খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অসাম্প্রদায়িক মনোভাবের কারণেই জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সমাদৃত-সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২২, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
অসাম্প্রদায়িক মনোভাবের কারণেই জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সমাদৃত-সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনুপম আদর্শ আওলাদে রাসূল (দ.), ইমামে আহলে সুন্নাত, শায়খুল ইসলাম, হুজুর গাউছুল ওয়ারা, হযরত শাহসূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.) শীর্ষক সেমিনার, স্মরণ সভা ও গুণীজন সম্মাননা আজ ২৯ জানুয়ারি, শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়। মাইজভাণ্ডার রহমানিয়া মইনীয়া দরসে নেজামী মাদ্রাসার সাবেক ছাত্র সংসদের উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পার্লামেন্ট অব ওয়ার্ল্ড সূফীজের প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)’র চেয়ারম্যান শাহসূফী সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (মা.জি.আ.)।সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, মানব মুক্তির নির্ভুল দিকনির্দেশনার মাধ্যমে ইসলামের আলোক শিখায় মানুষকে আলোকিত ও পরিশুদ্ধ জীবনের দিশা দেওয়াই হচ্ছে প্রিয়নবী (দ.)’র জীবন দর্শন। তিনি বলেন, ব্যক্তি পরিবার, সমাজ জীবনে ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ইসলামী নির্দেশনা উপেক্ষিত হচ্ছে বলেই জনজীবনে সীমাহীন দুর্ভোগ ও অশান্তি নেমে এসেছে। নবী ওলীদের প্রদর্শিত শান্তির মুক্তির পথে চলে দুনিয়া আখেরাতে সাফল্য ও স্থায়ী মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। আত্মশুদ্ধি ও নির্মল আত্মা গঠন ছাড়া কখনো মুক্তির লক্ষ্য অর্জিত হবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি। হুজুর কেবলা আউলিয়ায়ে কেরামসহ মাইজভাণ্ডারী সূফী তাত্তিক ব্যক্তিদের জীবন দর্শন অনুসরণের মাধ্যমে অশান্তি, অবক্ষয় ও নৈরাজ্যপূর্ণ পরিস্থিতি থেকে মুক্তির পথ খোঁজার আহ্বান জানান। 

প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আল্হাজ্ব এম রেজাউল করিম।
উদ্বোধক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের সাবেক ডীন ও শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. সেকান্দর চৌধুরী। তিনি বলেন, সততা সহিষ্ণুতা সহানুভূতি ধৈর্য্য, ক্ষমা ও ত্যাগ ধর্মের মূল সোপান। এই গুণেই হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী মানুষকে মানবতা, মানবপ্রেম ও সম্প্রীতির আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি তাঁর কর্মাচরণে মানুষকে মানুষের মর্যাদায় উন্নীত করে বিবেকবোধ জাগিয়ে পরিশুদ্ধ করে তোলতেন। তাঁর অসাম্প্রদায়িক মনোভাবের কারণেই তিনি জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলের নিকট সমাদৃত হন। এটাই সূফি সাধক তথা আউলিয়ায়ে কেরামের শিক্ষা। বক্তারা হুজুর কেবলার জীবনাদর্শ তথা আউলিয়ায়ে কেরামের অনুসরণের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হযরতুল আল্লামা আবুল কাশেম নূরী (মা.জি.আ.), আন্জুমান সাবেক সভাপতি আল্হাজ্ব মুহাম্মদ ইকবাল রিসালপুরী, আন্জুমান সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো: আলমগীর খান, হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্টের মহাসচিব কাজী মহসীন চৌধুরী, চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চবির আরবি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এসএম রফিকুল আলম। হাফেজ নাজের হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন লেখক-কলামিস্ট রাজনীতিবিদ প্রফেসর ড. মো: মাসুম চৌধুরী, বীর চট্টগ্রাম মঞ্চের সম্পাদক সাংবাদিক সৈয়দ ওমর ফারুক, ১১নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর অধ্যাপক মো: ইসমাইল, হাফেজ মাওলানা কবির হোসেন, হাফেজ মাওলানা মুফতী মাকসুদুর রহমান, শায়খ আজমাঈন আসরার জামালপুরী, মাওলানা ইসমাইল হোসেন সিরাজী, আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার বিকিড়ন বড়–য়া রাসেল, আন্জুমান চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি বোরহান উদ্দিন, উত্তর জেলা সভাপতি খলিফা আবদুল হামিদ, দক্ষিণ জেলা সাধারণ সম্পাদক কাজী মো: শহীদুল্লাহ, কেন্দ্রীয় সহপ্রচার সম্পাদক শাহ্ মো: ইব্রাহিম মিয়া মাইজভাণ্ডারী, আলী মরতুজা সিরাজী, মইনীয়া যুব ফোরামের মহানগর সভাপতি মো: নোমান উদ্দিন রাজিব, সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন রাজিব, উত্তর জেলা সভাপতি আকবর হোসেন রুবেল, সাধরণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আপন, দক্ষিণ জেলা সভাপতি মো: মামুন রেজা, সাধারণ সম্পাদক মো: শহীদুল্লাহ, হাফেজ মিজানুর রহমান, হারভাঙ্গিরি দরবার শরীফের আওলাদে পাক, চরনদ্বীপ দরবার শরীফের আওলাদে পাকসহ বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরামগণ প্রমুখ। সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ছাত্র সংসদের সভাপতি হাফেজ মো: নূরুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক মো: জহিরুল ইসলাম। সেমিনারে ২৪ গুণী ব্যক্তিকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।