খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বোয়ালখালীতে অচল গভীর নলকূপ!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২১, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
বোয়ালখালীতে অচল গভীর নলকূপ!

শুকনো মৌসুমে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে পৌরসভাসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ভূ-গর্ভের পানির স্তর নেমে গেলে অকেজো হয়ে পড়ে টিউবওয়েল। দেখা দেয় পানীয় জলের সংকট। পানির জন্য চলেছে হাহাকার। বৃষ্টির অপেক্ষায় দীর্ঘদিন অপেক্ষায় থাকতে হয় এলাকাবাসীকে।

এরই মধ্যে উপজেলা পোপাদিয়া ইউনিয়নের আকুবদন্ডী এলাকার মইন উদ্দীন দিঘির পশ্চিম পাড় সড়কের পাশে জমিতে সরকারিভাবে বসানো হয়েছে একটি গভীর নলকূপ। যদিও এ নলকূপের পানি কেউই ব্যবহার করেন না। পরিত্যক্ত পড়ে আছে সরকারি অর্থায়নের এ গভীর নলকূপ। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, নলকূপটি ২০২০ সালে প্রথম দিকে বসানো হয়েছে। তবে এতে পানি পাওয়া যায় না।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি এসব গভীর নলকূপ ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গায় ও আবদ্ধ ঘরে বসানোর ফলে এর সুফল এলাকাবাসী পায় না। অনেকেই প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সরকারি এ সুবিধা নিজেদের মধ্যে নিয়ে নিচ্ছেন।

প্রকৃতভাবে পানির সংকটে পড়া এলাকায় ও গভীর নলকূপ বসানো সামর্থ্য যাদের নেই তারা এ সুবিধা পাচ্ছেন না।

এ ব্যাপারে উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুদস্সী দেওয়ান বলেন, পোপাদিয়া আকুবদন্ডীর গভীর নলকূপটি প্রায় ৫৩ হাজার টাকা ব্যয়ে বসানো হয়েছিলো। কিন্তু নলকূপটি সচল নেই কেন তা খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। শুকনো মৌসুমে পানীয় জলের সংকট নিরসনে সরকার গভীর নলকূপ বসানোসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছেন জানিয়ে তিনি বলেন, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, গভীর নলকূপ বিতরণের ক্ষেত্রে স্থানীয় সাংসদ মহোদয় ও ইউপি চেয়ারম্যানগণের দেওয়া তালিকা অনুসারে বরাদ্দ করা হয়। ফলে কারা পাচ্ছেন কারা পাচ্ছেন না তা জনপ্রতিনিধিদের ওপর।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ভূ-গর্ভের পানির স্তর নেমে যাওয়ার কারণে এ সংকট দেখা দেয়। অকেজো হয়ে পড়ে টিউবওয়েল। শুকনো মৌসুমে পানীয় জলের সংকট দূর করতে সরকারিভাবে দেওয়া হচ্ছে গভীর নলকূপ। চলতি বছরে বোয়ালখালীতে বসানো হচ্ছে ২৩৪টি গভীর নলকূপ। সরকারিভাবে প্রতি বছর ইউনিয়ন প্রতি ২৬টি করে গভীর নলকূপ বসানো বরাদ্দ আসে।

এন-কে

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…