খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাউজানে ফারাজ করিম সহ মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজ হিতৈষীদের সম্মাননা প্রদান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ মার্চ, ২০২১, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
রাউজানে ফারাজ করিম সহ মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজ হিতৈষীদের সম্মাননা প্রদান

নেজাম উদ্দিন রানা, রাউজান (চট্টগ্রাম) : চট্টগ্রামের রাউজানে নৈতিক অবক্ষয় রোধ, মাদক নির্মূল ও করোনা মহামারীতে বিশেষ অবদানের জন্য রাউজানের সাংসদপুত্র, তরুণ সমাজ সংস্কারক ও উদীয়মান রাজনীতিবিদ ফারাজ করিম চৌধুরীসহ মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজ হিতৈষীদের সম্মাননা প্রদান ও গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

৫ মার্চ (শুক্রবার) বিকালে উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণের আয়োজনে কদলপুর স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এই সংবর্ধনা ও গণ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর উপচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

প্রধান বক্তা ছিলেন রাউজান পৌরসভার নব নির্বাচিত মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ,কদলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তসলিম উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মুসলিম উদ্দিন আহমেদ জয়নালের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম এহেছানুল হায়দর চৌধুরী (বাবুল),উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাজী আবদুল ওহাব, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ কফিল উদ্দিন চৌধুরী, সিনিয়র সহ সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, কদলপুর স্কুল এন্ড কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ইরফান আহমেদ চৌধুরী।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি কাজী ইকবাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বশির উদ্দিন খান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল হক চৌধুরী লাভলু, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান চৌধুরী লালু, মুক্তিযোদ্ধা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, ইউপি চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন, লায়ন সাহাবুদ্দিন আরিফ,লায়ন সরোয়ার্দি সিকদার, বিএম জসিম উদ্দিন হিরু, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল জব্বার সোহেল, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহ সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ দপ্তর সম্পাদক হাছান মো. রাসেল, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মফজল হোসেন, এম. এ. সালাম, উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি সুমন দে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব চৌধুরী হাসান, দপ্তর সম্পাদক তপন দে, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি কমল চক্রবর্তী, ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন, নাছির উদ্দিন, আলী আকবর, মুরাদুল হক চৌধুরী, আব্দুল করিম, আবু তৈয়ব চৌধুরী,যুবলীগ নেতা বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য, সেলিম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জিল্লুর রহমান মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন পিবলু, উপজেলা ছাত্রলীগের দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন, সহ সভাপতি মিজানুর রহমান তালুকদার, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ আহ্বায়ক আরমান শাহ, মো.সুজন, একরাম হোসেন, সাইম উদ্দিন শাহ, মো. তামিম, তানভীর ইসলাম, মো. সালমান শাহ, ওয়াহিদুল আলম, মো. সাকিব প্রমুখ।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর উপচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, রাউজানের সাংসদপুত্র ফারাজ করিম চৌধুরী যেভাবে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের মাঝে একটা জাগরন সৃষ্টি করেছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং অনুকরণীয়। ফারাজ করিম চৌধুরীর মতো তরুণরাই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে অবদান রাখছে।

Feb2

চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা কারণে আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও কর্মরত ছিলেন।

স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবায় সমতা প্রতিষ্ঠায় ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তাবায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মধ্যে রয়েছে এবং অনেক মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। তিনি উল্লেখ করেন, মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষকে নিজ পকেট থেকে দিতে হয়। ফলে অসুস্থতা এখনো দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ।

ঢাকা-১৭ এলাকার মানুষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, কড়াইল, ভাষানটেক, সাততলার মানুষ এই শহরকে সচল রাখে। পোশাকশিল্প, নির্মাণ… সবখানে তাদের শ্রম। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। আমাদের লক্ষ্য এসব এলাকার মানুষ যাতে আর চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের বড় একটি অংশ প্রায় ৪২.৬ শতাংশ মানুষ প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান খুঁজতে স্থানীয় ফার্মেসির ওপর নির্ভর করেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। তারা অসুস্থ হওয়ার সুযোগ পায় না কারণ অসুস্থতা মানেই আয় বন্ধ।

ডা. জুবাইদা বলেন, আমাদের এই এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন, যারা সবাইকে অবহিত করবেন এই চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম। সেই নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। আমি আশাবাদী, ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্গত স্বেচ্ছাসেবী ও কুর্মিটোলার সদস্যরা একত্রিত হয়ে বহু প্রাণ বাচাঁতে সক্ষম হবে। এখানকার স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।

এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি প্যাভিলিয়ন, গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টার ও ৫০ শয্যা আইসিইউর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি আইসিইউতে ভর্তি রোগীদের খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সরকারের লক্ষ্য সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করেন, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘মতিঝিলের শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।’

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের বক্তব্য এবং সকল হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। হেফাজতে ইসলামের যে প্রোগ্রামটা তারা আগে থেকেই প্রতিবাদ করে জানিয়ে আসছিলেন এবং তারা ঢাকায় এসে সেখানে অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল- সেই প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, কোনোভাবে তাদের সেখানে অবস্থান নিলে মোকাবিলা করতে হবে। তা না পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল- এটিকে তিনি সিস্টেমেটিক, ওয়াইড স্প্রেড অ্যাটাক এবং টার্গেটেড কিলিং হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, প্রত্যেক নিহতের পরিবারের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন এবং যেসব হেফাজতে ইসলামের সদস্য নিহত হয়েছেন, প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অতএব প্রত্যেক নিহত হওয়ার পক্ষে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন।