খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বোয়ালখালীতে নারী নির্যাতন মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
বোয়ালখালীতে নারী নির্যাতন মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আহম্মদ উল্লাহ মামুন(৩৫) নামের এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। সোমবার (৫ এপ্রিল) তাকে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

রবিবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার চরণদ্বীপ ফকিরাখালী এলাকায় থানার উপ-পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আল আমান অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেন। আহম্মদ উল্লাহ মামুন ওই এলাকার শহিদ উল্লাহ ছেলে।

উপ-পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আল আমান বলেন, আহম্মদ উল্লাহ মামুন দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছেন। তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন। তাকে গ্রেফতারে পুলিশি নজরদারি রাখা হয়েছিলো। সম্প্রতি সে দেশে এসে নিজের বাড়িতে অবস্থান করার খবর পাওয়া মাত্রই অভিযান চালানো হয়। রবিবার রাত দেড়টার দিকে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। ওই সময় সে গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।

২০১২ সালে আহম্মদ উল্লাহ মামুনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলা নং ৯৯১/২০১২ দায়ের হয়। ওই মামলায় ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল নং-১ চট্টগ্রাম আদালত আহম্মদ উল্লাহ মামুনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

ওই মামলার রায়ে বলা হয়, ‘আরোপিত অর্থদ- অভিযোগকারীনীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য করা হবে। ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্মলাভকারী শিশু তার মাতা কিংবা তার মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজনের তত্ত্বাধানে রাখবে। উক্ত শিশু তার পিতা আহম্মদ উল্লাহ ও মাতা ভিকটিম উভয়ের পরিচয়ে পরিচিত হবে। শিশুটি মেয়ে হওয়ায় তার বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত ভরণপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র বহন করবে।’

রায়ে ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্মগ্রহণকারী শিশুর ভরণপোষণ ও ভিকটিমের আরোপিত ক্ষতিপূরণের টাকা সাজাপ্রাপ্ত আসামীর নিকট থেকে অথবা তার অর্জিত সম্পদ থেকে অথবা তিনি ভবিষ্যতে যে সম্পদের মালিক হবেন তা থেকে আদায় করে ক্ষতিগ্রস্থ ভিকটিমকে প্রদানের নিমিত্তে ট্রাইবুনালে জমা প্রদানের জন্য জেলা কালেক্টর চট্টগ্রামকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

২৪ ঘণ্টা/পূজন

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…