খুঁজুন
, ,

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে সুশীল সমাজের উপস্থিতির গুরুত্ব ঢাকা ও লন্ডনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 September, 2021, 9:42 am
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে সুশীল সমাজের উপস্থিতির গুরুত্ব ঢাকা ও লন্ডনের

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের গুরুত্ব, জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থার উন্নয়নে সুশীল সমাজের উপস্থিতি, মতপ্রকাশ এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়ে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য।

গতকাল শুক্রবার ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, ফরেন কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদনে উঠে আসা বাংলাদেশের মানবাধিকার সম্পর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রভাব, বিধিবহির্ভূত আটক, বিধিবহির্ভূত বিচারপ্রক্রিয়া এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে যুক্তরাজ্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য সরকারের এফসিডিও-এর চতুর্থ বারের মতো বার্ষিক যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে কৌশলগত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ কৌশলগত সংলাপের নেতৃত্বে ছিলেন এফসিডিও-এর পার্মানেন্ট আন্ডার সেক্রেটারি স্যার ফিলিপ বার্টন কেসিএমজি ওবিই ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। এফসিডিও-এর দক্ষিণ এশিয়া ও কমনওয়েলথ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী উইম্বলডনের লর্ড তারেক আহমেদ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনকে স্বাগত জানান।

লর্ড আহমেদ বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও আমি যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যকার দৃঢ় সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছি। আমরা উভয়েই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতে আমাদের দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেছি।’

সংলাপে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সহিংসতার শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে, মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে কোভিড-১৯ চলাকালে যারা প্রিয়জনকে হারিয়েছে, তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায় সংলাপে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা। দেশব্যাপী কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচি, বিশেষ করে কোভ্যাক্স থেকে পাওয়া টিকার মাধ্যমে পরিচালনার জন্য যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানায়।

সংলাপে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ইস্যু, বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অংশীদারত্ব, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষাসহ যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ উভয়পক্ষ ২০১৯ সালের পর প্রথমবারের মতো সশরীরে সাক্ষাতের সুযোগকে স্বাগত জানিয়ে সংলাপ শুরু করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির বছরে অনুষ্ঠিত এবারের কৌশলগত সংলাপ যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে বলে সংলাপে উল্লেখ করা হয়েছে। উভয় দেশের প্রতিনিধিরা যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং প্রবাসী সংযোগ ও কমনওয়েলথের সদস্যপদের কারণে মানুষের সঙ্গে মানুষের সুদৃঢ় সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সংঘাত প্রতিরোধ, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা সমর্থনসহ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একে অপরকে সহযোগিতা করতে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ সম্মত হয়েছে।

দ্বিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতার বিষয়ে উভয় দেশই প্রশিক্ষণ, পেশাগত সামরিক শিক্ষা ও ইনস্ট্রাকশন এক্সচেঞ্জসহ যৌথ সহযোগিতাকে স্বাগত জানায় এবং এ বছরের শেষের দিকে একটি প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংলাপ উদ্বোধনের আশা ব্যক্ত করেন।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ বিশ্বের সব দেশকে আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে। গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমাতে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে যুক্তরাজ্য। আগামী বছরগুলোতে কার্বন নির্গমন হ্রাস ও ২০৫০ সালের মধ্যে নেট-জিরো নির্গমনসহ একটি নিট জিরো টার্গেট ও কয়লা শক্তির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার জন্য বাংলাদেশের নেতৃত্বকে আরও উত্সাহিত করে। বিভিন্ন উৎস থেকে আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করতে যুক্তরাজ্যের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে উদ্বোধন হওয়া ইউকে-বাংলাদেশ ক্লাইমেট পার্টনারশিপের জন্য উভয় দেশই কৃতজ্ঞতা জানায়।

২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার জন্য জাতিসংঘের সুপারিশ লাভ করায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। এই উত্তরণকে সফল করতে, সাহায্য করতে ও বাংলাদেশ যেন তাদের রপ্তানিভিত্তিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে পারে তাই যুক্তরাজ্য ২০২৯ সাল পর্যন্ত তাদের দেশের বাজারে বাংলাদেশের জন্য শুল্কমুক্ত ও কোটা মুক্ত প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা লাভ করলে উভয় দেশ তাদের উন্নয়ন অংশীদারত্বের ভবিষ্যৎ রূপ নিয়ে আলোচনায় বসবে বলে সম্মত হয়েছেন।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগকারী হিসেবে যুক্তরাজ্য ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউকে-বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ডায়ালগের উদ্বোধনকে স্বাগত জানিয়েছে। বাংলাদেশে ব্যবসার পরিবেশের উন্নতির গুরুত্ব এবং বাজার প্রবেশাধিকার বাধা হ্রাস করার ওপর যুক্তরাজ্য জোর দিয়েছে।

উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় অভিবাসন ও সম্পর্কের গভীরতাকে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ স্বাগত জানায়। চলাচল ও অভিবাসন বিষয়ক একটি পার্টনারশিপ গঠনে যুক্ত হতে উভয় দেশ সম্মত হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক অংশীদারত্ব বৃদ্ধি করতে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে ‘ক্রস বর্ডার উচ্চশিক্ষা আইন’ বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ জানায়।

এন-কে

Feb2
Feb2

তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে নিকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 4:05 pm
তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে নিকার

তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে ‘প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’ (নিকার)।

উপজেলা তিনটি হচ্ছে- চট্টগ্রামের ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, কুমিল্লার ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনসিংহের ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’। একটি নতুন থানা হচ্ছে চট্টগ্রামের ‘হালদা’।

বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার ১২১তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে এসব উপজেলা ও থানা অনুমোদন দেওয়া হয়।

এছাড়া রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন পূর্বাঞ্চল নতুন শহর প্রকল্প এলাকার নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলা প্রকল্পের অংশগুলো ঢাকার অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নিকার প্রস্তাব অনুযায়ী তিনটি নতুন উপজেলা হচ্ছে, চট্টগ্রাম জেলা ফটিকছড়ি উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে ভাগ করে ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলা।

চট্টগ্রামের হাটাজারি থানাকে বিভক্ত করে গঠন করা হয়েছে ‘হালদা থানা’।

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরলো পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 3:40 pm
গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরলো পুলিশ

গাঢ় নীল ও হালকা জলপাই রঙয়ের শার্ট এবং খাকি রঙের প্যান্টে ফিরলো পুলিশ। ৫ আগস্টের পরই পুলিশকে ঢেলে সাজানোর অংশ হিসেবে পোশাক পরিবর্তন করা হয়েছিল। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সেটি আবার বদলানোর সিদ্ধান্ত হয়।

বিএনপি সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের পর আজ বুধবার (১ জুলাই) গাঢ় নীল ও হালকা জলপাই রঙয়ের শার্ট এবং খাকি রঙের প্যান্টের নতুন ইউনিফর্মে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেলো পুলিশ কর্মকর্তাদের।

বুধবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) পরিচালিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে নবনির্মিত ‘বরকাউ পুলিশ ক্যাম্প’ উদ্বোধন করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। অনুষ্ঠানে গাঢ় নীল শার্টে ও খাকি প্যান্টে এবং ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে হালকা জলপাই রঙয়ের শার্ট ও খাকি প্যান্ট পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়।

ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ জানান, আজকে থেকে নতুন পোশাক পরছে পুলিশ সদস্যরা। এখনো সব পুলিশ সদস্যের হাতে পৌঁছেনি নতুন পোশাক। পর্যায়ক্রমে সব সদস্যই পাবেন। যারা পেয়েছেন তারা নতুন ইউনিফর্মেই দায়িত্ব পালন করছেন।

এখানে উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশে সংস্কারের দাবি ওঠে। উঠে পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তনের দাবিও। গত বছর ২০ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুলিশের শার্টের রং আইরন বা লোহা-ধূসর, আর প্যান্টের রং ছিল কফি শেল বা কফি-বাদামি ধূসর করা হয়। গত বছরের ২৫ নভেম্বর নতুন পোশাকে মাঠে নামে পুলিশ।

যদিও সেই পোশাক নিয়ে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেক পুলিশ সদস্য পোশাক পরিবর্তনের বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। পোশাকের রং নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

নির্বাচিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসতেই নতুন করে পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের দাবি উঠে। গত ১৮ জুন পোশাকের রঙ পরিবর্তন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে পুলিশ সদর দপ্তর।

প্রজ্ঞাপনে পুলিশের শার্ট ও প্যান্টের পাশাপাশি জার্সি, কার্ডিগান, পুলওভার, জ্যাকেট, নারীদের পোশাক, মাথার আবরণ এবং পূর্ণহাতা পোশাকের রং–সংক্রান্ত বিধানেও পরিবর্তন আনা হয়।

নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আগে লোহা-ধূসর রঙের শার্টের ওপর লোহা-ধূসর রঙের ফুলহাতা জার্সি, কার্ডিগান বা পুলওভার ব্যবহারের কথা ছিল। নতুন বিধানে সেটির পরিবর্তে নীল রঙের শার্টের ওপর গাঢ় নীল রঙের ফুলহাতা জার্সি, কার্ডিগান বা পুলওভার যুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জেলা পুলিশ এবং এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি ও র‍্যাব ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের ক্ষেত্রে ট্রাউজার হবে খাকি রঙের টিসি টুইল কাপড়ের। শার্ট হবে গাঢ় নীল রঙের টিসি প্লেইন ফেব্রিক কাপড়ের। শার্টের সামনে চারটি পকেট থাকবে। সামনের অংশে সমদূরত্বে সাতটি বোতাম থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে নারী পুলিশের পোশাকের বিষয়েও বিস্তারিত বলা হয়। নারী পুলিশ চাইলে শাড়ি পরতে পারবেন। জেলা পুলিশ ও অন্যান্য ইউনিটের ক্ষেত্রে গাঢ় নীল শাড়ির সঙ্গে গাঢ় নীল ব্লাউজ পরা যাবে। মহানগর পুলিশের ক্ষেত্রে গাঢ় নীল শাড়ির সঙ্গে হালকা জলপাই রঙের ব্লাউজের কথা বলা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, নারী পুলিশ সদস্যরা চাইলে মাথার আবরণ ব্যবহার করতে পারবেন। ট্রাফিক ইউনিটে কর্মরত নারী পুলিশ সদস্যরাও সারা বছর পূর্ণহাতা শার্ট বা ব্লাউজ পরতে পারবেন। গর্ভাবস্থায় সংশ্লিষ্ট ইউনিটপ্রধানের পূর্বানুমোদন নিয়ে নারী পুলিশ সদস্য সাধারণ পোশাক পরতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপনে মৌসুম অনুযায়ী শার্টের ধরনও নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রীষ্মকালে শার্ট হবে অর্ধহাতা। শীতকালে শার্ট হবে পূর্ণহাতা। মাথার আবরণের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, সেটি অনুমোদিত গাঢ় নীল রঙের হবে।

৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে হবে : নাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 3:25 pm
৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে হবে : নাহিদ

সরকারের উদ্দেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে হবে। তা না হলে জনগণ নিজেরাই জাদুঘর খুলে প্রবেশ করবে।

বুধবার (১ ‍জুলাই) রায়েরবাজারে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবর জিয়ারত শেষে তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচার ধীরগতিতে হচ্ছে। এটা আরও দ্রুত করতে হবে। ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দেশে ফেরাতে হবে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু নামকাওয়াস্তে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পালন করলে চলবে না। জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার করতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সরকার এখনো কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করেনি। আশা করছি, সরকার দ্রুতই কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

এ সময় ১৪ দলীয় নেতা হাসানুল হক ইনুকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার অন্যতম সহযোগী উল্লেখ করে এই এনসিপির নেতা বলেন, ইনুর ১০ বছরের সাজা হতে পারে না। আমরা আপিলের মাধ্যমে তার কঠোর শাস্তি প্রত্যাশা করছি।