খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস  ফোরাম’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী”

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ জুন, ২০২১, ৪:৫০ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস  ফোরাম’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী”
নিজস্ব প্রতিবেদক :
‘মুজিববর্ষের আহ্বান তিনটি করে গাছ লাগান’ প্রতিপাদ্যে অদ্য ২৭ জুন রবিবার চট্টগ্রাম নগরীর আউটডোর স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে বিভিন্ন সামাজিক, স্থানীয় ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাঝে দেশীয় প্রজাতির দ্রুত বর্ধনশীল, কাষ্ঠল, ফলজ ও ঔষধি জাতের ১০ হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস ফোরাম-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়’র উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচীর প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ইতিহাসবিদ ড. মোঃ সেকান্দর চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সবুজ বৃক্ষ ও নির্মল পরিবেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদকে সামনে রেখে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আসুন এই মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বর্ষে আমরা সবাই মিলে বৃক্ষরোপণ করে দেশকে রক্ষা করি। দেশের পরিবেশকে রক্ষা করি এবং মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করি। ভবিষ্যৎ বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে পরিকল্পিত বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ করে এর পরিচর্যার কোনো বিকল্প নেই। পাশাপাশি এই গাছ বিক্রির টাকাও আপনাদের সংসারের উপযোগী হবে। তাই গাছ লাগিয়ে নিজেরা লাভবান হই।’
রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস ফোরাম-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়’র সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুর রহমান শিহাবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পালি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনবোধি ভিক্ষু এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ মোসাহেব উদ্দিন বখতিয়ার। বৃক্ষরোপণ অভিযান কর্মসূচীতে গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ, আল-মানাহিল, রাঙ্গুনিয়া ব্লাড ব্যাংক, বিডি ক্লিন রাঙ্গুনিয়া, রাঙ্গুনিয়া নঈমীয়া রক্তদান সংস্থা, কোদালা রক্তদান সংস্থা, আলোকিত রত্নপুরসহ বিভিন্ন সংগঠনের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
ড. জিনবোধি ভিক্ষু বলেন, প্রকৃত অর্থে মানবজাতির সত্যিকার পরার্থপর বন্ধু হল বৃক্ষ। কাজেই সভ্যতার অগ্রযাত্রার বলি যেন বৃক্ষ না হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। গাছ শুধু লাগালে হবে না, এর নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণও জরুরি। শহর প্রান্তরে গাছের সংখ্যা দিন দিন কমছে এবং নানাবিধ দূষণের ফলে নগরের বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে। তাই বাসাবাড়ির আশেপাশে বা উন্মুক্ত খালি জায়গায় গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য সুরক্ষায় অপ্রয়োজনে ও নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন, জলাধার ভরাট, পাহাড় কাটার মতো কাজকে গর্হিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে আইনের যথাযথ প্রয়োগ দরকার। এদেশে প্রাকৃতিক দূর্যোগ ভয়াবহ রুপ ধারণ করছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগের পরিধি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর দেশ প্রাকৃতিক দূর্যোগে বিপর্যস্ত হলে তার বিরুপ প্রভাব পড়ে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের উপর। এ ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পাওয়ার অন্যতম উপায় বৃক্ষ নিধন নিয়ন্ত্রন ও ব্যাপক ভাবে বৃক্ষ রোপন ও নিবিড় পরিচর্যা প্রসার করা। এ কর্মকান্ডের জন্য কোন নির্দিষ্ট এলাকা বা সীমারেখা নেই। বাড়ীর আঙ্গিনা, রাস্তার ধারে, পুকুর বা জলাশয়ের পাশে, শহরে যতটুকু খালি জায়গা পাওয়া যায় তাতে অথবা বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় ছাদ বাগানের মাধ্যমে পরিকল্পনা মত এবং উপযোগিতা বিবেচনায়  বৃক্ষরোপন করতে হবে। দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই আমাদের বৃক্ষরোপন অভিযান সফল করতে হবে। শুধু নিজেরা নয় সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে এ কাজে উৎসাহ ও অংশ গ্রহণ করতে আহ্বান জানাতে হবে।
২৪ঘণ্টা /রানা
Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।