খুঁজুন
, ,

ইউএস ওপেনে টিনএজ তারকাদের ইতিহাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 September, 2021, 12:31 pm
ইউএস ওপেনে টিনএজ তারকাদের ইতিহাস

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতটা ছিল আর্থার অ্যাশে নক্ষত্রপতন ও টিনএজ সেনসেশনদের ইতিহাস রচনার রাত। এই রাতে পুরুষদের তিন নম্বর বাছাই স্টেফানোস সিসিপাসকে হারিয়ে ইতিহাস রচনা করেছেন স্প্যানিশ টিনএজার কার্লোস অ্যালকারাজ গারফিয়া। আর চার বারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম চ্যাম্পিয়ন বিশ্বের তিন নম্বর বাছাই নারী টেনিস তারকা নাওমি ওসাকাকে হারিয়ে টেনিসবিশ্বকে বিস্মিত করলেন আরেক টিনএজার লেইলাও।

মানসিক অবসাদে ভোগায় ফরাসি ওপেন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়ার পর ইউএস ওপেনে ফিরেছিলেন নাওমি ওসাকা। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নের থেকে প্রত্যাশাও ছিল অনেক বেশি। তবে ১৮ বছরের কানাডিয়ান সুন্দরী লেইলা অ্যানি ফার্নান্ডেজের কাছে তো ম্যাচ হারলেনই, উপরন্তু কোর্টে বারংবার মেজাজ হারিয়ে বিতর্কের মুখে জাপানের টেনিস তারকা। এর আগে কোনদিনও গ্র্যান্ড স্ল্যামের চতুর্থ রাউন্ডে পৌঁছাননি বিশ্বের ৭৩ নম্বর বাছাই লেইলা অ্যানি।

প্রথম সেটে হারলেও ১৮ বছরের লেইলা পরে ৫-৭, ৭-৬(২), ৬-৪ ব্যবধানে ওসাকাকে পরাস্ত করেন। ম্যাচে একাধিকবার মেজাজ হারান ওসাকা। মানসিক অবসাদে ভোগা ওসাকা ম্যাচ গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে নিজের একাগ্রতা হারিয়ে ফেলেন। একাধিকবার কোর্টে নিজের ব়্যাকেট তো ছুঁড়ে ফেলেনই, এমনকী ইচ্ছাকৃতভাবে দেরীতে সার্ভ করায় শুনতে হয় কোর্টে উপস্থিত দর্শকের কটাক্ষও।

এই ম্যাচের পর পর্যদুস্ত ওসাকা পুন:রায় কোর্ট থেকে কিছুদিন বাইরে থাকার সিদ্ধান্তের কথা জানান। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে আমি জানি না কবে আমি পরবর্তী ম্যাচটি খেলব। আমার মনে হয়, আমি খেলা থেকে আপাতত কিছুদিনের বিরতি নেব।’

এদিকে, রাফায়েল নাদালের রাজত্বের পর তাঁকেই স্প্য়ানিশ টেনিস জগতের পরবর্তী তারকা হিসাবে মনে করছেন অনেকেই। সেই কার্লোস অ্যালকারাজই এদিন তাঁর যোগ্যতা ও দক্ষতার প্রমাণ দিলেন ইউএস ওপেনে। পাঁচ সেটের নাটকীয় লড়াইয়ে বিশ্বের তিন নম্বর টেনিস তারকা স্টেফানোস সিসিপাসকে পরাজিত করে ইতিহাস গড়লেন ১৮ বছর বয়সী তারকা।

১৯৭৩ সালে এটিপি ব়্যাঙ্কিং চালু হওয়ার পর থেকে কনিষ্ঠতম খেলোয়াড় হিসাবে প্রথম তিনে থাকা টেনিস তারকাকে পরাস্ত করেন অ্যালকারাজ। ম্যাচের প্রথম সেটেই ৬-৩ ব্যবধানে এগিয়ে গেলেও ৪-৬ ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট হারেন অ্যালকারাজ। এরপরই শুরু হয় চূড়ান্ত নাটক। তৃতীয় সেটে টাইব্রেকারে স্প্যানিয়ার্ড ৭-৬ (২) জিতলেও, চতুর্থ সেটে তাঁকে ০-৬ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে কড়া বার্তা দেন সিসিপাস।

তবে তাতে দমে যাননি টিনএজ সেনসেশন। পঞ্চম সেটে দুই তরুণের লড়াইয়ে মুগ্ধ হয়ে থাকল যুক্তরাষ্ট্রের আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়াম। চার ঘণ্টারও অধিক সময়ের এক ঐতিহাসিক লড়াইয়ের পর পঞ্চম সেটও ট্রাইব্রেকারে পৌঁছায় এবং সিসিপাসকে ৭-৬ (৫) ব্যবধানে হারিয়ে সেট ও ম্যাচ নিজের নামে করে নেন অ্যালকারাজ।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালে পিট সাম্প্রাস ও মাইকেল চ্যাঙের পর কনিষ্ঠতম খেলোয়াড় হিসাবে ইউএস ওপেনের চতুর্থ রাউন্ডে নিজের জায়গা পাকা করলেন অ্যালকারাজ।

ম্যাচের পর বিশ্বের এই ৫৫ নম্বর বাছাই বলেন, ‘সত্যি বলতে আমি জানি না আজ কোর্টে কি হয়েছে। আমি এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না যে, আমি স্টেফানোস সিসিপাসকে এক ঐতিহাসিক ম্যাচে পরাস্ত করেছি। আমার জন্য গোটাটাই স্বপ্নের মতো।’

অন্যদিকে, ম্যাচে সামান্য হলেও ক্লান্ত দেখিয়েছে সিসিপাসকে। সেটের মাঝে দীর্ঘ সময় ব্রেক ও খেলার ধরণ দেখেই তা বোঝা গিয়েছিল।

এন-কে

Feb2

তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 7:51 pm
তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে’ শিরোনামে প্রচারিত তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে- এমন শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাই এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যারা এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। অপপ্রচারে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 3:25 pm
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান দেশের স্বার্থকে সবার ওপরে স্থান দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বার্থ দেখার জন্যই সরকার ও সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব দিয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তাদের দল সবসময় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’ স্লোগানটি ব্যবহার করে। তিনি নিজের অবস্থান থেকে সবসময় দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং তা রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

সংসদ নেতা বলেন, এখানে কোনো ব্যক্তিগত বিষয় বা স্বার্থ জড়িত নেই। যেকোনো ভালো অর্জন বা সফল সফরের মাধ্যমে যদি ইতিবাচক কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে তা একান্তই বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষের অর্জন।

সংসদে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন ও উৎসাহ জোগানোর জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সব সদস্যকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার এই যাত্রায় সবার এই ইতিবাচক মনোভাবকে তিনি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানান।

উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এর ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 2:53 pm
উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এর ইন্তেকাল

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)’র উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন (৯০) বার্ধক্যজনিত কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ২৭ জুন শনিবার ১২টা ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তিনি দুই পুত্র ডা. রাজীব হোসেন ও রিয়াজ হোসেন, নাতি-নাতনি, আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

২৭ জুন বাদে এশা জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে মরহুমের প্রথম নামাযে জানাযা, আগামীকাল ২৮ জুন রোববার সকাল ৯ টায় চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাযা ও একই দিন মিরসরাই কাঠাছড়ায় বাদ যোহর ৩য় নামাযের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন তাঁর কল্যাণমূলক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহু সম্মানে ভূষিত হন। তিনি ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানীর প্রেসিডেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত “দি অর্ডার অব মেরিট”, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেস কর্তৃক “দি লাইফ লং সার্ভিসেস এওয়ার্ড”, ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব অফথালমোলজী কর্তৃক “কংগ্রেস অব অফথালমোলজী এওয়ার্ড”, এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অব অফথালমোলজী কর্তৃক “দি ডিষ্টিংগুইসড্ সার্ভিসেস এওয়ার্ড” এবং স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন এওয়ার্ড, “চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক”, “বাংলাদেশ কমিউনিটি অফথালমোলজী স্বর্ণপদক”, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত “অনরারি ডক্টরেট”, “দা ডেইলি স্টার এওয়ার্ড”, এছাড়া তিনি পেনিলপ বিলসন চেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক।

মিরসরাইয়ের সমাজ সেবক ডা. আহমেদুর রহমান ও ওয়াহিদুন্নেসার একমাত্র পুত্র অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চক্ষু চিকিৎসা সেবা পৌঁছাতে চক্ষু রোগ নিবারণ ও নিরাময়ের জন্য ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি গঠন পূর্বক দেশব্যাপী ভ্রাম্যমান চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখেরও বেশী রোগীর অপারেশন, ১৯৭৫ সালে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি শক্তির সমস্যা নিরূপন, অদ্যাবধি প্রায় ৮ লক্ষ স্কুল ছাত্র-ছাত্রীর চোখ পরীক্ষা করা হয়। ১৯৮৩ সালে পাহাড়তলীতে ১৩০ শয্যা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেন। বর্তমানে এই হাসপাতাল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র রূপে পরিচিতি লাভ করেছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইনষ্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলজী প্রতিষ্ঠায় মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। এ ইনস্টিটিউট হতে এই পর্যন্ত ২৬৬ জন ডাক্তার স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অফ সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি কোর্স চালু আছে।

তিনি এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অফথালমোলজীতে ২০ বছরেরও অধিক সময় জাতীয় কাউন্সিলর এবং আঞ্চলিক সচিব হিসেবে, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অফ ব্লাইন্ডনেস-এ চেয়ারম্যান হিসেবে ৮ বছর নেতৃত্ব দেন,

এছাড়া তিনি বিশ্বমানের একটি “ইম্পেরিয়াল হসপিটাল” নামক ৩৫০ বেডের জেনারেল হাসপাতাল এবং “নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার” গড়ে তুলেছেন।