খুঁজুন
, ,

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে ৩০ মার্চ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 February, 2021, 1:23 am
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে ৩০ মার্চ

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে এক বছর বন্ধ থাকার পর আগামী ৩০ মার্চ স্কুল ও কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সচিবালয়ে শনিবার এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এই সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, ৩০ মার্চ থেকে খুললেও সব শিক্ষার্থী প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাবে না। আর পুরো রোজায় ছুটি এবার থাকবে না।

বাংলাদেশে করোনাভাইসের প্রকোপ বাড়তে শুরু করলে গত বছরের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে কওমি মাদ্রাসা খুললেও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনও ‘ছুটি’ চলছে।

মহামারীর প্রকোপ কিছুটা কমে আসায় এবং এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির কথা বিবেচনা করে গত ২৩ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) স্কুল-কলেজের অধ্যক্ষদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার প্রস্তুতি নিতে বলেছিল।

তার মধ্যে বিভিন্ন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে নামলে সম্প্রতি জরুরি এক বৈঠক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় রোজার ঈদের পর ২৪ মে খোলার সিদ্ধান্ত নেয়।

এখন স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্তও হল এবং সেগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের আগেই খুলছে।

দীপু মনি বলেন, “প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমরা আগামী মার্চ মাসের ৩০ তারিখ থেকে খুলে দেব।

“সেখানে আমরা আগেও যেভাবে বলেছি যে, হয়ত পর্যায়ক্রমে, একদম প্রথমে প্রাথমিকে যারা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত, তারা হয়ত প্রতিদিনই আসবেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে দশম ও দ্বাদশ প্রতিদিন আনব। বাকিগুলো হয়ত প্রথমে সপ্তাহে একদিন আসবে, তারপর থেকে সপ্তাহে দুইদিন করে আসবে। তারপর পর্যায়ক্রমে আমরা স্বাভাবিকের দিকে নিয়ে যাব।”

প্রাক-প্রাথমিক পর্যায় আপাতত খুলছে না বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্য যে করোনাভাইরাসের টিকা দেয়ার কার্যক্রম, তা এর মধ্যে শেষ হবে।

স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে কি না, তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা সেগুলো দেখবে, তার উপর নজর রাখবে শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

প্রাথমিকের প্রায় দেড় লাখ শিক্ষক ইতোমধ্যে টিকা নিয়েছেন জানিয়ে দীপু মনি বলেন, “শিক্ষকদের রেজিস্ট্রেশনের বিষয়টা পুরোপুরি স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সাথে শিক্ষা বিভাগ যৌথভাবে সহযোগিতার মাধ্যমে করবে।”

শিক্ষকদের টিকা প্রদানে সহযোগিতা করতে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে চিঠি পাঠানোর কথাও জানান তিনি।

“টিকার সংখ্যা যত বাড়তে থাকবে, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পুরোপুরি একদম স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া তত দ্রুততার সাথে করা সম্ভব হবে।”

রোজায় খোলা

মহামারীতে ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে এবার রোজায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

“পুরো রোজায় শিক্ষার্থীদের ছুটি থাকবে না। কারণ একটা বছর তো বন্ধই ছিল। আর ছেলেমেয়েরা একটা বছর বাড়িতে থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছে, কাজেই আমার মনে হয় না যে রোজা রেখে ক্লাস করতে ওদের অসুবিধা হবে। ঈদের সময় ওদের কয়েকদিন ছুটি থাকবে।”

বিশেষ এই সময়ে এসএসসির জন্য ৬০ কর্মদিবস এবং এইচএসসির জন্য ৮০ কর্মদিবসের সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে জানিয়ে দীপু মনি বলেন, এই সিলেবাস শেষ করেই পরীক্ষা দুটি নেওয়া হবে।

কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যে গতবছর পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষা এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া যায়নি।

আর অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসি ও সমমানের ফলফলের ভিত্তিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য টিকা

দীপু মনি জানান, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২২০টি ছাত্রাবাসের প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার আবাসিক শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়ার তৎপরতা চলছে।

তিনি বলেন, “১ লাখ ৩০৯ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়ার ব্যাপারে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সাথে কথা হয়েছে আমাদের। সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইউজিসির মাধ্যমে গত বুধবার চিঠি দিয়েছি এ ব্যাপারে।

“বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সকল আবাসিক শিক্ষার্থীর নাম-ঠিকানাসহ তাদের ন্যাশনাল আইডির নম্বর আমাদের পাঠাবেন। আমরা সেটা স্বাস্থ্য সেবা বিভাগকে দিয়ে দেব। ফলে এই আবাসিক শিক্ষার্থীরা যেখানেই থাকেন না কেন, তারা যেন রেজিস্ট্রেশন করে নিকটবর্তী কেন্দ্র থেকে টিকা দিতে পারবে।”

১৭ মে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খোলার আগেই আবাসিক শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

Feb2
Feb2

নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 September, 2026, 9:27 pm
নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রের পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্বালানি কোম্পানি শেভরনকে আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেভরনের বেস অ্যাসেটস ও উদীয়মান দেশবিষয়ক প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার লা রোসার নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সাক্ষাতে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে দেশে বিদ্যমান ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনের বিনিয়োগের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শু শিয়ংসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা উত্তরে আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 September, 2026, 8:18 pm
ঢাকা উত্তরে আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

এদিন বিকালে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন বিভিন্ন ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলরদের সঙ্গে এনসিপি কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

এসময় তিনি সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী অন্বেষণ, ওয়ার্ড ভিত্তিক নাগরিক সমস্যা, জুলাই শহীদ ও আহত পরিবারদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যুক্ততা, পতিত ও পলাতক আওয়ামী লীগের নাশকতামূলক তৎপরতার প্রতি কড়া নজরদারির নির্দেশনা দেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের এনসিপি সমর্থিত সম্ভাব্য দুই মেয়র প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী এবং আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক ও দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক ইসহাক সরকারসহ উত্তর ও দক্ষিণ মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

কাপ্তাই লেক নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেব না: নাজিমুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 September, 2026, 7:38 pm
কাপ্তাই লেক নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেব না: নাজিমুর রহমান

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, কাপ্তাই লেক শুধু একটি জলাধার নয়; এটি আমাদের দেশের সম্পদ, পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশ, অর্থনীতি ও মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই কাপ্তাই লেকের স্বার্থ, নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব নিয়ে কোনো ধরনের অপতৎপরতা বা ষড়যন্ত্র আমরা মেনে নেব না।

তিনি আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে গ্রেটার চট্টগ্রাম ফোরাম ও চট্টগ্রাম ওয়াসা গ্রাহক সমন্বয় ফোরাম আয়োজিত কাপ্তাই লেকের পানি নিয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলারা নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কাপ্তাই লেককে ঘিরে যদি কোনো মহল দেশের স্বার্থবিরোধী পরিকল্পনা করে থাকে, তাহলে আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। জাতীয় সম্পদ নিয়ে কোনো গোপন সিদ্ধান্ত, অপপ্রচার কিংবা ষড়যন্ত্র জনগণ মেনে নেবে না। পানির লেভেল অতিক্রম করার আগেই পানি ছেড়ে দিয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসা সহ, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত করার ঘটনাটি বিশেষ গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করার আহবান জানান।

তিনি বলেন, আমাদের দাবি স্পষ্ট—কাপ্তাই লেকের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে, স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং লেককে ঘিরে যেকোনো অনিয়ম বা ষড়যন্ত্রের বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে।

আমরা চাই কাপ্তাই লেক হোক দেশের সম্পদ ও সম্ভাবনার উৎস। কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী মহলের স্বার্থে জাতীয় সম্পদকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না। দেশবিরোধী যে কোন ষড়যন্ত্র রুখে দিতে বীর চট্টলার আপামর জনসাধারণ প্রস্তুত।

গ্রেটার চট্টগ্রাম ফোরামের মহাসচিব হাসান মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শওকত আজম খাজা, মঞ্জুর রহমান চৌধুরী।

জহিরুল ইসলাম ও সাজ্জাদ খানের পরিচালনার অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন➤প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান, আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্র, মিয়া মোহাম্মদ আরিফ, এমরান এমি, আরিফ হাসান, এড. ইকবাল হোসেন, কিরণ শর্মা, ইসমাইল ইমন, আবু বক্কর রাজু, কামাল পারভেজ, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, প্রকৌশলী রাশেদ আলম, প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, ইঞ্জিনিয়ার আরিফ হাছান চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মিনহাজুল হক ভূঁইয়া,কামরুল হাসান, এস এ গনি, মোরশেদ রনী, নুর হোসেন, নুরুল আলম, মোহাম্মদ ইলিয়াস, মহসিন,সাইদুল হক সিকদার, আব্দুল জলিল, মহসিন, সাফওয়ান, মাঈনউদ্দিন খান রাজিব, জাভেদ ওমর, কামরুল হাসান আকাশ, মো: শাহ আলম, নিলয়, সিফাত, ইমরান, রুবেল, রায়হান, রনি, ইয়াসিন, মহিন, সাহেদ, শুভ, শান্ত, সাইদুল, জাবেদ, ইফতি সহ বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।