খুঁজুন
, ,

রেলওয়ের ৫ হাজার কোটি টাকার জমি আত্মসাতের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 3 November, 2019, 6:55 pm
রেলওয়ের ৫ হাজার কোটি টাকার জমি আত্মসাতের অভিযোগ

নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ের জমিতে গড়ে তোলা বহুতল ভবনের ১৬ মালিক হাজিরা দিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)।

দুদকের একজন উপপরিচালক স্বাক্ষরিক এক পত্রের প্রেক্ষিতে তারা ২৯ অক্টোবর ঢাকাস্থ সেগুন বাগিচায় দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তাদের বক্তব্য প্রদান করেছেন।

বক্তব্য দানকারীদের মধ্যে রয়েছেন সৈয়দপুরের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী বিউটি সাইকেল স্টোরের মালিক আলতাফ আহমেদ, আজিম উদ্দিন হোটেলে মালিক নিজাম বিন আজিম, ওয়ারেস খাঁনের ছেলে ইকবাল খাঁন (ভোলা), মৃত. সুলতান মাদারীর ছেলে বিশিষ্ট চাউল ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন ভোলা, মৃত. সামির আহমেদের ছেলে শাহজাদ মুরাদ, গোয়ালপাড়ার জহির উদ্দিনের ছেলে জাকির উদ্দিন, মৃত. নাসির উদ্দিনের ছেলে নান্নু মিয়া, মৃত. ফতে আলমের স্ত্রী শাহনাজ বানু, মৃত. ইলিয়াসের ছেলে ও বাগদাদ ক্লোথ স্টোরের মালিক গোলাম জিলানী, আব্দুল আজিজের ছেলে মোঃ শাহিন, মোঃ শাহবাজের স্ত্রী রাজিয়া বেগম, মৃত. আজগার আলীর ছেলে আনোয়ার আলী ও শওকত আলী, কোহিনুর ক্লোথ স্টোরের মালিক মোঃ শাহিন। এছাড়া ঠিকান ভুল থাকায় খুজে পাওয়া যায়নি এমন দুইজন হলেন হাজী জাবেদ আলীর ছেলে এনামুল ইসলাম, ঋতু মিয়ার ছেলে ফিরোজ আলী এবং বাঁশবাড়ী মহল্লার একজন মৃত ব্যক্তি ডাঃ অনিল কুমারের ছেলে অমিত কুমার এর সন্তানেরা তাদের বাবার নামের সমন তথা পত্র গ্রহণ করেনি।

উল্লেখিতদের ঠিকানায় গত ২১ অক্টোবর দুদকের উপ-পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম কর্তৃক ২৯ অক্টোবর দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হয়।

সৈয়দপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে পৌছানো এসংক্রান্ত পত্রে অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় যে, সৈয়দপুর (নীলফামারী) রেলওয়ের ৫ হাজার কোটি টাকার ভূ-সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ এর প্রেক্ষিতে অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে বর্ণিত বিষয়ে নোটিশ তথা পত্র প্রাপ্তদের বক্তব্য প্রদান ও গ্রহণ একান্ত প্রয়োজন। এজন্য নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময়ে নিজ নামে বা সন্তানের নামে অথবা অন্য কোন নামে সৈয়দপুর পৌরসভার অধীন বাংলাদেশ রেলওয়ের জমির উপর নির্মিত বাড়ি বা দোকান এর জমি লীজ বা ভাড়া অথবা লাইসেন্স গ্রহণের রেকর্ডপত্র এবং বাড়ি-দোকান-মার্কেট নির্মাণের অনুমোদিত নক্সা ও জমি-দোকানের লাইসেন্স ভাড়া প্রদানের রশিদসহ উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হয়।

এতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, নির্ধারিত সময়ে হাজির হয়ে বক্তব্য প্রদানে ব্যর্থ হলে বর্ণিত অভিযোগ সংক্রান্ত আপনার কোন বক্তব্য নেই বলে গণ্য করা হবে। এর প্রেক্ষিতে উল্লেখিত ব্যক্তিরা যথাসময়ে দুদকে হাজিরা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে বিউটি সাইকেল স্টোরের মালিক আলতাফ আহমেদ বলেন, দুদকের চিঠি পেয়ে আমার পক্ষে আমার ভাতিজা দুদকে হাজির হয়ে তারা যে কাগজপত্র চেয়েছিল তা জমা দিয়ে এসেছে। সম্প্রতি এ ঘটনা জানা জানি হলে সৈয়দপুরের রেলওয়ে জমিতে যাদের বহুতল ভবন রয়েছে তাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যারা নোটিশ পাননি তারা এ ব্যাপারে কোন সঠিক তথ্য না পাওয়ায় চরম দিশেহারা অবস্থার মধ্যে রয়েছে। কেননা নোটিশ প্রাপ্তরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে তাদের বৈধতা নিশ্চিত করতে পারলেও অন্যদের ক্ষেত্রে কি করা হবে তা সম্পূর্ণ অনিশ্চিত। এমতাবস্থায় রেলওয়ের জমি কেনা বেচার সাথে জড়িতরা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।

Feb2
Feb2

৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:47 am
৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জেলার সাতটি উপজেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার প্রায় ৪ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এবং পানিবন্দি হয়ে আছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:37 am
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করতে দেশের সব গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

আদালতের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন মেনে চলার স্বার্থে শুক্রবার (১০ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত কোনো পলাতক অপরাধীর বক্তব্য, সাক্ষাৎকার কিংবা অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তাই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার যেকোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য (সরাসরি কিংবা ধারণকৃত) টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সরকার প্রত্যাশা করে, দেশের সব গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:28 am
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সারা দেশে ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রায় সারাদিনই তিনি বন্যাকবলিত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে উদ্ধার, পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসহ সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার তিনি, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামে যাবেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে পরিস্থিতি এখনো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার নারী ও শিশু, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি-ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।