খুঁজুন
, ,

মিয়ানমারে পাঁচ মাসে ২০০ সেনা নিহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 December, 2021, 11:48 am
মিয়ানমারে পাঁচ মাসে ২০০ সেনা নিহত

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধীদের সঙ্গে লড়াইয়ে জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত (পাঁচ মাসে) প্রায় ২০০ সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী কোকাং। গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে গোষ্ঠীটি।

এদিকে দুর্নীতি মামলার রায় পেছানোর পর দেশটির ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে নতুন করে আরও কয়েকটি দুর্নীতির অভিযোগ এনেছে জান্তা সরকার।

চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের সশস্ত্রগোষ্ঠী। এরমধ্যে বেশকিছু শহরে মিয়ানমার সেনাদের হটিয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ারও দাবি করেছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর দলগুলো। সবশেষ দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় শান প্রদেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক এলায়েন্স আর্মি এমএনডিএ’র দাবি, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত আড়াইশ’র বেশি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে তারা।
রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে গেল চার মাসে সেনাবাহিনীর প্রায় ২০০ সদস্য নিহত হয়েছেন বলেও দাবি গোষ্ঠীটির।

কোকাং গ্রুপ নামে পরিচিত এমএনডিএ আরও জানায়, যুদ্ধে প্রায় ৭০০ সেনা আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, সংঘাতে নিজেদের ১০ বিদ্রোহী নিহত ও অর্ধশত আহত হয়েছেন বলেও জানান দলটির মুখপাত্র। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত সশস্ত্র আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এমএনডিএ।

এদিকে ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার রায় পিছিয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির একটি আদালত তার বিরুদ্ধে করা মামলার রায়ের দিন আগামী ৬ ডিসেম্বর ধার্য করেন। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে প্রথমটিতে সর্বোচ্চ দুই বছর ও পরেরটিতে সু চির সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

একইদিন সামরিক সরকারের হাতে কারাগারে বন্দি সু চির বিরুদ্ধে নতুন করে দুর্নীতির মামলা করেছে জান্তা সরকার। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলে বলা হয়, সু চির পাশাপাশি ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। হেলিকপ্টার ক্রয় ও ভাড়া সংক্রান্ত মামলাগুলো দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যে পড়বে বলে জানানো হয়। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে তাদের।

গত পহেলা ফেব্রুয়ারি মিয়ানমার সেনাবাহিনী ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত জান্তাবিরোধীদের সঙ্গে সংঘর্ষে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। কারাবন্দি রয়েছেন কয়েক হাজার।

এন-কে

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।