খুঁজুন
, ,

সূর্যসেনের ১২৮তম জন্মদিন উদযাপন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 22 March, 2021, 5:21 pm
সূর্যসেনের ১২৮তম জন্মদিন উদযাপন

নেজাম উদ্দিন রানা, রাউজান (চট্টগ্রাম) : ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্নিপুরুষ মাস্টারদা সূর্যসেনের ১২৮তম জন্মদিনে মাস্টার দা’র স্মৃতি বিজড়িত রাউজানে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় বাংলার এই সূর্য সন্তানের জন্মদিন উদযাপন করেছে রাউজানের বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান।

১৮৯৪ সালের ২২ মার্চ রাউজানের নোয়াপাড়া গ্রামে জন্ম নেয়া এই বিপ্লবীর আবক্ষয় মূর্তিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে রাউজান পৌরসভার সব নির্বাচিত মেয়র, মাস্টার দা সূর্যসেন স্মৃতি পাঠাগার, রাউজান উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, রাউজান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, মাস্টার দা সূর্যসেন স্মৃতি সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন।

সোমবার (২২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় রাউজান উপজেলা সদরের সূর্যসেন চত্বরে মাস্টারদা সূর্যসেন পাঠাগারের উদ্যোগে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এ সময় মাস্টার দা সূর্যসেন স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি শ্যামল কুমার পালিত সহ পাঠাগারের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে রাউজান পৌসভার মেয়র, রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ, রাউজান কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠন বাঙালির সংগ্রামী চেতনার বাতিঘর মাস্টারদা’র আবক্ষয় মূর্তিতে প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, রাউজান পৌরসভার মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ, রাউজান কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিম নেওয়াজ চৌধুরী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক শওকত হোসেন, যুবলীগ নেতা সাবের হোসেন, আবু ছালেক, মাসুদ, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আসিফ কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ, সেন্ট্রাল বয়েজ অব রাউজানের সভাপতি সাইদুল ইসলাম, সাদারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ জামাল নকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুদ্দীন জামাল চিশতি, সংগঠক মো: এরশাদ, বেলাল হোসেন সিফাতসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে সূর্যসেন পাঠাগারের সামনে আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মাস্টার দা সূর্যসেন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। মাস্টার দা সূর্যসেন শুধু এই রাউজানের নয় তিনি বিশ্বের বুকে এক বিপ্লবী মহানায়ক হিসেবে পরিচিত।

মাস্টারদা সূর্যসেনের স্মৃতি বিজড়িত রাউজানে এই বিপ্লবী মহানায়কের স্মৃতিকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে রাউজানের সাংসদ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর উদ্যোগে মাস্টারদা স্মৃতি কমপ্লেক্স, মাস্টার দা’র নামকরণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আবক্ষ মূর্তি, সূর্যসেন চত্বর, স্মৃতি পাঠাগার ও স্মৃতি তোরণ গড়ে তোলেছেন। ২০১৮ সালের ১৬ই জানুয়ারি রাউজানের মুন্সিরঘাটাস্থ মাস্টার দা সূর্যসেন স্মৃতি পাঠাগার কমপ্লেক্স, আবক্ষ মূর্তির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। এর পূর্বে সূর্যসেন চত্বর ও তোড়ণ উদ্বোধন করেছিলেন সূর্যসেনের সহযোদ্ধা বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরী ও সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরী। সূর্যসেনের সম্মানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি করে আবাসিক হলের নামকরণ করা হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা মেট্রো বিপ্লবী এই মহানায়কের স্মরণে বাঁশদ্রোণী মেট্রো স্টেশনটির নামকরণ করেছে ‘মাস্টার দা সূর্য সেন মেট্রো স্টেশন’।

মাস্টারদা সূর্যসেনের ১৮৯৪ সালের ২২মার্চ চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ১৩ নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতর নাম রাজমনি সেন ও মাতার নাম শশী বালা। মাস্টার দা সূর্য সেন চট্টগ্রাম, মুর্শিদাবাদের বহরমপুর জেলার বহরমপুর কলেজে অধ্যায়ন করেন। পরবর্তীতে ১৯১৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি, এ পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হন। বহরমপুর কলেজে অধ্যয়ন কালে তাঁর শিক্ষক অধ্যাপক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তীর সংস্পর্শে গোপন বিপ্লবী সংগঠনের সঙ্গে পরিচিত হন। শিক্ষা জীবন শেষে সূর্য সেন চট্টগ্রামের দেওয়ান বাজার এলাকার “উমাতারা” উচ্চ ইংরেজী বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এ সময় তিনি ‘মাষ্টার দা’ নামে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯১৯ সালে কানুনগো পাড়ার নগেন্দ্রনাথ দত্তের কন্যা পুষ্প কুন্ডলার সঙ্গে প্রণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। শিক্ষকতার পাশাপাশি সূর্যসেন অনুরূপ সেন, চারু বিকাশ দত্ত, অম্বিকা চক্রবর্তী, নগেন্দ্রনাথ সেনকে সঙ্গে নিয়ে গোপন বিপ্লবী দল গঠনের কাজ শুরু করেন। ১৯২০ সালে মহাত্মা গান্ধী কর্তৃক অসহযোগ আন্দোলন শুরু হলে গান্ধীজির অনুরোধে তিনিও অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেন। পরে তিনি এক সময় শিক্ষকতা পেশা ছেড়ে দেন। ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীরা পাহাড়তলীর ফৌজি আস্ত্রাগার দখল করেন এবং চট্টগ্রামকে স্বাধীন ঘোষণা করেন। ২২ এপ্রিল জালালাবাদ পাহাড়ে সন্মুখ যুদ্ধে মাস্টার দা’র বীরত্বপূর্ণ নেতৃত্বে ইংরেজ বাহিনীকে পরাভূত করেন। পরবর্তীতে ব্রিটিশরা সূর্যসেনকে গ্রেফতারের জন্য দশহাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন। ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুন্ঠন, জালালাবাদে ইংরেজদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধ, ইউরোপীয় ক্লাব আক্রমণে নেতৃত্ব দান করে বিপ্লবী খেতাব লাভ করেন।

১৯৩৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সূর্যসেন তার এক নিকট আত্মীয়ের বিশ্বাস ঘাতকতায় চট্টগ্রামের পটিয়ার গৈরালা গ্রামের ক্ষীরোদপ্রভা বিশ্বাস নাম্নী এক পৌঢ়া মহিলার বাড়িতে অবস্থান কালে গুর্খা সৈন্যের হাতে ধরা পড়েন। ১৯৩৪ সালের ১২ই জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।