খুঁজুন
, ,

সাম্প্রদায়িক ভেদ বুদ্ধির উর্ধ্বে মাইজভান্ডারী ত্বররিকা-সৈয়দ আহমদ হোসাইন শাহরিয়ার মাইজভাণ্ডারী (ম.)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 25 January, 2022, 7:50 pm
সাম্প্রদায়িক ভেদ বুদ্ধির উর্ধ্বে মাইজভান্ডারী ত্বররিকা-সৈয়দ আহমদ হোসাইন শাহরিয়ার মাইজভাণ্ডারী (ম.)

মাইজভান্ডার দরবার শরীফের আহমদিয়া মন্জিলের মোন্তাজেম ও সাজ্জাদানশীনে দরবার আলহাজ্ব শাহসুফি সৈয়দ আহমদ হোসাইন শাহরিয়ার মাইজভাণ্ডারী (ম.) বলেছেন,উপমহাদেশের প্রধান আধ্যাত্মিক চর্চার প্রাণকেন্দ্র মাইজভান্ডার দরবার শরীফ। এটি কেবল একটি দর্শন, পারলৌকিক সাধনা কিংবা চেতনার নাম নয়। বরং একটি মানবতাবাদী, অসাম্প্রদায়িক এবং বিচারসাম্য মূলক সমাজ বিনির্মাণের সংগ্রাম। এ দর্শন সব ধরনের গোঁড়ামি ও মানবতাবিরোধী অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক বিপ্লব। মাইজভান্ডার দর্শনে ধর্ম সাম্যের যে বাণী তার যথার্থ প্রতিফলন পরিলক্ষিত হয় এর প্রবর্তক শাহ সুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (কঃ)’র কর্মকান্ডের মধ্যে। তিনি জাতি–ধর্ম–বর্ণ–গোষ্ঠীর সকলকে স্ব–স্ব ধর্মে থেকে কাজ করার ও আল্লাহকে স্মরণ করার পরামর্শ দিতেন। তাই সাম্প্রদায়িক ভেদ বুদ্ধির উর্ধ্বে মাইজভান্ডারী ত্বররিকা। এ ত্বরিকার অনুস্মরণ ও অনুকরণেই আমরা ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির পথ সুগম হবে।

তিনি গতকাল সোমবার বিকেলে মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে অধ্যাত্ম শরাফতের মহান প্রতিষ্ঠাতা ও মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার একমাত্র প্রবর্তক হযরত গাউসুলআজম মাইজভাণ্ডারী মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) প্রকাশ হযরত কেবলা কাবা’র ১১৬তম পবিত্র বার্ষিক ওরশ শরীফে আগত আশেক ভক্তদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।
এসময় আলহাজ্ব শাহসুফি সৈয়দ সাজ্জাদ হোসাইন সোহেল মাইজভাণ্ডারী (ম.) উপস্খিত ছিলেন।বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কাজী মুহাম্মদ জানে আলম বাবুল, যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ, আব্দুল হামিদ, মুফিজুল আলম, সদস্য সচিব নাজমুল হাসান মাহমুদ শিমুল, সহকারী সচিব মুহাম্মদ হাসান, লালন ওসমান, কফিল উদ্দিন প্রমূখ ।মাওলানা মুহাম্মদ জহুরুল হকের পরিচালনায় মিলাদে নববী ও তাওয়াল্লোদে গাউছিয়া শেষে বাংলাদেশসহ বিশ্ব শান্তি কামনায় মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গণী। এতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ,শাখা ও দায়রার সভাপতি / সাধারণ সম্পাদক ,ওরশ শরীফের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপারভাইজার,সুপ্রিম সুপারভাইজার এবং বিভাগীয় পরিচালকসহ বিপুল সংখ্যক আশেকানে মাইজভাণ্ডারীগন উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ চট্টগ্রামের গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা, জিম্মি সহকর্মীরাও

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 1:37 pm
ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ চট্টগ্রামের গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা, জিম্মি সহকর্মীরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে কর্মরত ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যাপক চাঁদাবাজি ও সহকর্মীদের জিম্মি করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

উত্তর বন বিভাগের লাইন নিয়ন্ত্রক ও ফৌজদারহাট বন বিটের ক্যাশিয়ার হিসেবে সর্বত্র তার পরিচিতি রয়েছে। চট্টগ্রামে তার বাড়ি হওয়ায় ভিন্ন জেলার সহকর্মী ও উর্ধ্বতনদের পাত্তাই দেয় না গিয়াস উদ্দিন।

‎অনুসন্ধানে জানা যায়, গিয়াস উদ্দিনের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়। বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ফৌজদারহাট বিট অফিসে। তার পদবী (এফ,জি) ফরেস্ট গার্ড হলেও চলনে,বলনে তিনি যেন মস্ত বড় অফিসার। উত্তর বন বিভাগের লাইন নিয়ন্ত্রক হিসেবে আয়ও করেন ভালো। নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রাম বন বিভাগে কর্মরত অনেকেই বলেন, তার দৈনিক আয় ৪০/৫০ হাজার টাকার অধিক।

বিভিন্ন গাছ ও ফার্নিচারের গাড়ি থেকে দৈনিক লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করেন বলে নিশ্চিত করেন তার সহকর্মীরাই।

সুত্র জানায়, কিছু অসাধু উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও গিয়াস উদ্দিনের চাঁদার ভাগ পায়। দৈনিক লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করলেও সেই টাকার ৫০/৬০ ভাগ চলে যায় উর্ধ্বতনদের ম্যানেজ করতে।

অপর এক সুত্র জানায়, গত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গিয়াস উদ্দিন আওয়ামী ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে একটানা ৯ বছর চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে কর্মরত থাকেন। ৫ আগস্টের পরেও রহস্য জনক কারণে গিয়াস উদ্দিন রয়েছেন একই রেঞ্জে বহাল তবিয়তে। একটানা ১০/১১ বছর একই রেঞ্জে কর্মরত থাকার নজির বন বিভাগে না থাকলেও গিয়াস উদ্দিন এই নজির স্থাপন করেছেন বলে দাবি করেন অনেকে।

‎দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে বদলি হওয়ার বিধান থাকলেও গিয়াস উদ্দিনের টাকার কাছে তা অকার্যকর।

‎চট্টগ্রামের বলিরহাট, বহদ্দারহাট, ফিরিঙ্গী বাজার, বাদুরতলা,শোলক বহর সহ বিভিন্ন এলাকার ১০/১২ জন গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা যায়, গাছের বা ফার্নিচারের প্রতি গাড়ি হতে ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন ফরেস্টর গিয়াস উদ্দিন। এছাড়া মাসোহারাও দিতে হয় প্রতি মাসে।

গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠের শুরে বলেন, ‎বন বিভাগের যন্ত্রনায় ব্যবসা করা কঠিন হয়ে উঠেছে। এছাড়া বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়া, বাঁশখালী, ফটিকছড়ি সহ অন্যান্য এলাকা থেকেও যে সব গাছ ও ফার্নিচারের গাড়ি আসে তাদের থেকেও নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায় করেন গিয়াস উদ্দিন।

দৈনিক ২০টির অধিক গাড়ি থেকে ফৌজদারহাট বিটে চাঁদাবাজি হয় বলে নিশ্চিত করেন অনেকে।

এদিকে নগরীর বৃহত্তর ফার্নিচার হাট খ্যাত বলিররহাট ও ফিরিঙ্গীবাজারের একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, বন বিভাগের একচ্ছত্র আধিপত্য গিয়াস উদ্দিনের। তার চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারলে ব্যবসা করা কঠিন। চট্টগ্রামের যে কোন গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা একই কথা বলবে এমন দাবি করে বলেন, বান্দরবান, সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়া, রাঙামাটি খাগড়াছড়ির ব্যবসায়ীরাও গিয়াস উদ্দিনের হাতে জিম্মি।

‎এই বিষয়ে গিয়াস উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন তিনি সব দায় এস ও আশরাফ এর বলেই ফোনের লাইন কেটে দেন।এর পর তাকে বারবার ফোন করলে ও তিন আর ফোন রিসিভ করেন নি,পরে থাকে তার ওয়াটসআপ নাম্বারে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়ে ও তার পুরোপুরি বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এইবিষয়ে ফৌজদারহাট বিটের স্টেশন অফিসার আশরাফ এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন মাত্র দেড় মাস আগে আমি এই স্টেশনে যোগদান করেছি, গিয়াস উদ্দিন এর ব্যাপারে অভিযোগ পাইলে উর্ধতন কর্মকর্তাগন অফিসিয়ালি ব্যাবস্হা নিবেন।

‎দ্বিতীয় পর্ব আসছে…

কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 12:03 pm
কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর নেভাল একাডেমি সংলগ্ন এলাকায় পাথরবোঝাই একটি লাইটার জাহাজ আংশিক ডুবে গেছে। তবে এ ঘটনায় জাহাজে থাকা ১২ নাবিকের সবাইকে জীবত অবস্থায় উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নেভাল একাডেমির বিপরীতে ট্রেনিং ওয়ালের পাশে ‘এমভি বে হারবার-২’ নামের লাইটার জাহাজটি এই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

কোস্টগার্ডের জনসংযোগ শাখা থেকে জানা গেছে, জাহাজডুবির খবর পাওয়া মাত্রই কোস্টগার্ডের একটি দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আটজন এবং পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে আরও চারজনসহ মোট ১২ নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 11:05 am
আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ঋণ খেলাপি হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন। এর আগে ১৫ জুন শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেছিলেন।

আদালতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

আসলাম চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

ঋণ খেলাপির অভিযোগ থাকা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিন গত ১৮ জানুয়ারি বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংকের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করে দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরে আপিল বিভাগে আবেদন করে।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী লিভ টু আপিল করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

ফলে আসলাম চৌধুরী নির্বাচন করার সুযোগ পান। কিন্তু আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত থাকবে এবং ফলাফল প্রকাশ হবে না বলে আদেশ দেওয়া হয়।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি।