খুঁজুন
, ,

ওমিক্রন ঠেকাতে যেসব ক্ষেত্রে আসছে বিধিনিষেধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 January, 2022, 3:22 pm
ওমিক্রন ঠেকাতে যেসব ক্ষেত্রে আসছে বিধিনিষেধ

করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে স্বাস্থ্যবিধি পালনের ওপর জোর দিচ্ছে সরকার। এর মধ্যে গণপরিবহনে যাত্রী সংখ্যা কমানো, টিকা নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু রাখা, হোটেল-রেস্তোরাঁয় টিকা কার্ড দেখিয়ে খাবার পরিবেশন করার মতো পদক্ষেপ আসছে।

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসব বিধিনিষেধের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

করোনার নতুন ধরন নিয়ে প্রস্তুতি বিষয়ে সোমবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব জানিয়েছেন।

বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। এতে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং স্বাস্থ্যবিভাগের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। আর ডিসি-এসপিসহ বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তারা ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওমিক্রন নিয়ে সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্তগুলো এখনই সব বলে দেওয়া যাবে না, কারণ সিদ্ধান্তগুলো মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সার্কুলেট করা হবে।

তিনি বলেন, ওমিক্রন কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, এ বিষয়ে সভায় ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনার মধ্যে প্রায় সব মন্ত্রণালয়ের সচিবরা ছিলেন। আট বিভাগের কমিশনার, ডিসি-এসপিরা ছিলেন, অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা ছিল, স্বাস্থ্যের বিভাগীয় পরিচালকরা ছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের হাসপাতালগুলো প্রস্তুত আছে, আমাদের অক্সিজেন আছে, সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন ১২০টি স্থাপন করা হয়েছে, টিকা কার্যক্রম চলমান আছে, ২০ হাজার বেড সবগুলো রেখে দিয়েছি। এখন ডাক্তাররা প্রশিক্ষিত, তারা জানে কীভাবে করোনার চিকিৎসা করতে হয়। তারা অনেক অভিজ্ঞ। দেশবাসীও এ বিষয়টি জানে।

জাহিদ মালেক বলেন, কিন্তু আশঙ্কার বিষয় হলো যে, করোনা বেড়ে যাচ্ছে। আজকে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হয়েছে। যেটা ১ এর নিচে নেমে গিয়েছিল। মৃত্যু হার যদিও এখনো কম আছে, কিন্তু সংক্রমণ বাড়তে থাকলে মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা এটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাই।

মন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন করোনা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে আবারও সেই লকডাউনের কথা চলে আসবে, আবারও স্কুল-কলেজ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা হবে। আবারও পরিবহনের চিন্তা-ভাবনা থাকবে কীভাবে পরিবহনটাকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কীভাবে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য…, সবকিছুর ওপরে একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেটা আমরা চাই না।

পুলিশ পাহারায় কোয়ারেন্টিন
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওমিক্রন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার আলোচনা হয়েছে। যেমন- আমাদের ল্যান্ড পোর্ট, এয়ার পোর্ট, সি পোর্টগুলোতে স্ক্রিনিংয়ের সংখ্যা বাড়ানো এবং আরও মজবুত করা। যেটা আমরা অলরেডি করছি, ওখানে এন্টিজেন টেস্ট করছি, পিসিআর টেস্টও করছি। কোয়ারেন্টিনে আরও বেশি তাগিদ দেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ সংক্রমিত থাকলে যথাযথভাবে কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থায় রাখা হোক। যেটা পুলিশ প্রহরায় যাতে কোয়ারেন্টিন থেকে বেরিয়ে না যায়। ঢিলেঢালা কোয়ারেন্টিন আমরা চাচ্ছি না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিমানে যারা ওঠেন, তাদের অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে উঠতে হয়। তাদের ভ্যাকসিনেশন থাকতে হয়, আরটিপিসিআর ও অ্যান্টিজেন টেস্ট করতে হয়। মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কারদের ৬-৭ ঘণ্টা আগে আসতে হয়। কাজেই এ বিষয়ে আমরা নতুন সিদ্ধান্তের কথা বলিনি। বরং জোরদার করা হয়েছে, যাতে তারা মাস্ক পরিধান করে আসা-যাওয়া করে এবং টেস্টের বিষয়টি নিশ্চিদ্র করা হয় যাতে ভুলভ্রান্তি না থাকে।

সব অনুষ্ঠান সীমিত হচ্ছে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের যত অনুষ্ঠান আছে- সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোতে যাতে সংখ্যা সীমিত করা যায়, সে বিষয়ে তাগিদ দেওয়া হয়েছে এবং নীতিগতভাবেই কিছুটা পজিটিভ আলোচনা হয়েছে যে, এটা করা হবে।

গণপরিবহনে আসন কমছে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পরিবহন সেক্টরে বলা হচ্ছে, যে সিট ক্যাপাসিটি আছে সেই ক্যাপাসিটি কমিয়ে যাতে চালানো হয়, এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। একটা সিদ্ধান্ত আশা করি আমরা পাবো।

মাস্ক না পরলে জরিমানা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো ক্ষেত্রেই দোকান-পাটে যেই যাবে, তাকে মাস্ক পরে যেতে হবে। বাসে উঠলে মাস্ক পরতে হবে, ট্রেনে উঠলে মাস্ক পরতে হবে, মসজিদে গেলে মাস্ক পরতে হবে। অর্থাৎ সব জায়গায় মাস্ক পরতেই হবে। না পরলে তাকে জরিমানা করা হবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

টিকা কার্ড ছাড়া রেস্টেুরেন্টে খাবার নয়
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তাগিদ দেওয়া হয়েছে যাতে টিকা গ্রহণ করে। টিকা যারা নিয়েছে তারা রেস্টুরেন্টে খেতে পারবে, অফিসে যেতে পারবে, বিভিন্ন কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে করতে পারবে মাস্ক পরা অবস্থায়। কিন্তু টিকা যদি না নিয়ে থাকে তারা কিন্তু রেস্টুরেন্টে গিয়ে খেতে পারবে না। কারণ দেখাতে হবে টিকার সার্টিফিকেট যে আমি টিকা নিয়েছি। তবেই সেই রেস্টুরেন্ট তাকে এন্টারটেইন করবে, যদি কেউ করে তাহলে সেই রেস্টুরেন্টকেও জরিমানা করা হবে। ১৫ দিন সময় দেওয়া হবে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটা সার্কুলার জারি করা হবে।

লকডাউনের পরিস্থিতি এখনো হয়নি
জাহিদ মালেক বলেন, লকডাউনের সুপারিশ আমরা এখনো করিনি এবং লকডাউনের পরিস্থিতি এখনো হয়নি। লকডাউনের ওই পর্যায়ে না যেতে হয় সেজন্যই তো আজকের এই প্রস্তুতি সভা। যা যা পদক্ষেপ নেবার সেগুলো নিই, তারপর দেখা যাক কী দাঁড়ায়।

তিনি আরও বলেন, আমরা এই মুহূর্তে লকডাউনের কথা ভাবছি না। এখন আমরা জোর দেব প্রতিরোধের বিষয়ে। যে সমস্ত কার্যকলা ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন ওমিক্রন বা করোনা নিয়ন্ত্রণের জন্য, সেগুলোর উপরেই জোর দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলবে, টিকায় জোর
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু থাকবে কিন্তু বলা হয়েছে টিকাটা যেন তারা গ্রহণ করে। যারা ছাত্র-ছাত্রী আছেন, তাদের টিকা নেওয়ার বিষয়টি ঢিলেঢালা ভাব আছে। আমরা চাচ্ছি এটাকে আরও জোরদার করা হোক, আমরা সহযোগিতা করব। আমাদের পক্ষে যতটুকু করা দরকার করে আসছি। আমরা আহ্বান করছি যাতে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের তাড়াতাড়ি টিকা দেওয়া হয় এবং দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

এন-কে

Feb2
Feb2

ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ চট্টগ্রামের গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা, জিম্মি সহকর্মীরাও

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 1:37 pm
ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ চট্টগ্রামের গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা, জিম্মি সহকর্মীরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে কর্মরত ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যাপক চাঁদাবাজি ও সহকর্মীদের জিম্মি করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

উত্তর বন বিভাগের লাইন নিয়ন্ত্রক ও ফৌজদারহাট বন বিটের ক্যাশিয়ার হিসেবে সর্বত্র তার পরিচিতি রয়েছে। চট্টগ্রামে তার বাড়ি হওয়ায় ভিন্ন জেলার সহকর্মী ও উর্ধ্বতনদের পাত্তাই দেয় না গিয়াস উদ্দিন।

‎অনুসন্ধানে জানা যায়, গিয়াস উদ্দিনের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়। বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ফৌজদারহাট বিট অফিসে। তার পদবী (এফ,জি) ফরেস্ট গার্ড হলেও চলনে,বলনে তিনি যেন মস্ত বড় অফিসার। উত্তর বন বিভাগের লাইন নিয়ন্ত্রক হিসেবে আয়ও করেন ভালো। নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রাম বন বিভাগে কর্মরত অনেকেই বলেন, তার দৈনিক আয় ৪০/৫০ হাজার টাকার অধিক।

বিভিন্ন গাছ ও ফার্নিচারের গাড়ি থেকে দৈনিক লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করেন বলে নিশ্চিত করেন তার সহকর্মীরাই।

সুত্র জানায়, কিছু অসাধু উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও গিয়াস উদ্দিনের চাঁদার ভাগ পায়। দৈনিক লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করলেও সেই টাকার ৫০/৬০ ভাগ চলে যায় উর্ধ্বতনদের ম্যানেজ করতে।

অপর এক সুত্র জানায়, গত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গিয়াস উদ্দিন আওয়ামী ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে একটানা ৯ বছর চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে কর্মরত থাকেন। ৫ আগস্টের পরেও রহস্য জনক কারণে গিয়াস উদ্দিন রয়েছেন একই রেঞ্জে বহাল তবিয়তে। একটানা ১০/১১ বছর একই রেঞ্জে কর্মরত থাকার নজির বন বিভাগে না থাকলেও গিয়াস উদ্দিন এই নজির স্থাপন করেছেন বলে দাবি করেন অনেকে।

‎দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে বদলি হওয়ার বিধান থাকলেও গিয়াস উদ্দিনের টাকার কাছে তা অকার্যকর।

‎চট্টগ্রামের বলিরহাট, বহদ্দারহাট, ফিরিঙ্গী বাজার, বাদুরতলা,শোলক বহর সহ বিভিন্ন এলাকার ১০/১২ জন গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা যায়, গাছের বা ফার্নিচারের প্রতি গাড়ি হতে ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন ফরেস্টর গিয়াস উদ্দিন। এছাড়া মাসোহারাও দিতে হয় প্রতি মাসে।

গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠের শুরে বলেন, ‎বন বিভাগের যন্ত্রনায় ব্যবসা করা কঠিন হয়ে উঠেছে। এছাড়া বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়া, বাঁশখালী, ফটিকছড়ি সহ অন্যান্য এলাকা থেকেও যে সব গাছ ও ফার্নিচারের গাড়ি আসে তাদের থেকেও নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায় করেন গিয়াস উদ্দিন।

দৈনিক ২০টির অধিক গাড়ি থেকে ফৌজদারহাট বিটে চাঁদাবাজি হয় বলে নিশ্চিত করেন অনেকে।

এদিকে নগরীর বৃহত্তর ফার্নিচার হাট খ্যাত বলিররহাট ও ফিরিঙ্গীবাজারের একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, বন বিভাগের একচ্ছত্র আধিপত্য গিয়াস উদ্দিনের। তার চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারলে ব্যবসা করা কঠিন। চট্টগ্রামের যে কোন গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা একই কথা বলবে এমন দাবি করে বলেন, বান্দরবান, সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়া, রাঙামাটি খাগড়াছড়ির ব্যবসায়ীরাও গিয়াস উদ্দিনের হাতে জিম্মি।

‎এই বিষয়ে গিয়াস উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন তিনি সব দায় এস ও আশরাফ এর বলেই ফোনের লাইন কেটে দেন।এর পর তাকে বারবার ফোন করলে ও তিন আর ফোন রিসিভ করেন নি,পরে থাকে তার ওয়াটসআপ নাম্বারে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়ে ও তার পুরোপুরি বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এইবিষয়ে ফৌজদারহাট বিটের স্টেশন অফিসার আশরাফ এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন মাত্র দেড় মাস আগে আমি এই স্টেশনে যোগদান করেছি, গিয়াস উদ্দিন এর ব্যাপারে অভিযোগ পাইলে উর্ধতন কর্মকর্তাগন অফিসিয়ালি ব্যাবস্হা নিবেন।

‎দ্বিতীয় পর্ব আসছে…

কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 12:03 pm
কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর নেভাল একাডেমি সংলগ্ন এলাকায় পাথরবোঝাই একটি লাইটার জাহাজ আংশিক ডুবে গেছে। তবে এ ঘটনায় জাহাজে থাকা ১২ নাবিকের সবাইকে জীবত অবস্থায় উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নেভাল একাডেমির বিপরীতে ট্রেনিং ওয়ালের পাশে ‘এমভি বে হারবার-২’ নামের লাইটার জাহাজটি এই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

কোস্টগার্ডের জনসংযোগ শাখা থেকে জানা গেছে, জাহাজডুবির খবর পাওয়া মাত্রই কোস্টগার্ডের একটি দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আটজন এবং পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে আরও চারজনসহ মোট ১২ নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 11:05 am
আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ঋণ খেলাপি হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন। এর আগে ১৫ জুন শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেছিলেন।

আদালতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

আসলাম চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

ঋণ খেলাপির অভিযোগ থাকা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিন গত ১৮ জানুয়ারি বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংকের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করে দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরে আপিল বিভাগে আবেদন করে।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী লিভ টু আপিল করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

ফলে আসলাম চৌধুরী নির্বাচন করার সুযোগ পান। কিন্তু আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত থাকবে এবং ফলাফল প্রকাশ হবে না বলে আদেশ দেওয়া হয়।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি।