খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিআইডব্লিউটিএ’র রের্কড কিপার সঞ্জিব দাস ধর্ষণ মামলায় রিমান্ডে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
বিআইডব্লিউটিএ’র রের্কড কিপার সঞ্জিব দাস ধর্ষণ মামলায় রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর সবুজবাগে পোশাক কারখানার এক কর্মীকে (৩৫) চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার সনজীব কুমার দাস ও তার সহযোগী আনিকার পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সনজীব মাদারীপুর জেলার বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মচারী।

আজ মঙ্গলবার (২ মার্চ) তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সবুজবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আজগর আলী। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার প্রত্যেককে পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গতকাল সোমবার (১ মার্চ) দিবাগত রাতে মাদারটেক এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে সবুজবাগ থানা পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সবুজবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) রাশেদ হাসান মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে বলেন, ওই নারীকে ব্যাংকে চাকরি দেয়ার নাম করে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ মাদারটেকের একটি বাসায় ডেকে নিয়ে যান সনজিব দাস। তার সঙ্গে রাসেল, জামাল, আজিজুর রহমান ও আনিকা নামে এক নারী বাসায় ছিলেন। সেখানেই ওই নারীকে সনজীবসহ বাকিরা ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় সোমবার সবুজবাগ থানায় সনজিবকে ১ নম্বর আসামি করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আনিকা ও সনজিবকে গ্রেফতার করে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ওসি রাশেদ হাসান।

ওই নারী মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, পাঁচ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় তার। এরপর একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি পূর্বপরিচিত সনজিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে কুশল বিনিময়ের সময় তিনি তার সন্ধানে ব্যাংকে ভালো চাকরি থাকার কথা জানান। পরে চাকরি দেয়ার কথা বলে মাদারটেকের ওই বাসায় ডেকে নেন। একপর্যায়ে সেখানে তাকে গণধর্ষণ করা হয়। সেখানে উপস্থিত আনিকা এ কাজে তাদেরকে সহায়তা করেন। এ ঘটনা জানাজানি হলে সনজিব ওই নারীকে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, সনজীব কুমার দাসকে রেকর্ড কিপার পদ থেকে গত ১১/০৪/২০১৬ সালে বিআইডব্লিউটিএ’র সাবেক কমোডোর এম মোজাম্মেল হক ১৮.৭০৭.০৪৭.০০.০০.১০৩.২০১৬/৩৭০ স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

চিঠির সূত্রে জানা গেছে, সনজীব বিনা অনুমতিতে বিআইডব্লিউটিএ’র সচিবের কক্ষে প্রবেশ করে অন্যান্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নিয়ম বিধি বর্হিভূত অসদাচরণ করেন। এইজন্য কর্তৃপক্ষের দফতর আদেশ নং-৬৭৮/২০১৬ তাং ২৮/০৩/২০১৬ ইং দ্বারা কর্তৃপক্ষের কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালা-১৯৯০ এর ৪১(১) প্রবিধান অনুসারে তাকে সাময়িক সময়ের জন্য বরখাস্ত করা হয়।

এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা মুঠোফোনে জানান, ‘তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছিলো তা তদন্ত হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি আজ (মঙ্গলবার) ধর্ষণ অভিযোগ তাকে থানা পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। এরপর তাকে আদালতে সোপার্দ করা হয়। এই অভিযোগে কিছুক্ষন আগে অফিসের সিন্ধান্তে তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।’

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…