খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বার আউলিয়া থেকে ডিবি পরিচয়ে অপহরনের ৩৮ঘন্টা পর ইয়াছিনকে ছেড়ে দিয়েছে দুর্বত্তরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
বার আউলিয়া থেকে ডিবি পরিচয়ে অপহরনের ৩৮ঘন্টা পর ইয়াছিনকে ছেড়ে দিয়েছে দুর্বত্তরা

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বার আউলিয়া থেকে ডিবি পুলিশের পরিচয়ে অপহরণ হওয়া সংবাদপত্র এজেন্ট এস.এম ইয়াছিনকে ৩৮ ঘন্টা পর সোমবার রাত ৯ টার সময় কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার মাধাইয়া বাজার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বিষয়টি মোবাইল ফোনে নিশ্চিত করেছেন ইয়াছিন।

রবিবার সকাল ৭ ঘটিকায় উপজেলার বার আউলিয়া এলাকার তার সংবাদপত্র সরবরাহের অফিস থেকে তাাে সাদা পোশাকে তুলে নিয়ে যায়।

চান্দিনা থানা হেফাজতে থাকা ইয়াছিন পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, বার আউলিয়া থেকে ডিবি পরিচয়ে মাইক্রোতে তোলার পর কাপড় দিয়ে আমার চোখ বেঁধে ফেলে তারা। এরপর তারা কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার মাধাইয়া বাজার থেকে আনুমানিক ২০ মিনিটের পথ একটি গ্রামে নিয়ে গিয়ে সেখানে একটি ঘরে আটকিয়ে রাখে। তারা আমার কাছে কতটাকা আছে জানতে চাইলে আমি কোন টাকা নেই বলে জানাই। তারা আমাকে রাতে ভাত খেতে দেয়। তবে শারীরিক কোন ধরণের নির্যাতন করেনি। সারাদিন ঔই ঘরে থাকার পর সোমবার রাত ৭টার সময় আমাকে তারা একটি কারে তুলে মাধাইয়া বাজারে নামার আগে আবারো জানতে চান কত টাকা আছে বাড়িতে। বলেছে ২০ হাজার টাকা বিকাশে আনতে। আমি অত টাকা নেই বলার পর বলেছে ৬ হাজার টাকা আনতে। এরপর আমি বার আউলিয়ায় ফোন করে বিকাশে ৬ হাজার টাকা আনি সেখান থেকে এক হাজার টাকা আমাকে দিয়ে তারা আমাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেয়।

এদিকে ইয়াছিনের সাথে ফোনে তার ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান কথা বলার পর তিনি বিষয়টি সীতাকুণ্ড থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ চান্দিনা থানাকে অবহিত করলে রাত ৯টার সময় ইয়াছিনকে থানা হেফাজতে রাখা হয়। সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ রাত ১০ টার দিকে ইয়াছিনকে আনতে কুমিল্লায় রওয়ানা দেন।

এন-কে

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…