খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করদাতাদের মাইন্ড সেট ইতিবাচক হলে দেশের আয় বাড়বে-মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
করদাতাদের মাইন্ড সেট ইতিবাচক হলে দেশের আয় বাড়বে-মেয়র

২৪ ঘন্টা চট্টগ্রাম ডেস্ক : ‘সবাই মিলে দেব কর,দেশ হবে স্বনির্ভর’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলা শুরু হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে জিইসি কনভেশন হলে মেলার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন। এই মেলা ২০ নভেম্বর-২০১৯ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চলবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন তা অর্জনের পাথে এগিয়ে যাচ্ছি। তাঁরই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদশী ও বিচক্ষণ নেতৃত্বের কারণে তা আজ সম্ভব হচ্ছে। আজ আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতুসহ দেশের অনেক বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি। প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে এখন বাঙালী জাতি ঋণ নেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে।

সিটি মেয়র আরো বলেন,একসময় বাংলাদেশকে দরিদ্র, হতদরিদ্র, তলাবিহীন ঝুড়ির দেশ বলা হতো। বিশ্ববাসী এখন বলছে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। অর্থনৈতিক বিস্ময়ের দেশ। বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে আমরা আত্মনির্ভরশীল জাতিতে পরিণত হয়েছি। উন্নয়নের এ ধারাকে অব্যাহত রাখতে হলে আমাদের প্রত্যেককে নাগরিক দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসতে হবে। তাই সময়মত এবং সঠিকভাবে কর দিতে হবে।

কর নিয়ে জনমনে যে বিভ্রান্তি তা দূর করতে মেলার আয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন করদাতার মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে হবে। আইন মানার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। কর দিয়ে কেউ গরিব হয় না। কর দিলে ব্যক্তি সম্মাণিত হয় । ব্যবসা বাণিজ্য সমৃদ্ধ হয়। আয়কর মেলার ফলে মানুষের মধ্যে কর নিয়ে এক ধরনের ইতিবাচক উপলব্ধি তৈরি হবে। করভীতি থেকে বেরিয়ে এসে মানুষ কর দেওয়ায় উদ্বুদ্ধ হবে বলে মেয়র আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মেয়র আরো বলেন,আমরা স্বাধীন সার্বভ্যেম দেশের নাগরিক। আমাদের জম্ম এদেশে। এ দেশ আমাদের। আমাদের প্রত্যাশা আকাশচুম্বি। প্রতিটি মানুষের মধ্যে স্বপ্ন আকাঙ্ক্ষা অনেক। যা বাস্তবায়ন নির্ভর করে পরিকল্পনা, সদিচ্ছা, আন্তরিকতার ওপর। দেশপ্রেম”র কথা উল্লেখ করে সিটি মেয়র বলেন স্বাধীন স্বভৌম একটি দেশে একাধিক দল থাকবে। এ দেশের মাটি ও মানুষের প্রতি দেশপ্রেম থাকতে হবে। বিরোধিতার কারণে বিরোধিতার মানসিকতা দূর করতে হবে।

এটি উন্নয়নে প্রধান বাধা বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-২ এর কর কমিশনার জি এম আবদুল কায়কোবাদ। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা কাস্টম পলিসি ও আইসটির সদস্য সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, চট্টগ্রাম আইনজীবি সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মো. জামাল উদ্দিন। এতে আরো বক্তব্য রাখেন কাষ্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট চট্টগ্রাম এর কমিশনার মো. এনামুল হক, কর আপিল ও ট্রাইবুনাল চট্টগ্রাম এর সদস্য ছৈয়দ মো. আবু দাউদ, কর কমিশনার ও সদস্য সচিব মাহফুজ উল্লাহ, কর অঞ্চল-১ এর কমিশনার, ইকবাল হোসেন, কর কমিশনার মাহবুবুর রহমান, মেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক মফিজ উল্লাহ, মাহমুদুর রহমান, মো. এনামুল হক। এছাড়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যারিষ্ট্রার মোদাচ্ছির বিল্লাহ ফারুকরী।

পরে মেয়র বেলুন উড়িয়ে আয়কর মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। মেলায় নতুন করদাতারা ই-টিআইএন রেজিস্ট্রেশন, রিটার্ন দাখিল, ই-পেমেন্টসহ সব ধরনের সেবা একই ছাদের নিচে পাবেন। মেলায় রয়েছে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, জীবন বিমা, সঞ্চয় অধিদফতরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৪৬টি বুথ। মেলায় দুই পালায় ৬৫০ জন কর কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…