খুঁজুন
, ,

গুরুতর আক্রান্তদের ক্ষেত্রে ফাইজারের কোভিড পিল ৮৯ শতাংশ কার্যকর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 6 November, 2021, 11:39 am
গুরুতর আক্রান্তদের ক্ষেত্রে ফাইজারের কোভিড পিল ৮৯ শতাংশ কার্যকর

কোভিড চিকিৎসার জন্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ফাইজারের তৈরি পিল বা বড়ি করোনায় আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অবস্থায় চলে যাওয়া বয়স্কদের মৃত্যু এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এড়াতে ৮৯ শতাংশ কার্যকরী বলে প্রমাণ মিলেছে। ‘প্যাক্সলোভিড’ নামের ক্ষুদ্রাকৃতির পিলটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে এমন কার্যকারিতা দেখিয়েছে। সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।

ফাইজার গতকাল শুক্রবার তাদের কোভিড পিলের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্য জানিয়েছে। প্রতিদিন দুই বারে তিনটি করে পিল টানা পাঁচদিন খাওয়ানো হয়েছে ট্রায়ালে। ভালো ফলাফল আসায় ট্রায়াল শেষ না করেই, তা স্থগিত রেখেছে বলে জানিয়েছে ফাইজার।

যা তথ্য পাওয়া গেছে, সেগুলো মার্কিন নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোতে জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন ফাইজারের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যালবার্ট বৌরলা। তিনি বলেছেন, ‘পিলটি রোগীদের জীবন বাঁচাতে, কোভিড-১৯ সংক্রমণের তীব্রতা কমাতে এবং ১০ জনের মধ্যে নয় জনের হাসপাতালে ভর্তি ঠেকিয়ে দিতে সহায়তা করতে সক্ষম।’

উপসর্গ দেখা দেওয়ার পরই রোগীকে ফাইজারের ‘প্যাক্সলোভিড’ খাওয়ানোর কথা বলা হয়েছে।

ভাইরাসের বৃদ্ধির জন্য যে এনজাইম দরকার পড়ে, তা আটকে দেয় ফাইজারের পিল। এ কারণে একে প্রোটিজ ইনহিবিটর বলা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অপর ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি মার্ক সার্প অ্যান্ড ডোমের (এমএসডি) একই ধরনের ট্যাবলেটের অনুমোদন দেওয়ার পরদিনই ফাইজার তাদের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্য জানাল।

যুক্তরাজ্য ফাইজারের অনুমোদন না পাওয়া এই প্যাক্সলোভিডের আড়াই লাখ কোর্স এবং এমএসডি’র তৈরি মলনুপিরাভির ট্যাবলেটের চার লাখ ৮০ হাজার কোর্সের ক্রয়াদেশ দিয়েছে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও জানিয়েছেন, তাঁর দেশ এরই মধ্যে লাখ লাখ কোভিড ট্যাবলেট মজুদ করেছে।

ট্রায়ালের ফলাফল

উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এক হাজার ২১৯ জন কোভিড রোগীকে ‘প্যাক্সলোভিড’ দেওয়া হয়। এর মধ্যে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ রোগীকে হাসপাতালে নিতে হয়েছে। অন্যদিকে, একই অবস্থায় থাকা যেসব কোভিড রোগীদের ডামি পিল খাওয়ানো হয়েছিল, তাঁদের সাত শতাংশকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।

ট্রায়ালে কোভিড উপসর্গ দেখা দেওয়ার তিন দিনের মধ্যেই রোগীদের পিল খাওয়ানো শুরু করা হয়েছে।

ডামি পিল খাওয়ানো রোগীদের সাত জন করোনায় মারা গেছেন। কিন্তু, আসল পিল খাওয়ানো রোগীদের কেউ মারা যাননি।

এ ছাড়া উপসর্গ দেখা দেওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে প্যাক্সলোভিডের মাধ্যমে চিকিৎসা শুরু করা রোগীদের এক শতাংশকে হাসপাতালে নিতে হয়েছে। তবে, তাঁদের মধ্যে কেউ মারা যাননি। আর ডামি পিল খাওয়ানোদের ৬ দশমিক ৭ শতাংশকে হাসপাতালে নিতে হয়েছে এবং তাঁদের মধ্যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তবে, ফাইজার কম ঝুঁকিপূর্ণ কোভিড রোগীদের বেলায় তাদের ট্যাবলেটের কার্যকারিতা নিয়েও গবেষণা করছে।

যুক্তরাজ্যের লিডস ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মেডিসিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. স্টিফেন গ্রিফিন বলেন, ‘অ্যান্টিভাইরালের এসব সাফল্য সার্স-কোভ২-এর আক্রমণ প্রতিরোধে নতুন যুগের সূচনা করবে। গুরুতর অবস্থা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কোভিড রোগীদের জন্য এটি ব্যাপক উপকারী উপাদান হিসেবে বিবেচিত হবে।’

এন-কে

Feb2
Feb2

ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ চট্টগ্রামের গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা, জিম্মি সহকর্মীরাও

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 1:37 pm
ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ চট্টগ্রামের গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা, জিম্মি সহকর্মীরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে কর্মরত ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যাপক চাঁদাবাজি ও সহকর্মীদের জিম্মি করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

উত্তর বন বিভাগের লাইন নিয়ন্ত্রক ও ফৌজদারহাট বন বিটের ক্যাশিয়ার হিসেবে সর্বত্র তার পরিচিতি রয়েছে। চট্টগ্রামে তার বাড়ি হওয়ায় ভিন্ন জেলার সহকর্মী ও উর্ধ্বতনদের পাত্তাই দেয় না গিয়াস উদ্দিন।

‎অনুসন্ধানে জানা যায়, গিয়াস উদ্দিনের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়। বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ফৌজদারহাট বিট অফিসে। তার পদবী (এফ,জি) ফরেস্ট গার্ড হলেও চলনে,বলনে তিনি যেন মস্ত বড় অফিসার। উত্তর বন বিভাগের লাইন নিয়ন্ত্রক হিসেবে আয়ও করেন ভালো। নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রাম বন বিভাগে কর্মরত অনেকেই বলেন, তার দৈনিক আয় ৪০/৫০ হাজার টাকার অধিক।

বিভিন্ন গাছ ও ফার্নিচারের গাড়ি থেকে দৈনিক লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করেন বলে নিশ্চিত করেন তার সহকর্মীরাই।

সুত্র জানায়, কিছু অসাধু উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও গিয়াস উদ্দিনের চাঁদার ভাগ পায়। দৈনিক লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করলেও সেই টাকার ৫০/৬০ ভাগ চলে যায় উর্ধ্বতনদের ম্যানেজ করতে।

অপর এক সুত্র জানায়, গত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গিয়াস উদ্দিন আওয়ামী ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে একটানা ৯ বছর চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে কর্মরত থাকেন। ৫ আগস্টের পরেও রহস্য জনক কারণে গিয়াস উদ্দিন রয়েছেন একই রেঞ্জে বহাল তবিয়তে। একটানা ১০/১১ বছর একই রেঞ্জে কর্মরত থাকার নজির বন বিভাগে না থাকলেও গিয়াস উদ্দিন এই নজির স্থাপন করেছেন বলে দাবি করেন অনেকে।

‎দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে বদলি হওয়ার বিধান থাকলেও গিয়াস উদ্দিনের টাকার কাছে তা অকার্যকর।

‎চট্টগ্রামের বলিরহাট, বহদ্দারহাট, ফিরিঙ্গী বাজার, বাদুরতলা,শোলক বহর সহ বিভিন্ন এলাকার ১০/১২ জন গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা যায়, গাছের বা ফার্নিচারের প্রতি গাড়ি হতে ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন ফরেস্টর গিয়াস উদ্দিন। এছাড়া মাসোহারাও দিতে হয় প্রতি মাসে।

গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠের শুরে বলেন, ‎বন বিভাগের যন্ত্রনায় ব্যবসা করা কঠিন হয়ে উঠেছে। এছাড়া বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়া, বাঁশখালী, ফটিকছড়ি সহ অন্যান্য এলাকা থেকেও যে সব গাছ ও ফার্নিচারের গাড়ি আসে তাদের থেকেও নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায় করেন গিয়াস উদ্দিন।

দৈনিক ২০টির অধিক গাড়ি থেকে ফৌজদারহাট বিটে চাঁদাবাজি হয় বলে নিশ্চিত করেন অনেকে।

এদিকে নগরীর বৃহত্তর ফার্নিচার হাট খ্যাত বলিররহাট ও ফিরিঙ্গীবাজারের একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, বন বিভাগের একচ্ছত্র আধিপত্য গিয়াস উদ্দিনের। তার চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারলে ব্যবসা করা কঠিন। চট্টগ্রামের যে কোন গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা একই কথা বলবে এমন দাবি করে বলেন, বান্দরবান, সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়া, রাঙামাটি খাগড়াছড়ির ব্যবসায়ীরাও গিয়াস উদ্দিনের হাতে জিম্মি।

‎এই বিষয়ে গিয়াস উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন তিনি সব দায় এস ও আশরাফ এর বলেই ফোনের লাইন কেটে দেন।এর পর তাকে বারবার ফোন করলে ও তিন আর ফোন রিসিভ করেন নি,পরে থাকে তার ওয়াটসআপ নাম্বারে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়ে ও তার পুরোপুরি বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এইবিষয়ে ফৌজদারহাট বিটের স্টেশন অফিসার আশরাফ এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন মাত্র দেড় মাস আগে আমি এই স্টেশনে যোগদান করেছি, গিয়াস উদ্দিন এর ব্যাপারে অভিযোগ পাইলে উর্ধতন কর্মকর্তাগন অফিসিয়ালি ব্যাবস্হা নিবেন।

‎দ্বিতীয় পর্ব আসছে…

কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 12:03 pm
কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর নেভাল একাডেমি সংলগ্ন এলাকায় পাথরবোঝাই একটি লাইটার জাহাজ আংশিক ডুবে গেছে। তবে এ ঘটনায় জাহাজে থাকা ১২ নাবিকের সবাইকে জীবত অবস্থায় উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নেভাল একাডেমির বিপরীতে ট্রেনিং ওয়ালের পাশে ‘এমভি বে হারবার-২’ নামের লাইটার জাহাজটি এই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

কোস্টগার্ডের জনসংযোগ শাখা থেকে জানা গেছে, জাহাজডুবির খবর পাওয়া মাত্রই কোস্টগার্ডের একটি দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আটজন এবং পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে আরও চারজনসহ মোট ১২ নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 11:05 am
আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ঋণ খেলাপি হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন। এর আগে ১৫ জুন শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেছিলেন।

আদালতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

আসলাম চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

ঋণ খেলাপির অভিযোগ থাকা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিন গত ১৮ জানুয়ারি বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংকের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করে দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরে আপিল বিভাগে আবেদন করে।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী লিভ টু আপিল করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

ফলে আসলাম চৌধুরী নির্বাচন করার সুযোগ পান। কিন্তু আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত থাকবে এবং ফলাফল প্রকাশ হবে না বলে আদেশ দেওয়া হয়।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি।