খুঁজুন
শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙামাটিতে আগুনে পুড়ে ছাই আট বসতঘর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ নভেম্বর, ২০২১, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
রাঙামাটিতে আগুনে পুড়ে ছাই আট বসতঘর

রাঙামাটি জেলা শহরের তবলছড়িতে আটটি বসতঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আজ শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে তবলছড়ি পোস্ট অফিস কলোনিতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা নাছির উদ্দীন সোহেল জানান, পোস্ট কলোনিতে আগুনে আটটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তা আগুন নেভানো সম্ভব হলেও ততক্ষণে সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্তরা সকলেই নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় কেউই তেমন কিছু সরাতে পারেনি। তাই প্রশাসন ও বিত্তবানদের তাদের দাঁড়ানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সঠিক সূত্রপাত জানা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়রা বলছে, পাড়ার রফিকের ছোট ছেলে দিয়াশালাই দিয়ে খেলতে গিয়ে তার ঘর থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আবার কেউ বলছেন, ঘরের চুলা থেকে সূত্রপাত হয়।

রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে পোস্ট কলোনীতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাই। পরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩৫ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে আগুন নেভাতে সক্ষম হই। তবে কাঁচাঘর হওয়ার কারণে মুহূর্তের মধ্যে আগুনে আটটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেটি এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না, নিরূপণের কাজ চলছে।’

এন-কে

Feb2

সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামাতে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:১৩ পূর্বাহ্ণ
সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামাতে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সঙ্গে সীমান্ত হত্যা, হামলা এবং অবৈধ অনুপ্রবেশের মতো ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনতে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী যৌথ উদ্যোগ জোরদারে সম্মত হয়েছে।

ভারতের নয়াদিল্লিতে গত ৮ থেকে ১১ জুন বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ৫৭তম মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন ১৪ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল এবং বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী প্রবীন কুমারের নেতৃত্বাধীন ১২ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। আগামী নভেম্বর মাসে ঢাকায় পরবর্তী সম্মেলন আয়োজনের বিষয়ে উভয় পক্ষ প্রাথমিকভাবে একমত হয়েছে।

সম্মেলনে সীমান্তে বিএসএফ ও ভারতীয় নাগরিকদের গুলিতে নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিজিবি মহাপরিচালক। তিনি সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে জবাবদিহিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জবাবে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে যে, প্রচলিত আইন অনুসরণ এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও যৌথ টহল বৃদ্ধি ছাড়াও নিজ নিজ দেশের নাগরিকদের ওপর হত্যা বা হামলার ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে দুই বাহিনী একমত হয়েছে।

বিজিবি মহাপরিচালক সম্প্রতি রোহিঙ্গা বা মিয়ানমার নাগরিকসহ ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশ-ইনের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক নীতি ও প্রটোকলের পরিপন্থী। বিজিবি প্রধান জানান, কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে যাচাইকৃত হলে তাকে প্রচলিত ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে, তবে অবৈধভাবে পুশ-ইন অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। বিএসএফ মহাপরিচালক এ ক্ষেত্রে জাতীয়তা যাচাইকরণ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানান এবং দ্বিপাক্ষিক প্রটোকল মেনে চলার অঙ্গীকার করেন।

আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বিএসএফের অননুমোদিত নির্মাণকাজ নিয়ে সম্মেলনে জোরালো আপত্তি তোলে বিজিবি। মহাপরিচালক জানান, ৩৯টি ক্ষেত্রে ভারত আন্তর্জাতিক নিয়মের তোয়াক্কা না করে সীমান্ত বেড়া ও অবকাঠামো নির্মাণের চেষ্টা করেছে। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নোট ভারবালের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজ শুরুর আগে বাংলাদেশের পূর্বানুমতি গ্রহণ বাধ্যতামূলক।

সম্মেলনে সীমান্ত নিরাপত্তা, মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালান, মানবপাচার, রোহিঙ্গা সংকট, সীমান্তবর্তী নদীর পানি ব্যবহার ও তীর সংরক্ষণ এবং বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পারস্পরিক আস্থা ও সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক বজায় রেখে এসব সমস্যা সমাধানে উভয় বাহিনী নিরলস কাজ করার অঙ্গীকার করেছে।

জিততে না পারলেও ইতিহাস গড়ল কানাডা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:৫০ পূর্বাহ্ণ
জিততে না পারলেও ইতিহাস গড়ল কানাডা

টরেন্টোতে হাজার হাজার স্বাগতিক দর্শকের উপস্থিতি আর বাঁধভাঙা উল্লাস। ফুটবল বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম নিজেদের মাটিতে বিশ্বমঞ্চের কোনো ম্যাচ খেলতে নেমেছিল কানাডা। লক্ষ্য ছিল একটাই- ঐতিহাসিক এই ক্ষণটিকে জয় দিয়ে স্মরণীয় করে রাখা। বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত জয় অবশ্য অধরাই রয়ে গেছে জেসি মার্শের শিষ্যদের।

তবে ১-১ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়লেও এই একটি মাত্র ম্যাচ দিয়েই নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সফলতা ছুঁয়ে ফেলল কানাডিয়ানরা।

২০২৬ বিশ্বকাপের আগে বিশ্বমঞ্চে কানাডার ফুটবল ইতিহাস ছিল চরম হতাশা আর ব্যর্থতায় মোড়ানো। ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে এসে কোনো গোল না করেই ৩ ম্যাচের সবকটিতে হেরে শূন্য হাতে বিদায় নিয়েছিল তারা।

এরপর দীর্ঘ ৩৬ বছরের অপেক্ষা শেষে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে ফিরলেও ভাগ্য বদলায়নি। সেবার আলফোনসো ডেভিসের পা ধরে ইতিহাসের প্রথম গোল আসলেও বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া ও মরক্কোর কাছে হেরে তিন ম্যাচের তিনটিতেই হারে কানাডা। অর্থাৎ, ২০২৬ সালের আগে বিশ্বকাপে কানাডার অতীত খতিয়ান ছিল- ৬ ম্যাচ খেলে ৬টিতেই হার।

সেই দুঃস্বপ্নের ইতিহাস পেছনে ফেলে নিজেদের মাটিতে যখন কানাডা মাঠে নামল, তখন তাদের সামনে ছিল ইতিহাস বদলানোর চ্যালেঞ্জ। ম্যাচের ২১তম মিনিটে বসনিয়ার ফরোয়ার্ড জোভো লুকিচের হেডে যখন প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে কানাডা, তখন গ্যালারিতে আবারও হারের পুরনো ভূত তাড়া করছিল স্বাগতিকদের।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই দেখা গেল এক বদলে যাওয়া কানাডাকে। ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে পুরো টরন্টো স্টেডিয়ামকে উল্লাসে ভাসিয়ে দারুণ এক কোনাকুনি শটে গোল শোধ করেন ফরোয়ার্ড কাইল লারিন। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্রয়ে ম্যাচ শেষ হলে বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো পয়েন্ট অর্জনের ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করে কানাডা।

বিশ্বকাপের মঞ্চে এর আগে খেলা ৬টি ম্যাচের সবকটিতে হারা একটি দলের জন্য, নিজেদের মাটিতে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েও লড়াকু ড্রয়ে টুর্নামেন্টের প্রথম পয়েন্ট তুলে নেওয়া ট্রফি জয়ের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। আর ঠিক এই কারণেই, জয় না পেলেও নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ও স্মরণীয় রাতটি উদযাপন করল কানাডা।

মৌলভীবাজার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
মৌলভীবাজার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে মুজিবুর রহমান নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম সীমান্তের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

শরীফপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিপা রানী দাস বলেন, খবর নিয়ে জানতে পেরেছি- নিশ্চিন্তপুর এলাকায় মনু নদীতে নামার পর মুজিবুর ভারতীয় সীমানায় চলে গেলে বিএসএফ তাকে গুলি করে। রাত ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার মরদেহ ঘটনাস্থলেই পড়ে ছিল।

এদিকে শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, সীমান্ত এলাকায় গুলির ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।