খুঁজুন
শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাউজানে বিশাল জশনে জুলুছ অনুষ্ঠিত : হাজার হাজার নবী প্রেমিকদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৯, ৫:২০ অপরাহ্ণ
রাউজানে বিশাল জশনে জুলুছ অনুষ্ঠিত : হাজার হাজার নবী প্রেমিকদের ঢল

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : উত্তর চট্টগ্রামের বিশাল ১৯ তম জসনে জুলুছ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাউজানে ৮ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জসনে জুলুছে হাজার হাজার মুসল্লি অংশ নেন।

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত হলদিয়া ডাবুয়া কতৃক আয়োজিত বিশাল এ জুলুছে নেতৃত্ব দেন গর্জনীয়া ফাযিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ পীরে তরিকত সৈয়দ আলহাজ্ব আল্লামা আহসান হাবীব (মা.জি.আ)।

প্রতি বছরের ন্যায় পায়ে হাটা পরিবর্তন করে মোটরযোগে উত্তর সর্তা দরগাহ বাজার হতে ফটিকছড়ির কোটের পাড়, তকিরহাট, রাউজান নোয়াজিষপুর, দলইনগর, কালাচান্দাহাট ব্রীজ, গহিরা চৌহমুনী হয়ে রাউজান সদরের মুন্সিরঘাটা, আদালত ভবন, সেবাখোলা, চৌধুরী বটতল হয়ে এয়াছিন শাহ্ পাবলিক কলেজ ময়দানে জুলুছের সমাপ্তি ঘটে। বিশাল এই জসনে জুলুছে হাজার হাজার আশেকে রাসুল অংশগ্রহণ করে।

নারায়ে তাকবীর, নারায়ে রেছালাত স্লোগান ও বিভিন্ন নাত শরীফ তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমগ্র এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। সকাল ৭টা থেকে নবী প্রেমীকরা ব্যানার, ফেস্টুন, কালেমা ও দরুদ শরীফ সম্ভলিত পতাকা নিয়ে উপস্থিত হতে থাকে দরগাহ বাজারে। শিশু থেকে শুরু করে বয়বৃদ্ধ পর্যন্ত এই জুলুছে অংশগ্রহন করে।

এই জুলুছ কে কেন্দ্র করে রাউজানে ব্যাপক আনন্দ পরিলক্ষিত হয়। স্কুল কলেজ মাদ্রাসার পাশাপাশি সাধারন জনসাধারন এই জুলুছে শরিক হয়ে এলাকাবাসীকে জানান দে আজকে মোদের খুশির দিন, সকল ঈদের সেরা ঈদ, ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)।

জুলুস পরবর্তী আলোচনা সভা কলেজ মাঠে অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়দ আহসান হাবীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। জুলুছ কমিটির মহাসচিব ও আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম ও সৈয়্যদ মোহাম্মদ আলী আকবর তৈয়্যবীর যৌথ পরিচালনায় এতে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন ইহরাম হজ্ব কাফেলার পরিচালক আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তা খান আল আযহারী।

বক্তব্য রাখেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা এস এম বাবর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আল্লামা ইদ্রিছ আনছারী, স্থায়ী কমিটির সদস্য সাংবাদিক মাওলানা এম বেলাল উদ্দিন। এতে মিলাদ কিয়াম পরিচালনা করেন সাবেক সচিব মাওলানা মুনছুর আলম নেজামী।

এতে উপস্থিত ছিলেন গর্জনীয়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আল্লামা সাঈদুল আলম খাকী, মাওলানা কলিম উল্লাহ নুরী, আল্লামা সোলায়মান মকবুলী, আল্লামা ইয়াছিন হোসাইন হায়দারী,জাহাঙ্গীর আলম সিকদার, মেম্বার শামসুল আলম চৌধুরী, আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আলী ছিদ্দিকী, মাওলানা রফিকুল ইসলাম রেজভী, মাওলানা শামসুল আলম নঈমী, আলহাজ্ব আবদুচ সালাম মাস্টার, আল্লামা বাহাউদ্দিন ওমর, তরুন রাজনীতিক জিয়াউল হক চৌধুরী সুমন, মেম্বার মোহাম্মদ আলী, মুহাম্মদ সাহাবু সওদাগর, সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়বুর রহমান, আল্লামা নুরুল আবছার রেজভী, আলহাজ্ব সোলায়মান চৌধুরী, মাস্টার জামাল উদ্দিন, গাউছিয়া কমিটির সভাপতি হোসেন মাস্টার, মওলানা আব্দুল মালেক, আলহাজ্ব নুরুল হুদা মেম্বার।

আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, ক্বারী মাওলানা ওসমান গণী, প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, সহকারী প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান, মাস্টার ফরিদুল আলম, যুবলীগ নেতা মুহাম্মদ মনছুর, মাওলানা দিদারুল আলম ক্বাদেরী, মাওলানা ইয়াছিন ভান্ডারী, মুহাম্মদ নুরুল হায়দার, মাওলানা আহমদ হোসেন রেজভী, মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম, আবুল হাসেম রেজভী, মাওলানা সৈয়্যদ লুৎফুর রহমান, সৈয়দ মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন, মোহাম্মদ ওসমান, মাওলানা জাফর নুরী, মাওলানা জিলহাজ্ব উদ্দিন, মওলানা আবছার উদ্দিন, মাওলানা আলমগীর, মাওলানা আবুল বশর ভান্ডারী।

উপস্থিত ছিলেন মাওলানা তাজ মুহাম্মদ রেজভী, মাওলানা মামুন, হাফেজ ওমর ফারুক, মাওলানা শফি, মাওলানা সালেহ আকবর, মাওলানা রফিক, হক কমিটির সেক্রেটারী মাস্টার জাকের হোসেন, সর্তারকুল দায়রা শাখার সভাপতি মামুন মিয়া, নাজিম উদ্দিন মাইজভান্ডারী, প্রবাসী আব্দুল কাদের, মাওলানা মুনছুর আলম রেজভী, গাউছিয়া কমিটির ইলিয়াছ তাহেরী, মওলানা নেজাম তৈয়্যবী, শায়ের মাওলানা আব্দুল মাবুদ, মাওলানা মোজাম্মেল হোসাইন, শায়ের মুহাম্মদ মিনহাজ্ব, মুহাম্মদ জাবেদ, শায়ের মো. জিয়া উদ্দিন, শায়ের মো. ওসমান, ছাত্রসেনা নেতা সাদ্দাম হোসেন, মুসা মাহমুদ, কুতুব উদ্দিন, জমির উদ্দিন সানী, মাওলানা কুতুব উদ্দিন, মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন,কামাল উদ্দিন, মাওলানা ইকবাল হোসেন, মুহাম্মদ মমতাজ ড্রাইভার। পরে আখেরী মোনাজাত ও তাবারুক বিতরন করা হয়।

Feb2

শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আবারো আগুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আবারো আগুন

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আবারো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের লিডার শফিক। তিনি জানান, শাহজালাল বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেটের সামনে কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, আমরা রাত ১১:২৪ মিনিটে খবর পাই। তাৎক্ষণিক ফায়ার সার্ভিসের চার ইউনিট মিলে ১১:৩৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কীভাবে আগুন লেগেছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিক বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে খালে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে খালে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চাক্তাই খাল চট্টগ্রামের দুঃখ হিসেবে পরিচিত। তাই এই ডাইভারশন খাল নিয়মিত খনন ও পরিষ্কার রাখতে হবে। যদি আমরা নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়ে যেতে পারি এবং সবাই মিলে এই খালে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করি, তাহলে এই এলাকা জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে। বর্ষা মৌসুমের আগেই চলমান ব্রিজের নির্মাণকাজ শেষ করে জনগণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে হবে।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে নগরীর চকবাজার ডিসি রোডস্থ মিয়ার বাপের মসজিদ এলাকা সংলগ্ন চাক্তাই খাল ও চলমান ব্রিজের নির্মাণকাজ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন খালের বর্তমান অবস্থা এবং ব্রিজের কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন। তিনি স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেন এবং তাদের কথা শোনেন। তিনি কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দেন।

মেয়র তাঁর বক্তব্যে বলেন, চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও জলাবদ্ধতামুক্ত গ্রিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। চাক্তাই খালের ওপর নির্মাণাধীন এই ব্রিজটি স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় উন্নয়ন কাজ হয়, তাই কাজে কোনো ধরনের ধীরগতি বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না। আমি নিজে নিয়মিত মাঠে থেকে উন্নয়ন কাজগুলো তদারকি করছি।

মেয়র এ সময় বিশেষভাবে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণসচেতনতা ছাড়া এই শহরকে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব নয়। বাজারের লোকজন যেন ফুটপাথ ও খালপাড়ে পসরা সাজিয়ে না বসেন তা নিশ্চিত করতে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। পুনর্বাসনের পরও যারা খালের পাশে এসে বসে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমরা শুধু অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না। আমরা চাই নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হোক, এই নগরী আমাদের সবার, তাই পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও সবার।

পরিদর্শনকালে মেয়রের সাথে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হারুন জামান ও ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. মহসিন, আনোয়ার হোসেন লিপু, পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহাম্মাদ সেকান্দর, ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক হাজী মোহাম্মদ এমরান উদ্দিন, সদস্য সচিব মহিউদ্দিন মিজান, বিএনপি নেতা আবদুর রহিম, ফরিদুল হক লিটন, মো. আইয়ুব, মো. শহীদ, মো. খোকন ও মো. সেলিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং চসিকের প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ।

সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় কোন হস্তক্ষেপ করবে না সরকার। বিএনপি যখনই রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে তখনই সাংবাদিকদের পাশে থাকে।

শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মতো সাংবাদিক বান্ধব নানা কর্মসূচি সরকার হাতে নিচ্ছে। তারা যেমন সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়ন করে গেছেন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারও তাই করছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের মতো কোন হস্তক্ষেপ, ভয়ভীতি প্রদর্শন বিএনপি সরকার অতীতেও করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে সাংবাদিকদের সংবাদ প্রকাশে নানা হস্তক্ষেপ করতো সরকার। তারা নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধা দিতো। তাছাড়াও তৈলমর্দন করাকে তারা স্বীকৃতি দিয়েছিল। আমরা কিন্তু তা করছি না। সেরকম কিছু করার ইচ্ছে কিংবা মানসিকতাও নেই। এখন পর্যন্ত আমরা কোন সংবাদ প্রকাশে চাপ প্রয়োগ করেছি বলে কেউ বলতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গণমাধ্যম তার নিজ গতিতে চলবে।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করবে। তবে অপতথ্য ও অসত্য তথ্য যেন খবরে না আসে। এজন্য আমরা আহ্বান জানাব সাংবাদিকরা যেন বিষয়গুলো খেয়াল রাখেন। বর্তমানে এআই বিশ্বব্যাপী এমন একটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে আমাদের নিয়ে গেছে। যে কাউকে অপদস্ত করা যাচ্ছে। নানাভাবে ছবি ও ভিডিও বানিয়ে ভুল তথ্য উপস্থাপন সহজ হয়ে গেছে। তবে এআই’র পজিটিভ দিকও রয়েছে। তাই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিকদের উপর মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারাদেশের মতো চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের অধিকারগুলো নিয়ে আমরা কাজ করব। তবে অতীতে যেসব আবাসন বিএনপি সরকার দিয়েছিল সেগুলো ধরে রাখা গেছে কিনা সেটি আমাদের ভাবতে হবে। সম্পাদক পরিষদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের বকেয়া পরিশোধের দাবি জানিয়েছে, যেগুলো আগের সরকার দেয়নি। সেই দাবি অনুসারে আমি তাদের বকেয়া পরিশোধে উদ্যোগ নিয়েছি। তবে সাথে সাথে তাদের কাছে একটা দাবি জানিয়েছি যেন আমাদের সাংবাদিকদের ভাইদেরও কোনো বেতন বকেয়া না থাকে। তারা যেন প্রতিমাসে সঠিক সময়ে বেতনটা পায়। কারণ অনেকে আমার কাছে প্রায় আসে তাদের বেতন বকেয়া রয়েছে এমন অভিযোগ নিয়ে।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, সরকার বিভিন্ন পর্যায়ের যৌক্তিক সমালোচনাকে গ্রহণ করছে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। দেশ পরিচালনা করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সেইসাথে যৌক্তিক সমালোচনাও প্রয়োজন। কেননা তা হলেই আমরা আমাদের ভুলগুলো বুঝতে পারব।

তিনি আরও বলেন, যারা প্রকৃত অর্থে সাংবাদিক, দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পৌঁছে দিতে জীবন, যৌবন, অধ্যবসায় পার করেছে, তারা সবাই যেন একটি বৃহৎ সাংবাদিক গোষ্ঠীর সাথে কাজ করতে পারে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক, ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের সদস্য ওসমান গনি মনসুর, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. আবু নাসের, কালের কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান মুস্তাফা নঈম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা মুরাদ, চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তারেক আহমদ, সিএমইউজের সদস্য আমিনুল ইসলাম, বাসসের সিনিয়র রিপোর্টার মিয়া মো. আরিফ এবং দৈনিক আমার দেশের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান সোহাগ কুমার বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, প্রবীণ সাংবাদিক, পেশাজীবী এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। শুরুতে সংগঠনের সদস্য মো. হোসেন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা আবাসন সংকট, বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান এবং ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন পেশাগত সমস্যা তুলে ধরেন। তারা এসব বিষয়ে সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বিশেষ করে গণমাধ্যম খাতের আর্থিক সংকটের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের সামাজিক নিরাপত্তা ও পেশাগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ভবনের দ্বিতীয় তলায় ফিতা কেটে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের নতুন কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।