খুঁজুন
সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফোনে আড়িপাতা বন্ধের রিট খারিজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ২:৪৬ অপরাহ্ণ
ফোনে আড়িপাতা বন্ধের রিট খারিজ

ফোনে আড়িপাতা বন্ধ ও ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনার তদন্ত চেয়ে করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান-এর বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এর আগে ১০ আগস্ট আড়িপাতা প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। রিটে নির্দেশনা চাওয়া হয় আড়িপাতা প্রতিরোধের নিশ্চয়তা ও ফাঁস হওয়া ঘটনাগুলোর তদন্তের।

রিটে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে চিঠিপত্র ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা সংরক্ষণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনা অহরহ ঘটছে। তাই এটি বন্ধ হওয়া উচিত।

রিটে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) বিবাদী করা হয়।

উল্লেখ্য, ১০ জন আইনজীবীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এই রিট করেন। আইনজীবীরা হলেন- অ্যাডভোকেট রেজওয়ানা ফেরদৌস, অ্যাডভোকেট উত্তম কুমার বণিক, অ্যাডভোকেট শাহ নাবিলা কাশফী, অ্যাডভোকেট ফরহাদ আহমেদ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নওয়াব আলী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইবরাহিম খলিল, অ্যাডভোকেট মুস্তাফিজুর রহমান, অ্যাডভোকেট জি এম মুজাহিদুর রহমান (মুন্না), অ্যাডভোকেট ইমরুল কায়েস ও অ্যাডভোকেট একরামুল কবির।

এন-কে

Feb2

বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের ওষুধ বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ১৪০ দেশে আমাদের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। দেশীয় উৎপাদকরা ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারলে এই পরিসর আরও বৃদ্ধি পাবে।

মন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছর সরকারগুলো কোনো ভেন্টিলেটর, মেশিন, ভ্যাকসিন দিয়ে যায়নি। এমনকি সিরিঞ্জও ছিল না। প্রাইভেট এন্টারপ্রেনারদের সহায়তায় হামের মতো বিপদগুলো মোকাবিলা করেছে সরকার।

‘হামের এন্টিবডি তৈরি হতে ২০ জুন পর্যন্ত সময় লাগবে’, যোগ করেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

এছাড়া, ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ অনুদান হিসেবে আজ এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেন্ট্রাল স্টোরে ডেঙ্গুর এক লাখ স্যালাইন আছে, আর ২০ থেকে ২৫ হাজার স্যালাইন বিক্ষিপ্তভাবে রয়েছে বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে। তবে, হঠাৎ আরও স্যালাইনের প্রয়োজন পড়তে পারে।

রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে শোকজের জবাব দেওয়ার আরও দুদিন সময় দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ সময় না দিলে তারা আদালতের সুবিধা নিতে পারে। এ জন্য আদ-দ্বীন হাসপাতালকে আরও দুদিন সময় দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) তারা উত্তর দেবে। এরপর সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়।

তিনি বলেন, আইনানুগভাবে কী কী ব্যত্যয় ঘটেছে এবং কী ধরনের অপরাধ করেছে, এর ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ কাকে কী পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেবে, সেটি তাদের ব্যাপার। সরকার তার অবস্থানে ঠিক আছে। জনস্বার্থ সংরক্ষণ থেকে এক বিন্দু পিছপা হব না।

এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গুর মৌসুম সামনে রেখে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার কমাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এরপরও যারা আক্রান্ত হবেন, তাদের যথাসময়ে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্যকে পুনর্গঠন করতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে ড. এম এ মুহিত বলেন, প্রধান কর্মপন্থা হচ্ছে, স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে যে কাজ চলছে, সেখানে স্টেকহোল্ডারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।

‘ওষুধ শিল্পকে আরও বিকশিত করতে পলিসি সাপোর্টের চিন্তা করছে সরকার। দেশের মানুষকে সঠিক ওষুধ, সঠিক মূল্য কিংবা বিনামূল্যে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার’, যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।

বেতন বাড়লো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
বেতন বাড়লো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের (সমমর্যাদার সহ) সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) এবং উপমন্ত্রী ও সমমর্যাদার ব্যক্তিদের একান্ত সচিবদের (পিএস) বেতন নির্ধারণ করে দিয়েছে অর্থ বিভাগ। এখন থেকে তাদের মূল বেতন হবে ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা।

আগে তারা জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ নবম গ্রেডে (২২০০০-৫৩০৬০ টাকা) নিয়োগ পেতেন। অর্থাৎ মূল বেতন ছিল ২২ হাজার টাকা। সেই হিসাবে তাদের মূল বেতন এখন বাড়লো।

সম্প্রতি এ বেতন নির্ধারণ করে দিয়ে অর্থ বিভাগ থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ৩১ মার্চ এ বিষয়ে মতামত জানতে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

অর্থ বিভাগ চিঠিতে জানিয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি চাকরির বাইর থেকে অস্থায়ীভাবে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) অভিপ্রায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী একান্ত সচিব এবং উপমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) অভিপ্রায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত একান্ত সচিবদের মূল বেতন শর্তসাপেক্ষে ‌‘জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫’ এর নবম গ্রেডের অষ্টম ধাপে ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা নির্ধারণে মতামত প্রদান করা হলো।

শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে- মূল বেতন নির্ধারিত। কোনো প্রকার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি প্রযোজ্য হবে না। বিধি মোতাবেক প্রযোজ্য অন্যান্য ভাতাদি পাবেন। কোন প্রকার পেনশন, আনুতোষিক এবং ভবিষ্য তহবিলের সুবিধাদি পাবেন না।

এই মূল বেতন মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) সহকারী একান্ত সচিব ও উপমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) একান্ত সচিব পদে শুধুমাত্র সরকারি চাকরির বাইর থেকে নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলেও মতামতে জানিয়েছে অর্থ বিভাগ।

নগরীকে যানজটমুক্ত করতে পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
নগরীকে যানজটমুক্ত করতে পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে: মেয়র

চট্টগ্রাম নগরের যানজট নিরসন, গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ট্রান্সপোর্ট মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন সম্ভাব্য রুট ও অবকাঠামো পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)-এর প্রতিনিধি দল।

রোববার পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দল শহরের গুরুত্বপূর্ণ করিডরগুলো ঘুরে দেখে সম্ভাব্য রুট ও যাত্রী চাহিদা বিশ্লেষণ করেন। দলটি কালুরঘাট, অক্সিজেন, আমিন বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে।

পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. মো. মশিউর রহমান, অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক (ম্যাস ট্রানজিট) ও যুগ্মসচিব আবদুল লতিফ খান, ‘ট্রান্সপোর্ট মাস্টার প্ল্যান অ্যান্ড প্রিলিমিনারি ফিজিবিলিটি স্টাডি অব আরবান মেট্রো রেল ট্রানজিট কনস্ট্রাকশন অব চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এরিয়া (সিএমএ)’ প্রকল্পের পরিচালক ও ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ার মীর মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার ও ম্যাস ট্রানজিট প্ল্যানার মুহাম্মদ আবদুর রকিব, সহকারী ম্যাস ট্রানজিট ইঞ্জিনিয়ার (বিআরটি) মো. ইনজামুল হক মেহেদী, চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাদাত এবং আরব কন্ট্রাক্টরস ও ওরাসকম পেনিনসুলা কনসোর্টিয়ামের প্রতিনিধিবৃন্দ।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জনগণ যেন অল্প সময়ে ও স্বল্প ব্যয়ে সহজে যাতায়াত করতে পারে—এটাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। চট্টগ্রামে যানজট এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এখন বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে মনোরেল একটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে বলে তিনি মত দেন। তিনি জানান, মনোরেল বাংলাদেশে এখনো বাস্তবায়িত না হলেও এটি তুলনামূলকভাবে কম জায়গা ও ব্যয়ে নির্মাণযোগ্য একটি আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে অক্সিজেন–চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি গেট, আগ্রাবাদ এবং পতেঙ্গা–বিমানবন্দরসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ করিডরকে সম্ভাব্য রুট হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলো নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে ডিটিসিএ-এর নির্বাহী পরিচালক ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম মহানগরের সার্বিক পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলছে। এই পরিকল্পনায় মনোরেল, মেট্রোরেল, লাইট রেল ট্রানজিট (এলআরটি), সড়ক অবকাঠামো এবং জলপথ—সবকিছুই বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, পুরো নগরের ট্রাফিক পরিস্থিতি, যাত্রী চাহিদা এবং ভবিষ্যৎ পরিবহন প্রয়োজন বিশ্লেষণ করে কোন রুটে কী ধরনের গণপরিবহন সবচেয়ে কার্যকর হবে, তা নির্ধারণ করা হবে। উচ্চ যাত্রীচাহিদাসম্পন্ন রুটে মেট্রোরেল, মাঝারি চাহিদার রুটে লাইট রেল এবং অপেক্ষাকৃত কম চাহিদার রুটে মনোরেল নির্মাণের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মনোরেলের যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা সরেজমিনে পরিদর্শন ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ডিটিসিএ-এর প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম সফর করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড. মশিউর রহমান আরও বলেন, বর্তমানে ডিমান্ড অ্যানালাইসিস ও কারিগরি মূল্যায়নের কাজ চলছে। এই বিশ্লেষণ সম্পন্ন হওয়ার পরই কোন রুটে কোন ধরনের রেলভিত্তিক পরিবহন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে। প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ অনুযায়ী ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে মাস্টার প্ল্যান ও সুপারিশমালা চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।

এ সময় গ্রেটার চিটাগাং ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সরকারের এককভাবে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের এ ধরনের বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা কঠিন। এজন্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে বিকল্প অর্থায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, একটি আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব অর্থায়নে পুরো মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাদের মূল চাহিদা হলো সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে, বিশেষ করে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি ও বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করবে।

আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্ভাব্য রুট, স্টেশন, ডিপো এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ডিটিসিএ এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধিদের নিয়ে সম্ভাব্য স্থানসমূহ পরিদর্শন করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্দেশনায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন একটি বিশেষ কারিগরি টিম গঠন করেছে। এই টিম সম্ভাব্যতা যাচাই, তথ্য সংগ্রহ এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। সরকারের আনুষ্ঠানিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষার পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগেও প্রাথমিক ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া যায়।