খুঁজুন
, ,

উর‌কিরচর ইউ‌নিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে বস্ত্র ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 18 December, 2021, 12:22 am
উর‌কিরচর ইউ‌নিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে বস্ত্র ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : রাউজানের উর‌কিরচর ইউ‌নিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে বস্ত্র ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, আলোচনা সভা সংগঠ‌নের ভারপ্রাপ্ত সভাপ‌তি, সা‌বেক চেয়ারম‌্যান এস এম আবদুল মজিদের সভাপতিত্বে ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক উৎপল মহাজন অরুণের সঞ্চালনায় মৈশকরম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রাউজান উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল আবছার মিয়া প্রধান আলোচক ছিলেন উরকিরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শফিউল আলম।বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপ‌তি হাজী রফিকুল ইসলাম, মো: আলী আকবর, সে‌লিম উ‌দ্দিন চৌধুরী মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুব,স‌রওয়ার উল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ইমন, উপ‌জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছা‌সেবক লী‌গের আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর আলম সুমন, আইন বিষয়ক সম্পাদক তাপস বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এস এম আকতার হোসেন, সি‌নিয়র সদস‌্য আবদুল মান্নান খাঁন, মহিলা সম্পাদিকা ফাতেমা খাতুন, উপ- প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, চৌধুরী,কার্যনির্বাহী সদস্য রূপায়ণ বড়ুয়া কাজল, মহিউদ্দিন চৌধুরী, ইউ‌পি সদস্য আলহাজ্ব র‌ফিকুল ইসলাম, তাপস কুমার বড়ুয়া, মো: জানে আলম সওদাগর, ‌মো: সে‌লিম উ‌দ্দিন, মো; কাউছার আলম, মোঃ আবছার, জয়া রানী বড়ুয়া, নব নির্বাচিত ইউপি সদস্য শেখ ম‌নিরুল ইসলাম, আরমান হো‌সেন, সাজ্জাদ শাহ, ইউপি সদস্যা শাহীনুর আকতার, ওয়ার্ড আওয়ামী লী‌গের সভাপ‌তি ও সম্পাদকের মধ্যে জ‌সিম উ‌দ্দিন শাহ, র‌ফিকুল আলম কন্ট্রাক্টর, শেখ আখতারুজ্জামান পারভেজ, আলহাজ্ব ওসমান গনী, সত্যজিৎ চৌধুরী, মোঃ নছিম, প্রধান শিক্ষক আবদুল হক, যুবলীগ নেতা শেখ জ‌হির উ‌দ্দিন, মো: আ‌মিনুল ইসলাম জ‌নি, আবদুল হামিদ, উর‌কিরচর ইউ‌নিয়ন যুবলী‌গের যুগ্ম সম্পাদক মো বোরহান উ‌দ্দিন চৌধুরী, দক্ষিন রাউজান থানা ছাত্রলী‌গের ভারপ্রাপ্ত সভাপ‌তি মো: জা‌হেদ হো‌সেন, যুব‌নেতা মো: শহীদুল আলম, , মুরাদ উদ্দীন চৌধুরী, ছাত্র‌নেতা নাজমুল রায়হান, মোঃ মামুন, মোঃ শফি, মোঃ শাহেদ, মোঃ জনি, মোঃ সরোয়ার, মোঃ সৌরভ, মোর‌শেদ, মো: মুছা, রাসু নাথ সহ উর‌কিরচর ইউ‌নিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলী‌গের কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ।

প্রধান অতিথি আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ বলেন,
মুক্তিযুদ্ধ বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করতে গিয়ে আমাদের মনে পড়ছে ১৯৭১ সালের লাখ লাখ মানুষের আত্মাহুতি, স্বাধীনতার বেদিমূলে তারা তাদের বর্তমান উৎসর্গ করেছিলেন আমাদের ভবিষ্যৎ রচনার জন্য। ত্রিশ লাখ শহীদ আর কয়েক লাখ মা-বোন তাদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন এই স্বাধীনতার জন্য।

বিশেষ অতিথি আলহাজ্ব নুরুল আবছার মিয়া বলেন, বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্যবীর্য এবং বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় গৌরবময় দিন। বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার দিন। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন-মুক্ত ভূখণ্ডের নাম জানান দেওয়ার দিন।

প্রধান আলোচক উরকিরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৪৮ সাল থেকে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ছেষট্টির ছয় দফা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পথ ধরে আসে একাত্তর। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে দাঁড়িয়ে জাতির পিতার সেই উদ্দাত্ত কণ্ঠের আহ্বান— ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’— জাতিকে দেখায় স্বাধীনতার পথ। ২৫ মার্চের সেই ভয়াল রাতে গণহত্যা শুরু হলে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণায় বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম নেয় নতুন এক দেশ। ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন এবং ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহিদ ও দুই লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আসে কাঙ্ক্ষিত বিজয়। দিনটি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। মিত্র বাহিনীর কাছে পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। সেই বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তির দিন আজ।

তিনি বলেন, ৫০ বছরের রাজনীতির ইতিহাসে অন্ধকারের যুগ পেরিয়ে বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন-সমৃদ্ধির মহাসোপানে। বিশ্ব দরবারে এক বিস্ময়। টানা মেয়াদে সরকার পরিচালনায় মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা টানা তিন মেয়াদে সরকার পরিচালনা করছেন। দেশ এগিয়ে চলেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের পথে। স্বাধীনতার পর যে দেশটিকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলে কটাক্ষ করা হয়েছিল, সেই বাংলাদেশ আজ গোটা বিশ্বের সামনে এক বিস্ময়ের নাম। যে দলটির নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্থান পায় বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন দেশ হিসেবে, সেই দলটির হাত ধরেই গত এক যুগে বিস্ময়কর গতিতে ঘুরে দাঁড়ানো, উন্নয়নের রোলমডেল হিসেবে বিশ্ব স্বীকৃতি আদায়কারী দেশটির নাম এখন বাংলাদেশ।

তিনি জননেতা এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী শিক্ষা, স্বাস্থ্য,অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে সাজানো বাগান রক্ষা এবং তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহবান জানান।

সভা শেষে অসহায় মানুষের মাঝে শাড়ি,লুঙ্গি এবং ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এন-কে

Feb2
Feb2

স্বৈরাচার এবং গুপ্ত আবার একসঙ্গে হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 1 October, 2026, 8:16 pm
স্বৈরাচার এবং গুপ্ত আবার একসঙ্গে হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, স্বৈরাচার এবং গুপ্ত আবার একসঙ্গে হয়েছে। তিনি বলেন, স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার কয়েকদিন পরেই আমরা দেখলাম, এই গুপ্ত বাহিনীর লোকজন বলল, তারা যদি আসে, থাকে, কাজ করে আমাদের কোনো আপত্তি নাই। আপত্তি থাকবে কেমন করে, বরাবরই তো এরা একসঙ্গে ছিল। ৯১-তেও তারা একসঙ্গে ছিল, ৮৬ সালেও একসঙ্গে ছিল, গত নির্বাচনের সময়ও তারা একসঙ্গেই ছিল। তলে তলে কাজ করেছিল। এজন্যই তো তাদের গুপ্ত বলা হয়।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্যাতিত হয়েছে। বিএনপির নেতা-কর্মীরা জেল-জুলুম, হত্যা, গায়েবি মামলার শিকার হয়েছে। শুনেছেন তাদের কেউ এসবের শিকার হয়েছিল? আপনারাও তো মাঠে নেমে এসেছিলেন, হরতাল, মিছিল-মিটিং করেছিলেন, তাদের কাউকে দেখেছিলেন? তারা রাজপথে কেউ ছিল না।

তারেক রহমান বলেন, আমরা কিছুদিন যাবত খেয়াল করে দেখছি, এই দেশের কিছু সংখ্যক মানুষ একটি অরাজকতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। করছে না? খেয়াল করেছেন আপনারা? কি বলে-এক দফা এক দফা। আপনারাই কিন্তু বললেন, আমরা যে কর্মসূচিগুলো গ্রহণ করেছি, বর্তমান সরকার যে কর্মসূচিগুলো গ্রহণ করেছে, এ কর্মসূচিগুলো গ্রহণ করলে কার উপকার হবে? মানুষের উপকার হবে। সাধারণ মানুষের, খেটে খাওয়া মানুষের উপকার হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আরেকটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করি, যারা এক দফা এক দফা বলছে অথবা যারা এদেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে মানুষ আন্দোলন করেছিল, যারা মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, যারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল-এদের কি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি আছে? এদের কি খালকাটা কর্মসূচি আছে? এদের কি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আছে? এদের কি কৃষক কার্ড আছে? এদের দলের কর্মসূচির মধ্যে কি ইমাম-মুয়াজ্জিন সাহেবদের জন্য সম্মানির ব্যবস্থা আছে? এদের কি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০-এর বদলে ১৫০ বেডে করার কর্মসূচি আছে? তাহলে তারা কিসের রাজনীতি করে? মানুষের কর্মসূচি কই?

সরকার প্রধান আরও বলেন, দেশের মানুষ এখন চায় ভাগ্যের পরিবর্তন। কেউ কি খারাপ অবস্থায় সবসময় থাকতে চায়? মানুষ তার অবস্থার পরিবর্তন করতে চায়। আমরা মনে করি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে যদি মা-বোনদের জন্য সহযোগিতা পৌঁছে দিতে পারি, ইমাম সাহেব মুয়াজ্জিন সাহেবসহ অন্যান্য ধর্মীয় ব্যক্তিদের মিনিমাম একটি সহযোগিতা পৌঁছে দিতে পারি, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে যদি কৃষক ভাইদের কাছে সহযোগিতা পৌঁছে দিতে পারি তাহলে ধীরে ধীরে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। অর্থনৈতিকভাবে এই মানুষগুলো আস্তে আস্তে স্বচ্ছল হয়ে উঠবে। বাংলাদেশের মানুষ যখন স্বচ্ছল হয়ে উঠবে তখন বাংলাদেশও অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল হয়ে উঠবে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপির ফ্যামিলি কার্ডের বাস্তবায়ন করতে চায়, ইমাম-মুয়াজ্জিন সাহেবদের সম্মানী বাস্তবায়ন করতে চায়, বিএনপি কৃষক কার্ডের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায়, খাল খনন করতে চায়, বন্ধ মিল-কারখানা চালু করতে চায়। অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের এই কর্মসূচিগুলো দেখেছেন? যদি না দেখে থাকেন তাহলে যারা আজ দেশে অরাজকতা তৈরি চেষ্টা করছে, দেশের মধ্যে একটি বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাচ্ছে তাদের ব্যাপারে আমাদের কি সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত? মুয়াজ্জিন সাহেবরা বলেন না, তাদের ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত? তাদের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক হতে হবে। স্বাভাবিকভাবে আমাদের থেকে ধর্মের জ্ঞান আপনাদের বেশি আছে। একটু ভাই বলেন তো, নির্বাচনের আগে একটি দল বেহেশতের টিকেট বিক্রি করে বেড়াচ্ছে। বলছিল না মানুষকে, আপনারাও তো শুনেছেন। দেখছেন না, দেখেছেন। বেহেশত-দোজগের মালিক কে? একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিন। যেটার মালিক আল্লাহ সেটার কথা কি কোনো মানুষ বলতে পারে? যেটা দেওয়ার ক্ষমতা শুধুমাত্র আল্লাহ তায়ালার, সেটি যদি মানুষ বলে আমি দেব, সেটি কি শিরিকের পর্যায়ে পড়ে? যারা শিরিকি করে, আল্লাহর সঙ্গে নাফরমানি করে, তাহলে মানুষের সঙ্গে তারা কত বড় মুনাফিকি করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, যারা গুপ্ত রাজনীতি করে, স্বৈরাচারী রাজনীতি করে, যাদের কাছে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করার কোনো কর্মসূচি নেই, শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য যারা রাজনীতি করে, তাদের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। তাদের ব্যাপারে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। কারণ এরা যদি দেশ চালানোর দায়িত্ব পায়, আর যাই করুক জনগণের জন্য কোন কর্মসূচি গ্রহণ করবে না। যদি তাদের নেওয়া জনগণের জন্য কোন কর্মসূচি থাকতো, তাহলে তারা বলতে পারতো কি কর্মসূচি তারা গ্রহণ করতে পারে। আজ পর্যন্ত জনগণের উপকার হয় এরকম কোন কর্মসূচির কথা তারা তুলে ধরতে পারেনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিএনপি সরকার প্রমাণ করেছি আমরা জনগণের জন্য কাজ করি। আমাদের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে প্রমাণ করেছি বিএনপির যা বলে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে। আমরা আমাদের কর্মসূচি দিয়ে প্রমাণ করেছি বিএনপি সব সময় জনগণের জন্য কর্মসূচি গ্রহণ করে।

এর আগে সভার শুরুতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

সভা শেষে ফুলগাজীর জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন দুপুর আড়াইটার দিকে প্রধানমন্ত্রী ফেনী সফরের কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রথমে পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

দেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 1 October, 2026, 8:11 pm
দেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সরকারি ভবনের অব্যবহৃত ছাদ কাজে লাগিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলায় স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে ফুলগাজীর জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

এ সময় পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দেখা দেওয়া তথ্যমতে, সরকারি ভবনে স্থাপিত দেশের প্রথম এই সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে তিন উপজেলায় মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট বা শূন্য দশমিক ৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। নেট মিটারিং ব্যবস্থায় এসব স্থাপনায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রথমে সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব চাহিদা পূরণে ব্যবহার হবে। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফুলগাজী উপজেলায় উপজেলা পরিষদ ভবন, জেলা পরিষদ ডাকবাংলো ও ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনসহ আটটি সরকারি স্থাপনায় সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এসব স্থাপনায় মোট ২৪৯ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের প্রতিটিতে প্রায় ২৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে। উপজেলা পরিষদ ভবনে স্থাপিত সিস্টেমের সক্ষমতা প্রায় ১০৩ কিলোওয়াট।

ছাগলনাইয়া উপজেলায় উপজেলা পরিষদ ভবন, পৌরসভা ভবন, ডাকবাংলো ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ছাদসহ মোট ১২টি স্থাপনায় সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে। এসব স্থাপনায় মোট ৪১৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে।

এ ছাড়া পরশুরাম উপজেলা পরিষদ ভবন, অডিটোরিয়াম ভবন, তিনটি ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলোসহ মোট ছয়টি স্থাপনায় সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এসব স্থাপনায় উৎপাদন সক্ষমতা ২৯৮ দশমিক ৫ কিলোওয়াট।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডকে (আরইবি) দায়িত্ব দেওয়া হলেও মোট ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যায়নি। ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. নুরুল হোসাইন জানিয়েছেন, তিন উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়নে আনুমানিক ৫ থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী ফেনী সফরের কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুর আড়াইটার দিকে পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।

মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 1 October, 2026, 5:06 pm
মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের পর তার সংসদীয় আসন শূন্য হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-২ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পদত্যাগ করায় জাতীয় সংসদের ৩২৩ নম্বর আসন (মহিলা আসন-২৩) বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একই তারিখ থেকে শূন্য হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষর করেন। আসনটি শূন্য হওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়সহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোতে বিজ্ঞপ্তির অনুলিপিও পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ১৭৭ বিধি অনুযায়ী, কোনও সংসদ সদস্য পদত্যাগ করতে চাইলে স্পিকারকে উদ্দেশ করে নিজ স্বাক্ষরে লিখিতভাবে তা জানাতে হয়। পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে পৌঁছানোর পর সংবিধানের ৬৭(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদত্যাগ কার্যকর এবং সংশ্লিষ্ট আসন শূন্য হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর তাকে সংসদ সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে তিনি সংসদে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন।