খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও উন্নয়ন মাটিরাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনের প্রধান ইস্যু, বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বেকায়দায় সরকারি দল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১২:১২ অপরাহ্ণ
শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও উন্নয়ন মাটিরাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনের প্রধান ইস্যু, বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বেকায়দায় সরকারি দল

নিজস্ব প্রতিবেদক,খাগড়াছড়ি : আগামীকাল (১৪ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিতব্য খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং উন্নয়নই ভোটারদের কাছে প্রধান ইস্যু। কিন্তু আওয়ামীলীগের ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী এবং বর্তমান মেয়র মো: শামছুল হক’র সাথে বিদ্রোহ করে অপেক্ষাকৃত তরুণ আওয়ামীলীগ নেতা এম এম জাহাঙ্গীর আলম ‘মোবাইল’ প্রতীকে নির্বাচনে মাঠে নামায় অশান্তির নানা গুঞ্জনও প্রতিদিন ডালপালা ছড়াচ্ছে। তবে ২৫ বর্গকিলোমিটারের এই পৌরসভার প্রায় উনিশ হাজার ভোটারের মধ্যে বিএনপি প্রার্থী মো: শাহজালাল কাজল’র ‘ধানেরশীষ’ প্রতীকের জোরালো সমর্থন লক্ষণীয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত বি-গ্রেডের এই পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ৯৬৫ জন। ২৫ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মূল সড়ক ব্যতীত অন্যান্য সড়কগুলোর অবস্থা ভালো নয়। মাটিরাঙ্গা বাজারের ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। সাধারণ ভোটাররা এসব ইস্যু নির্বাচনের প্রধান বিষয় হিসেবে গুরুত্ব দিচ্ছে।

এছাড়াও মাটিরাঙ্গায় বিভিন্ন দল, মত, সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার ইস্যুটিও সব সময় প্রাধান্য পায়।

মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরাও নির্বাচনে উন্নয়ন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে ভোটারদরে মন জয় করতে ব্যস্ত রয়েছেন। মাটিরাঙ্গা পৌরসভার নির্বাচন ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে এখনো কোন অভিযোগ করেননি। অবশ্য আওয়ামীলীগের পথের কাটা ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’র যত অভিযোগ ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধেই।

স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী আমরা সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। বলছেন নির্বাচনের পরে বহিরাগত লোকজন নিয়ে এসে আমার সমর্থকদের হয়রানি করা হবে। এখনো সময় আছে মোবাইল মার্কার পরিবর্তে আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রচারণা করার, কেননা যেই ভোট পায় না কেন ঘোষণা করা হবে নৌকার নাম।

তিনি আরো বলেন, গত সোমবার ৩১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রশাসনের বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় আমি এসব বিষয় মৌখিকভাবে জানিয়েছি।

অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামসুল হক বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থী যেসব অভিযোগ করছেন তা ভিত্তিহীন। তিনি আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন না পেয়ে মিথ্যাচার করছে দলের এবং আমার বিরুদ্ধে। তিনি দলের বাইরে এমন কোন কর্মকাণ্ড করেননি যে ভোটাররা তাঁকে ভোট দিবে। বরং তাঁর লোকজনই আমার সমর্থকদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছে। নির্বাচনের পরাজয়ের আশঙ্কায় তিনি নানা ধরনের দোষ চাপাচ্ছেন।

বিএনপির প্রার্থী শাহ জালাল বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় এখনো পর্যন্ত কোন বাধাবিপত্তি আসেনি। যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই ভোটাররা তাকে গ্রহন করছে। যদি সুষ্ঠ ভোট হয় তিনিই জয়ী হবেন। তবে অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচন নিয়ে তিনিও সংশয়ে রয়েছেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা রাজু আহমেদ বলেন, এখনো পর্যন্ত কোন প্রার্থী লিখিত ভাবে কোন প্রার্থী অভিযোগ করেননি। আশা করছি সুষ্ঠ ও সুন্দর একটি নির্বাচন উপহার দিতে পারবো।

উল্লেখ্য, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ জন, ৩টি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬ জন, ৯টি সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪০ জন প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এরমধ্যে ৩ নং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে একজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মোট ভোটার ১৮ হাজার ৯৬৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ হাজার ৮০৬ জন এবং নারী ভোটার ৯ হাজার ১৫৯ জন। ১৪ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে ৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে।

২৪ ঘণ্টা/প্রদীপ চৌধুরী

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…