খুঁজুন
, ,

আর্জেন্টিনা দলে নেই, পিএসজির অনুশীলনে মেসি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 21 January, 2022, 1:09 pm
আর্জেন্টিনা দলে নেই, পিএসজির অনুশীলনে মেসি

একদিন আগেই বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দুই ম্যাচ সামনে রেখে দল ঘোষণা করেছিল আর্জেন্টিনা। যেখানে জায়গা হয়নি লিওনেল মেসির।

আলবিসেলেস্তেদের স্কোয়াড ঘোষণার ঠিক পরদিন শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) ক্লাব পিএসজির হয়ে অনুশীলনে ফিরলেন মেসি। সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন ফিরতে পেরে যেন স্বস্তি পেলেন তিনি। অনুশীলনের সারাটা সময় বেশ ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন।

গত কয়েকটা দিন কম ধকল যায়নি। বড়দিনের ছুটিতে দেশে গিয়ে করোনা আক্রান্ত হন। এরপর করোনা থেকে সেরে উঠলেও পিএসজির হয়ে বেশ কিছুদিন মাঠের বাইরে রয়েছেন। এরপর আর্জেন্টিনার স্কোয়াডেও জায়গা হারান।

পিএসজির হয়ে সবশেষ মাঠে নেমেছিলেন গেল ২২ ডিসেম্বর। তবে দলীয় অনুশীলনে আজ ফিরলেও ব্যক্তিগত অনুশীলনে অবশ্য অনেক আগেই ফিরেছেন তিনি।

আর্জেন্টিনা যখন বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে খেলবে, তখন খেলা রয়েছে পিএসজিরও। ধারণা করা হচ্ছে, সে সময়ই হয়তো ক্লাবের হয়ে মাঠে ফিরবেন মেসি।

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আর্জেন্টিনা প্রথম ম্যাচে চিলির মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৮ জানুয়ারি। কলম্বিয়ার বিপক্ষে পরের ম্যাচটি ২ ফেব্রুয়ারি। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আর্জেন্টিনা এখন ১৩ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে আছে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে। সমান ম্যাচে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে সবার শীর্ষে আছে ব্রাজিল।

আর্জেন্টিনা স্কোয়াড

গোলরক্ষক: ফ্রাঙ্কো আরমানি, এস্তেবান আন্দ্রাদা, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, হুয়ান মুসো।

ডিফেন্ডার: নাহুয়েল মলিনা, গঞ্জালো মন্তিয়েল, লুকাস মার্টিনেজ কোয়ার্তা, জার্মান পেৎজেলা, নিকলাস অটামেন্ডি, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকলাস টালিয়াফিকো, মার্কোস আকুনইয়া।

আরও পড়ুন: ফুটবলের জমিদার বাড়ি

মিডফিল্ডার: নিকোলাস গঞ্জালেস, লুকাস অক্যাম্পোস, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, গিদো রদ্রিগেজ, রদ্রিগো ডি পল, জিওভানি লো চেলসো, আলেহান্দ্রো পাপু গোমেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া।

ফরোয়ার্ড: আনহেল ডি মারিয়া, আনহেল কোরেয়া, জুলিয়ান আলভারেজ, লাওতারো মার্টিনেজ, হোয়াকিন কোরেয়া, পাওলো দিবালা।

এন-কে

Feb2

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহতের সংখ্যা ছাড়াতে পারে ১ লাখ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 10:32 am
ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহতের সংখ্যা ছাড়াতে পারে ১ লাখ

ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আঘাত হেনেছে দুটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও বিধ্বংসী ভূমিকম্প। এই জোড়া ভূকম্পনের ফলে রাজধানী শহরের একাধিক আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন ধসে পড়েছে এবং আতঙ্কে হাজার হাজার বাসিন্দা রাস্তায় নেমে এসেছেন।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বা ইউএসজিএস জানিয়েছে যে প্রথম ৭ দশমিক ২ মাত্রার তীব্র ভূমিকম্পটির ঠিক ৩৯ সেকেন্ড পরেই ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি তীব্র ভূকম্পন আঘাত হানে।

মার্কিন ভূবিজ্ঞানী বা ইউএসজিএস-এর প্রাথমিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে যে এই প্রলয়ঙ্করী দুর্যোগে ভেনিজুয়েলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই দুর্যোগে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর সম্ভাবনা ৪৪ শতাংশ এবং মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৩০ শতাংশ।

এ ছাড়া ভূমিকম্পের তীব্রতার কারণে পার্বত্য অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিধস এবং সমতলে মাটির তারল্য বা লিকুইফেকশন হওয়ার মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। ঘটনার পরপরই ভেনিজুয়েলা উপকূল এবং নিকটবর্তী আরুবা ও বোনাইর দ্বীপপুঞ্জের জন্য সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরবর্তী সময়ে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

ভেনিজুয়েলার অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী দিওসদাদো কাবেয়ো দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ভিটিভি-তে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে নিশ্চিত করেছেন যে শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের কারণে রাজধানী কারাকাসের বেশ কিছু বহুতল ভবন ভেঙে পড়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে শহরের অসংখ্য বাড়িঘরে বড় ধরনের ফাটল তৈরি হয়েছে এবং কিছু ভবন সম্পূর্ণ ধসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মন্ত্রী জানান যে কারাকাস ছাড়াও দেশের ত্রুহিলিও, ইয়ারাকুই, কারাবোবো, আরাগূয়া, মিরান্দা এবং লা গুয়াইরা রাজ্য এই ভূমিকম্পে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কারাকাসের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে লস পালোস গ্রান্দেস এবং আলতামিরা নামক দুটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। উল্লেখ্য যে ১৯৬৭ সালে ভেনিজুয়েলার রাজধানীতে আঘাত হানা সর্বশেষ বড় ভূমিকম্পেও এই দুটি এলাকা সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞের মুখোমুখি হয়েছিল এবং সে সময় প্রায় ২০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।

ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি-র একজন সাংবাদিকের পাঠানো ছবিতে কারাকাস শহরের একটি ঐতিহ্যবাহী ব্যাংক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে দেখা গেছে। ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে শত শত কিলোমিটার দূরে প্রতিবেশী দেশ কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতাতেও তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে এবং সতর্কতাস্বরূপ সেখানকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ইউএসজিএস-এর তথ্য অনুযায়ী স্থানীয় সময় গত বুধবার বিকেল ৬টা ৪ মিনিটে প্রথম ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পটি ইয়ারাকুই রাজ্যে উৎপন্ন হয় যার গভীরতা ছিল মাটির নিচে ২১ দশমিক ৯ কিলোমিটার। এর মাত্র ৩৯ সেকেন্ড পর আঘাত হানা ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ইউমারে শহর থেকে ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং এর গভীরতা ছিল ভূগর্ভের মাত্র ১০ কিলোমিটার।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং বিবিসি সাংবাদিক নিকোল কোলস্টার জানান যে এটি তার জীবনের অনুভূত সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পন ছিল এবং সাত তলার ফ্ল্যাটে থাকার সময় তীব্র ঝাঁকুনিতে তার মনে হয়েছিল পুরো ভবনটি বুঝি তার গায়ের ওপর ভেঙে পড়বে।

ভূমিকম্পের এই ঘটনাটি ভেনিজুয়েলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ছুটির দিনে ঘটেছে। দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতা সিমন বলিভার কর্তৃক স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক ১৮২১ সালের কারাবোবো যুদ্ধের বিজয়ের স্মরণে গতকাল দেশটিতে সাধারণ ছুটি ছিল। ফলে অন্য যেকোনো কর্মদিবসের তুলনায় সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ সপরিবারে নিজেদের ঘরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

এই চরম সংকটের মুহূর্তে ভেনিজুয়েলার নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে দেশবাসীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেছেন যে এই চরম উদ্বেগের সময়ে তার অন্তর এবং প্রার্থনা ভেনিজুয়েলার প্রতিটি ব্যথিত পরিবারের সঙ্গে রয়েছে।

 

গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর তিনে তিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 10:02 am
গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর তিনে তিন

চেক রিপাবলিককে উড়িয়ে দিলো মেক্সিকো। বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশটি গ্রুপ পর্বে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রেখেছে। তিন গোলের সবগুলো দ্বিতীয়ার্ধে দিয়েছে তারা। মেক্সিকো সিটিতে ৩-০ গোলে জিতেছে স্বাগতিকরা।

মাতেও শাভেজ, জুলিয়ান কুইনোনেস ও আলভারো ফিদালগোর গোলে মেক্সিকো তিন ম্যাচে তৃতীয় জয় পেয়েছে। তাতে এ গ্রুপ থেকে বিদায় নিতে হলো চেকদের।

চেকদের হয়ে একটি প্রচেষ্টা গোলবারের পাশ দিয়ে মারেন ডেনিস ভিসিনস্কি। তবে মেক্সিকো সিটিতে প্রথমার্ধে এমন সুযোগ খুব কমই এসেছে। আগেই গ্রুপের এক নম্বর জায়গা নিশ্চিত করা মেক্সিকো বেশ কিছু পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছিল। প্রথম শট নিতে তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল ৩৬ মিনিট। বক্সের প্রান্ত থেকে ইসরায়েল রেয়েসের ওভারহেড কিক গোলবারের পাশ দিয়ে যায়।

ডেভিড দোদেরা ও কুইনোনেস দূর পাল্লার শট বারের ওপর দিয়ে যায়। হোর্হে সানচেজের শটে প্রথম সেভ করেন চেক গোলকিপার মাতেজ কোভার।

বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ায় মেক্সিকো। এক ঘণ্টার আগেই ছয় মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে তারা। দল ভালো অবস্থানে থাকার পর মেক্সিকো ৪০ বছর বয়সী কিপার গুইলেরমো ওচোয়াকে চতুর্থ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ করে দেন। স্টপেজ টাইমে মেক্সিকো আরেকটি গোল করলে বড় জয় নিশ্চিত হয় তাদের। এ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নরা আগামী ১ জুলাই শেষ ৩২ এর ম্যাচ খেলবে তৃতীয় সেরা একটি দলের সঙ্গে।

দক্ষিণ কোরিয়াকে চমকে দিয়ে প্রথমবার নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 9:52 am
দক্ষিণ কোরিয়াকে চমকে দিয়ে প্রথমবার নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা

হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল মেক্সিকো। দ্বিতীয় ম্যাচে ড্র। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে চমকে দিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। বুধবার মেক্সিকোর গুয়াদালুপেতে ১-০ গোলে জিতেছে বাফানা বাফানারা।

শেপাং মোরেমির ক্রসে ৬৩তম মিনিটে থাপেলো মাসেকো গোল করেন। ওই এক গোলেই জিতেছে তারা এবং এ গ্রুপে মেক্সিকোর পেছনে থেকে শেষ ৩২ এ দক্ষিণ আফ্রিকা।

ক্যালিফোর্নিয়ার ইঙ্গেলউডে আগামী রোববার নকআউটের ম্যাচ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা। বি গ্রুপের রানার্সআপ কানাডার মুখোমুখি হবে তারা।

১৯৯৮, ২০০২ ও ২০১০ সালে বিশ্বকাপে খেললেও দক্ষিণ আফ্রিকা গ্রুপ পর্বের বাধা পার করতে পারেনি। এবারের আসরে মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে হার দিয়ে শুরু। তবে চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে শেষ দিকের গোলে ১-১ ব্যবধানে ড্র করেছিল তারা। মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়ার পেছনে থেকে গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল দলটি। কিন্তু তায়েগিউক ওয়ারিয়র্সকে চমকে দিলো তারা।

দক্ষিণ কোরিয়া চেকদের বিপক্ষে পেছনে থেকেও ২-১ গোলে জিতে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল এবং মেক্সিকোর কাছে ১-০ গোলে দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে যায়।

২০০২ সালের নকআউটে ওঠা প্রথম এশিয়ান দল ছিল দক্ষিণ কোরিয়া। ওইবার চতুর্থ স্থানে থেকে বিশ্বকাপ শেষ করেছিল তারা। এরপর ২০০২ ও ২০১০ সালে গ্রুপের বাধা পেরিয়ে শেষ ষোলোতে থেকে যায় কোরিয়ানরা।