খুঁজুন
, ,

৮ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার প্রদান করবেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 11 November, 2019, 11:07 pm
৮ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার প্রদান করবেন

জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে আগামী ৮ ডিসেম্বর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৭ ও ২০১৮’র পদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

আজ সোমবার বিকেলে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান জানান, আগামী ৮ ডিসেম্বর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হবে। পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ৮ ডিসেম্বর সময় দিয়েছেন।

জানা গেছে, এবারও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পদক তুলে দেওয়া হবে। এবার গত দুই বছরের ২৮টি শাখায় ৬৪ জনকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে।

এর আগে, গত ৭ নভেম্বর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৭-২০১৮ প্রদানের এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এবার দুই বছরের সেরা ছবি হয়েছে ‘ঢাকা অ্যাটাক’ ও ‘পুত্র’। আর সেরা অভিনেতার পুরস্কার পাচ্ছেন শাকিব খান, আরিফিন শুভ, ফেরদৌস ও সাইমন। অন্যদিকে সেরা অভিনেত্রী হলেন জয়া আহসান ও নুসরাত ইমরোজ তিশা।

২০১৭ সালের যৌথভাবে আজীবন সম্মননা পুরস্কার পাচ্ছেন বরেণ্য অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান ও অভিনেত্রী সালমা বেগম সুজাতা। একইভাবে ২০১৮’র আজীবন সম্মননা পাচ্ছেন চিত্রনায়ক আলমগীর ও বরেণ্য অভিনেতা প্রবীর মিত্র।

২০১৭ সালের সেরা পরিচালকের পুরস্কার পাচ্ছেন ‘গহীন বালুচর’-এর পরিচালক বদরুল আনাম সৌদ আর ২০১৮ সালের সেরা পরিচালক হলেন ‘জান্নাত’ ছবির পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।

এছাড়াও ২০১৭ সালের ছবি ‘সত্তা’র ‘তোমার প্রেমে অন্ধ আমি’ গানটির জন্য সেরা গায়ক হয়েছেন উপমহাদেশের নন্দিত ব্যান্ড তারকা মাহফুজ আনাম জেমস। একই ছবির ‘না জানি কোন অপরাধে’ গানের জন্য শ্রেষ্ঠ গায়িকার পুরস্কার পাচ্ছেন মমতাজ। আর ২০১৮ সালের ‘পুত্র’ ছবির ‘যদি দুঃখ ছুঁয়ে’ গানের জন্য সেরা গায়ক হয়েছেন নাইমুল ইসলাম রাতুল। যৌথভাবে সেরা গায়িকার পুরস্কার পাচ্ছেন ‘পুত্র’ ছবির ‘ভুলে মান অভিমান’ গানের জন্য সাবিনা ইয়াসমিন ও ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবির ‘গল্প কথার ঐ’ গানের জন্য আঁখি আলমগীর।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক দুই বছরের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকা

২০১৭ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকা

আজীবন সম্মাননা: এটিএম শামসুজ্জামান ও সালমা বেগম সুজাতা

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র: ঢাকা অ্যাটাক (কায়সার আহিমেদ ও সানী সানোয়ার)

শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: বিশ্ব আঙিনায় অমর একুশে (বাংলাদেশ টেলিভিশন)

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক: বদরুল আনাম সৌদ (গহীন বালুচর)

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্র: শাকিব খান (সত্তা) ও আরিফিন শুভ (ঢাকা অ্যাটাক)

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্র: নুসরাত ইমরোজ তিশা (হালদা)

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্র: মো. শাহদাৎ হোসেন (গহীন বালুচর)

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্র: সুবর্ণা মুস্তাফা (গহীন বালুচর) ও রুনা খান (হালদা)

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা খল চরিত্র: জাহিদ হাসান (হালদা)

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা কৌতুক চরিত্র: এম ফজলুর রহমান বাবু (গহীন বালুচর)

শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী: নাইমুর রহমান আপন (ছিটকিনি)

শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার: অনন্য সামায়েল (আঁখি ও তার বন্ধুরা)

শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক: এম ফরিদ আহমেদ হাজরা (ফরিদ আহমেদ (তুমি রবে নীরবে)

শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক: ইভান শাহরিয়ার সোহাগ, (ধ্যাততেরিকি)

শ্রেষ্ঠ গায়ক: মাহফুজ আনাম জেমস (তোর প্রেমেতে অন্ধ…, চলচ্চিত্র: সত্তা)

শ্রেষ্ঠ গায়িকা: মমতাজ বেগম (গান: না জানি কোন অপরাধে…, চলচ্চিত্র: সত্তা)

শ্রেষ্ঠ গীতিকার: সেজুল হোসেন (গান: না জানি কোন অপরাধে…, চলচ্চিত্র: সত্তা)

শ্রেষ্ঠ সুরকার: শুভাশীষ মজুমদার বাপ্পা (গান: না জানি কোন অপরাধে…, চলচ্চিত্র: সত্তা)

শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার: আজাদ বুলবুল (হালদা)

শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার: তৌকির আহমেদ (হালদা)

শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা: বদরুল আনাম সৌদ (গহীন বালুচর)

শ্রেষ্ঠ সম্পাদক: মো. কালাম (ঢাকা অ্যাটাক)

শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক: উত্তম কুমার গুহ (গহীন বালুচর)

শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক: কমল চন্দ্র দাস (গহীন বালুচর)

শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক: রিপন নাথ (ঢাকা অ্যাটাক)

শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা: রিটা হোসেন (তুমি রবে নীরবে)

শ্রেষ্ঠ মেকআপ আর্টিস্ট: মো. জাভেদ মিয়া (ঢাকা অ্যাটাক)

২০১৮ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকা

আজীবন সম্মাননা: অভিনেতা প্রবীর মিত্র ও এম এ আলমগীর

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র: পুত্র (চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর)

শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: গল্প সংক্ষেপ (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট)

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক: মোস্তাফিজুর রহমান মানিক

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্র: ফেরদৌস আহমেদ (পুত্র) ও সাদিক মো. সাইমন (জান্নাত)

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্র: জয়া আহসান (দেবী)

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্র: আলী রাজ (জান্নাত)

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্র: সুচরিতা (মেঘকন্যা)

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা খল চরিত্র: সাদেক বাচ্চু (একটি সিনেমার গল্প)

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা কৌতুক চরিত্র: মোশাররফ করিম (কমলা রকেট) ও আফজাল শরিফ (পবিত্র ভালোবাসা)

শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী: ফাহিম মুহতাসিম লাজিম (পুত্র)

শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার: মাহমুদুর রহমান (মাটির প্রজার দেশে)

শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক: ইমন সাহা (জান্নাত)

শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক: মাসুম বাবুল (একটি সিনেমার গল্প)

শ্রেষ্ঠ গায়ক: নাইমুল ইসলাম রাতুল (গান: যদি দুঃখ ছুঁয়ে…, চলচ্চিত্র: পুত্র)

শ্রেষ্ঠ গায়িকা: সাবিনা ইয়াসমিন (গান: ভুলে মান অভিমান, চলচ্চিত্র: পুত্র)

ও আঁখি আলমগীর (গান: গল্প কথার ঐ…, চলচ্চিত্র: একটি সিনেমার গল্প)

শ্রেষ্ঠ গীতিকার: কবির বকুল (গান: যদি এভাবেই ভালোবাসা…, চলচ্চিত্র: নায়ক)

ও জুলফিকার রাসেল (গান: যদি দুঃখ ছুঁয়ে দেখো…, চলচ্চিত্র: পুত্র)

শ্রেষ্ঠ সুরকার: রুনা লায়লা (গান: গল্প কথার ঐ…, চলচ্চিত্র: একটি সিনেমার গল্প)

শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার: সুদীপ্ত সাঈদ খান (জান্নাত)

শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার: সাইফুল ইসলাম মান্নু (পুত্র)

শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা: এস. এম. হারুন-অর-রশীদ (পুত্র)

শ্রেষ্ঠ সম্পাদক: তারিক হোসেন বিদ্যুৎ (পুত্র)

শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক: উত্তম কুমার গুহ (একটি সিনেমার গল্প)

শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক: জেড এইচ মিন্টু (পোস্ট মাস্টার ৭১)

শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক: আজম বাবু (পুত্র)

শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা: সাদিয়া শবনম শানতু (পুত্র)

শ্রেষ্ঠ মেকআপ আর্টিস্ট: ফরহাদ রেজা মিলন (দেবী)

Feb2
Feb2

দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 7:13 pm
দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগের শুরু থেকেই চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী এবং বন্যাদুর্গত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে৷ চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার রশিদের পুকুর এলাকায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনাদের দুর্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন। কোথায় কী লাগবে, কী প্রয়োজন—সবকিছু তিনি জানেন। গতকালও তিনি আমাকে বলেছেন, আপনি সেখানে যান, কী কী লাগবে দেখে আসেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমি আজ আপনাদের মাঝে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে আপনাদের খোঁজ নিতে পাঠিয়েছেন। আমরা এমন একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি, যিনি দেশের মানুষের কল্যাণে ২৪ ঘণ্টাই চিন্তা করেন। সরকার যে কোনো দুর্যোগে আপনাদের পাশে আছে। আপনাদের জন্য যা যা প্রয়োজন, সরকার তা দিতে প্রস্তুত।

এম ইকবাল হোসেইন বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:38 pm
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

পাহাড় ধসের ঝুঁকি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে সরকারি খাসজমি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও বন উজাড়ের কারণে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হলে এর বিরূপ প্রভাব পড়বেই।

বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রয়েছে। সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্ভাব্য রোগব্যাধি প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। কৃষি উৎপাদন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিশু খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী শিশু খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবিলায় পানি পরিশোধন যন্ত্র ও বোতলজাত পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় বন্যাকবলিত জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছাতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:26 pm
প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছাতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং ত্রাণ কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে প্রশাসনের পাশাপাশি কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলের দুর্গত মানুষও যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, গত পাঁচ দিন ধরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই দায়িত্বের অংশ হিসেবে তিনি চট্টগ্রামে এসে প্রশাসনের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ধাপে ধাপে পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এরইমধ্যে চট্টগ্রাম জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আগের দিন দীর্ঘ সময় ধরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুর্যোগ পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি এবং ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।

ত্রাণ কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, যেখানে প্রয়োজন, সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতেও সহায়তা পৌঁছে দিতে কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

তিনি আরও জানান, দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে ত্রাণের পরিমাণ আরও বাড়ানো হচ্ছে। কোনো দুর্গত মানুষ যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনর্গঠন কার্যক্রমও আরও জোরদার করা হবে।