খুঁজুন
, ,

রোমান্সে একইসঙ্গে হাজির দুই প্রেমিকা, মহাসমস্যায় সালমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 31 August, 2021, 1:23 pm
রোমান্সে একইসঙ্গে হাজির দুই প্রেমিকা, মহাসমস্যায় সালমান

সালমান আর ক্যাটরিনার জবরদস্ত রোম্যান্সের মাঝেই হাজির হলেন রোমান সুন্দরী লুলিয়া। সালমানের বর্তমান প্রেমিকা সে। আর ক্যাটরিনা প্রাক্তন। ভাবুন তো, কেমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হলো সবার প্রিয় ভাইজানের জন্য!

যদিও সালমান আর ক্যাটরিনার এই রোম্যান্স রিয়েল লাইফে নয়, চলছিল রিল লাইফে। রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে ৫ দিনের শ্যুটিং শিডিউল শেষ করে ‘টাইগার ৩’-র গোটা টিম উড়ে গিয়েছে তুর্কি। এবার ইস্তাম্বুলে হবে ছবির শ্যুট। আর শোনা যাচ্ছে, রোমানিয়া থেকে সোজা ইস্তাম্বুলে পৌঁছে গিয়েছেন সালমান খানের চর্চিত বান্ধবী লুলিয়া ভান্তুর।

বলিউড সুপারস্টার সালমানের ‘রাধে’ ছবিতে গান গেয়ে নিজের বলিউড ক্যারিয়ার শুরু করেন এই রোমানিয়ান সুন্দরী। মুম্বাইতে সালমানের বাড়িতেও তাঁর অগাধ যাতায়াত। এমনকী, ২০২০-র লকডাউনেও সালমানের আলিবাগের ফার্মহাউজে ছিলেন সালমানের সঙ্গেই। সাথে অবশ্য জ্যাকলিনও ছিলেন।

সে যাই হোক, ইস্তাম্বুলের হোটেল থেকে ভিডিও শেয়ার করে লুলিয়া বুঝিয়ে দিয়েছেন বর্তমানে তিনি আছেন সালমানের কাছাকাছিই।

সালমান আর ক্যাটরিনার ‘টাইগার ৩’-র শ্যুট হবে তুরস্কের চার লোকেশনে। সিনেমার শুরুর দৃশ্যের শ্যুটও হয়ে গেছে ইস্তাম্বুলের মেইডেন’স টাওয়ারে। সেখানে অবস্থিত ইউরোপের সবচেয়ে দামী হোটেল মারদান প্যালেসে।

এদিকে, ‘টাইগার-৩’ থেকে সালমানের লুক এরমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সেন্ট পিটার্সবার্গে শ্যুটের সময়। জানা গেছে, শ্যুটের খবর পেয়ে সে সময় সেখানে হাজির হয়েছিলেন অসংখ্য মানুষ। তাঁদের মধ্যে অনেকেই সালমানকে ক্যামেরাবন্দি করে ছড়িয়ে দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আপাতত তুরস্কে সালমানের ছবির শ্যুটের সময় কী করে ভিড় সামলানো যায়, তার চিন্তাতেই আছে ছবির গোটা টিম। কারণ ‘টাইগার’ সিরিজের প্রথম ছবির শ্যুটও যে হয়েছিল এখানেই।

এন-কে

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল আহত সেই শিশুটিরও

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 11 September, 2026, 7:17 pm
চট্টগ্রামে ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল আহত সেই শিশুটিরও

চট্টগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় আহত রাহাত (১০) নামের শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এর আগে, একই দুর্ঘটনায় শিশুটিকে বাঁচাতে গিয়ে দেলোয়ার হোসেন মিন্টু (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের অর্থোপেডিক ওয়ার্ডের সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন রাহাতের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানার ষোলশহর রেলওয়ে ক্রসিং এলাকায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রাহাত পাঁচলাইশ থানার ২ নম্বর গেট এলাকার আব্দুল মালেক সাহেবের বাসার মো. ফারুকের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জুমার নামাজ শেষে মিন্টু দুই শিশুকে নিয়ে রেললাইনের পাশে হাঁটছিলেন। একপর্যায়ে একটি শিশু তার হাত ছেড়ে সামনে এগিয়ে যায়। এ সময় ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি চলে এলে শিশুটিকে বাঁচাতে মিন্টু দৌড়ে যান। এতে ট্রেনের ধাক্কায় তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। রাহাতও গুরুতর আহত হয়।

পরে রাহাতকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

তেলের সংকট কাটেনি, বেড়েছে আটা-ময়দার দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 11 September, 2026, 12:08 pm
তেলের সংকট কাটেনি, বেড়েছে আটা-ময়দার দাম

দাম বাড়ানোর পরও বাজারে স্বাভাবিক হয়নি সয়াবিন তেলের সরবরাহ। রাজধানীর অনেক মুদি দোকানেই মিলছে না পর্যাপ্ত বোতলজাত সয়াবিন তেল। চাহিদা মত তেল না দেওয়ার অভিযোগ জানিয়েছেন বিক্রেতারা। মুদি দোকানিদের অনেকেই বলছেন, অর্ডার দিয়েও তেল পেয়ে কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

পাহাড়তলী বাজারের মুদি দোকানি সাইফুল বলেন, অর্ডার দিলেও তেল দেয় না কোম্পানি। দোকানে কোনো সয়াবিন তেল নেই। তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন অনেক ক্রেতা।

আরেক বিক্রেতা অভিযোগ জানিয়ে বলেন, পর্যাপ্ত তেল তো দিচ্ছেই না, আবার লাভ দিচ্ছে একদম সীমিত। ১ লিটার তেল ১৯৮ টাকা কেনা, বিক্রি করতে হচ্ছে ১৯৯ টাকায়। এ অবস্থায় অনেকেই তেল বিক্রি করতে চাচ্ছেন না।

সম্প্রতি সরকার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়ানোর অনুমোদন দেয়। ব্যবসায়ীরা ১০ টাকা বাড়ানোর দাবি করলেও সরকার ৫ টাকা বাড়ানোর অনুমতি দেয়। এরপর গত ২ সেপ্টেম্বর কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৯৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করে।

এর মধ্যেই বেড়েছে আটা ও ময়দার দাম। বিশেষ করে ময়দার দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বেকারি পণ্যে। এরইমধ্যে বিভিন্ন কোম্পানির পাউরুটি ও অন্যান্য বেকারি পণ্যের দাম বেড়েছে।

বেকারি মালিকদের সংগঠন জানিয়েছে, আগামীকাল শনিবার থেকে সব ধরনের বেকারি পণ্যের দাম ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দাম অপরিবর্তিত রেখে পণ্যের ওজন কমিয়ে মূল্য সমন্বয় করা হবে।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বাজার বিশ্লেষণের তথ্য অনুযায়ী, বাজারে প্রতি কেজি খোলা আটার দাম এখন ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। এক মাস আগেও পণ্যটির সর্বনিম্ন দাম ছিল ৪৫ টাকা। এক মাসের ব্যবধানে আটার দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ।

এছাড়া বাজারে খোলা ময়দা ও প্যাকেটজাত ময়দার দামও বেড়েছে। আগে প্রতি কেজি খোলা ময়দা ৬০ থেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হলেও এখন তা ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। প্যাকেটজাত ময়দা প্রতি কেজি এখন ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক মাস আগেও এর দাম ছিল ৬৫ থেকে ৭৫ টাকা।

বিদ্যুতের বাড়তি দাম, গ্যাস সংকটসহ বিভিন্ন কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এর প্রভাব আটা-ময়দাসহ সংশ্লিষ্ট পণ্যের দামে পড়ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আটা-ময়দার দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বেকারি পণ্যে। বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতি জানিয়েছে, আগামীকাল শনিবার থেকে সব ধরনের বেকারি পণ্যের দাম বাড়ানো হবে।

সংগঠনের সভাপতি জালাল উদ্দিন বলেন, দাম সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দাম বাড়লে ২০ শতাংশ হারে বাড়াবে। আবার কিছু ক্ষেত্রে ওজন কমিয়ে দাম সমন্বয় করা হবে। অর্থাৎ, ১০ টাকার রুটি ১০ টাকাই থাকবে। যেটা ৪০০ গ্রাম ছিল, হয়তো ৩৫০ গ্রাম বা ৩২০ গ্রাম হবে।

তিনি বলেন, তেলের দাম অনেক বেড়ে গেছে। ২৫ হাজার টাকার তেল বেড়ে ৩৬ হাজার টাকা হয়েছে। এর সঙ্গে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যা ও বাড়তি খরচ রয়েছে। ফলে দাম সমন্বয় করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

পাহাড়তলী বাজার, কাজীরদেউরি বাজার, বহদ্দারহাট বাজার, কর্ণফুলী মার্কেট ও রিয়াজউদ্দিন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির দামও কমেনি। প্রতি কেজি এখন ১৯০-২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছে, অতিবৃষ্টি ও গরমে অনেক খামারে ডিমপাড়া মুরগিসহ ব্রয়লার মুরগি মারা গেছে। পরে অনেক খামারি নতুন করে মুরগি পালন শুরু করেননি। সাম্প্রতিক লোডশেডিং পরিস্থিতির কারণেও খামারে মুরগি পালন কমেছে। এসব কারণে বাজারে ডিম-মুরগির দাম কিছুটা বেশি।

এদিকে, আগের মত চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে সবজি। লম্বা বেগুন ৭০ টাকা এবং গোল বেগুন ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। করলা ও বরবটি ৮০ টাকা কেজি। হাইব্রিড শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। আগাম শিমের দাম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। পটোল, ঢ্যাঁড়স, কাঁকরোলসহ কয়েক ধরনের সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে। আর টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে।

বাজারে তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা এবং রুই-কাতলা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা এবং পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে।

বহদ্দারহাট বাজারে কথা হয় মিজানুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ আমিষের চাহিদা মেটায় ডিম ও মুরগির মাধ্যমে। এই দুই পণ্যের দাম বাড়তি। তার ওপর এখন তেল ও আট-ময়দার দামও বেড়েছে। চাল, ডালসহ অন্যান্য খরচও বেড়েছে। ফলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর চাপ বাড়ছে।

খুলশীতে অনলাইন স্ক্যামিংয়ে জড়িত সন্দেহে চীনা-পাকিস্তানিসহ ৭০ জন আটক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 11 September, 2026, 11:11 am
খুলশীতে অনলাইন স্ক্যামিংয়ে জড়িত সন্দেহে চীনা-পাকিস্তানিসহ ৭০ জন আটক

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী এলাকায় অনলাইন স্ক্যামিং চক্রে জড়িত সন্দেহে চীনা, পাকিস্তানি ও লাওসের নাগরিকসহ ৭০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে জালালাবাদ কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার একটি আটতলা ভবন থেকে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে ৬৮টি ল্যাপটপ ও ৬৫টি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। এসব ডিভাইসে থাকা তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিরা অনলাইন স্ক্যামিংয়ের সঙ্গে জড়িত কিনা, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম বলেন, অনলাইন স্ক্যামিংয়ে জড়িত সন্দেহে ৭০ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চীন, পাকিস্তান, লাওসসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। প্রত্যেকের মুঠোফোন ও ল্যাপটপে থাকা তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকাও একটি বিশেষ দল চট্টগ্রামে আসছে। আগামীকাল বিস্তারিত জানানো হবে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ওই ব্যক্তিদের আটক করা হয়। পরে তাদের খুলশী থানায় নেওয়া হয়।

এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের একটি হোটেল থেকে অনলাইন স্ক্যামিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে ছয় চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়।