খুঁজুন
, ,

রোহিত ঝড়ে বাংলাদেশের বড় পরাজয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 7 November, 2019, 11:00 pm
রোহিত ঝড়ে বাংলাদেশের বড় পরাজয়

‘মাহা’ সাইক্লোন এর কোনো প্রভাব না দেখা গেলেও, ব্যাট হাতে সাইক্লোন চালিয়েছেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তার ব্যাটে ভর করে আট উইকেটের জয় পেয়েছে ভারত। তিন ম্যাচের সিরিজে এখন ১-১ এ সমতা।

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে বাংলাদেশ। ইনিংসের সূচনা করতে নামা মোহাম্মদ নাঈম এবং লিটন দাস দারুণ মোকাবেলা করছিলেন ভারতের বোলিং। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে খলিল আহমেদের বলে টানা তিন বাউন্ডারি হাঁকান নাঈম। অপর প্রান্ত থেকেও দারুণ ব্যাটিং করছিলেন লিটন।

পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে আনা হয় যুযবেন্দ্র চাহালকে। ওভারের তৃতীয় বলে ডাউন দ্যা উইকেটে এসে খেলতে গিয়ে ব্যাটে বলে সংযোগ ঘটাতে ব্যর্থ হন লিটন। স্টাম্পিংয়ের সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন রিশাভ পান্ট। বল স্টাম্প পার করার আগেই তিনি ধরে ফেললে দেওয়া হয় নো বল। ফ্রি হিট ও পরের বলে দুই বাউন্ডারি হাঁকান লিটন। পাওয়ারপ্লে শেষে বিনা উইকেটে ৫৪ রান তুলে বাংলাদেশ। দুই ওপেনারের দারুণ ব্যাটিংয়ে বড় স্কোরের পথেই হাঁটছিল বাংলাদেশ।

ওয়াশিংটন সুন্দরের করা পরের ওভারে স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো জীবন পান লিটন। সহজ ক্যাচ লুফে নিতে পারেননি রোহিত। তবে পরের ওভারেই বিদায় নেন লিটন। টানা দুই জীবন পাওয়ার পর রান আউট হন তিনি। চাহালের দারুণ ডেলিভারি আঘাত হাতে তার প্যাডে। পান্টের আবেদনের সময় রানের জন্য দৌড় দেন তিনই। অথচ বল ছিল উইকেটের খানিক সামনে। পান্ট এসে সরাসরি থ্রোতে স্টাম্প ভেঙে রান আউট করেন লিটনকে। দুইবার জীবন পেয়ে লিটন করেন ২১ বলে ২৯। ভাঙে ৬০ রানের ওপেনিং জুটি।

শুরুটা ভালো করেছিলেন সৌম্য সরকার। এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন মোহাম্মদ নাঈম। একাদশতম ওভারে সুন্দরের বলে সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে আসেন নাঈম। ৩১ বলে ৩৬ রান করেন তিনি। সেখান থেকেই যেন পথ হারানোর শুরু।

ক্রুনাল পান্ডিয়ার বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সৌম্য সরকার আভাস দিয়েছিলেন বড় ইনিংসের। কিন্তু পরের ওভারে জোড়া আঘাত আনেন চাহাল। ওলটপালট করে দেন সবকিছু। গত ম্যাচের নায়ক মুশফিকুর রহিম ৪ রান করে বিদায় নেন ডিপ মিডউইকেটে থাকা পান্ডিয়ার হাতে। শেষ বলে ডাউন দ্যা উইকেটে এসে খেলতে গিয়ে বলে ব্যাট ছোঁয়াতে পারেননি সৌম্য। আগের ভুল অল্পের জন্য করেননি পান্ট। স্টাম্পিং করতে সফল হন তিনি। ১০৩ রানের মাথায় চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটে যায় বাংলাদেশের।

এরপর আফিফ হোসেনকে নিয়ে ২৫ রান যোগ করেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তবে রানের গতি ধীরে ধীরে কমতে থাকে। বড় স্কোরের সম্ভাবনা মিলিয়ে যায়। ইনিংসের ১৭ তম ওভারে খলিল আহমেদের বলে তুলে মারতে গিয়ে বিদায় নেন আফিফ হোসেন। ৮ বলে করেন ৬ রান। ঐ ওভারে তিন চার মেরে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ দলকে ১৭০ রানের আশেপাশে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখান। কিন্তু পরের দুই ওভারে চাহাল আর চাহার দেন মাত্র ৪ রান করে। ১৯ তম ওভারে চাহারের স্লোয়ার ডেলিভারিতে ডুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিয়ায় নেন রিয়াদ। ২১ বলে ৩০ রান করেন তিনি। শেষ ওভারে আমিনুল ইসলামের ব্যাট থেকে আসে একটি চার, রান হয় নয়। শেষ ৩ ওভারে দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে ভারত, রান হয় মাত্র ১৭।

বাংলাদেশ করে ৬ উইকেটে ১৫৩। রাজকোটের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে সেই লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না ভারতের জন্য।

শুরু থেকেই বিধ্বংসী ছিলেন রোহিত শর্মা। অন্য প্রান্তে শিখর ধাওয়ান খেলছিলেন ঠান্ডা মাথায়। বাউন্ডারির ফোয়ারা ছিল রোহিতের ব্যাটে। বোলিং আক্রমণের তিন পেসারকেই রোহিতের সামনে মনে হয়েছে নখদন্তহীন। পাওয়ারপ্লে তে ভারতের করা ৬৩ রানের ৪৬ রানই ছিল রোহিতের ব্যাটে।

এরপর আমিনুলের ওপর চড়াও হন ধাওয়ান। এ দুই ওপেনারকে কোনোভাবেই আটকাতে পারছিলেন না বাংলাদেশের বোলাররা। আফিফের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে অর্ধশতক পূরণ করেন রোহিত। সবচেয়ে বড় ঝড় যায় ইনিংসের দশম ওভার করতে আসা মোসাদ্দেক হোসেনের ওপর। তার প্রথম তিন বলে তিনটি ছক্কা মারেন রোহিত। প্রথম ১০ ওভারেই রান হয়ে যায় বিনা উইকেটে ১১৩। রোহিত-ধাওয়ানের ব্যাট থেকে আসে আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে চতুর্থবারের মতো শতরানের জুটি।

১১৮ রানের মাথায় আমিনুলের বলে বোল্ড হন ধাওয়ান। ২৭ বলে ৩১ রান করেন তিনি। নিজের পরের ওভার এসে রোহিতের উইকেট নেন আমিনুল। ৮৫ রান করে বিদায় নেন রোহিত। তার ইনিংসে ছিল ৬ চার আর ৬ ছক্কা। এরপর বাকি কাজ সারেন শ্রেয়াস আইয়ার (২৪*) এবং লোকেশ রাহুল (৮*)। ২৬ বলহাতে রেখেই জিতে যায় ভারত।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ ১৫৩/৬, ২০ ওভার
নাঈম ৩৬, সৌম্য ৩০, রিয়াদ ৩০
চাহাল ২/২৮, চাহার ১/২৫, সুন্দর ১/২৫

ভারত ১৫৪/২, ১৫.৪ ওভার
রোহিত ৮৫, ধাওয়ান ৩১, আইয়ার ২৪*
আমিনুল ২/২৯

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:56 pm
চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের মুনছুরাবাদে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের কার্যালয়ের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের ইয়াবা সম্রাট নামে খ্যাত জয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে ইয়াবাসহ নানা নেশাজাত দ্রব্য বিক্রি করে । প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক জাত দ্রব্য বিক্রি হয় কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রেশন স্টোর ও পুলিশের ব্র্যাক থেকেও ইয়াবা সাপ্লাই করে জয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জয় এর এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে কিছু অসাধু গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জড়িত । ফলে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জয়।

‎অনুসন্ধানে জানাযায়, গনি আহামদের ছেলে জাবেদ ওরফে জয়, কাজীর দেউড়ি ২ নং গলির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাকলিয়া থানার বলির হাট এলাকায় বসবাস করে।

সুত্র জানায়, ডিবি পুলিশের কনেস্টেবল আজাদ, রবিউল,  হানিফ, সঞ্জয়, আব্দুর রহিম, ইয়াবা সম্রাট জাবেদ ওরফে জয় এর সহযোগী বলে জানা গেছে।

‎এছাড়া কর্ণফুলী ক্লাব থেকে রূপসা বেকারী পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ জয়কে ডিবি অফিসার হিসাবে চিনে ও জানে, অনেকেই আবার জয়কে জয় স্যার বলে সম্বোধন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, আইনের লোকেরা যখন বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ে তখন কিছুই বলার থাকে না। পুলিশের ব্র্যাকে মাদক দ্রব্য রেখে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে চট্টগ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মিস্ত্রী পাড়ার বিপ্লব ও বউ বাজারে ডাইল নুরুকে নিয়ে জয় যে মাদকের হাট বসায় তা মেনে নেওয়ার নয়। গোয়েন্দা পুলিশের যে সদস্যরা জয়ের সাথে জড়িত তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক তাদের টাকার দাপটে আমরা অসহায়। খোদ উর্ধ্বতনরাও টাকার কাছে জিম্মি বলে মনে হয়।

‎নেশাগ্রস্থ অবস্থায় জয় যখন পুলিশ ব্র্যাকে শুয়ে থাকে তখনও কিছুই বলার থাকেনা। সন্ধ্যা হলে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা আসে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে ।

‎সিএমপিতে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার মাদক সম্ম্রাট ইছহাক, সোবহান, ও পাহারতলীর মাদক সম্ম্রাট টেক্সি জসিম আলমগীর ও কদম তলীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ি আলো সহ আরো অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নিকট মাদক ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।

ক্লাবের ভিতরে মাঠে চেয়ার নিয়ে বসে থাকে, জয় , ডাইল নুরু ও ইয়াবা সম্রাট বিপ্লব। পার্টি আসলে ব্র্যাক থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

‎এই বিষয়ে জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। একবার বলেন আমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী, আবার বলেন আমি এইসব ছেড়ে দিয়েছি। আবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, আমি জানি কে এইসব আমার ব্যাপারে বলেছে। আপনার খবর নিয়ে দেখবো আপনি কে ?

‎মাদকের ব্যাপারে সারাদেশের প্রসাশন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করলেও সিএমপি গোয়েন্দা কার্যালয়ের সামনে এমন কান্ডকে ভাবিয়ে তোলে সচেতন মহলকে।

‎এই বিষয়ে ডিসি (ডিবি উত্তর) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:29 pm
সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একই আদেশে কয়েকজন ওসিকে বদলি এবং বিভিন্ন ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের থানায় পদায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক নুর আহমদকে কর্ণফুলী থানার ওসি, সিটিএসবির মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে খুলশী থানার ওসি এবং কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. ইখতিয়ারউদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিবি বন্দর জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডলকে হালিশহর থানার ওসি এবং খুলশী থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাঁচলাইশ মডেল থানার বর্তমান ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে বদলি করে সিটিএসবিতে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিএসবির মোহাম্মদ একরাম উল্লাহকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সিএমপির জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।