খুঁজুন
, ,

রাউজানে বিশাল জশনে জুলুছ অনুষ্ঠিত : হাজার হাজার নবী প্রেমিকদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 8 November, 2019, 5:20 pm
রাউজানে বিশাল জশনে জুলুছ অনুষ্ঠিত : হাজার হাজার নবী প্রেমিকদের ঢল

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : উত্তর চট্টগ্রামের বিশাল ১৯ তম জসনে জুলুছ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাউজানে ৮ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জসনে জুলুছে হাজার হাজার মুসল্লি অংশ নেন।

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত হলদিয়া ডাবুয়া কতৃক আয়োজিত বিশাল এ জুলুছে নেতৃত্ব দেন গর্জনীয়া ফাযিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ পীরে তরিকত সৈয়দ আলহাজ্ব আল্লামা আহসান হাবীব (মা.জি.আ)।

প্রতি বছরের ন্যায় পায়ে হাটা পরিবর্তন করে মোটরযোগে উত্তর সর্তা দরগাহ বাজার হতে ফটিকছড়ির কোটের পাড়, তকিরহাট, রাউজান নোয়াজিষপুর, দলইনগর, কালাচান্দাহাট ব্রীজ, গহিরা চৌহমুনী হয়ে রাউজান সদরের মুন্সিরঘাটা, আদালত ভবন, সেবাখোলা, চৌধুরী বটতল হয়ে এয়াছিন শাহ্ পাবলিক কলেজ ময়দানে জুলুছের সমাপ্তি ঘটে। বিশাল এই জসনে জুলুছে হাজার হাজার আশেকে রাসুল অংশগ্রহণ করে।

নারায়ে তাকবীর, নারায়ে রেছালাত স্লোগান ও বিভিন্ন নাত শরীফ তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমগ্র এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। সকাল ৭টা থেকে নবী প্রেমীকরা ব্যানার, ফেস্টুন, কালেমা ও দরুদ শরীফ সম্ভলিত পতাকা নিয়ে উপস্থিত হতে থাকে দরগাহ বাজারে। শিশু থেকে শুরু করে বয়বৃদ্ধ পর্যন্ত এই জুলুছে অংশগ্রহন করে।

এই জুলুছ কে কেন্দ্র করে রাউজানে ব্যাপক আনন্দ পরিলক্ষিত হয়। স্কুল কলেজ মাদ্রাসার পাশাপাশি সাধারন জনসাধারন এই জুলুছে শরিক হয়ে এলাকাবাসীকে জানান দে আজকে মোদের খুশির দিন, সকল ঈদের সেরা ঈদ, ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)।

জুলুস পরবর্তী আলোচনা সভা কলেজ মাঠে অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়দ আহসান হাবীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। জুলুছ কমিটির মহাসচিব ও আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম ও সৈয়্যদ মোহাম্মদ আলী আকবর তৈয়্যবীর যৌথ পরিচালনায় এতে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন ইহরাম হজ্ব কাফেলার পরিচালক আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তা খান আল আযহারী।

বক্তব্য রাখেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা এস এম বাবর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আল্লামা ইদ্রিছ আনছারী, স্থায়ী কমিটির সদস্য সাংবাদিক মাওলানা এম বেলাল উদ্দিন। এতে মিলাদ কিয়াম পরিচালনা করেন সাবেক সচিব মাওলানা মুনছুর আলম নেজামী।

এতে উপস্থিত ছিলেন গর্জনীয়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আল্লামা সাঈদুল আলম খাকী, মাওলানা কলিম উল্লাহ নুরী, আল্লামা সোলায়মান মকবুলী, আল্লামা ইয়াছিন হোসাইন হায়দারী,জাহাঙ্গীর আলম সিকদার, মেম্বার শামসুল আলম চৌধুরী, আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আলী ছিদ্দিকী, মাওলানা রফিকুল ইসলাম রেজভী, মাওলানা শামসুল আলম নঈমী, আলহাজ্ব আবদুচ সালাম মাস্টার, আল্লামা বাহাউদ্দিন ওমর, তরুন রাজনীতিক জিয়াউল হক চৌধুরী সুমন, মেম্বার মোহাম্মদ আলী, মুহাম্মদ সাহাবু সওদাগর, সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়বুর রহমান, আল্লামা নুরুল আবছার রেজভী, আলহাজ্ব সোলায়মান চৌধুরী, মাস্টার জামাল উদ্দিন, গাউছিয়া কমিটির সভাপতি হোসেন মাস্টার, মওলানা আব্দুল মালেক, আলহাজ্ব নুরুল হুদা মেম্বার।

আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, ক্বারী মাওলানা ওসমান গণী, প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, সহকারী প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান, মাস্টার ফরিদুল আলম, যুবলীগ নেতা মুহাম্মদ মনছুর, মাওলানা দিদারুল আলম ক্বাদেরী, মাওলানা ইয়াছিন ভান্ডারী, মুহাম্মদ নুরুল হায়দার, মাওলানা আহমদ হোসেন রেজভী, মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম, আবুল হাসেম রেজভী, মাওলানা সৈয়্যদ লুৎফুর রহমান, সৈয়দ মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন, মোহাম্মদ ওসমান, মাওলানা জাফর নুরী, মাওলানা জিলহাজ্ব উদ্দিন, মওলানা আবছার উদ্দিন, মাওলানা আলমগীর, মাওলানা আবুল বশর ভান্ডারী।

উপস্থিত ছিলেন মাওলানা তাজ মুহাম্মদ রেজভী, মাওলানা মামুন, হাফেজ ওমর ফারুক, মাওলানা শফি, মাওলানা সালেহ আকবর, মাওলানা রফিক, হক কমিটির সেক্রেটারী মাস্টার জাকের হোসেন, সর্তারকুল দায়রা শাখার সভাপতি মামুন মিয়া, নাজিম উদ্দিন মাইজভান্ডারী, প্রবাসী আব্দুল কাদের, মাওলানা মুনছুর আলম রেজভী, গাউছিয়া কমিটির ইলিয়াছ তাহেরী, মওলানা নেজাম তৈয়্যবী, শায়ের মাওলানা আব্দুল মাবুদ, মাওলানা মোজাম্মেল হোসাইন, শায়ের মুহাম্মদ মিনহাজ্ব, মুহাম্মদ জাবেদ, শায়ের মো. জিয়া উদ্দিন, শায়ের মো. ওসমান, ছাত্রসেনা নেতা সাদ্দাম হোসেন, মুসা মাহমুদ, কুতুব উদ্দিন, জমির উদ্দিন সানী, মাওলানা কুতুব উদ্দিন, মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন,কামাল উদ্দিন, মাওলানা ইকবাল হোসেন, মুহাম্মদ মমতাজ ড্রাইভার। পরে আখেরী মোনাজাত ও তাবারুক বিতরন করা হয়।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।

আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:11 am
আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, আমাদের এই লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই পৌঁছাবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বাংলাদেশের মানুষ লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে সবাই ঢাকায় একত্রিত হয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। এবার আমরা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশ্যে লং মার্চের যাত্রা শুরু করেছি। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে যাচ্ছে, সেই স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্য আমাদের এই লং মার্চ।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই লং চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা ৭০ শতাংশ জনগণের গণরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা দলে দলে এই লং মার্চে অংশগ্রহণ করুন। এই লং মার্চ কোনো ১১ দলের লং মার্চ নয়। এই লং মার্চ বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষের লং মার্চ।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা লং মার্চ শান্তিপূর্ণভাবে পালন করব। যদি সরকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, এই লং মার্চের ছয় দফা এক দফাতে পরিণত হবে।’