঞ্জু, নাজিম উদ্দিন খান, আব্দুল হাকিম, রেজাউল করিম মিঠু, দীন মোহাম্মদ, ছাদেকুর রহমান রিপন, অঙ্গ সংগঠনের নেতা বজল আহমদ, একরাম সিদ্দিকী, শফি রানা, তাজুল ইসলাম তাজু, জাহাঙ্গীর আলম বাচা, গোলাম শফি দুলু, হেলাল উদ্দিন, আবু নাঈম দুলাল, মো: রাজীব উদ্দীন, মো: আজাদ, মামুনুর রশীদ মামুন, নুরুল আলম মো. রাসেল, মো. মনির, মো. ইমন, মো. রণি, রাসেল খান, মো. লিটন, সাইমন হোসেন, বাকের, আকতার, জনি প্রমুখ।

Feb2
Feb2

জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 3:54 pm
জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ও ছাত্রশিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম এবং জিএস আব্দুল আলিম আরিফকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি রিয়াজুল ইসলামকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে তাকে একটি রিকশায় উঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জিএস আব্দুল আলিম আরিফকেও ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। জানা গেছে, তারা সবাই ছাত্রদলের নেতাকর্মী।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করে।

সংঘর্ষে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রশক্তি ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কয়েকজন নেতাকর্মী এবং জবি প্রেস ক্লাবের অর্থ-সম্পাদক কামরুজ্জামান আহত হন।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ছাত্রদল কিংবা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ঘটনার কারণ ও দায় নিরূপণে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 2:35 pm
গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গণমাধ্যম যেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে সে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

আদালতের আদেশ অমান্য করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আগেও এ বিষয়ে সরকার গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছিল। যদি কেউ আগাম প্রচার করে যে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন এবং সেটি প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, তবে সেটি আদালতের আদেশ অমান্য করার শামিল হবে।

তিনি বলেন, আমরা আবারও সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেব, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন। আদালতের নির্দেশনা মানা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকারের কাজ হলো আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

তিনি ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরে বলেন, আদালতের আদেশ না থাকলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া ঠিক হতো না। কেউ যদি আদালতের ওই আদেশের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে তিনি আদালতেই গিয়ে সেই রায় চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আদালতের আদেশ বহাল থাকবে, ততক্ষণ সেটি সবাইকে মেনে চলতে হবে।

শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার তো তাকে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এজন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপর তিনি আইনজীবী নিয়োগ, আত্মপক্ষ সমর্থনসহ আইনে নির্ধারিত সব সুযোগ পাবেন। আদালতের চূড়ান্ত রায় সরকার মেনে নেবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মসূচি সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অতীতেও তার বিভিন্ন আহ্বানের বাস্তব কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। এখনও কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাকে সমর্থন করতে পারেন কিংবা অতীতের সুবিধাভোগী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারেন। তবে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে সরকারকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো নৈতিক বা সাংগঠনিক শক্তি তাদের নেই।

শেখ হাসিনার দেশত্যাগে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সে সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ মুহূর্তে কারা কীভাবে ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের কোনো উদ্যোগ সরকারের নেই।

সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ বৃহস্পতিবার জামিন পাওয়ার তথ্য সরকার দুই-তিন দিন পর জানল কেন? একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না।

তিনি বলেন, আমি বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেব এবং তার সঙ্গে কথা বলব। কেন এ ধরনের গ্যাপ হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।

প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনো আগের সরকারের প্রভাব রয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও দেশত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে ১৫ বছর ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সবাইকে একদিনে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে প্রশাসনসহ নানা প্রতিষ্ঠানে আগের সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষ এখনো রয়েছেন। চাইলেই এত মানুষকে একসঙ্গে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। ১৫ বছরে বিভিন্ন স্তরে যারা উঠে এসেছেন, তাদের পরিবর্তে নতুনদের আনতে সময় লাগে।

তিনি আরও বলেন, শুধু বদলি করলেই হবে না, নতুন কর্মকর্তাদের দক্ষতা অর্জনেরও বিষয় রয়েছে। সরকার ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করছে, তবে এমনভাবে নয় যাতে রাষ্ট্রের সেবাদান ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চেষ্টা শুধু নয়, কাজও চলছে। তবে এমনভাবে পরিবর্তন করা হচ্ছে না, যাতে ভঙ্গুর সিস্টেম আরও ধ্বংস হয়ে যায়। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 12:57 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মন্ত্রী জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জুলাই জাদুঘর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের পরদিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।